অপরাধ

ভয়েস ক্লোন ও এআই প্রযুক্তিতে অভিনব জালিয়াতি: প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
মিজানুর রহমান আজহারী
মিজানুর রহমান আজহারী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ধরণের নতুন আপদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এআই-চালিত জালিয়াতি। একদল কুচক্রী মহল জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ছবি ও ভয়েস ক্লোন করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতারণামূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরণের অবৈজ্ঞানিক ওষুধি পণ্য এবং চিকিৎসা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে, যা দেখে প্রযুক্তির এই নেতিবাচক দিক সম্পর্কে অজ্ঞাত সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

 

এই প্রতারণার আঁচ লেগেছে সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘হাসানাহ ফাউন্ডেশন’-এর ওপরও। ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল নম্বরে ফোন করছেন, যা তাঁদের দাপ্তরিক কাজে বড় ধরণের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্ব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এ ধরণের কোনো বিজ্ঞাপন বা পণ্য বিক্রির সাথে তাঁর বা তাঁর ফাউন্ডেশনের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। এটি কেবল অনৈতিক নয়, বরং চরম জঘন্য একটি অপরাধ।

 

আইনি ব্যবস্থা ও চূড়ান্ত সতর্কতা:
এই ন্যাক্কারজনক জালিয়াতি রুখতে ইতোমধ্যেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রতারক পেজ ও মিডিয়াগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যা দ্রুতই পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে হস্তান্তর করা হবে। দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে—যেখান থেকেই এই ধরণের ডিজিটাল অপরাধ চালানো হচ্ছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রতারকদের প্রতি ‘চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি’ উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, অনতিবিলম্বে এই ধরণের প্রতারণামূলক কন্টেন্ট রিমুভ না করলে কোনো ধরণের আপস ছাড়াই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসাথে মেধা ও প্রযুক্তির দক্ষতাকে অনৈতিক পথে ব্যবহার না করে হালাল উপায়ে জীবিকা অন্বেষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ:
যেকোনো প্রলোভন বা বিজ্ঞাপনের সত্যতা যাচাই করতে সর্বদা হাসানাহ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল সোর্স ব্যবহার করুন। কোনো ধরণের ব্যক্তিগত তথ্য বা অর্থ লেনদেনের আগে ভেরিফাইড সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে মিলিয়ে নিন। আপনাদের সচেতনতাই পারে এই ডিজিটাল মাফিয়াদের রুখে দিতে। সকল অফিশিয়াল লিংক নিচে দেওয়া হলো...

 

Website: https://mizanurrahmanazhari.net/

Instagram: https://www.instagram.com/dr.mizanur.rahman.azhari

X (Twitter): https://x.com/AzhariTweets

Youtube: https://www.youtube.com/@DrMizanurRahmanAzhariChannel

Facebook: https://www.facebook.com/mizanurrahmanazhariofficial

TikTok: https://www.tiktok.com/@mizanurrahmanazhari

হাসানাহ ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইট:

Website: https://hasanahfoundation.com

Facebook Page: Hasanah Foundation

Group: https://www.facebook.com/groups/Hsanah4All

Hasanah Olympiad Page: Hasanah Olympiad

Hasanah Olympiad Website: https://hasanaholympiad.com

Youtube: https://www.youtube.com/@HasanahFoundation

Instagram: https://www.instagram.com/HasanahFoundation_official

X (Twitter): https://www.x.com/Hasanah4All

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

অপরাধ

View more
বিদেশি মদ উদ্ধার
গাজীপুরে র‍্যাবের অভিযানে পিকআপ ভর্তি বিদেশি মদ উদ্ধার: চালকসহ গ্রেফতার ২

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি পিকআপ ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১)। গত ২৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ দুপুরে চন্দ্রা এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করে এই অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত মদের বাজারমূল্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা বলে জানিয়েছে র‍্যাব।   গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার চরশিহারী গ্রামের আশরাফুল আলম (২২) এবং একই থানার পাইকুড়া গ্রামের মো. শামীম মিয়া (২৪)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১০৭ বোতল (৮০.২৫ লিটার) বিদেশি মদ, মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপ (ঢাকা-মেট্টো-ন-১৯-৯৩১৬) এবং দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।   র‍্যাব-১, সিপিএসসি, গাজীপুর ক্যাম্পের আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, নেত্রকোণা থেকে একটি পিকআপে করে বিদেশি মদের বড় একটি চালান গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকার দিকে আসছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে চন্দ্রা টু ডাইনকিনি রোডের মাথায় শাহা প্লাজার সামনে চেকপোস্ট বসায় র‍্যাব। দুপুর আনুমানিক ১২.৩০ ঘটিকায় সন্দেহভাজন পিকআপটি থামিয়ে তল্লাশি চালালে মদের বোতলগুলো উদ্ধার করা হয়।   র‍্যাব-১-এর ভারপ্রাপ্ত মিডিয়া অফিসার ক্যাপ্টেন ইফতেখার আহমেদ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অবৈধ মাদক সংগ্রহ করে গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত আলামতসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালিয়াকৈর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে র‍্যাবের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদ‌হে কৃষক দল নেতা‌কে কু‌পি‌য়ে ও পি‌টি‌য়ে হত্যা

ছবি: সংগৃহীত।

হাদি হত্যা প্রসঙ্গে যা বললেন অভিযুক্ত ফয়সাল

৪ জনকে গুলি

খুলনায় ঘরে ঢুকে একই পরিবারের ঘুমন্ত ৪ জনকে গুলি

হত্যার পর আটক ছোট ভাই
বোনকে হত্যার পর বোরকা পরে পালানোর সময় জনতার হাতে আটক ছোট ভাই

