ইসি

হাইকোর্ট
ঢাকা-৪ ও ১৬ আসনের ব্যালট পেপার সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঢাকা-৪ ও ঢাকা-১৬ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনি সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই দুই আসনে ঘোষিত বিজয়ীদের প্রতি আদালতের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে। আজ রোববার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে এই আদেশ প্রদান করেন। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৮ জুন। নির্বাচনে কারচুপির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন এবং ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে এই মামলা দায়ের করেন। আবেদনে তারা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে এখন পর্যন্ত বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন এবং ১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন আসনের ব্যালট পেপার ও সরঞ্জামাদি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠিত হওয়ার পর থেকেই একের পর এক অভিযোগের শুনানি চলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এনআইডিতে ডাক নাম ও নিবন্ধনে বিশেষ সুপারিশ: ইসির জোড়া পরিকল্পনা

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতি ও ভুয়া ভোটার হওয়া ঠেকাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।    নাগরিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভুল করতে এনআইডিতে ব্যক্তির মূল নামের পাশাপাশি এবার ‘ডাক নাম’ যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে, নতুন ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার কোনো সম্মানিত ব্যক্তির সুপারিশ বাধ্যতামূলক করার বিষয়টিও সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জানান। কেন এই পরিবর্তন? ইসি সূত্রে জানা গেছে, অনেক সময় অপরাধীরা তাদের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে একাধিক এনআইডি তৈরি করে। কিন্তু ডাক নাম ডেটাবেজে সংরক্ষিত থাকলে ব্যক্তিকে শনাক্ত করা অনেক সহজ হবে। এছাড়া রোহিঙ্গা বা বিদেশি নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় পর্যায়ের কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির সুপারিশ নেওয়ার বিধান রাখা হচ্ছে। নিবন্ধন ফরম-২ তে এজন্য আলাদা একটি ঘর রাখা হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, এই দুটি পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে এবং ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরির সুযোগ চিরতরে বন্ধ হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)
ইসির পোস্টাল ব্যালটে থাকছে না ঘোষণাপত্র ও অতিরিক্ত খাম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত বিধিমালায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো—ভোটারের ভোটের গোপনীয়তা শতভাগ নিশ্চিত করা এবং ভোটদান প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা।   ইসি সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমান বিধিমালায় ভোটারকে একটি ‘ঘোষণাপত্র’ বা ‘অঙ্গীকারনামা’ দিতে হতো, যা মূলত ভোটের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের একটি বড় মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যেহেতু পোস্টাল ব্যালট নম্বর এবং ভোটারের এনআইডি নম্বর একই পত্রে থাকত, তাই ভোট গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পক্ষে সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব ছিল যে কোন ব্যক্তি কোন প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। এই ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই নতুন সংশোধনীতে ঘোষণাপত্র বা অঙ্গীকারনামার বিধানটি চিরতরে বাদ দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।   নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান আল মাসউদ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, "নিবন্ধনের সময় ভোটার যেহেতু নিজের মুখচ্ছবি ব্যবহার করেন, তাই আলাদা ঘোষণাপত্রের প্রয়োজনীয়তা আমরা আর দেখছি না। এছাড়া আগে তিনটি খাম ব্যবহারের যে জটিলতা ছিল, সেটি কমিয়ে এখন মাত্র দুটি খাম করার পরিকল্পনা রয়েছে।"   সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার ইসির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যসহ অনেক দেশেই পোস্টাল ব্যালট নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং এতে ভোটারের গোপনীয়তা সরাসরি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ঘোষণাপত্রটি ছিল একটি অবান্তর বিষয়। এটি বাদ দেওয়া একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।"   নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, সাধারণ ব্যালটে ভোটাররা গোপন কক্ষে গিয়ে সরাসরি ভোট দেন বলে সেখানে গোপনীয়তা রক্ষা সহজ। কিন্তু পোস্টাল ব্যালটে প্রযুক্তি ও দাপ্তরিক নথির কারণে যে ফাঁকফোকর ছিল, তা এই নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে বন্ধ হবে। এর ফলে আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা এবং পেশাগত কারণে বাইরে থাকা ভোটাররা আরও নির্ভয়ে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ
কবে হচ্ছে গেজেট আর শপথ?, জানালেন ইসি সচিব

