বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে প্রায় এক হাজার মানুষ। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও শত শত মানুষ সমবেত হয়ে ইরান, লেবানন ও ফিলিস্তিনে চলমান সংঘাতের প্রতিবাদ জানায়।   বিক্ষোভ আয়োজন করে কয়েকটি ধর্মভিত্তিক রক্ষণশীল এনজিও। অংশগ্রহণকারীরা ‘প্রতিরোধ গড়ো, গাজা জিতবে’, ‘মুসলমানরা অন্যায়কে মাথা নত করে না’ এবং ‘খুনি ইসরাইল, খুনি যুক্তরাষ্ট্র’ লিখিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। তারা আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন।   একজন বিক্ষোভকারী মেহমেত ইয়িলমাজ বলেন, আমরা বিশ্বের সব নিপীড়িত মানুষের জন্য এখানে—লেবানন, ইরান, ফিলিস্তিন। গতকাল ভেনেজুয়েলা ছিল, আগামীকাল হয়তো কিউবা হবে। আরেক বিক্ষোভকারী একরাম সায়লান বলেন, ইরান যখন ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, কেউ আয়রন ডোম দিয়ে তাদের আটকাতে পারবে না। তারপরও তারা [ইসরাইলিরা] ইঁদুরের মতো গর্তে ঢুকে পড়ে। ইরানিরা রাস্তায় নেমে আসে, এটি বিশ্বাস ও ইমানের বিষয়। যদি তাদের বিশ্বাস থাকত, মৃত্যুকে ভয় পেত না।   সূত্র: আল জাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরান ইস্যুতে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পবিরোধী ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানে হামলা এবং অভ্যন্তরীণ নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ স্লোগানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যমের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে ফিলাডেলফিয়া শহরের রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের বড় সমাবেশ। আয়োজকদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের তিন হাজারের বেশি শহরে এই কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, এটি দেশটির ইতিহাসে একদিনে অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পরিণত হতে পারে।   আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠন মুভঅন–এর নির্বাহী পরিচালক কেটি বেথেল বলেন, “আমাদের সদস্যরা শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় নামছেন, কারণ তারা একটি ভালো ভবিষ্যতে বিশ্বাস করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কার্যক্রম দেখে তারা আর নীরব থাকতে পারছেন না।”   তিনি আরও অভিযোগ করেন, ট্রাম্প প্রশাসন দেশের ভেতরে ও বাইরে এমন নীতি গ্রহণ করছে, যা জনগণের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আয়োজকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে এবং সরকারের অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।   জানা গেছে, গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর বিচার বিভাগ ও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রতিবাদ থেকেই ‘নো কিংস’ আন্দোলনের সূচনা।   অন্যদিকে, অতীতে এই আন্দোলন নিয়ে ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স উপহাস করেছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে এআই-নির্ভর মিমে ট্রাম্পকে মুকুট পরিহিত অবস্থায় দেখানো হয়। ট্রাম্প নিজেও একটি কাল্পনিক ছবি শেয়ার করেছিলেন, যেখানে তাকে ‘কিং ট্রাম্প’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।   বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে সামরিক পদক্ষেপ এবং অভ্যন্তরীণ নীতির সমালোচনাকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি গ্রেপ্তার: দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দল সিপিএন-ইউএমএল (CPN-UML) এর প্রভাবশালী নেতা কেপি শর্মা অলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে কাঠমান্ডুতে তার নিজ বাসভবন থেকে নিরাপত্তা বাহিনী তাকে হেফাজতে নেয়। এই গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কাঠমান্ডুসহ নেপালের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্নীতির অভিযোগ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা উসকে দেওয়ার সন্দেহে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে অলির সমর্থকরা এই পদক্ষেপকে 'রাজনৈতিক প্রতিহিংসা' এবং বর্তমান সরকারের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন। কেপি শর্মা অলির গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে তার দলের হাজার হাজার সমর্থক রাস্তায় নেমে এসেছেন। কাঠমান্ডুর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। বিক্ষোভকারীরা টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস এবং জলকামান ব্যবহার করেছে। নেপালের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ কেপি শর্মা অলি এর আগেও কয়েক দফায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বর্তমান জোট সরকারের সাথে তার বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এই গ্রেপ্তার নেপালের ভঙ্গুর গণতন্ত্রকে আরও বড় ধরনের সংকটের মুখে ঠেলে দিতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নেপালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রধান শহরগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নেপালের এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে এবং সকল পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে যুদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল তেল আবিব

