মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
মোদির মুখোশ খুলে দেব, এক মঞ্চে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ মমতার!

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক লড়াই এখন তুঙ্গে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কলকাতায় এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি এক মঞ্চে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীকে বলুন আমার সঙ্গে এক মঞ্চে বিতর্ক করতে। মুখোশ টেনে খুলে দেব। টেলিপ্রম্পটার ছাড়া তিনি কথা বলতে পারেন না, শুধু সাজানো সাক্ষাৎকার দেন।"   জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী ভোটারদের একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিজেপিকে সিপিএমের থেকেও 'ভয়ঙ্কর' বলে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক ভোটারের নাম তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হচ্ছে। নাম কাটা যাওয়া ভোটারদের দ্রুত ট্রাইব্যুনালে আবেদনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, "যারা নাম কেটেছে, তাদের একটিও ভোট দেবেন না। ভোটের মাধ্যমেই এই নাম কাটার বদলা নিতে হবে।"   মালদার সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বহিরাগতরা এসে বাংলার সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করছে। হায়দরাবাদ থেকে আসা আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "বিহারের মতো এখানেও বিভাজনের রাজনীতি করার চেষ্টা চলছে। সংখ্যালঘু ভোটারদের সতর্ক থাকতে হবে যেন ভোট ভাগ না হয়।" আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি রাজ্যের সিআইডির প্রশংসা করলেও অভিযোগ করেন যে, নির্বাচন কমিশন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় তার হাত পা বাধা।   কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা বলেন, "এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন অশান্তি আটকানো যাচ্ছে না? বাংলার মানুষ আতিথেয়তা দেবে আর ভোট লুট হয়ে যাবে, তা হতে পারে না।" মণিপুর পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে বলেন, "আগে নিজের রাজ্য সামলান, তারপর বাংলার দিকে তাকান।" রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ায় বাংলার নির্বাচনী লড়াই এখন চূড়ান্ত উত্তেজনায় পৌঁছেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নির্বাচনের আগেই বড় পদক্ষেপ: একযোগে ২৩টি পদ ছাড়লেন মমতা

আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আইনি বাধ্যবাধকতা ও নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, তিনি ১১টি সরকারি দপ্তরের অধীনে থাকা মোট ২৩টি বিভিন্ন সংস্থা, বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর এই পদত্যাগপত্র পাওয়ার পর স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের সিনিয়র স্পেশাল সেক্রেটারি একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকারের প্রতিটি দপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। নির্বাচনের আগে 'অফিস অফ প্রফিট' বা লাভজনক পদের জটিলতা এড়াতে প্রতিবারই এই নিয়ম পালন করতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পদত্যাগপত্রের সঙ্গে একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা সংযুক্ত করেছেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, তালিকার বাইরেও যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে তাঁর পদ থেকে থাকে, তবে সেখান থেকেও যেন তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যেসব গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর থেকে তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, তথ্য ও সংস্কৃতি, সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা, শিল্প ও বাণিজ্য, বিপর্যয় মোকাবিলা ও সিভিল ডিফেন্স এবং অরণ্য দপ্তর। উল্লেখিত এই দপ্তরগুলোর বিভিন্ন সংস্থায় তিনি চেয়ারপার্সন, মিশন হেড বা প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রতিটি দপ্তরের সচিবদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২৫শে মার্চ বিকেল ৪টের মধ্যে এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ সংক্রান্ত 'কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট' জমা দিতে হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
অধিকার কেড়ে নিতে দেব না: ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের মঞ্চে মোদিকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee কলকাতার ঐতিহাসিক Red Road-এর ঈদের জামাতে অংশ নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-কে কটাক্ষ করে ‘সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী’ বলে মন্তব্য করেছেন।   শনিবার পবিত্র Eid al-Fitr উপলক্ষে রেড রোডে রাজ্যের বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে হালকা বৃষ্টি থাকলেও নামাজ আদায়ে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। দলে দলে মুসল্লির উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলিতে মেতে ওঠেন মুসল্লিরা।   জামাতে যোগ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি বলেন, রাজ্য ও দেশের উন্নয়ন এবং সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করা জরুরি।   এ সময় নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেকের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং এ নিয়ে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, সবার অধিকার রক্ষায় এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।   প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মমতা প্রশ্ন তোলেন, বিদেশ সফরে গিয়ে ভিন্ন ধর্মের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্য দেখানো হলেও দেশে ফিরে বিভাজনের রাজনীতি করা হচ্ছে কি না। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিজিই ভারতের সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী।”   এ ছাড়া তিনি সতর্ক করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে লক্ষ্য করে কোনো ধরনের উসকানি দেওয়া হলে তা প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গে ২৯১ আসনে তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা করে মমতা বললেন, দিল্লি কা লাড্ডু জিতবে না