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দেশজুড়ে যখন টানটান উত্তেজনা, ঠিক তখনই গেজেট প্রকাশের দিনক্ষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিল নির্বাচন কমিশন। ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে আটকে আছে চট্টগ্রামের দুটি আসন। এখন সবার প্রশ্ন—কবে নাগাদ গেজেট প্রকাশ হবে এবং নির্বাচিতরা কবে শপথ নেবেন?   খবরের মূল আকর্ষণসমূহ: দ্রুতই আসছে গেজেট: রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে হার্ড কপি পাওয়ামাত্রই যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুততম সময়ে গেজেট প্রকাশ করবে ইসি।   আটকে আছে দুই আসন: চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল আদালতের নির্দেশনায় বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে।   ফলাফলের চিত্র: ঘোষিত ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। এছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বিজয়ী হয়েছেন।   ভোটের হার: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি।   শপথ গ্রহণ: গেজেট প্রকাশের পরেই শুরু হবে শপথের প্রক্রিয়া, যা সংসদ সচিবালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।   নির্ভুল তথ্যের সাথে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)
ভোট কেনাবেচা করলেই কঠোর শাস্তি: নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি

নির্বাচনী মাঠে ভোট কেনাবেচার যেকোনো অভিযোগ বা সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।   বুধবার রাতে ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোট কেনাবেচার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ইসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ভোট কেনাবেচা কেবল অনৈতিক নয়, বরং আইনত একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।   সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে ইসি বদ্ধপরিকর।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ
মাঠে নামছে সাড়ে ৯ লাখেরও বেশি সদস্য

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, নির্বাচনের দিন সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।   ব্যালটের ধরণ: সংসদ নির্বাচনের জন্য 'সাদা' এবং গণভোটের জন্য 'গোলাপি' ব্যালট ব্যবহার করা হবে। দুটি ব্যালটই কেন্দ্রে একসঙ্গে গণনা করা হবে।   ফলাফল ঘোষণা: ভোটকেন্দ্র থেকে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার পর রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন থেকে চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক ফলাফল (গেজেট) প্রকাশ করা হবে।   মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিয়ম: গোপন কক্ষে ভোটার বা অন্য কারোরই মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি নেই। তবে সাংবাদিকরা নির্ধারিত নীতিমালা মেনে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু লাইভ বা গোপন কক্ষের ভেতর ধারণ করা নিষিদ্ধ।   নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা: ভোট গণনার সময় এজেন্টদের অবস্থান নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্রে কোনো ধরনের অস্থিরতা রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। আপনার এলাকার কেন্দ্রের পরিবেশ সম্পর্কে আপডেটেড থাকতে আমাদের সাথেই থাকুন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ইলেকশন কমিশন
প্রস্তুত দেশ, কড়া নিরাপত্তায় লড়ছেন ২ হাজার ৩৪ প্রার্থী

অপেক্ষার আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হচ্ছে দেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হয়েছে রেকর্ড সংখ্যক ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটারের রায়ে নির্ধারিত হতে যাচ্ছে আগামী দিনের নেতৃত্ব।   ভোটের সময়সূচি: ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ।   রেকর্ড নিরাপত্তা: সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।   ভোটের পরিসংখ্যান: মোট প্রার্থী ২,০৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র। ৫১টি রাজনৈতিক দল এই ভোটযুদ্ধে অংশ নিচ্ছে।   ফলাফল প্রচার: প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর নির্বাচনি পরিবেশের আপডেট দেওয়া হবে এবং ভোট গণনা শেষে বিশেষ কেন্দ্র থেকে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল প্রকাশ করা হবে।   ভোটার সংখ্যা: প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটারের মধ্যে নারী ও পুরুষ ভোটারের সংখ্যার ব্যবধান অত্যন্ত কম, যা নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।   পর্যবেক্ষণ: দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ৫৬ হাজার পর্যবেক্ষক সরাসরি মাঠ পর্যায়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।   নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, কমিশনের প্রস্তুতি এখন শতভাগ। ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়ে ইসি সচিবালয় আশ্বস্ত করেছে যে, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া পরিবেশ এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৫৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে প্রায় ৮ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)
জেনে নিন কোন ৫টি যান বন্ধ থাকছে

