ড্রোন

আমিরাতে ড্রোন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত
আমিরাতে ড্রোন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ অঞ্চলে প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুলি করে নামানো একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে একজন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনও নিশ্চিত হয়নি।   সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি মানববিহীন উড়োজাহন (ড্রোন) সনাক্ত করে তা ভূপাতিত করেছে। তবে ধ্বংসাবশেষ এল-রিফা’আ এলাকার একটি খামারে পড়ে ঘটনাস্থলে একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জরুরি সেবা দল ও নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
আন্ডারওয়াটার ড্রোন
হরমুজ প্রণালিতে ‘আন্ডারওয়াটার ড্রোন’ মোতায়েন করছে যুক্তরাজ্য

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পেতে রাখা মাইন শনাক্ত ও ধ্বংস করতে ‘আন্ডারওয়াটার ড্রোন’ মোতায়েন করছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী (রয়্যাল নেভি) জানিয়েছে, ইরান ও পশ্চিমের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই কৌশলগত জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে যে, রণকৌশল হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালির বিভিন্ন পয়েন্টে মাইন পেতেছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য এক বিশাল হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।   যুক্তরাজ্যের মোতায়েন করা এই বিশেষ ড্রোনগুলো পানির নিচে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মাইন শনাক্ত করতে সক্ষম। এগুলো সরাসরি যুদ্ধজাহাজ থেকে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং মাইন পাওয়া গেলে তা নিরাপদে বিস্ফোরণ বা অপসারণ করবে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয়, তাই এই পথটি মাইনমুক্ত রাখা বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য। তেহরানের পক্ষ থেকে জলপথে টোল আদায়ের ঘোষণার পর এই মাইন পাতার বিষয়টি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।   বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাজ্যের এই পদক্ষেপ ইরানের নৌ-আধিপত্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে। যদিও তেহরান দাবি করেছে যে তারা কেবল নিজেদের জলসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা একে ‘নৌ-সন্ত্রাস’ হিসেবে অভিহিত করেছে। হরমুজ প্রণালিতে বর্তমানে ব্রিটিশ ও মার্কিন যুদ্ধজাহাজের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই আন্ডারওয়াটার ড্রোন মোতায়েন করার ফলে ওই অঞ্চলে ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি আরও বেড়ে গেল বলে মনে করছেন সমর বিশেষজ্ঞরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
কুয়েতের দুই বন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

কুয়েতের শুয়াইখ ও মুবারক আল-কাবির—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।   শুক্রবার (২৭ মার্চ) কুয়েতের সরকারি সূত্র জানায়, বুবিয়ান দ্বীপে অবস্থিত মুবারক আল-কাবির বন্দরে ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়। এতে বন্দরের কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।   এর আগে একই দিনের সকালে কুয়েত সিটির নিকটবর্তী শুয়াইখ বন্দরে আলাদা আরেকটি হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানেও স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।   এদিকে আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কুয়েতের এই দুই বন্দরে হামলার পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
কৃষ্ণ সাগরে তুর্কি ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ২৭ নাবিক

কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার বন্দর থেকে ছেড়ে আসা একটি তুর্কি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইস্তাম্বুলের বসফরাস প্রণালীর অদূরে সংঘটিত এই বিস্ফোরণে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন এতে থাকা ২৭ জন নাবিক। তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে সিয়েরা লিওনের পতাকাবাহী ‘আলতুরা’ নামক জাহাজটি যখন বসফরাস প্রণালী থেকে মাত্র ৩৩ কিলোমিটার দূরে ছিল, তখনই এই হামলা চালানো হয়।  রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দর থেকে প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে আসা এই জাহাজটির ইঞ্জিন রুম লক্ষ্য করেই মূলত হামলাটি চালানো হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিস্ফোরণের পরপরই তুর্কি কোস্টগার্ড দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, জাহাজটি প্রায় পূর্ণ বোঝাই ছিল এবং এর উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক বাজারে রাশিয়ার তেল সরবরাহ করা।  তুরস্কের জলসীমার ঠিক বাইরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি ওই অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
বাগদাদে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের ড্রোন হামলা: চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ

ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক সহায়তা কেন্দ্রে শক্তিশালী ড্রোন হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইরানপন্থী একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী।  প্রায় এক মিনিট দীর্ঘ ওই ভিডিওতে দেখা যায়, অত্যন্ত নিচু দিয়ে উড়ে আসা একটি ড্রোন সরাসরি মার্কিন রাডার সিস্টেমে আঘাত হানছে এবং সাথে সাথে সেখানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটছে। সিএনএন-এর ভৌগোলিক বিশ্লেষণে ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রেও হামলার শিকার ওই নির্দিষ্ট স্থানে রাডার সিস্টেমের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।  ভিডিওর পরবর্তী অংশে দেখা যায়, আরেকটি ড্রোন একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের খুব কাছ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে, তবে সেটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে কি না তা স্পষ্ট হওয়ার আগেই ভিডিওটি শেষ হয়ে যায়। ভিডিওটিতে গত ২৩ মার্চের তারিখ উল্লেখ থাকলেও এর সঠিক সময় সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।  সাম্প্রতিক সময়ে বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটির ছবি। এতে হামলার পর গুদামঘরসহ অন্যান্য স্থাপনা ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ টার্মিনালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছেফাইল। ছবি: সিএনএনের ভিডিও থেকে নেওয়া
১৪৩ ক্ষেপণাস্ত্র ও ২৪২ ড্রোন ভূপাতিতের দাবি বাহরাইনের

ইরান থেকে ছোড়া বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে বাহরাইন। দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৪৩টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৪২টি ড্রোন ভূপাতিত ও ধ্বংস করা হয়েছে।   শনিবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করে বাহরাইনের প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ। এতে বলা হয়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।   একই সঙ্গে দেশটির সাধারণ জনগণকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে, রকেট বা ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এবং সন্দেহজনক বস্তু থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিরাপত্তার স্বার্থে সামরিক অভিযান বা হামলার স্থানের ভিডিও ধারণ না করার জন্য নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বাহরাইনের এই দাবি পরিস্থিতির গুরুত্ব ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মাত্রা তুলে ধরছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
এক জাহাজে ২০ লাখ ডলার টোল নিল ইরান
এক জাহাজে ২০ লাখ ডলার টোল নিল ইরান

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত সামরিক পদক্ষেপকে ঘিরে ইরান-সংকট আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। তেহরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে জবাব দিচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরাইলের বিভিন্ন শহরে ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে আসছে, যেখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সরকারি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।   এদিকে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি। ইরানের পক্ষ থেকে এই কৌশলগত সমুদ্রপথে নিয়ন্ত্রণ জোরদারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, বিশ্বে পরিবাহিত মোট তেলের একটি বড় অংশ এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের উল্লেখযোগ্য অংশ এই পথ দিয়েই যায়, ফলে এখানে যেকোনো বিঘ্ন বৈশ্বিক বাজারে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।   ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। কিছু সূত্রে বলা হচ্ছে, নির্দিষ্ট জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ফি আরোপের মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে, যা কার্যত নতুন ধরনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে।   তবে ইরান জানিয়েছে, কয়েকটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জন্য নৌ চলাচলে বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নতুন যাচাইকরণ বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালুর কথাও ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে জাহাজগুলোকে আগে থেকেই নিবন্ধন করতে হবে।   সূত্র: আলজাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে রহস্যময় ড্রোন, বাড়ল নিরাপত্তা উদ্বেগ

ইরান-যুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক ঘাঁটিতে একাধিক অজ্ঞাত ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে এই স্থানটিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সরকারি বাসভবনের অবস্থান।   মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফোর্ট লেসলি জে. ম্যাকনেয়ার-এর আকাশে সম্প্রতি রাতে রহস্যময় ড্রোনগুলো শনাক্ত করা হয়। ড্রোনগুলো কোথা থেকে এসেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে।   ঘটনার পর ঘাঁটির নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই উচ্চ সতর্কতায় আছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রোনের এই কার্যক্রম নিরাপত্তার ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।   একই সঙ্গে, দেশটির আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে ‘ফোর্স প্রোটেকশন লেভেল চার্লি’ জারি করা হয়েছে। সর্বোচ্চ স্তর ‘ডেল্টা’ কেবল তখনই কার্যকর হয়, যখন হামলা আসন্ন বা চলমান থাকে। এই পরিস্থিতিতে মার্কো রুবিও ও পিট হেগসেথকে নিরাপদ স্থানে সরানোর বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।   বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনগুলোকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাব মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২০, ২০২৬ 0
শাহেদ ড্রোন
ওয়াশিংটনের আকাশে রহস্যময় ড্রোন: মার্কিন ভূখণ্ডে ইরানের পাল্টা হামলা শুরু?

