আমদানি

ছবি: সংগৃহীত।
২৫ দিনে এসেছে ৩০টি, জ্বালানি তেল নিয়ে আসছে আরও ৬ জাহাজ

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে যখন অস্থিরতার কালো মেঘ, ঠিক তখনই বাংলাদেশের জন্য এলো স্বস্তির খবর। ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনায় হরমুজ প্রণালি নিয়ে শঙ্কা থাকলেও বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত রয়েছে স্থিতিশীল। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত ৩ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনেই দেশে পৌঁছেছে ৩০টি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ। এরই মধ্যে ২৭টি জাহাজ থেকে তেল খালাস সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে দুটি জাহাজে খালাস প্রক্রিয়া চলছে। স্বস্তির খবর এখানেই শেষ নয়; আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে আরও ৬টি জ্বালানি জাহাজ বন্দরে ভিড়তে যাচ্ছে। যার মধ্যে থাকবে এলএনজি, গ্যাস অয়েল এবং এলপিজি। সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান বাংলাদেশকে ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ হিসেবে বিশেষ অভয় দিয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশের সাথে আরও রয়েছে ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরাক ও পাকিস্তান। মূলত কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে নিয়মিত আসছে এলএনজি ও জ্বালানি তেল। তবে পরিশোধিত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল নিয়ে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর নতুন কোনো ক্রুড অয়েলের চালান বন্দরে পৌঁছায়নি। তবে আশার কথা হলো, দেশের মোট চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ ক্রুড অয়েল আর বাকি ৮০ শতাংশই পরিশোধিত তেল, যা বর্তমানে নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশে আসছে। ফলে বড় কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বললেই চলে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
বাংলাদেশি মুরগি ও ডিম আমদানি বন্ধ করল সৌদি আরব
বাংলাদেশি মুরগি ও ডিম আমদানি বন্ধ করল সৌদি আরব