নির্বাচন মানেই বাড়তি সতর্কতা। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নিয়ম। আপনি কি কাল ঘর থেকে বের হওয়ার পরিকল্পনা করছেন? তবে জেনে নিন কোন গাড়িগুলো রাস্তায় নামানো যাবে না এবং কোনগুলো চলবে স্বাভাবিকভাবে।   জরুরি এই তথ্যগুলো দেখে নিন একনজরে:   বন্ধ থাকবে যে ৫ যান: বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।   মোটরসাইকেল নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা: মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত টানা ৩ দিন মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ। তবে ইসির স্টিকারযুক্ত বাইক এই নিয়মের বাইরে থাকবে।   নিজস্ব গাড়ি ও মেট্রোরেল: ব্যক্তিগত গাড়ি (কার) নিয়ে ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে পারবেন। এছাড়া মেট্রোরেল চলবে একদম স্বাভাবিক শিডিউলে।   জরুরি সেবা ও বিমান যাত্রী: অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ, সংবাদপত্র এবং জরুরি সেবার গাড়ি চলাচলে কোনো বাধা নেই। এছাড়া বিদেশের যাত্রী বা তাদের আত্মীয়রা টিকিট দেখিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন।   দূরপাল্লার পরিবহন: দূরপাল্লার বাস এবং স্থানীয় গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে ইসি এখন পর্যন্ত কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।   শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে এবং আইনি জটিলতা এড়াতে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন। তথ্যটি অন্যদের জানাতে পোস্টটি শেয়ার করে রাখুন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)
ভিপিএন সংযোগে রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় থেকে নির্বাচনি ফলাফল প্রেরণে ইসির নির্দেশনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক গণভোটের ফলাফল এবং নির্বাচন সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য পাঠাতে উচ্চনিরাপত্তার ‘ভিপিএন’ (Virtual Private Network) সংযোগ ব্যবহারের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জরুরি চিঠিতে এই কারিগরি রূপরেখা প্রদান করা হয়।   নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে নির্ধারিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই ভিপিএন সংযোগ ব্যবহার করে সরাসরি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে তথ্য প্রেরণ করতে হবে। এই বিশেষ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিটিসিএল, টেলিটক এবং গ্রামীণফোনের মতো শীর্ষস্থানীয় টেলিকম অপারেটরদের সাথে সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া ব্যাকআপ হিসেবে ‘সিসকো এনিকানেক্ট’ সফটওয়্যার ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।   নিরাপত্তা ও গতি নিশ্চিত করতে ইসি জানিয়েছে: সংশ্লিষ্ট প্রতিটি কার্যালয়ে নূন্যতম ১০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। ব্যবহারের পর সংশ্লিষ্ট ডেস্কটপ বা ল্যাপটপের এমএসি (MAC) এড্রেস কমিশনকে জানাতে হবে। নির্বাচনের দুই দিনের মধ্যে এই বিশেষ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। কোনো ধরনের কারিগরি জটিলতা এড়াতে নির্বাচন ভবনে অঞ্চলভিত্তিক বিশেষজ্ঞ টিম ২৪ ঘণ্টা সহায়তা প্রদান করবে।   উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায় ইসি। জেলা নির্বাচন অফিসারদের মোবাইলে ভিপিএন ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সময়মতো পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কোনো প্রকার যান্ত্রিক ত্রুটি বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে বিকল্প সব ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই দেশবাসী তাদের ভোটাধিকারের চূড়ান্ত ফলাফল ও গণভোটের হালনাগাদ তথ্য জানতে পারবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)
আগামীকাল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক গণভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায়। এরপর থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল আর কোনো ধরনের সভা, মিছিল কিংবা জনসভা করতে পারবে না। আজ সোমবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে এই বিশেষ নির্দেশনা ও সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।   নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার পর যদি কোনো প্রার্থী বা তার সমর্থক প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন, তবে কমিশন সেই প্রার্থীর প্রার্থিতা সরাসরি বাতিল করার ক্ষমতা রাখে। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর প্রার্থীরা কেবল নির্বাচনের দিন নিয়ে অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতিমূলক কাজ করতে পারবেন, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই জনসমক্ষে ভোট চাইতে পারবেন না।   ইসির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটের আগের ৪৮ ঘণ্টা থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সারা দেশে সব ধরনের জনসভা, মিছিল বা শোডাউন আয়োজনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন এখন থেকে ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ হিসেবে গণ্য হবে। আরপিও (RPO) ৯১ খ(৩) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি এই নিয়ম ভঙ্গ করলে তাকে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। একইভাবে কোনো রাজনৈতিক দল নিয়ম ভাঙলে তাদেরকেও সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে।   ইসি আরও জানিয়েছে, কোনো লিখিত অভিযোগ বা নিজস্ব নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে অনিয়মের প্রমাণ পেলেই তাৎক্ষণিক তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটারদের একটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ উপহার দিতেই এই কঠোর পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশব্যাপী একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)
১১ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ব্রিফিং ডাকল ইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই চার্টার নিয়ে দেশব্যাপী গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাবিশ্বের নজর এখন বাংলাদেশের দিকে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পর্যবেক্ষণ করতে বাংলাদেশে আসছেন প্রায় ৫০০ জন বিদেশি প্রতিনিধি ও সাংবাদিক।   তাদের সার্বিক প্রস্তুতি জানাতে এবং নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত ধারণা দিতে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক বিশেষ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।   নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক আজ রোববার নিশ্চিত করেছেন যে, এই ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনাররা উপস্থিত থাকবেন।   ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, বিদেশি মেহমানদের তথ্য সংগ্রহ ও অবস্থানের জন্য ইতিমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যুগপৎভাবে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
এক মিনিটেই জেনে নিন ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের নাম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটারদের সুবিধার্থে ৪টি সহজ পদ্ধতি চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন আর ভোটকেন্দ্র খুঁজে পেতে আপনাকে ভোগান্তিতে পড়তে হবে না। হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোন ব্যবহার করেই আপনি জেনে নিতে পারবেন আপনার প্রয়োজনীয় সব তথ্য।   যেভাবে তথ্য পাবেন:   স্মার্ট অ্যাপ: প্লে-স্টোর থেকে Smart Election Management BD অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। আপনার এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিলেই পেয়ে যাবেন কেন্দ্রের নাম ও ম্যাপ।   হটলাইন ১০৫: সরাসরি ১০৫ নম্বরে কল দিয়েও তথ্য জানতে পারেন। প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই সেবা চালু থাকে।   এসএমএস পদ্ধতি: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন PC <Space> NID Number এবং পাঠিয়ে দিন ১০৫ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে আপনার তথ্য চলে আসবে।   অনলাইন পোর্টাল: নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ecs.gov.bd-তে গিয়ে ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনু থেকে সহজেই আপনার কেন্দ্রটি খুঁজে নিন। এমনকি গুগল ম্যাপের মাধ্যমে যাতায়াতের পথও দেখে নিতে পারবেন।   জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে আজই আপনার ভোটার তথ্য যাচাই করে নিন এবং অন্যদের জানাতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
কর্মকর্তাদের জন্য ইসির নতুন সতর্কবার্তা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে সম্মানী ভাতার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারিত করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি চক্র। এই চক্রের পাতা ফাঁদে পা না দিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।   সম্প্রতি ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে ইসি জানায়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, একটি প্রতারক চক্র নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন সম্মানী দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে। প্রতারকরা মূলত ০১৩৪২০৪৬২৩২ ও ০১৬১২৬৭৭০৭৪ নম্বর ব্যবহার করে এসব প্রতারণামূলক ফোনকল করছে।   বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে স্ব স্ব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তাকে বিধি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সম্মানী দেওয়া হবে। এজন্য কোনো ব্যক্তি বা আলাদা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের কোনো প্রয়োজন নেই।   বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা যেন এই প্রতারক চক্রের কোনো প্রলোভন বা ফোনকলে সাড়া না দেন। সরকারি এই পেমেন্ট প্রক্রিয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য বা পিন নম্বর চাওয়ার সুযোগ নেই। যদি কেউ ইসি’র পরিচয় দিয়ে তথ্য চায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছে ইসি।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
গণভোটে কর্মকর্তারা পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল ইসলাম