মার্কিন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু ওয়াশিংটন ডিসির আকাশে রহস্যময় ড্রোনের আনাগোনা নিয়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বাসভবন সংলগ্ন সামরিক ঘাঁটির ওপর এই ড্রোন শনাক্ত হওয়ায় বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার ফোর্ট ম্যাকনায়ার সামরিক ঘাঁটির ওপর অজ্ঞাত এই ড্রোনটি উড়তে দেখা যায়। এই ঘাঁটিতেই বর্তমানে সপরিবারে বসবাস করছেন রুবিও এবং হেগসেথ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে মার্কিন প্রশাসন। যদিও ড্রোনটির উৎস সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের সক্ষমতার দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে এফবিআই সতর্ক করেছিল যে, উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর প্রযুক্তিগত ক্ষমতা রাখে।  বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ড্রোন অনুপ্রবেশ কোনো পরিকল্পিত সামরিক হামলার প্রাথমিক পদক্ষেপ কি না, তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

ইরাকের রাজধানী বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সন্নিকটে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে জোরালো ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।  ইরাকি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, অন্তত দুটি ড্রোন এই অভিযানে অংশ নেয়। গত কয়েক দিনে ইরাকের আধাসামরিক বাহিনী ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ (পিএমএফ)-এর বিভিন্ন অবস্থানে প্রাণঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পাল্টা আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  উল্লেখ্য, পিএমএফ জোটের মধ্যে এমন কিছু গোষ্ঠী রয়েছে যাদের সাথে ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্রতা রয়েছে। এই ড্রোন হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে অঞ্চলটিতে নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
চীনের অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার ড্রোন
সমুদ্রের তলদেশেও নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম চীনের অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার ড্রোন