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরব ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।   একই সঙ্গে আরও ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে আংশিক আমদানি সীমিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি।   মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গালফ নিউজ–এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক রোগ পরিস্থিতি ও হালনাগাদ এপিডেমিওলজিক্যাল তথ্যের ভিত্তিতে এই তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। কিছু দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা ২০০৪ সাল থেকে বলবৎ রয়েছে, আবার কিছু দেশ ঝুঁকি মূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনের আলোকে পরে যুক্ত হয়েছে।   উচ্চমাত্রার এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাবই এ সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিসর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, কোট দিভোয়ার ও মন্টেনিগ্রো।   অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইনস, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল থেকে আংশিক আমদানিতে বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।   তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত স্বাস্থ্যমান পূরণ সাপেক্ষে তাপপ্রক্রিয়াজাত (হিট-ট্রিটেড) মুরগির মাংস ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। সেক্ষেত্রে সরকারি প্রত্যয়নপত্র থাকতে হবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং পণ্য অনুমোদিত স্থাপনা থেকে রপ্তানি করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি পণ্যে শুল্ক ১৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা প্রায় সব পণ্যের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম Truth Social–এ দেওয়া পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।   এর আগে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপের ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় Supreme Court of the United States। আদালত জানায়, জাতীয় জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের অপব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট শুল্ক আরোপ করেছিলেন।   আদালতের রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভিন্ন একটি বাণিজ্য আইনের আওতায় বিশ্বব্যাপী প্রায় সব দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। পরে তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়।   ট্রাম্প প্রশাসন নতুন শুল্ক আরোপে Trade Act of 1974–এর ‘সেকশন ১২২’ ব্যবহার করেছে। এই আইন অনুযায়ী কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা যায়। তবে শুল্ক কার্যকর রাখার মেয়াদ ১৫০ দিনের বেশি বাড়াতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।   ট্রাম্প জানান, এই সময়কে তিনি এমন কিছু শুল্ক আরোপের জন্য ব্যবহার করবেন, যা আইনগতভাবে অনুমোদিত। প্রশাসন আরও দুটি আইনের ওপর নির্ভর করার পরিকল্পনা করছে, যেগুলো জাতীয় নিরাপত্তা এবং অসাধু বাণিজ্য চর্চার তদন্তের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট দেশ বা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের সুযোগ দেয়।   পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি অবিলম্বে বিশ্বজুড়ে আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করছি। অনেক দেশ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্যে ক্ষতির মধ্যে রেখেছে।”   শুক্রবারের রায়ে ছয়জন বিচারপতি শুল্ক আরোপের বিপক্ষে অবস্থান নেন, আর তিনজন সমর্থন করেন। রায়ের পরও ট্রাম্প বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতি থেকে পিছু হটার ইঙ্গিত দেননি। বরং তিনি বিচার বিভাগের কয়েকজন সদস্যের সমালোচনা করেছেন।   বিশ্লেষকদের মতে, নতুন শুল্ক নীতি বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং বিভিন্ন দেশের রপ্তানি খাতের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
রোজা সামনে রেখে বাজার নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোক্তারা
রোজা সামনে রেখে বাজার নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোক্তারা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক : রোজায় ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে সরকার এ বছর বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। চাহিদার তুলনায় বেশি পরিমাণে পণ্য আমদানি করা হয়েছে এবং রোজাকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে নিরাপদ মজুত। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম কম থাকায় দেশের বাজারেও জোগান ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। এর প্রভাবে শবেবরাতের পর থেকে রোজার নিত্যপণ্যের বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।   তবে রোজায় বেশি ব্যবহৃত কয়েকটি পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। পেঁয়াজ, খেজুর, মসুর ডাল ও সয়াবিন তেল কেজিপ্রতি ৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে দুধের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতিকেজি দুধ কিনতে ক্রেতাকে গত বছরের তুলনায় প্রায় ৭০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে। এসব কারণে রমজানে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে—এমন শঙ্কা প্রকাশ করছেন ভোক্তারা।   রাজধানীর কাওরানবাজার, নয়াবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার ও জিনজিরা বাজার ঘুরে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯৫ টাকায়, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১১৫ থেকে ১৩০ টাকা। ভরা মৌসুমে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬৫ টাকায়, যেখানে গত বছর একই সময়ে দাম ছিল প্রায় ৫৫ টাকা।   বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়, যা গত বছর রোজার আগে ছিল ১৭৬ টাকা। খোলা সয়াবিন তেলের দামও বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি লিটার ১৮৫ টাকায়। সরু মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা কেজিতে, যা গত বছর ছিল ১৪০ টাকা। মাঝারি দানার মসুর ডাল ১২০ টাকা এবং মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়।   অন্যদিকে, চিনির দাম কিছুটা কমেছে। খুচরা বাজারে খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০৫ টাকায়, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১২৫ টাকা। তবে গুঁড়া প্যাকেটজাত দুধের দাম বেড়েছে। ডিপ্লোমা ব্র্যান্ডের দুধ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯২০ টাকায়, যা গত বছর রোজার আগে ছিল ৮৪০ টাকা।   কাওরানবাজারে বাজার করতে আসা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “এবার শবেবরাতের আগে ও পরে বাজারে হঠাৎ করে দাম বাড়েনি। সরবরাহও ভালো। তবে গত বছরের তুলনায় কিছু পণ্যের দাম বেশি থাকায় সামনে কী হবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।”   কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, “রমজানে পণ্যের দাম বাড়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে সরকারের দুর্বল আইন প্রয়োগ। বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য থাকা সত্ত্বেও যদি দাম বাড়ে, তাহলে তদারকি বাড়াতে হবে এবং অনিয়মকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”   বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “এ বছর রমজানে কিছু পণ্যের দাম কমবে। গত বছরের তুলনায় নিত্যপণ্যের গড় আমদানি প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি হয়েছে। এই সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় গতবারের চেয়ে এবারের রমজান ভোক্তাদের জন্য বেশি স্বস্তিদায়ক হবে। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
রপ্তানি বৃদ্ধিতে নতুন সুযোগ: অনুমোদন পেলো নতুন আমদানি নীতি

দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষ্যে নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।   বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, নতুন নীতির মূল লক্ষ্য হলো আমদানি প্রক্রিয়াকে এমনভাবে প্রণয়ন করা যাতে রপ্তানিমুখী কার্যক্রমকে উৎসাহ দেওয়া যায় এবং দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীল অবদান রাখা যায়।   শফিকুল আলম বলেন, রপ্তানি সক্ষমতা নির্ভর করছে আমদানি নীতি কতটা কার্যকরভাবে প্রণীত হচ্ছে তার ওপর। নতুন নীতি আমদানি প্রক্রিয়ায় ব্যবসায়িক সুবিধা বাড়াবে। এবার কাস্টমস শুল্ক ও অন্যান্য কর ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে, যা মোট রাজস্ব আয় বাড়াতে সহায়ক হবে। এছাড়া ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্যের দ্বিতীয়বার যাচাই-বিশ্লেষণের সুযোগ থাকবে, যা আগে সম্ভব ছিল না।   তিনি আরও জানান, নতুন নীতি বাস্তবায়নের ফলে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ হবে। দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিলেন যে বিদ্যমান পরিবেশ পুরোপুরি বাণিজ্য-সহায়ক নয়। নতুন নীতির মাধ্যমে তা আরও সহায়ক হবে এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।   প্রেস সচিব বলেন, নতুন বিধান অনুযায়ী রপ্তানিমুখী শিল্প যেমন—তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, জাহাজ নির্মাণ, আসবাবপত্র ও ফার্নিশিং খাতের কারখানা প্রয়োজনীয় কাঁচামাল শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করতে পারবে। এতে এসব খাতের রপ্তানির সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।   নতুন আমদানি নীতি দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার পাশাপাশি রপ্তানি খাতকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0