আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এগিয়ে যাচ্ছে এসবি গ্লোবাল, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ১১, ২০২৬ ২২:১৫

বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এগিয়ে নিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে SB Global। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মোঃ সামিউল বশির তার উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে একটি পরিচিত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

 

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক সংস্থা IEE (International Education Evaluations)-এর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই অংশীদারিত্বের ফলে Educational Credential Assessment (ECA) প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী হবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

 

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগ দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ক্রেডেনশিয়াল মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে আরও সহজলভ্য করবে এবং বৈশ্বিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকে ত্বরান্বিত করবে।

 

শুধু ECA সেবা নয়, SB Global বিভিন্ন পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও ক্যারিয়ার সহায়তাও প্রদান করছে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • মেডিকেল ল্যাবরেটরি সায়েন্টিস্ট (MLS) লাইসেন্স প্রস্তুতি
  • নার্সদের জন্য NCLEX প্রস্তুতি
  • IELTS ও PTE প্রশিক্ষণ
  • গবেষণা সহায়তা
  • বিদেশে উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত পরামর্শ

 

প্রতিষ্ঠাতা মোঃ সামিউল বশির-এর রয়েছে স্বাস্থ্য ও বৈজ্ঞানিক শিক্ষা খাতে ১৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা। তিনি ২২টি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রবন্ধের লেখক, যা Google Scholar-এ সূচিভুক্ত। তার গবেষণার ক্ষেত্র বিস্তৃত—ডায়াবেটিস, ঔষধি উদ্ভিদ, COVID-19-এ টেলিমেডিসিন, ডেঙ্গু, ক্যান্সারের বায়োমার্কারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য বিষয় এতে অন্তর্ভুক্ত।

 

বর্তমানে তিনি Kurigram Institute of Health Technology-এ প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি তিনি American Society for Clinical Pathology এবং International Commission on Healthcare Professions থেকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।

 

বিশ্লেষকদের মতে, গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সংযোগের সমন্বয়ে SB Global ইতোমধ্যে একটি সম্ভাবনাময় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশের তরুণ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষ করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ইরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরির নির্দেশ দিতে পারেন মোজতবা খামেনি, আশঙ্কা মার্কিন গোয়েন্দাদের

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি ভবিষ্যতে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিতে পারেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে সম্প্রতি এই মূল্যায়নের কথা প্রকাশ করেছে। তবে মার্কিন প্রশাসনের এই চাঞ্চল্যকর দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।   নিউইয়র্ক টাইমসের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি, আলী খামেনির নেতৃত্বে ইরান পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করলেও, তিনি নিজে পারমাণবিক বোমা তৈরির ঘোর বিরোধী ছিলেন এবং ফতোয়া জারির মাধ্যমে এটি নিষিদ্ধ করেছিলেন। তবে তার ছেলে মোজতবা খামেনি প্রকাশ্যে পারমাণবিক অস্ত্রের পক্ষে কখনও বক্তব্য না দিলেও, মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা—তিনি এবং ইরানের বর্তমান কট্টরপন্থী নেতৃত্ব ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে পারেন।   মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলা যদি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করে, তবে সেটি চলমান সংঘাতের অন্যতম বড় কৌশলগত পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হবে। এই নীতিগত পরিবর্তন মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। তাছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির আলোচনাতেও তেহরান আগের তুলনায় বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে মার্কিন মূল্যায়নে উঠে এসেছে।   অবশ্য মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা একটি বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন যে, মোজতবা খামেনিকে ঘিরে তাদের এই ধারণার পেছনের অধিকাংশ গোয়েন্দা তথ্য যুদ্ধ শুরুর আগেই সংগ্রহ করা হয়েছিল। যুদ্ধ চলাকালে তিনি গুরুতর আহত হন বলে খবর রয়েছে এবং এরপর থেকে নিরাপত্তার কারণে জনসমক্ষে তার উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে তার বর্তমান অবস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। তাছাড়া, মোজতবা খামেনি বর্তমানে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করলেও তিনি এখনো তার বাবার মতো পূর্ণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। আলী খামেনির ৩৬ বছরের শাসনের অবসানের পর ইরানের এই পালাবদলের সুযোগে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ আরও জোরদারের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   যদিও ইরান এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি চালুর কোনো ঘোষণা দেয়নি, তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, সামরিক হামলার পর বিদ্যমান পারমাণবিক অবকাঠামো রক্ষায় দেশটি বেশ কিছু কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে কিছু অত্যন্ত সংবেদনশীল সেন্ট্রিফিউজ মধ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ (কোহ-ই-কোলাং)-এর সুরক্ষিত ও গভীর ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় স্থানান্তরের চেষ্টা চলছে বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৮:১৭
সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও উদ্যোক্তা ইয়াহদান ইয়াদা

মাতৃত্ব ও পরিবার দেখাশোনার জন্য স্ত্রীকে বছরে মিলিয়ন ডলার দিচ্ছেন এক ইনফ্লুয়েন্সার

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের সৌদি পারমাণবিক চুক্তির বিরোধিতা করলেন রিপাবলিকান সেনেটর জন কেনেডি

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন

বিল ক্লিনটনের পুরোনো মন্তব্য ঘিরে আবারও আলোচনায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনা