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই যুদ্ধের বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছেন ইসরায়েলের একদল শান্তিকামী সাধারণ নাগরিক। সম্প্রতি তেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে প্রায় ২০০ জন মানুষ একত্রিত হয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সম্ভাব্য যুদ্ধের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভকারীরা 'স্কুলছাত্রীদের লাশের ওপর গণতন্ত্র গড়া যায় না' এবং 'পাইলটরা, বোমা ফেলা বন্ধ করো'—এরকম হূদয়স্পর্শী ও যুদ্ধবিরোধী স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন রাজপথ। আরব-ইসরায়েলি সাংবাদিক ইয়ানাল জাবারিনের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে কতটা উদ্বিগ্ন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতেও এই ধরনের একাধিক সমাবেশ আয়োজিত হয়েছিল, যা পুলিশি অ্যাকশনে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।  ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের এক সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, দেশটির ৯৩ শতাংশ ইহুদি নাগরিক যুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিলেও, মাত্র ২৬ শতাংশ আরব-ইসরায়েলি এই সংঘাতকে সমর্থন করছেন। জনমতের এই বিশাল পার্থক্যের মাঝেই হাবিমা স্কয়ারের এই প্রতিবাদ একটি ভিন্ন বার্তা বহন করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে হামলা বন্ধের দাবিতে হোয়াইট হাউসের সামনে তীব্র বিক্ষোভ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে মার্কিন রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি। সোমবার সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউসের সামনে সমবেত হয়ে শত শত বিক্ষোভকারী এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের দাবি তোলেন। বিক্ষোভকারীরা 'ইরানে হামলা বন্ধ করো' এবং 'আরেকটি অন্তহীন যুদ্ধ চাই না' সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে থাকেন। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া 'অপারেশন এপিক ফিউরি'-র আওতায় ইরানজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেসিসহ বহু মানুষ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বক্তারা অভিযোগ করেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অবৈধ যুদ্ধ শুরু করেছেন, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। বিশেষ করে দক্ষিণ ইরানের মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলায় ১৬৫ জন নিহতের ঘটনায় শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। 'অ্যানসার কোয়ালিশন' এবং 'কোড পিঙ্ক'-এর মতো শান্তিকামী সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভে সাধারণ মার্কিনিদের পাশাপাশি প্রবাসী ইরানিরাও অংশ নেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার পালাবদল বা রেজিম চেঞ্জের নামে নিরপরাধ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। তারা সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত খুব দ্রুত একটি ভয়াবহ আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব পড়বে গোটা বিশ্বে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খামেনির গায়েবানা জানাজা ।  ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খামেনির গায়েবানা জানাজা, ডাকসুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ

ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei–এর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে University of Dhaka–এ। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম।   জানাজা শেষে ডাকসুর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ভিসি চত্বর থেকে শুরু হয়ে হলপাড়া ঘুরে টিএসসির সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।   সমাবেশে আবু সাদিক কায়েম বলেন, মুসলিম বিশ্বে বিভাজনই আজকের সংকটের মূল কারণ। তিনি বাংলাদেশ থেকে মুসলিম বিশ্বের যুবসমাজ ও রাষ্ট্রপ্রধানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।   বক্তারা ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, রাখাইন ও ইরানের প্রসঙ্গ তুলে বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ করেন। তাঁরা পশ্চিমা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং ইরানের ইসলামী বিপ্লবকে একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।   ডাকসুর নেতারা আরও বলেন, একটি দেশের সর্বোচ্চ নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা আন্তর্জাতিক নীতির পরিপন্থী।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২, ২০২৬ 0
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে ইরাকের বসরা শহরে বিক্ষোভ হয়েছে । ছবি: রয়টার্স
খামেনি হত্যার খবরে বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ, পাকিস্তানে গুলিতে নিহত ৯

