ভোলা

ছবি: সংগৃহীত
ভোলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য লিগ্যাল নোটিশ

দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা ভোলার প্রায় ১৮ লাখ মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোলায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি মেডিকেল কলেজ ও আধুনিক হাসপাতাল স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।   গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে এই নোটিশ পাঠানো হয়। এর আগে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়ে সরকারের কাছে আবেদন করলেও কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি আইনি পথ বেছে নিয়েছেন।   নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ভোলা একটি নদী ও সাগরবেষ্টিত বিচ্ছিন্ন জনপদ। এখানকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। বর্তমানে ভোলায় কোনো জটিল রোগ বা জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে রোগীদের ৪-৫ ঘণ্টা নদীপথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল বা ঢাকা যেতে হয়। যাতায়াতের এই দীর্ঘ সময়ে এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে পথেই বহু রোগীর মৃত্যু হয় কিংবা অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও ভোলার স্বাস্থ্য খাতে তেমন কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। বিদ্যমান জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো জনবল সংকট ও আধুনিক সরঞ্জামের অভাবে প্রায় অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে।   অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া তাঁর নোটিশে দেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) এবং ৩২ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। ভোলার বিশাল জনগোষ্ঠীকে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা রাষ্ট্রের নীতিগত অঙ্গীকারের পরিপন্থী। তাই মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং চিকিৎসাসেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ভোলায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন এখন সময়ের দাবি।   তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই লিগ্যাল নোটিশের প্রেক্ষিতে যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়, তবে তিনি ভোলার আপামর জনগণের স্বার্থ রক্ষায় উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করবেন।   নতুন বাংলাদেশের পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ভোলার মতো উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের এই ন্যায়সঙ্গত দাবিটি এখন সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সচেতন মহলের প্রত্যাশা, সরকার দ্রুত এই দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ভোলার চরফ্যাসনে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গৃহবধূ নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

ভোলার চরফ্যাসনে এক গৃহবধূর উপর রাতের আঁধারে হামলা চালিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাট ও দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার চার দিন পর গত শুক্রবার রাতে ভিকটিম নিজেই লিখিত এজাহার দিয়ে তিনজনকে আসামি করেন। তবে শনিবার বিকেল পর্যন্ত পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি।   এ ঘটনার পর আসামিরা ভিকটিমকে হুমকি দিচ্ছে, ফলে চার সন্তান নিয়ে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুলিশের দাবি, অভিযোগের তদন্ত শেষ হলে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।   ঘটনা মঙ্গলবার রাতে আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ঘটে। ভিকটিম জানিয়েছে, স্বামী কর্মসূত্রে অন্য জেলায় থাকায় তিনি সন্তানদের নিয়ে একাই বাড়িতে ছিলেন। ওই রাতে ঘরে থাকা জমি কেনার ৪ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। এরপর চার সন্তানকে অন্য কক্ষে আটকে রেখে গৃহবধূকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ভিকটিম পরে স্থানীয় স্বজনদের সাহায্যে চরফ্যাসন হাসাপাতালে ভর্তি হন।   ভিকটিম বলেন, থানায় গিয়ে এজাহার দেওয়ার পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, লিখিত এজাহার পাওয়া গেছে এবং তদন্ত চলমান; পরে মামলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
নারী কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইসলামী যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশ

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতৃত্বে আজ বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে খুলনা ও ভোলায় নারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা নিন্দা জানানো হয়।   ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী দপ্তর সম্পাদক বরকত উল্লাহ লতিফ জানান, মঙ্গলবার খুলনা-১ আসনের প্রার্থী মাওলানা আবু সাইদের সমর্থনে প্রচার কার্যক্রম চলাকালীন দাকোপের লক্ষ্মীখোলা গ্রামে নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এই হামলার নেতৃত্ব দেন স্থানীয় জামায়াত নেতা হরমুজ শেখ, ইলিয়াস ও আমানুল্লাহ।   বরকত উল্লাহ আরও বলেন, মহিলা ইউনিটের প্রধান রোজিনা বেগমসহ অন্তত ১১–১২ জন নারীকে ঘরে আটকে রেখে গালিগালাজ ও শারীরিক লাঞ্ছনা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।   তিনি পূর্বের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন। ২৮ জানুয়ারি ভোলা-৪ আসনে হাতপাখা প্রার্থীর মেয়ে মারিয়া কামালের ওপর জামায়াত নেতা সোহেল ও আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে হামলা হয়েছিল। বরকত উল্লাহ বলেন, যদিও তখনো প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল, কিন্তু ইসলামপন্থী সংগঠন জামায়াত তাদের উগ্র কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এর ফলে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।   সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি মুফতি শওকত ওসমান বলেন, জামায়াতের কিছু উগ্র কর্মী সীমা অতিক্রম করেছে। হাতপাখার গণজোয়ারে ভিত হয়ে তারা নারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, যা চরম ধৃষ্টতা। জামায়াত আমিরের উচিত তাদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখা ও সংশোধন করা।   সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি হাফেজ শাহাদাত হোসেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি হাফেজ মো. মুস্তাইজ বিল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মাদ নেসার উদ্দিন হুজাইফ।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0