মানবতার ডাকে সাড়া দিন, নতুন স্বেচ্ছাসেবক নিচ্ছে রেড ক্রস ও ফুড ব্যাংক
মানবতার ডাকে সাড়া দিন, নতুন স্বেচ্ছাসেবক নিচ্ছে রেড ক্রস ও ফুড ব্যাংক

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সীমান্ত শহর লারেডোতে স্বেচ্ছাসেবকের ঘাটতি মোকাবিলায় একযোগে নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে আমেরিকান রেড ক্রস, সাউথ টেক্সাস ফুড ব্যাংক এবং ইউনাইটেড ওয়ে অব লারেডো। দুর্যোগ মোকাবিলা, ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্য সহায়তা, শিক্ষা কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক সেবামূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। রেড ক্রস জানিয়েছে, তাদের মানবিক কার্যক্রমের প্রায় ৯০ শতাংশই স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তা, জরুরি সেবা, প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এবং কমিউনিটি সচেতনতামূলক উদ্যোগে নতুন স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজন। অন্যদিকে সাউথ টেক্সাস ফুড ব্যাংক প্রবীণদের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্বেচ্ছাসেবক খুঁজছে। সাম্প্রতিক বন্যায় দক্ষিণ টেক্সাসের একাধিক কাউন্টি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় খাদ্য ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে এবং এতে জনসম্পৃক্ততার প্রয়োজন বেড়েছে। ইউনাইটেড ওয়ে অব লারেডোও শিক্ষার্থীদের সাক্ষরতা উন্নয়ন কর্মসূচি, কমিউনিটি ইভেন্ট এবং স্কুলে ফেরার প্রস্তুতি কার্যক্রমে অংশ নিতে নতুন স্বেচ্ছাসেবক নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, সমাজের কল্যাণে সময় দেওয়া মানুষের অংশগ্রহণই একটি শক্তিশালী ও সহমর্মী কমিউনিটি গড়ে তোলে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৫:৩৮
স্কটল্যান্ডে শিশু স্কাউটদের মসজিদ সফরের ভিডিও ঘিরে বিভ্রান্তিকর প্রচার, ছড়ানো হয়েছে সম্পাদিত ও এআই ছবি

স্কটল্যান্ডে শিশু স্কাউটদের মসজিদ সফরের ভিডিও ঘিরে বিভ্রান্তিকর প্রচার, ছড়ানো হয়েছে সম্পাদিত ও এআই ছবি

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে চান ট্রাম্প

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে চান ট্রাম্প

বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ত্রাওরে

আলেমদের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণার মধ্যেই ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে মুসলিম দেশ বুরকিনা ফাসো

ভারতে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে মুসলিম দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারধর I ছবি: সংগৃহীত
ভারতে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে মুসলিম দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারধর

ভারতের বেঙ্গালুরুতে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে এক মুসলিম দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে নির্মমভাবে হেনস্তা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ডা. নগেন্দ্রাপ্পা নামের এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় পুলিশ। ওই চিকিৎসকের দাবি, এর আগে ওই দম্পতিকে ভারত থেকে একবার বিতাড়িত করা হয়েছিল এবং তারা বেআইনিভাবে আবারও দেশে প্রবেশ করেছে। গত বুধবার (২২ জুলাই) সকালে ঘটা এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।   পুলিশ ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেঙ্গালুরুতে নিজস্ব ক্লিনিক পরিচালনাকারী ডা. নগেন্দ্রাপ্পা বুধবার সকালে ২৩ বছর বয়সী নাসরিনা ও তার স্বামী মোহাম্মদ বিলালের পথরোধ করেন। নাসরিনা পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে জানান, অভিযুক্ত চিকিৎসক প্রথমেই তাদের জাতীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হিন্দিতে গালিগালাজ শুরু করেন। এরপর নাসরিনাকে টেনেহিঁচড়ে মারধরের পাশাপাশি তার স্বামী বিলালের ওপরও চড়াও হন তিনি। বিলালের মাথা ও পিঠে উপর্যুপরি আঘাত করা হয় এবং একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে লাথি মারেন ওই চিকিৎসক। এমনকি ঘটনাটি পুলিশকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।   এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় বেলান্দুর থানা-পুলিশ ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মারধর, নারীর শ্লীলতাহানি, বেআইনিভাবে পথরোধ এবং অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং ওই দম্পতির জাতীয়তা ও অভিবাসন-সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা এখনো যাচাই করা হয়নি।   এদিকে, গ্রেফতারের ঠিক আগেই অভিযুক্ত চিকিৎসক নিজেই ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করেন। সেখানে তাকে দম্পতিকে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে অভিযুক্ত করে গায়ে হাত তুলতে দেখা যায়। বিপরীতে ভুক্তভোগী বিলালকে স্থানীয় কন্নড় ভাষায় উত্তর দিয়ে বলতে শোনা যায় যে, তিনি গত ২০ বছর ধরে বেঙ্গালুরুতেই বসবাস করছেন। তবে সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, শুক্রবার আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন অভিযুক্ত ওই চিকিৎসক।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৩:৪৯
প্যারিসে প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ উদ্যোগ I ছবি: সংগৃহীত

প্যারিসে প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ উদ্যোগ

বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নেই কোনো ট্রাফিক সিগন্যাল, তবু নেই বিশৃঙ্খলা

বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নেই কোনো ট্রাফিক সিগন্যাল, তবু নেই বিশৃঙ্খলা

যুক্তরাজ্যের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করতে প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের স্বার্থে দরকার হলে ট্রাম্পের সমালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম

0 Comments