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরে বোনকে কুপিয়ে হত্যার পর বোরকা পরে পালানোর সময় ছোট ভাইকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। সোমবার (২ মার্চ) রাত ১১টার দিকে হালিশহর থানার ঈদগাহ বড় পুকুর দক্ষিণপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।   নিহত সেনোয়ারা বেগম স্থানীয় বাসিন্দা সাবের আহমেদের স্ত্রী। হত্যার অভিযোগে আটক ছোট ভাইয়ের নাম জানে আলম। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।   প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় সেনোয়ারার স্বামী ও ছেলে তারাবির নামাজ পড়তে মসজিদে ছিলেন। বাসায় একা থাকা অবস্থায় জানে আলম স্বর্ণালংকার নিতে গেলে বোন বাধা দেন। এ সময় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে জানে আলম বোরকা পরে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সন্দেহজনক আচরণ দেখে ধাওয়া দিয়ে আটক করেন।   পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিকে থানায় নেওয়ার সময় একদল বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনির চেষ্টা করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।   নিহতের ছেলে সেকান্দার হোসেন বলেন, তারাবির নামাজ শেষে বাসায় ফিরে তারা ঘটনাটি জানতে পারেন এবং দেখেন লোকজন তার মামাকে আটক করে রেখেছে।   হালিশহর থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সুলতান মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং জানে আলমকে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
কিশোরী নাতনিকে অপহরণ

এবার নাতনিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করে হত্যা, উঠানে দাদির মরদেহ

বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

মাহফিলের প্রধান অতিথি হওয়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত: বিএনপি কর্মী এরশাদ আলী নিহত

হত্যা

ফরিদপুরে তুচ্ছ ঘটনায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা: দম্পতি আটক

ছবি: সংগৃহীত
নকল টাকা উদ্ধারের নামে পৌনে ৪ কোটি টাকা লোপাট, গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ‘নাটক’ বলে প্রমাণিত

গত বছরের ৮ নভেম্বর রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় একটি গোয়েন্দা পুলিশ অভিযানকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণ নকল টাকা উদ্ধারের দাবি করা হয়েছিল। তবে পুলিশের বিশেষ তদন্তে দেখা গেছে, ওই অভিযানটি ছিল সাজানো নাটক; প্রকৃতপক্ষে ঐদিন সেখানে অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশের সদস্যরা এক ব্যবসায়ীর নগদ পৌনে চার কোটি টাকা লুকিয়ে নিয়ে গেছে।   ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পুলিশের সোর্সের জবানবন্দি এবং বিশেষ তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলাটি পুনরায় এবং অভ্যন্তরীণভাবে তদন্তে পেয়েছে যে, অভিযানের নামে টাকা লোপাটের বিষয়টি সত্য রয়েছে। তদন্তে পোস্টের হাতে আসা ভিডিও বক্তব্য, সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করা হয়েছে।   প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার এক সোর্স ঢাকায় পরিচিত পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে ওয়ারীর একটি বাসায় বিপুল টাকার খবর দেন। ৮ নভেম্বর রাতে ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার তারেক সেকান্দারের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের আভিযানিক টিম ওই বাসায় অভিযান চালায়। তল্লাশিতে একটি কক্ষে ৪–৫ কোটি টাকার মতো নগদ টাকা পাওয়া যায়।   তল্লাশি চালানোর পর ডিবি পুলিশ ওই টাকা কয়েকটি ব্যাগে ভরে নিচে পাঠায়। পরে গণমাধ্যম ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দেখানোর জন্য সেখানে ১০–১৫ লাখ টাকা এবং কিছু ব্যাগে জাল নোট রাখা হয় এবং অভিযানে আটক দুজনকে জাল টাকার সাথে জড়িত দেখানো হয়। পরে ওই তথ্য ভিত্তিতে পুলিশি মামলা দায়ের করা হয়।   পুলিশ সোর্স ও জবানবন্দিতে বলা হয়েছে, অভিযান শেষের পর এএসআই সুম্ময় শর্মা সোর্সদের অর্থিক ‘মানি’ হিসেবে নগদ টাকা দেয় এবং ঘটনায় অংশগ্রহণকারী পুলিশের কিছু সদস্য টাকা ভাগের পেছনের পরিকল্পনাকে স্বীকার করেছে। পরে প্রকৃত মালিকের অভিযোগে এবং আলামতের ভিত্তিতে পুনঃতদন্ত শুরু হয়।   ডিবি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেও নির্দোষ ব্যাখ্যা না পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে নতুন তদন্ত শুরু করেন।  সিসিটিভি ফুটেজ এবং মোবাইল সিডিআর বিশ্লেষণে অপরাধীদের অবস্থান ও ঘটনাস্থলের তথ্য অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তদন্তের একটি পর্যায়ে ডিবি সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনা পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-এর কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছিনতাই । প্রতীকী ছবি

ছিনতাইয়ের কবলে পড়ছে শিক্ষার্থী-নাগরিকরা, নিরাপত্তাহীনতায় উদ্বিগ্ন শহর

ছবি: সংগৃহীত

হাজারীবাগে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা: ঘাতক সিয়াম গ্রেপ্তার, উদ্ধার রক্তমাখা ছুরি

যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

যুবলীগ নেতা সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

0 Comments