তথ্যপ্রযুক্তি

আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ

ইউরোপে নিষিদ্ধ হওয়ার পথে টিকটক?

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
tiktok europe ban
tiktok europe ban

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অনলাইন কন্টেন্ট সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক (TikTok)। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যাপটির ডিজাইন এবং কার্যক্রম নিয়ে ইউরোপীয় কমিশন কড়া পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে, যার ফলে টিকটকের বর্তমান রূপে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

 

টিকটকের অ্যালগরিদম কি আসলেই আমাদের মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর? জেনে নিন এই আইনি লড়াইয়ের মূল কারণগুলো:

 

১. অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ম লঙ্ঘন: ইউরোপীয় ইউনিয়ন টিকটকের বিরুদ্ধে তাদের 'ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট' (DSA) লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। মূলত ক্ষতিকর কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগে এই চার্জ গঠন করা হয়েছে।

 

২. 'অ্যাডিক্টিভ ডিজাইন' বা আসক্তি তৈরির নকশা: তদন্তে দেখা গেছে, টিকটকের অ্যালগরিদম এবং ডিজাইন এমনভাবে তৈরি যা ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করে। এর ফলে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে ইইউ মনে করছে।

 

৩. অ্যাপে পরিবর্তন আনার নির্দেশ: অভিযোগ প্রমাণিত হলে টিকটককে তাদের ইন্টারফেস এবং অ্যালগরিদমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। ব্যবহারকারীদের আসক্তি কমাতে এবং শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ফিচার যুক্ত করতে বাধ্য হতে পারে তারা।

 

৪. বিশাল অঙ্কের জরিমানা: যদি টিকটক ইইউ-এর এই নিয়মগুলো মেনে চলতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের বিশ্বব্যাপী বার্ষিক আয়ের ৬ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

 

৫. টিকটকের প্রতিক্রিয়া: টিকটক অবশ্য দাবি করেছে যে তারা শিশুদের সুরক্ষা এবং আসক্তি কমাতে নিয়মিত কাজ করছে। তবে ইইউ-এর এই কঠোর অবস্থানে কোম্পানিটি এখন চাপে রয়েছে।

 

সারসংক্ষেপ: ইউরোপে টিকটকের ভবিষ্যৎ এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইউরোপীয় কমিশন যে কড়া বার্তা দিয়েছে, তাতে করে অদূর ভবিষ্যতে টিকটকের ফিচারে বড় ধরনের বদল দেখা যেতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

তথ্যপ্রযুক্তি

View more
অ্যাপল ও গুগল
ইউরোপীয় আদালতে বিলিয়ন ডলার জরিমানার কবলে অ্যাপল ও গুগল

প্রযুক্তি বিশ্বের দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠান অ্যাপল এবং গুগল ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সর্বোচ্চ আদালতে বড় ধরনের আইনি পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে। কয়েক বছর ধরে চলা ট্যাক্স ফাঁকি এবং একচেটিয়া বাজার দখলের অভিযোগে ইউরোপীয় আদালত অ্যাপলকে ১৩ বিলিয়ন ইউরো এবং গুগলকে ২.৪ বিলিয়ন ইউরো জরিমানা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে। এই রায়টি সিলিকন ভ্যালির টেক জায়ান্টদের ওপর ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রকদের কঠোর অবস্থানের একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।   আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, অ্যাপল আয়ারল্যান্ডে ব্যবসা করার সময় অবৈধভাবে কর সুবিধা গ্রহণ করেছে, যা ইইউ-এর প্রতিযোগিতামূলক বাজারের নীতিমালার পরিপন্থী। অন্যদিকে, গুগলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তারা তাদের নিজস্ব শপিং সার্ভিসকে সার্চ ইঞ্জিনে অন্যায্যভাবে প্রাধান্য দিয়ে অন্যান্য ছোট প্রতিযোগীদের ব্যবসায়িক ক্ষতি করেছে। যদিও উভয় কোম্পানিই এই রায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে আইনি লড়াই চালিয়েছিল, তবে ইউরোপীয় আদালতের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাদের জন্য বড় ধরণের আর্থিক ও ভাবমূর্তি সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় বিশ্বজুড়ে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর একচ্ছত্র আধিপত্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একটি নজির হয়ে থাকবে। আয়ারল্যান্ড সরকার ইতিমধ্যে অ্যাপলের কাছ থেকে এই বিশাল অংকের কর আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করার কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে, গুগল এই রায় নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেও ইইউ-এর আইন মেনে চলার অঙ্গীকার করেছে। এই ঘটনার পর ধারণা করা হচ্ছে যে, ভবিষ্যতে ইউরোপ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশেও বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কর ফাঁকি ও প্রতিযোগিবিরোধী আচরণের জন্য নজরদারি এবং শাস্তির মাত্রা আরও বাড়বে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
জুকারবার্গ