নির্বাচনের দিনই অধিকাংশ আসনের ফলাফল প্রকাশে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, ব্যালট গণনা শেষে মধ্যরাতের মধ্যেই বেশির ভাগ আসনের ফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। বড়জোর শেষ রাত বা পরদিন সকালে ফল প্রকাশ হতে পারে।   মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।   গণভোট প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোট বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, তবে পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না। তিনি বলেন, “নির্বাচনী কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন—রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তারা—আইনগতভাবে কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করতে পারবেন না। তারা গণভোটের প্রচার করবেন, কিন্তু পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না।”   আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরও এতে যুক্ত রয়েছে—এমন প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সরকার গণভোট নিয়ে যে অবস্থান নিয়েছে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তিনি বলেন, “কোনো কর্মকর্তা যখন রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তখন তিনি কোনো পক্ষের নন।”   নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এবারের নির্বাচনী পরিবেশ অতীতের অনেক নির্বাচনের তুলনায় ভালো। তিনি বলেন, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থী ও দলের অঙ্গীকারনামা এবং মাঠপর্যায়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের ফলে আচরণবিধির প্রতিপালন প্রায় শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এ কারণে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে না।   রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রসঙ্গে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন মানেই রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা থাকবে। দলগুলো তাদের ইশতেহার তুলে ধরবে, একে অপরের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা করবে। তিনি বলেন, “এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই জনগণ বিচার-বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবে কাকে ভোট দেবে।”   জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে শুনেছে এবং সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0