আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে সতর্কতা জারি, পর্যটকদের ভ্রমণ এড়ানোর পরামর্শ

Unknown জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0

পাকিস্তানজুড়ে চলছে প্রকৃতির তাণ্ডব। দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি) ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের উঁচু এলাকায় ভারী তুষারপাত ও ভূমিধসের পূর্বাভাস দিয়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। বিশেষ করে বেলুচিস্তান ও গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলে জনজীবন পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে।

 

বেলুচিস্তান সরকার জিয়ারাত ও কাচ্ছি জেলার সব পর্যটন কেন্দ্রে পিকনিক ও ক্যাম্পিং নিষিদ্ধ করেছে। জেলা প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করেছে। সম্ভাব্য তুষারঝড় ও পিচ্ছিল রাস্তায় প্রাণহানি এড়াতে নদীতীর, পাহাড়ি এলাকা ও বাঁধ সংলগ্ন স্থানে জনসাধারণের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

ভারী তুষারপাতের ফলে সোয়াত, কালাম, চিত্রাল, নারণ, কাগান, মুর্রি ও নীলাম উপত্যকাসহ অন্তত ৩০টি প্রধান এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

  • আটকে পড়া যাত্রী: তুষারপাতজনিত ঝুঁকির কারণে খাইবার পাখতুনখোয়া পুলিশ রাওয়ালপিন্ডি থেকে গিলগিট-বালতিস্তানগামী যানবাহন বন্ধ করে দিলে শত শত যাত্রী অ্যাবোটাবাদের কাছে আটকা পড়েন।

  • সড়ক পরিস্থিতি: কারাকোরাম হাইওয়েসহ কিছু প্রধান সড়ক পুনরায় চালু করার চেষ্টা চললেও উঁচু অঞ্চলের সংযোগ সড়কগুলো এখনো অত্যন্ত পিচ্ছিল ও ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে।

 

সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় আছেন গিলগিট-বালতিস্তানের হুনজা ও চিপুরসন উপত্যকার বাসিন্দারা।

  • তাঁবুতে বসবাস: সম্প্রতি ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি হারিয়ে শত শত মানুষ এখনো তাঁবুতে দিন কাটাচ্ছেন। হাড়কাঁপানো শীতে গরম কাপড়ের অভাবে তাঁরা চরম মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

  • বিদ্যুৎ বিপর্যয়: পুরো অঞ্চলজুড়ে দিনে ২০ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলছে। মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগও প্রায় বিচ্ছিন্ন। দীর্ঘ বিদ্যুৎ সংকটের প্রতিবাদে ঘিজার জেলার গাহকুচে বাসিন্দারা বিক্ষোভও করেছেন।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মুরি, গালিয়াত, হুনজা ও স্কার্দুসহ পাহাড়ি এলাকায় ভারী তুষারপাতে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পর্যটকদের পরবর্তী দুই দিন কোনো ঝুঁকি না নিতে এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
আফগানিস্তানে ভয়াবহ তুষারপাত ও আকস্মিক বন্যা: প্রাণহানি বেড়ে ৬১

আফগানিস্তানে গত এক সপ্তাহ ধরে চলা টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও অস্বাভাবিক তুষারপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৬১ জনে দাঁড়িয়েছে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহউল্লাহ মুজাহিদ এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন আহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও চারজন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।   তালেবান প্রশাসনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বন্যায় দেশটির ২ হাজার ৪০০-এর বেশি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। বিশেষ করে জাবুলসহ কয়েকটি প্রদেশে ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বন্যার তোড়ে বেশ কিছু প্রদেশের প্রধান সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, ফলে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।   ভয়াবহ এই বন্যায় ঘরবাড়ির পাশাপাশি হাজার হাজার একর কৃষি জমি তলিয়ে গেছে, যা আফগানিস্তানের গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর মারাত্মক আঘাত হেনেছে। কৃষির ওপর নির্ভরশীল বিশাল এক জনগোষ্ঠী এখন জীবিকা হারানোর চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিপুল সংখ্যক গবাদি পশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের ফলে দেশটিতে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা ও প্রাণহানি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।   বিপর্যয় কবলিত এলাকাগুলোতে জরুরি ত্রাণ সহায়তা প্রদান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে শীতকালীন চরম প্রতিকূল আবহাওয়া ও তুষারপাতের কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে উদ্ধারকারীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হলেও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন স্থানীয়রা।   সূত্র: আফগানিস্তান ইন্টারন্যাশনাল

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সংকটে পাকিস্তানে গণপরিবহন ফ্রি; পাঞ্জাবেও মিলবে বিনামূল্যে সেবা

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি | ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য সফরে গেলেন ইতালীর প্রধানমন্ত্রী মেলোনি