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরসহ একাধিক অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় খামেনিসহ ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়।   রোববার পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের বাইরে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। কনস্যুলেটের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীদের গুলিতে অন্তত ৯ বিক্ষোভকারী নিহত ও ৩৪ জন আহত হন বলে পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দেন। কনস্যুলেটের প্রধান ফটকের বাইরে একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।   পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তানের স্কার্দু শহরে জাতিসংঘের একটি কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। লাহোর ও রাজধানী ইসলামাবাদেও মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনার সামনে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।   পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Mohsin Naqvi বিক্ষোভকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইরানের জনগণের মতো পাকিস্তানিরাও শোকাহত। উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানে অবস্থানরত পশ্চিমা দেশগুলোর মিশনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।   এদিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে কড়া নিরাপত্তা সত্ত্বেও শত শত বিক্ষোভকারী মার্কিন দূতাবাসের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে। ইরাক সরকার খামেনির মৃত্যুতে তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছে। দেশটির শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা Ali al-Sistani ইরানিদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।   ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরেও কয়েক হাজার শিয়া মুসলিম বিক্ষোভে অংশ নেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর বিরুদ্ধেও স্লোগান দেওয়া হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানের সমর্থনে করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ, নিহত ৯

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে চরম উত্তজনা বিরাজ করছে। ইরানি নেতা খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে করাচির মার্কিন কনস্যুলেট এলাকা। বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সাথে তাদের ভয়াবহ সংঘর্ষ শুরু হয়। করাচি পুলিশের প্রধান সার্জন সুমাইয়া সৈয়দ আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছেন যে, সংঘর্ষের পর এ পর্যন্ত ৯টি মরদেহ করাচি সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছে। এর আগে নিহতের সংখ্যা ৬ জন বলে জানানো হলেও সময় বাড়ার সাথে সাথে তা আরও বেড়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ বা নিহতের মোট সংখ্যা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেননি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। কর্তৃপক্ষের দাবি, বিক্ষোভকারীরা কনস্যুলেট ভবনের মূল সীমানার বাইরের অংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল, তবে চূড়ান্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙার আগেই তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে পুরো এলাকা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
রাকসুর বিক্ষোভ
নরসিংদীসহ দেশব্যাপী ধর্ষণ ও সহিংসতার প্রতিবাদে রাকসুর বিক্ষোভ

নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক ধর্ষণ ও সহিংসতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাকসু কার্যালয়ের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।    এসময় তাদেরকে 'ইনকিলাব ইনকিলাব জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ', 'ধর্ষণের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না', 'ধর্ষকের শাস্তি, মৃত্যু মৃত্যু', 'ধর্ষকের আস্তানা, ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও', 'আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই', 'ধর্ষকের শাস্তি হোক, ইনসাফের জয় হোক', 'নির্বাচনের পনেরো দিনে, প্রশাসনকে নিলো কিনে', 'তারেক রহমান জানেন নাকি, ধর্ষকের নেতা আপনি, এ ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।    বিক্ষোভে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি ) কাউসার হাবিব বলেন, সরকার গঠনের পরপরই নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে নরসিংদী পর্যন্ত যে নৃশংসতা ঘটেছে। বিশেষ করে এক কন্যাশিশুকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ ও হত্যা,  শুধু একটি অপরাধ নয়। এটি মানবতার বিরুদ্ধে ঘৃণ্যতম অপরাধ। এমন বর্বরতা কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের পক্ষ থেকে এই পৈশাচিক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসাথে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।    তিনও আরো বলেন দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, দেশের মা-বোনদের সম্মান, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্রসমাজ ও সচেতন জনতা সবসময়ই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে প্রস্তুত, এ কথা সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্মরণ রাখতে হবে।    এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, সারা দেশে যেভাবে হত্যা ও একটি বিশেষ দলীয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা ধর্ষনের সাথে জড়িত হচ্ছে এবং ধর্ষিত করার পর হত্যা করা হচ্ছে এগুলা দেখার পর বাংলাদেশের প্রশাসন ও বিচার বিভাগ যেভাবে নীরব হয়ে আছে আমরা বলতে চাই এরকম অন্যায় অবিচার নিজের দলের লোক করলেও যদি আপনি এর বিচার করেন তাহলে আমরা মনে করবো আপনি ইনসাফের পক্ষে রয়েছেন, আর যদি নিজের দলের লোক মনে করে বিচার বিভাগকে হাতে নিয়ে বিচারকে দমিত করে ধর্ষককে নিরাপত্তা দেন তাহলে আমরা মনে করবো আপনি স্বৈরাচার হিসাবে আর্বিভূত হয়েছেন।     তিনি আরও বলেন, এরকম স্বৈরাচারী আচরণ থেকে বিরত হয়ে ধর্ষকের বিচার ও ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করে সে ছাত্রদল হোক বিএনপি হোক ধর্ষক যা সে স্রেফ ধর্ষকই এদের বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখবে ইনশাআল্লাহ। আমরা ধর্ষনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি সেই সাথে ধর্ষিতা বোনদের জন্য দোয়া করছি।    উল্লেখ্য, বিক্ষোভ মিছিলে রাকসুর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, হল সংসদের নেতৃবৃন্দসহ দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
চাঁদাবাজির প্রতিবাদে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় তেজগাঁও কলেজের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে
ফার্মগেটে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ, হামলার অভিযোগ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং এ ঘটনার জেরে হামলায় আহতদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার (আজ) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তেজগাঁও কলেজের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।   এনসিপির নেতাদের অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড এলাকায় চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। হামলার সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর তেজগাঁও কলেজ শাখার নেতা–কর্মীরা জড়িত বলে দাবি করেন তাঁরা।   বিক্ষোভে ২৭ নম্বর ওয়ার্ড এনসিপির সদস্যসচিব আওলাদ হোসেন জানান, হামলায় তাঁর চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লেগেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তারাবিহ নামাজের পর ইন্দিরা রোড এলাকায় কয়েকজন চাঁদা তোলার চেষ্টা করেন। প্রতিবাদ করলে ৬০ থেকে ৭০ জনের একটি দল অতর্কিত হামলা চালায় এবং দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে আঘাত করে। বর্তমানে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে আছেন বলেও জানান।   কর্মসূচিতে বক্তারা সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় নিরীহ ব্যক্তি ও রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিরাও এ সময় নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।   এনসিপির শিল্পাঞ্চল থানার প্রধান সমন্বয়কারী মো. হারুন বলেন, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিলে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। তিনি এলাকা থেকে চাঁদাবাজি নির্মূলের ঘোষণা দেন।   কর্মসূচিতে ১১–দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর নেতারাও সংহতি জানান। তাঁরা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।   এ সময় এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুর আমিন খান, তেজগাঁও থানা এনসিপির নেতারা এবং শেরেবাংলা নগর থানার প্রধান সমন্বয়কারী হামিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। নেতারা জানান, জনগণের অধিকার রক্ষায় ভবিষ্যতেও তাঁদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
বগারচর আওয়ামী লীগ অফিসে ‘পাবলিক টয়লেট’ সাইন উধাও

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অফিস থেকে গণঅধিকার পরিষদ কর্তৃক স্থাপিত ‘পাবলিক টয়লেট’ লেখা সাইন বোর্ড উধাও হয়ে গেছে। কে বা কারা সাইন বোর্ডটি সরিয়েছে, তা জানা যায়নি।   ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বগারচর ইউনিয়নের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অফিসে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম ও ছাত্রলীগ সভাপতি নিয়ামত উল্লাহসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।   ঘটনা সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বকশীগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ শনিবার বিকালে বগারচর আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভকারীরা দলীয় ও জাতীয় পতাকা অপসারণ করে অফিসে আগুন ধরান এবং অফিসকে ‘পাবলিক টয়লেট’ ঘোষণা করে সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেন।   রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে সরেজমিন দেখা গেছে, ভাঙাচোরা ও পরিত্যক্ত অফিসে সাইন বোর্ডটি আর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা কতিপয় ব্যক্তি সরিয়ে নিয়ে গেছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0