দক্ষিণ চীন সাগরে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্যের লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে চীন। দেশটির পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এবার তাদের বিশাল উভচর রণতরী ‘টাইপ ০৭৫’ থেকে অত্যাধুনিক মনুষ্যবিহীন হেলিকপ্টার বা ড্রোন পরিচালনা শুরু করেছে।  সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ বিতর্কিত জলসীমায় চীনের নৌ-অভিযানের সংজ্ঞা চিরতরে বদলে দিতে পারে। সম্প্রতি চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি (CCTV)-তে প্রচারিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, চীনের বিশাল যুদ্ধজাহাজ ‘হুবেই’ (টাইপ ০৭৫)-এর ডেকে একটি হালকা ওজনের স্বয়ংচালিত হেলিকপ্টার দাঁড়িয়ে আছে।  বিশ্লেষকরা একে ‘এআর-২০০০’ (AR-2000) মডেলের ড্রোন হিসেবে শনাক্ত করেছেন। প্রায় ২ টন ওজনের এই ড্রোনটি ২০২৪ সালের একটি এয়ার শো-তে প্রথম জনসমক্ষে আনা হয়েছিল। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?  ১.⁠ ⁠বড় জাহাজে ছোট ড্রোনের শক্তি: টাইপ ০৭৫ রণতরীটি প্রায় ৩৫,০০০ থেকে ৪০,০০০ টন ওজনের বিশাল একটি জাহাজ, যা মূলত ৩০টিরও বেশি হেলিকপ্টার এবং কয়েকশ সৈন্য বহন করতে সক্ষম। এর ডেকে এখন মানুষবাহী বড় হেলিকপ্টারের পাশাপাশি এই ড্রোন মোতায়েন করায় জাহাজটির কার্যক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। ছোট আকৃতির হওয়ায় একসাথে অনেকগুলো ড্রোন এখান থেকে উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারবে। ২.⁠ ⁠ঝুঁকিপূর্ণ মিশনে কার্যকর: অবসরপ্রাপ্ত পিএলএ কর্নেল ইউ গাং-এর মতে, এই ড্রোনগুলো দিয়ে অত্যন্ত বিপজ্জনক গোয়েন্দা নজরদারি এবং সরাসরি হামলা চালানো সম্ভব। এতে পাইলটের প্রাণের ঝুঁকি না থাকায় যেকোনো প্রতিকূল আবহাওয়া বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এগুলো বারবার ব্যবহার করা যাবে। ৩.⁠ ⁠সাবমেরিন ধ্বংসের সক্ষমতা: সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই ড্রোনগুলো টর্পেডো, ক্ষেপণাস্ত্র এবং গভীর সমুদ্রের বোমা (depth charges) বহন করতে সক্ষম। ফলে এটি শুধু আকাশ থেকে নজরদারি নয়, বরং সমুদ্রের নিচে থাকা শত্রু সাবমেরিন ধ্বংস করতেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। আঞ্চলিক প্রভাব ও উদ্বেগ দক্ষিণ চীন সাগরে তাইওয়ান এবং ফিলিপাইনের সাথে চীনের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। বিশেষ করে ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের সাথে সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই ড্রোনের উপস্থিতি ম্যানিলা ও ওয়াশিংটনের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষক সং ঝংপিং জানিয়েছেন, মানুষবাহী হেলিকপ্টার অনেক সময় খারাপ আবহাওয়ায় কাজ করতে পারে না, কিন্তু এই ড্রোনগুলো প্রায় সব ধরণের সামুদ্রিক পরিস্থিতিতে কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা চীন বর্তমানে ‘টাইপ ০৭৬’ নামের আরও একটি নতুন উভচর জাহাজ তৈরি করছে, যা মূলত একটি ‘ড্রোন ক্যারিয়ার’ হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু বড় রণতরী নয়, ভবিষ্যতে ডেস্ট্রয়ার এবং ছোট যুদ্ধজাহাজেও এই ড্রোন মোতায়েন করার পরিকল্পনা রয়েছে বেইজিংয়ের। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ চীন সাগরের মতো উত্তপ্ত অঞ্চলে চীনের এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতি কেবল সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং এই অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব নিয়ে চলমান লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করার একটি বড় কৌশল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি।
কুয়েতে ড্রোন হামলায় ইতালীর যুদ্ধবিমান ধ্বংস

কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় ইতালীয় বিমান বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট বা ড্রোন ধ্বংস হয়েছে।  ইতালির চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল লুসিয়ানো পোর্তোলানো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আক্রমণের শিকার এই বিমানঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইতালীয় বাহিনীর যৌথ ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। জেনারেল পোর্তোলানো জানান, ধ্বংস হওয়া বিমানটি ওই অঞ্চলে সামরিক কার্যক্রম এবং অপারেশনাল ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য একটি অপরিহার্য সম্পদ ছিল।  তবে স্বস্তির বিষয় হলো, হামলায় কোনো ইতালীয় সেনার প্রাণহানি ঘটেনি এবং বর্তমানে সেখানে অবস্থানরত সকল কর্মীরা নিরাপদ রয়েছেন। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় গত কয়েকদিন ধরেই ওই ঘাঁটিতে ইতালীয় সেনাদের সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছিল। বর্তমানে যারা সেখানে অবস্থান করছেন, তারা কেবল অত্যন্ত জরুরি এবং অপরিহার্য দায়িত্বগুলো পালন করছেন।  ইতালির প্রতিরক্ষা দপ্তর এবং জয়েন্ট অপারেশন হেডকোয়ার্টার সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং মাঠ পর্যায়ের কন্টিনজেন্টগুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের নতুন বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, লক্ষ্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নতুন করে বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হামলার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। এতে করে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে এবং বড় ধরনের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।   ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, বুধবার সকালে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে অথবা সেগুলো জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   আন্তর্জাতিক সূত্রগুলো বলছে, ইরান শুধু ইসরায়েল নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিকেও লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে। কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশে মার্কিন ঘাঁটি থাকায় এসব স্থানে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলাগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সংঘাত এখন সীমিত পর্যায়ে নেই এবং তা ধীরে ধীরে আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সংখ্যা বাড়তে থাকায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে এবং বেসামরিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।   এদিকে সামরিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যদি পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
হিজবুল্লাহর ড্রোন ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী