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন ব্রিটেনের, কি এই ‘র‍্যাপিড রেঞ্জার’?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
মোদির মুখোশ খুলে দেব, এক মঞ্চে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ মমতার!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক লড়াই এখন তুঙ্গে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কলকাতায় এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি এক মঞ্চে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীকে বলুন আমার সঙ্গে এক মঞ্চে বিতর্ক করতে। মুখোশ টেনে খুলে দেব। টেলিপ্রম্পটার ছাড়া তিনি কথা বলতে পারেন না, শুধু সাজানো সাক্ষাৎকার দেন।"   জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী ভোটারদের একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিজেপিকে সিপিএমের থেকেও 'ভয়ঙ্কর' বলে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক ভোটারের নাম তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হচ্ছে। নাম কাটা যাওয়া ভোটারদের দ্রুত ট্রাইব্যুনালে আবেদনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, "যারা নাম কেটেছে, তাদের একটিও ভোট দেবেন না। ভোটের মাধ্যমেই এই নাম কাটার বদলা নিতে হবে।"   মালদার সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বহিরাগতরা এসে বাংলার সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করছে। হায়দরাবাদ থেকে আসা আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "বিহারের মতো এখানেও বিভাজনের রাজনীতি করার চেষ্টা চলছে। সংখ্যালঘু ভোটারদের সতর্ক থাকতে হবে যেন ভোট ভাগ না হয়।" আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি রাজ্যের সিআইডির প্রশংসা করলেও অভিযোগ করেন যে, নির্বাচন কমিশন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় তার হাত পা বাধা।   কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা বলেন, "এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন অশান্তি আটকানো যাচ্ছে না? বাংলার মানুষ আতিথেয়তা দেবে আর ভোট লুট হয়ে যাবে, তা হতে পারে না।" মণিপুর পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে বলেন, "আগে নিজের রাজ্য সামলান, তারপর বাংলার দিকে তাকান।" রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ায় বাংলার নির্বাচনী লড়াই এখন চূড়ান্ত উত্তেজনায় পৌঁছেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ভয়াবহ জ্বালানি সংকটে পড়েছে পাকিস্তান | ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে তেলের দামে ঐতিহাসিক লম্ফন; ডিজেল ৫৫ ও পেট্রোল ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি!

ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে চীনের মধ্যস্থতায় আলোচনায় পাকিস্তান ও আফগানিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

আবারও মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের!

ছবি: সংগৃহীত
তিন দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টি; লণ্ডভণ্ড ইসরায়েল, কাঁপছে তেল আবিব!

ইরান, ইয়েমেন এবং লেবানন—এই তিন দিক থেকে ধেয়ে আসা ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির রাজধানী তেল আবিব, জেরুজালেম এবং মৃত সাগর (ডেড সি) সংলগ্ন অঞ্চলে তিন দফায় এই সমন্বিত হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ইয়েদিওথ আহরোনথ’ জানিয়েছে, ইরানের একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিবের নিকটবর্তী পেতাহ তিকভা শহরে সরাসরি আঘাত হেনেছে, যাতে ওই এলাকার আবাসন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।   ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি জানিয়েছে, তারা ইরানের সাথে সমন্বয় করে তেল আবিবের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে একঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। অন্যদিকে, লেবাননের হিজবুল্লাহ বাহিনী গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন বসতি ও সামরিক যান লক্ষ্য করে অন্তত ৫৫টি হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজন সেনাসদস্য রয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত তথ্য ও নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   হামলার সময় তেল আবিব ও জেরুজালেমসহ প্রধান শহরগুলোতে বিপৎসংকেত বা সাইরেন বেজে উঠলে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্লেষকদের মতে, তিন দিক থেকে চালানো এই অভূতপূর্ব সমন্বিত আক্রমণ ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (আয়রন ডোম) ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের এই নতুন মোড় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও ভয়াবহ করে তুলেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং | ছবি: সংগৃহীত

প্রেসিডেন্ট হিসাবে অভিষিক্ত হলেন জান্তা প্রধান, মিয়ানমারে আরও পাকাপোক্ত হলো সামরিক শাসন

মালাদা জেলায় রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে চলছে বিক্ষোভ।

ভোটার তালিকা নিয়ে রণক্ষেত্র পশ্চিমবঙ্গ, সুপ্রিম কোর্টের কড়া পদক্ষেপ

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রধান কার্যালয় কমপ্লেক্স।

জ্বালানি সাশ্রয়ে মালয়েশিয়ায় কঠোর পদক্ষেপ: এসি ২৪ ডিগ্রির নিচে নয়, চালু হচ্ছে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’

0 Comments