রাজনীতি

অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার পুনরায় সেক্রেটারি জেনারেল

২০২৮ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা!

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা
জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

আগামী তিন বছরের (২০২৬-২০২৮) জন্য নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই কমিটি গঠন ও শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। নতুন এই কাঠামোতে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারকে পুনরায় সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

 

শীর্ষ নেতৃত্বে যারা:
ঘোষিত নতুন কমিটিতে ৪ জন নায়েবে আমির এবং ৭ জন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের (এমপি) ও মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম। সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে রয়েছেন মাওলানা এটিএম মাছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান (এমপি), ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

 

শক্তিশালী নির্বাহী পরিষদ ও নারী প্রতিনিধিত্ব:
২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বড় একটি অংশ স্থান পেয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৮৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন এবং ৫৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরায় ১৭ জন নারী সদস্য রয়েছেন। সাংগঠনিক কাঠামোতে নারীর এই ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণকে দলের ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

১৪টি সাংগঠনিক অঞ্চল ও নির্বাচন কমিশন:
সারাদেশের সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে ১৪টি অঞ্চলে ভাগ করে পৃথক পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে মিয়া গোলাম পরওয়ার, চট্টগ্রামে মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান এবং সিলেটে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের মতো দক্ষ নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাওলানা এটিএম মাছুমের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনও গঠন করা হয়েছে।

 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকা এই নতুন কমিটির মূল লক্ষ্য হবে মাঠপর্যায়ে সংগঠনকে পুনর্গঠন করা এবং আসন্ন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত প্রস্তুতি সুসংহত করা। জাতীয় রাজনীতিতে শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষায় এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

রাজনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত
‘বেগম জিয়ার আমলে মানুষ ভালো থাকায় বিএনপিকে ১৭ বছর ভুগতে হয়েছে’—চিফ হুইপ

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন Khaleda Zia-এর শাসনামলে দেশের মানুষ ভালো ছিল—এ কারণেই দলটিকে দীর্ঘ সময় ভুগতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চিফ হুইপ Nurul Islam।   শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল।   নুরুল ইসলাম বলেন, “বেগম জিয়ার আমলে দেশের উন্নতি হয়েছিল, মানুষ ভালো ছিল—এই কারণেই আমরা ১৭ বছর ভুগেছি।” তিনি দাবি করেন, Ziaur Rahman দেশকে নানা অসংগতি থেকে বের করে এনেছিলেন এবং বহুদলীয় রাজনীতির প্রবর্তন করেছিলেন।   তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন কর্মসূচির ফলে স্বল্প সময়ে খাদ্যসংকট দূর হয়েছিল। একই ধারাবাহিকতায় Tarique Rahman-ও বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। সভায় Sheikh Mujibur Rahman-এর সমালোচনা করে চিফ হুইপ বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্তে দুর্বলতা ছিল। এছাড়া আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগও তোলেন তিনি।   তারেক রহমান সম্পর্কে তিনি বলেন, তিনি সাশ্রয়ী জীবনযাপন করেন এবং বিভিন্ন সংস্কারমূলক প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদে মেয়াদসীমা নির্ধারণের বিষয়ও রয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির ব্যাপারীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালামসহ অন্যরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার পদত্যাগপত্র পাওয়ার কথা রাষ্ট্রপতি স্বীকার করেছিলেন: জামায়াত আমির

জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ফাইল ছবি

নিজেকে ‘শহীদ পরিবারের সন্তান’ দাবি করলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন। ফাইল ছবি

সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে সংসদে তুমুল বিতর্ক, হট্টগোলের পর মঙ্গলবার আলোচনার সিদ্ধান্ত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংবাদ সম্মেলন।
ঢাকাসহ ৫ সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা এনসিপির

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের পাঁচটি সিটিতে মেয়র পদে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে এনসিপি।   রবিবার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।   ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে প্রার্থী করা হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রার্থী হয়েছেন আরিফুল ইসলাম আদীব।   এ ছাড়া কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম, রাজশাহী সিটিতে মোবাশ্বের আলী এবং সিলেট সিটি করপোরেশনে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান আফজালকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।   সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে।   এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানা যাবে বলে জানিয়েছে দলটি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

সংসদকে ইনসাফের কেন্দ্রবিন্দু করার আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

ছবি: সংগৃহীত

রাস্তা বন্ধ করে জনদুর্ভোগ নয়: নেতা-কর্মীদের কঠোর বার্তা তারেক রহমানের

সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান

‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’, যা জানাল ফ্যাক্টচেকার

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার দলীয় কার্যালয়ে তারেক রহমান

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ শনিবার নয়াপল্টনে পা রাখছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সরকার প্রধান হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটিই হবে দলীয় কার্যালয়ে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর। আজ ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় তার নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে নিজেই এই ঘোষণা দেন তারেক রহমান। সভা শেষে তিনি যখন মঞ্চ ত্যাগ করছিলেন, তখন উপস্থিত নেতাকর্মীদের বাঁধভাঙ্গা স্লোগান ও উচ্ছ্বাসের জবাবে হাস্যোজ্জ্বল মুখে তিনি বলেন, "আগামীকাল নয়াপল্টন অফিসে যাব। সেখানে তোমাদের দেখতে চাই।" প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দীর্ঘ সময় পর প্রিয় নেতাকে সামনে থেকে দেখার আকাঙ্ক্ষায় সকাল থেকেই কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নয়াপল্টন এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, এটি নিছক সফর নয়; বরং কার্যালয়ে বসে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বর্তমান দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাংগঠনিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। ছবি: এনসিপির মিডিয়া উইংয়ের সৌজন্যে

‘ডিপ স্টেট’ থেকে ২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব ছিল: আসিফ মাহমুদ

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দলের আমির শফিকুর রহমান। জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা। ২৫ মার্চ। ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত আমির শফিকুর রহমান: গোশত মানেন, ঝোল খাইতে রাজি না

২০১৩ সালের আওয়ামী লীগ আমলের মামলায় পাটগ্রাম পৌর জামায়াত আমির গ্রেফতার

0 Comments