লেবানন থেকে ছোড়া হিজবুল্লাহর ড্রোন প্রতিহত করতে বড় ধরনের সমস্যার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সামরিক সূত্রগুলো বলছে, ড্রোন প্রতিরোধে তাদের সফলতার হার খুবই কম।   ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ-এর বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত ড্রোন থামানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এগুলো প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উত্তর সীমান্তের কাছে ইসরায়েলি বসতিগুলো পুরোপুরি খালি না করেই সেনাবাহিনী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কর্মকর্তারা।   সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, লেবানন সীমান্তে চলমান সংঘর্ষের নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই এবং এটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহ বর্তমানে কম উচ্চতায় উড়তে সক্ষম ছোট ড্রোন ব্যবহার করছে, যেগুলো রাডারে ধরা কঠিন এবং প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’
ইরানি ড্রোনের হামলায় বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্রের গর্ব যুদ্ধজাহাজ ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’

ওমান সাগরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-এ বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।   দেশটির খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই দাবি করেছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর এই হামলায় রণতরীটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রণতরীটি যখন ইরানি সীমান্ত থেকে ৩৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করছিল, তখনই ড্রোনগুলো দিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়। এই হামলার পর ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’ তার সহযোগী ডেস্ট্রয়ারসহ দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে এবং বর্তমানে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থান করছে। আইআরজিসি সূত্রে জানা গেছে, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ড্রোনের পাশাপাশি চারটি শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ছোড়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, এই সফল অভিযানে অন্তত ৬৫০ জন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে ইরান তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব এবং সামরিক বিজয় হিসেবে দেখছে। আইআরজিসি এক কড়া সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, আগ্রাসনকারীদের জন্য এখন থেকে আকাশ, স্থল ও সমুদ্র হবে এক একটি সমাধিক্ষেত্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান না মিললেও, তেহরানের এই দাবি মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এক আতঙ্কের নাম ইরানের শাহেদ ড্রোন!

ইউক্রেনের রণক্ষেত্র ছাপিয়ে এবার মধ্যপ্রাচ্যের আকাশেও ত্রাস সৃষ্টি করছে ইরানের তৈরি শক্তিশালী ড্রোন ‘শাহেদ-১৩৬’। ঘাস কাটার যন্ত্রের মতো কর্কশ শব্দের এই ড্রোনগুলো এখন পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় বাহরাইন, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে কয়েক শ ড্রোন আঘাত হানায় পুরো অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি ও ভীতি প্রদর্শনের কৌশল হিসেবে তেহরান এই ব্যাপক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে বলে ধারণা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।   শনিবার ইরান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্য করে এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি ড্রোন ছুড়েছে তেহরান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ওপর চালানো ৬৮৯টি ড্রোনের মধ্যে ৬৪৫টি ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও ৪৪টি ড্রোন সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। সাড়ে তিন মিটার দীর্ঘ এই ঘাতক ড্রোনগুলো প্রায় ৫০ কেজি বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম, যা একটি বহুতল ভবন ধসিয়ে দিতে না পারলেও বড় ধরনের কাঠামোগত বিপর্যয় ঘটাতে পারে। বাহরাইন থেকে প্রাপ্ত ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ড্রোন সরাসরি একটি বহুতল ভবনে আঘাত হানছে এবং অন্যটি মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ রাডার ডোম ধ্বংস করে দিচ্ছে।   প্রযুক্তিগতভাবে শাহেদ-১৩৬ ড্রোনগুলো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক সস্তা এবং তৈরি করা সহজ। রাডার ফাঁকি দেওয়ার জন্য এগুলো অত্যন্ত নিচ দিয়ে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অধীনস্থ ‘শাহেদ এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রিজ রিসার্চ সেন্টার’ এই ড্রোনের নকশা প্রণয়ন করেছে। ২০২১ সালে ইসরায়েলি জাহাজ ‘মার্সার স্ট্রিট’-এ হামলার মাধ্যমে প্রথম এই ড্রোনের বিধ্বংসী উপস্থিতি বিশ্ববাসী জানতে পারে। বর্তমানে এই প্রযুক্তি রাশিয়ার হাতেও রয়েছে এবং ইয়েলাবুগা শহরের কারখানায় এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।   ইউক্রেন যুদ্ধে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করতে এই ড্রোনগুলো সাধারণত ঝাঁক বেঁধে ব্যবহার করা হলেও পারস্য উপসাগরে এগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে দেখা যাচ্ছে। সোমবার সকালে সৌদি আরবের বৃহত্তম শোধনাগার রাস তানুরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সেটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। যদিও এই নির্দিষ্ট হামলায় শাহেদ ড্রোন ব্যবহৃত হয়েছে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়, তবে ধ্বংসক্ষমতার ধরন দেখে বিশেষজ্ঞরা একে শাহেদ ড্রোনের হামলা বলেই সন্দেহ করছেন। ধীরগতির হওয়া সত্ত্বেও এই ড্রোনগুলো এখন মধ্যপ্রাচ্যের আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য এক দুর্ভেদ্য ধাঁধায় পরিণত হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
আরামকো তেল শোধনাগার
আরামকো তেল শোধনাগারে ইরানের ড্রোন হামলা: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

