এমপি

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জোয়াহেরুল ইসলাম
কলকাতায় সাবেক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলামের মৃত্যু

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জোয়াহেরুল ইসলাম আর নেই। শুক্রবার দিবাগত রাতে ভারতের কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।  দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভোগার পর মাল্টি অর্গান ফেলিওর ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় এই পলাতক রাজনীতিকের। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থতা বৃদ্ধির কারণে সপ্তাহখানেক আগে তাকে কলকাতার ফিনিক্স মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল। মৃত্যুকালে তার পাশে স্ত্রী ও বিদেশ থেকে আসা কন্যা উপস্থিত ছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি পালিয়ে ভারতে চলে যান এবং কলকাতার নিউটাউনে অবস্থান করছিলেন। বর্তমানে মরদেহের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে তার পরিবার। বর্তমানে মরদেহ সংরক্ষণের জন্য কলকাতার পিস হেভেনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পেশায় আইনজীবী জোয়াহেরুল ইসলাম ২০১৭ সালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
কুষ্টিয়া -৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা।
কুষ্টিয়ায় আমিই এখন উপরওয়ালা: এমপি আমির হামজা

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কুষ্টিয়ায় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে কোনো অপশক্তির কাছে তিনি মাথা নত করবেন না। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, "মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালের অনিয়ম নিয়ে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করলে তারা ভুলের জন্য ক্ষমা চান এবং দায় ওপরের মহলের দিকে ঠেলে দেন। আমি তাদের পরিষ্কার বলেছি, কুষ্টিয়ায় এখন ওপরওয়ালা কেউ নেই; কুষ্টিয়ায় ওপরওয়ালা এখন আমি।" অনিয়মের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানের কথা জানিয়ে আমির হামজা আরও বলেন, "হাসপাতালের ভেতরে কিছু 'কালো হাত' সক্রিয় রয়েছে বলে আমি খবর পেয়েছি। যদি কেউ দুর্নীতির চেষ্টা করে বা অবৈধ সুবিধা চায়, তবে সরাসরি আমার কথা বলবেন। কুষ্টিয়ায় কার এত ক্ষমতা যে অন্যায় করবে, তা আমি দেখে নেব।" তিনি আরও জানান, সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ ৪-৫টি প্রতিষ্ঠানে তিনি সরজমিন পরিদর্শন করবেন। বিশেষ করে সিভিল সার্জনের কার্যালয় নিয়ে তার বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। উক্ত সভায় জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন, মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাক্তার শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
সংসদ ভবন
নব নির্বাচিত সংবাদ সদস্যরা যেসব সুযোগ–সুবিধা পাবেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। ২৯৭টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৯৭ জন সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচিত এমপিদের গেজেট প্রকাশ করা হয়।   বাংলাদেশের সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত নানা ধরনের বেতন-ভাতাও সুযোগ–সুবিধা ভোগ করে থাকেন।এসব সুবিধা নির্ধারিত হয়েছ,মেম্বার অব পার্লামেন্ট (রিমিউনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস), ১৯৭৩’ বা ‘সংসদ সদস্য (পারিশ্রমিকও ভাতা) আদেশ, ১৯৭৩’ অনুযায়ী। এটি বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়েছে, সর্বশেষ ২০১৬ সালে এটি সংশোধিত হয়।   আইন অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য নিয়মিত মাসিক বেতন ছাড়াও পরিবহণ, অফিস, চিকিৎসা,ভ্রমণ, বিনা শুল্কে গাড়ি আমদানি, বীমাও নানা ধরনের ভাতা পান। একজন সংসদ সদস্য মাসিক৫৫ হাজার টাকা মূল বেতন পান। এর পাশাপাশি তিনি মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্বাচনি এলাকা ভাতা পান। এছাড়া মাসিক৫ হাজার টাকা আপ্যায়ন ভাতা দেওয়া হয়।   সংসদ সদস্যরা মাসিক ৭০ হাজার টাকা পরিবহণ ভাতা পান। এই ভাতার মধ্যে জ্বালানি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এবং চালকের বেতন অন্তর্ভুক্ত থাকে। নির্বাচনি এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্য মাসিক১৫ হাজার টাকা অফিস ব্যয় ভাতা দেওয়া হয়।   ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সংসদ সদস্যরা মাসে আরও কিছু ভাতা পান। এর মধ্যে রয়েছে এক হাজার ৫০০ টাকা লন্ড্রি ভাতা এবং ৬ হাজার টাকা বিবিধ ব্যয় ভাতা; যা বাসনপত্র, বিছানাপত্র, টয়লেট্রিজসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য নির্ধারিত।   সংসদ সদস্যদের জন্য বড় সুবিধাগুলোর একটি হলো শুল্ক ওকরমুক্ত গাড়ি আমদানি সুবিধা। একজন সংসদ সদস্য তার মেয়াদকালে সরকার নির্ধারিত শর্তে একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করতে পারেন শুল্ক, ভ্যাটওঅন্যান্য কর ছাড়াই। পাঁচ বছর পর একই শর্তে আবার নতুন একটি গাড়ি আমদানির সুযোগও রয়েছে।   ভ্রমণ সুবিধার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা সংসদের অধিবেশন, কমিটির সভাও দায়িত্বসংক্রান্ত কাজে যাতায়াতের জন্য আলাদা ভাতা পান। রেল, বিমান বা নৌপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শ্রেণির ভাড়ার দেড় গুণ ভাতা দেওয়া হয়। সড়কপথে যাতায়াতে কিলোমিটারপ্রতি ভাতা নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া দেশের ভেতরে যাতায়াতের জন্য বছরে এক লাখ ২০হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতা অথবা সমমূল্যের ট্রাভেল পাস সুবিধাও দেওয়া হয়।   সংসদ অধিবেশন, সংসদীয় কমিটির সভা বা দায়িত্বসংক্রান্ত অন্য কোনো কাজে দায়িত্বস্থলে অবস্থান করলে সংসদ সদস্যরা ৭৫০ টাকা দৈনিক ভাতা ও ৭৫ টাকা যাতায়াত ভাতা পেয়ে থাকেন।  সংসদ অধিবেশন বা কমিটির সভায় উপস্থিত থাকলে সদস্যরা দৈনিক ভাতাও পান। উপস্থিতির ভিত্তিতে প্রতিদিন ৮০০ টাকা দৈনিক ভাতাও ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা নির্ধারিত হারে প্রদান করা হয়।   চিকিৎসা সুবিধার ক্ষেত্রেও সংসদ সদস্যও তাদের পরিবার সরকারি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমমানের চিকিৎসা সুবিধা পান। পাশাপাশি মাসিক ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা দেওয়া হয়। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সংসদ সদস্যদের জন্য সরকারিভাবে১০ লাখ টাকার বীমা সুবিধা রাখা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের ক্ষেত্রে এই বীমা কার্যকর হয়।   এছাড়া প্রত্যেক সংসদ সদস্য বছরে সর্বোচ্চ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত একটি ঐচ্ছিক অনুদান তহবিল ব্যবহার করতে পারেন,যা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যয় করার বিধান রয়েছে।   টেলিযোগাযোগ সুবিধার অংশ হিসেবে সংসদ সদস্যদের বাসভবনে সরকারি খরচে একটি টেলিফোন সংযোগ দেওয়া হয় এবং মাসিক ৭হাজার৮০০ টাকা টেলিফোন ভাড়াওকল খরচ বাবদ প্রদান করা হয়।   আইনে আরও বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যরা যে সব ভাতা পান,সেগুলো আয়করমুক্ত। অর্থাৎ এসব ভাতার ওপর কোনো আয়কর দিতে হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0