বিশ্ব

ফিলিস্তিনপন্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়: উত্তাল লন্ডন

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকারী গোষ্ঠী ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’-এর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে ব্রিটিশ পুলিশ। শনিবারের এই সমাবেশে কয়েকশ মানুষ অংশ নেন, যেখানে পুলিশের ব্যাপক কড়াকড়ি লক্ষ্য করা গেছে।


সরেজমিনে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা "আমি গণহত্যার বিরোধী, আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সমর্থক" লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে সেন্ট্রাল লন্ডনে জড়ো হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সমাবেশ চলাকালীন পুলিশ বেশ কয়েকজনকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেয় এবং কয়েকজনকে আটক করে। এমনকি লাঠি হাতে থাকা এক বয়োজ্যেষ্ঠ নারীকেও পুলিশি পাহারায় সরিয়ে নিতে দেখা যায়।


বিক্ষোভের আয়োজক সংস্থা ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’ (DOJ) সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে যেন অবিলম্বে প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং সন্ত্রাসবাদ আইনের আওতায় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়।


ঘটনার প্রেক্ষাপট: প্যালেস্টাইন অ্যাকশন মূলত একটি সরাসরি অ্যাকশন গ্রুপ, যারা ইসরায়েলি অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ব্রিটিশ সরকার এই গোষ্ঠীটিকে 'সন্ত্রাসবাদী সংগঠন' হিসেবে তালিকাভুক্ত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সংগঠনটির সদস্য হওয়া বা সমর্থন জানানো দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, যার সর্বোচ্চ সাজা ১৪ বছরের কারাদণ্ড।


আইনি লড়াই ও পুলিশের অবস্থান: চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট সরকারের এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘বেআইনি’ ও ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী’ বলে রায় দিয়েছিলেন। আদালতের এই রায়ের পর শুরুতে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছিল যে, তারা সমর্থনকারীদের গ্রেপ্তার করবে না। কিন্তু গত ২৫ মার্চ পুলিশ তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে পুনরায় গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেয়, যা নিয়ে মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কায়সার জোহরা নামে এক অ্যাক্টিভিস্ট আল-জাজিরাকে বলেন, "পুলিশের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে তারা সাধারণ মানুষের সুরক্ষা বা অধিকারের তোয়াক্কা করে না, বরং সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নই তাদের মূল কাজ।"


আয়োজকদের মতে, শনিবারের এই সংহতি সমাবেশে প্রায় ১,৫০০ মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। এদিকে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারের করা আপিল আবেদনের শুনানি আগামী ২৮ ও ২৯ এপ্রিল উচ্চ আদালতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণ শুরু করল মার্কিন নৌবাহিনী

শনিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রণকৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী থেকে সমুদ্র মাইন অপসারণের কাজ শুরু করেছে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা সত্ত্বেও প্রণালীটির কিছু অংশে জাহাজ চলাচল এখনো বিপজ্জনক থাকায় এই বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ 'ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই. পিটারসন' এবং 'ইউএসএস মাইকেল মারফি' বর্তমানে আরব উপসাগরে অবস্থান করছে। সেন্টকমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) কর্তৃক পেতে রাখা মাইনগুলো পরিষ্কার করে জলপথটিকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। সেন্টকম প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, "আমরা আজ থেকে একটি নতুন এবং নিরাপদ জাহাজ চলাচলের পথ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছি। খুব শীঘ্রই এই নিরাপদ রুটের তথ্য আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক শিল্প সংস্থাগুলোর সাথে শেয়ার করা হবে, যাতে বিশ্ব বাণিজ্য পুনরায় স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারে।" প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে এই পদক্ষেপকে বিশ্বের দেশগুলোর প্রতি আমেরিকার একটি "উপহার" হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যের স্বার্থেই আমেরিকা এই ঝুঁকি গ্রহণ করেছে। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সিএনএন-এর তথ্যমতে এ পর্যন্ত মাত্র ৩০টির মতো জাহাজ এই প্রণালী অতিক্রম করতে পেরেছে। মাইনের পাশাপাশি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ঝুঁকি এখনো বিদ্যমান থাকায় পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ফিলিস্তিনপন্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়: উত্তাল লন্ডন

সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি

সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইরানে হামলায় রাজি করাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন নেতানিয়াহু