সৌদি আরবের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি কেন্দ্র আরামকো তেল শোধনাগারে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার ভোরে পরিচালিত এই হামলায় ইরানের তৈরি ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। হামলার পরপরই নিরাপত্তার স্বার্থে আরামকো পরিচালিত এই শোধনাগারটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার ফলে স্থাপনাটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   রাস তানুরা শোধনাগারটি সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। প্রতিদিন ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল শোধন করার সক্ষমতা রয়েছে এই বিশাল স্থাপনাটির। এর সংলগ্ন রপ্তানি টার্মিনালটি থেকে প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে এই প্ল্যান্টের শোধন ইউনিট, বিশাল সংরক্ষণ ট্যাংক এবং পাইপলাইন নেটওয়ার্কের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছেন আরামকোর প্রকৌশলীরা। বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই স্থানে এমন হামলা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।   বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের তেল সরবরাহে রাস তানুরার ভূমিকা অপরিসীম। এই শোধনাগারে যেকোনো ধরনের দীর্ঘমেয়াদী অচলাবস্থা আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম একলাফে বাড়িয়ে দিতে পারে। ইতিমধ্যেই হামলার খবরে অপরিশোধিত তেলের বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সৌদি আরব তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২, ২০২৬ 0
তালেবানের ড্রোন
পাকিস্তানের সেনা ক্যাম্পে তালেবানের ড্রোন হ/মলা: সামরিক ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত এবার নতুন মাত্রা নিয়েছে। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মিরানশাহ ও স্পিনওয়াম এলাকায় অবস্থিত পাকিস্তানি সামরিক ক্যাম্পে শক্তিশালী ড্রোন হামলা চালিয়েছে আফগান তালেবান বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অভিযানের সরাসরি প্রতিশোধ হিসেবে এই পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করছে আফগান কর্তৃপক্ষ।   আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও আফগানিস্তানের টোলো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়। একটি উচ্চপদস্থ নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ড্রোন হামলার পরপরই স্পিনওয়াম সেনা ঘাঁটির একটি অংশে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটে এবং ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পাকিস্তান সীমান্ত এলাকায় বিমান হামলা চালানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তালেবান সরকার এই দুঃসাহসিক সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করল, যা ওই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতার সংকেত দিচ্ছে।   তালেবান কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট দাবি, তাদের আকাশসীমা ও ভূখণ্ডে পাকিস্তানের অবৈধ অনুপ্রবেশের সমুচিত জবাব দিতেই এই ড্রোন মিশন পরিচালনা করা হয়েছে। যদিও এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতির খবর এবং সামরিক ঘাঁটিতে আগুনের বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় উভয় দেশের সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
ইউক্রেনে বাসে রুশ হামলার পর চলছে উদ্ধারকাজ। ছবি: রয়টার্স
ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত ১২, আহত ৭

ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল দিনিপ্রোপেত্রোভস্কে রাশিয়ার একটি ড্রোন হামলায় একটি বাসে থাকা অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন। বাসটিতে খনিতে কর্মরতরা ছিলেন। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ডেনিস শেমহাল রোববার টেলিগ্রামে লিখেছেন, “আজ শত্রুরা দিনিপ্রো অঞ্চলে জ্বালানি খাতের কর্মীদের লক্ষ্য করে নিন্দনীয় হামলা চালিয়েছে। এই সন্ত্রাসী হামলায় ১২ জন নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছে।” স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তেরনিভস্কা শহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। জরুরি পরিষেবা অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হামলার পর একটি পোড়া বাস সড়কের পাশে উল্টে পড়ে রয়েছে। জ্বালানি প্রতিষ্ঠান ডিটিইকে জানিয়েছে, হতাহত ব্যক্তিরা তাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন। হামলার সময় তারা সবাই কর্মস্থল থেকে বাসে ফিরছিলেন। এর পাশাপাশি, রোববার আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানান, দক্ষিণ-পূর্ব শহর জাপোরিঝিয়ায় রাশিয়ার হামলায় একটি মাতৃসদন ও একটি আবাসিক ভবনে কমপক্ষে নয়জন আহত হয়েছেন। এই হামলার খবর আসছে এমন সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের ত্রিপক্ষীয় আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব আগামী বুধবার ও বৃহস্পতিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হবে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন। চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এখনও অব্যাহত রয়েছে। দীর্ঘ এই যুদ্ধে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি রাশিয়া দেশের বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর নতুন করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে, যা চলতি শীতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ড্রোন বৃষ্টি মার্কিন রণতরির জন্য বড় হুমকি: বিশেষজ্ঞ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনার প্রেক্ষাপটে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন ড্রোন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ক্যামেরন চেল। এই কানাডিয়ান ড্রোন সিস্টেম বিশেষজ্ঞ সতর্কতা জারি করে বলেছেন, ইরানের স্বল্পমূল্যের ড্রোনের ‘ঝাঁক’ মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিশালী রণতরি এবং বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপগুলোর জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠতে পারে।   কানাডার ভ্যাঙ্কুভার ভিত্তিক ড্রোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘ড্রাগনফ্লাই’-এর সিইও এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ক্যামেরন চেল এই বিষয়ে তার বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।    ফক্স নিউজের বরাতে জানা যায়, চেলের মতে ইরান এখন তুলনামূলক সস্তা এবং চালকবিহীন আকাশযানের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করছে। এটি এক ধরনের কার্যকর ‘অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল’, যা দিয়ে অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং উন্নত সামরিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব।   স্বল্প খরচে বড় আঘাত: ক্যামেরন চেল যুক্তি দেখান যে, ইরান মাত্র কয়েক কোটি ডলার খরচ করে এমন ড্রোন সক্ষমতা তৈরি করেছে যা দিয়ে ‘স্যাচুরেশন অ্যাটাক’ বা তীব্র গণ-আক্রমণ চালানো সম্ভব। এতে স্বল্পমূল্যের ওয়ারহেড এবং সাধারণ লঞ্চ প্ল্যাটফর্‌ম ব্যবহার করা হয়।   প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরাস্ত করা: ড্রোনের বিশাল ঝাঁক যখন একসাথে আক্রমণ করে, তখন প্রচলিত বিমান প্রতিরক্ষা ও মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমগুলো সেই চাপের মুখে অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, একসাথে শত শত ড্রোনের আক্রমণ সামলানোর সক্ষমতা প্রথাগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।   উন্নত প্রযুক্তির বিরুদ্ধে কৌশল: ড্রাগনফ্লাইয়ের প্রধান জানান, ইরান তাদের এই রিমোট-কন্ট্রোলড ড্রোনগুলোকে বিশেষভাবে নকশা করেছে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত সামরিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে উচ্চ-মাত্রার হামলা চালানোর জন্য।   নৌ-প্রতিরক্ষায় ঝুঁকি: প্রচলিত নৌ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সাধারণত বড় মিসাইল বা যুদ্ধবিমান মোকাবিলার জন্য তৈরি। কিন্তু ক্ষুদ্র ও অসংখ্য ড্রোনের আক্রমণ মোকাবিলায় এই ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই বিশেষজ্ঞ।   উল্লেখ্য, ক্যামেরন চেলের প্রতিষ্ঠান ‘ড্রাগনফ্লাই’ জননিরাপত্তা, কৃষি এবং শিল্প পরিদর্শনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ড্রোন সমাধান দিয়ে থাকে। তবে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের এই ক্রমবর্ধমান ড্রোন শক্তি মার্কিন নৌবাহিনীর শ্রেষ্ঠত্বের জন্য এক নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0