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ২৯৪টির মধ্যে ২৯১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) কলকাতার কালীঘাটে নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তালিকা প্রকাশ করেন দলের নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।   দার্জিলিংয়ের বাকি তিনটি আসন মিত্র দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।   প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সময় বিজেপিকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, এবার ২২৬টি আসনে জয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করবে তৃণমূল। গত নির্বাচনে তৃণমূল ২১৩টি এবং বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছিল।   বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, তারা সরাসরি রাজনৈতিক লড়াইয়ে না নেমে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, “সাহস থাকলে সামনে এসে লড়াই করুন, আড়ালে থেকে কোনো লাভ হবে না।”   তিনি আরও বলেন, “দিল্লি কা লাড্ডু জিতবে না,” এবং দাবি করেন, জনগণ এবার বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করবে।   এবারের প্রার্থী তালিকায় অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি নতুন মুখ ও বিনোদন জগতের তারকাদের স্থান দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুজিত বসু, ব্রাত্য বসু ও বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বিনোদন অঙ্গন থেকে প্রার্থী হয়েছেন রাজ চক্রবর্তী, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও লাভলি মৈত্র।   সংবাদ সম্মেলনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় ৫২ জন নারী, ৯৫ জন তপসিলি সম্প্রদায়ের এবং ৪৭ জন মুসলিম প্রার্থী রয়েছেন। বিভিন্ন বয়সের প্রার্থীদের সমন্বয়ে অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের ভারসাম্য রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
তারেক রহমানকে অভিনন্দন মমতার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদর নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে জয়লাভ করায় বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।   বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফাইড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে এক পোস্টে এই অভিনন্দন জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পোস্টে তিনি শুধুমাত্র দল হিসেবে বিএনপিকেই নয়, বরং ব্যক্তিগতভাবে তারেক রহমানকে 'ভাই' সম্বোধন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।   মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বার্তায় বলেন, "বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে ও জনগণকে জানাই আমার শুভনন্দন এবং আগাম রমজান মোবারক। বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেক ভাইকে, তার দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন।"   দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও যোগ করেন, "আমাদের সঙ্গে সবসময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।" রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতার এই 'ভাই' সম্বোধন এবং জয়ের প্রশংসা প্রতিবেশী দুই দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত
বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ার নিহত, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি মমতার

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুতে ভারতজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতীতে একটি চার্টার্ড বিমান ভেঙে পড়ে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ মোট পাঁচ জনের মৃত্যু হয়।  এই ঘটনার পরপরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের অধীনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।  যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।    সিঙ্গুর যাওয়ার পথে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই দুর্ঘটনা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠছে। অজিত পাওয়ার পুরোনো দলে অর্থাৎ শরদ পওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপির সঙ্গে ফের একত্রিত হওয়ার কথা ভাবছিলেন। এই অবস্থায় এমন একটি ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু দেশের রাজনীতির জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।     মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই দেশে এখন সাধারণ মানুষ তো বটেই, এমনকি রাজনৈতিক নেতাদের জীবনও নিরাপদ নয়।  তিনি অভিযোগ করেন, সামাজিক মাধ্যমে কয়েক দিন আগেই অন্য দলের এক নেতা দাবি করেছিলেন অজিত পাওয়ার বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করতে চলেছেন।  তার পরেই এই দুর্ঘটনা ঘটল। ফলে বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।   মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই ঘটনার তদন্ত শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের অধীনেই হওয়া উচিত। অন্য সব তদন্তকারী সংস্থার উপর মানুষের আস্থা নেই। সব এজেন্সিকেই কিনে নেওয়া হচ্ছে । দেশের মানুষ এখন কেবলমাত্র সুপ্রিম কোর্টের উপরই ভরসা রাখে।    বিমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর প্রথমেই এক্স হ্যান্ডেলে শোকবার্তা প্রকাশ করেন মমতা।     সেখানে তিনি লিখেন, অজিত পাওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত এবং হতবাক। বারামতীতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় যেভাবে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী এবং তার সহযাত্রীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে তিনি ব্যক্তিগত ক্ষতি অনুভব করছেন।     এই দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অজিত পাওয়ার ছিলেন জ্যের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা।  দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যু মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।   মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে শরদ পাওয়ার এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের জনগণের প্রতিও তিনি সমবেদনা প্রকাশ করেন।     এই ঘটনার পর দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।  দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ এই প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। যদিও সরকারি সূত্রে একে নিছক দুর্ঘটনা বলেই দাবি করা হয়েছে। তবে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।  মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।  তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টের অধীনে তদন্তের দাবির পর কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও এই ইস্যু নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।  ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় কোনও অঘটন উপমহাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেও প্রভাবিত করে।  

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0