প্রতীকী ছবি

ইসলামাবাদে শেষ হলো প্রথম দফার ঐতিহাসিক আলোচনা; বরফ গলছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কে

ইরানের সাবেক নারী ও পরিবার বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুমেহ এবতেকার
সাবেক ইরানি ভাইস প্রেসিডেন্টের ছেলের ভিসা বাতিল: ডিপোর্ট করছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সাবেক নারী ও পরিবার বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুমেহ এবতেকারের পরিবারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন যে, মাসুমেহ এবতেকারের ছেলে ঈসা হাশেমি, তার স্ত্রী এবং সন্তানের রেসিডেন্সি স্ট্যাটাস বা বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই ভিসা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন। নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে রুবিও বলেন, যারা আমাদের দেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার যোগ্য নয়, তাদের এখানে থাকার অনুমতি দেওয়া কখনোই উচিত ছিল না। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঈসা হাশেমি ও তার পরিবার বর্তমানে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাসুমেহ এবতেকার ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন ব্যক্তিত্ব। তার পরিবারের ওপর এমন সরাসরি মার্কিন পদক্ষেপ দুই দেশের দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের আগুনে নতুন করে ঘি ঢালল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক: যুদ্ধ বন্ধে প্রধান বাধাগুলো কী?

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করার খবর নাকচ করল যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস | ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনাকে স্বাগত জাতিসংঘের; সংঘাত এড়াতে সংলাপই একমাত্র পথ: গুতেরেস

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ড্রোন হামলায় নিহত ৬ সেনা, নিরাপত্তা দাবিতে পেন্টাগনকে চ্যালেঞ্জ মার্কিন সেনাদের

গত ১ মার্চ কুয়েতের শুয়াইবা বন্দরে ইরানের একটি ড্রোন হামলায় মার্কিন রিজার্ভ বাহিনীর ৬ সদস্য নিহত এবং ২০ জনের বেশি আহত হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এটিকে প্রথম বড় ধরনের মার্কিন সামরিক প্রাণহানি হিসেবে দেখা হচ্ছে।   তবে এই হামলাকে ঘিরে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ও ঘটনাস্থলে থাকা সেনাদের বক্তব্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অত্যন্ত সুরক্ষিত একটি স্থাপনায় ইরানি ড্রোন আঘাত হেনেছে, যা উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে প্রবেশ করেছিল।   কিন্তু আহত সেনাদের ভাষ্য ভিন্ন। তারা জানিয়েছেন, হামলার আগে সতর্ক সংকেত দেওয়া হলেও পরে ‘অল ক্লিয়ার’ ঘোষণা করা হয়। সেই ঘোষণার কিছু সময় পরই ড্রোনটি সরাসরি আঘাত হানে। তাদের দাবি, যে স্থাপনাটিকে সুরক্ষিত বলা হচ্ছে, বাস্তবে সেটি ছিল তুলনামূলকভাবে দুর্বল এবং তারা যথেষ্ট প্রস্তুত ছিলেন না।   একজন সেনা সদস্যের বর্ণনায়, বিস্ফোরণের মুহূর্তটি ছিল ভয়াবহ—চারপাশ কেঁপে ওঠে, ধোঁয়া ও ধুলায় ঢেকে যায় পুরো এলাকা।   হামলার পর উদ্ধার তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আহত সেনাদের অভিযোগ, দ্রুত সহায়তা না পেয়ে তারা নিজেরাই প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে বাধ্য হন এবং পরে বেসামরিক যানবাহনে করে হাসপাতালে যেতে হয়।   এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সেনাদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলার সময় কার্যকর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়—কারণ কোনো সতর্ক সংকেত শোনা যায়নি।   সব মিলিয়ে, এই ঘটনার পর মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কেন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সেনাদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা ছাড়া রাখা হয়েছিল, সেই প্রশ্নই এখন সামনে আসছে।   সূত্র: এনডিটিভি

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি: এএফপি

ইরানে অস্ত্র সরবরাহে চীনের সম্ভাব্য ভূমিকা, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যে নতুন উত্তেজনা

দীপক কুমার শাহ। ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে পদ হারালেন নেপালের শ্রমমন্ত্রী

প্রতীকী ছবি

ইরানের সম্পদ আটকে রাখার সিদ্ধান্তে অটল ওয়াশিংটন

0 Comments