শত্রুতা ভুলে একজোট হচ্ছেন জুকারবার্গ ও মাস্ক: পডকাস্টের পর ভাইরাল গোপন বার্তার তথ্য

মেটা

শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ মেটা: ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানার নির্দেশ

নাসা

চন্দ্রপৃষ্ঠে স্থায়ী ঘাঁটি ও পারমাণবিক শক্তিচালিত মঙ্গলযানের ঘোষণা দিল নাসা

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে এআই ভিডিও জেনারেটর: টেক্সট লিখলেই তৈরি হবে হাই-কোয়ালিটি ভিডিও
হোয়াটসঅ্যাপে আসছে এআই ভিডিও জেনারেটর: টেক্সট লিখলেই তৈরি হবে হাই-কোয়ালিটি ভিডিও

জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য নিয়ে আসছে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চালিত ভিডিও তৈরির সুবিধা। মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে খুব শীঘ্রই ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র টেক্সট কমান্ড বা লিখিত নির্দেশনার মাধ্যমে পছন্দের ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।   এই ফিচারে মেটার নিজস্ব শক্তিশালী এআই মডেল ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যবহারকারীর কল্পনাকে দ্রুত জীবন্ত ভিডিওতে রূপান্তর করবে। বর্তমানে এটি নির্দিষ্ট কিছু দেশের বিটা ভার্সনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলেও পর্যায়ক্রমে বিশ্বের সকল অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ডিভাইসে এটি যুক্ত হবে।   এই নতুন ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কোনো জটিল এডিটিং জ্ঞান ছাড়াই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ছোট ভিডিও ক্লিপ তৈরি করতে পারবেন যা চ্যাট বক্স বা স্ট্যাটাসে শেয়ার করা যাবে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই প্রযুক্তি যোগাযোগের অভিজ্ঞতাকে যেমন উন্নত করবে তেমনি ডিপফেক বা ভুয়া ভিডিও তৈরির ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে। মেটা কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে যে এআই দিয়ে তৈরি প্রতিটি ভিডিওতে বিশেষ জলছাপ বা ওয়াটারমার্ক থাকবে যাতে সাধারণ ভিডিওর সাথে এর পার্থক্য বোঝা যায়। ব্যক্তিগত চ্যাটিংয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়িক প্রচারণার ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সব রেকর্ড চুরমার, কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে অসম্ভবকে সম্ভব করার জাদু দেখাল চীন

Copyright NASA

নাসার ডার্ট মিশন: গ্রহ প্রতিরক্ষায় ইতিহাস গড়লেন উজবেকিস্তানের দুই বিজ্ঞানী

ছবি: সংগৃহীত

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল মহাকাশের রহস্যময় ‘অদৃশ্য গ্যালাক্সি’

বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে মিলবে ফ্রি ওয়াইফাই: ঘোষণা তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর
বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে মিলবে ফ্রি ওয়াইফাই: ঘোষণা তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর

দেশের প্রতিটি প্রান্তরে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে বড় ধরনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ করে বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং দ্রুতগতির যানবাহনে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ডিজিটাল কানেক্টিভিটিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে সরকার।   শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।   মন্ত্রী বলেন, "বর্তমান যুগে আইসিটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, যাত্রীসেবা উন্নত করতে বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনের পাশাপাশি হাইস্পিড যানবাহনগুলোতেও ফ্রি ওয়াইফাই নিশ্চিত করা হবে।"   বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের তিনটি বড় টেকপার্কে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার কাজ করছে। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলার প্রতিটি উপজেলায় আইসিটি পার্ক স্থাপনের সম্ভাব্যতা নিয়েও পরিকল্পনা চলছে। সরকার জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
tiktok europe ban

ইউরোপে নিষিদ্ধ হওয়ার পথে টিকটক?

সংগৃহীত

ফ্রিল্যান্সিং: প্রযুক্তির সুবিধা, বাজারের বাস্তবতা

অ্যাডবির কার্যালয় | ছবি: সংগৃহীত

বন্ধ হচ্ছে অ্যানিমেশন সফটওয়্যার অ্যাডোবি অ্যানিমেট

0 Comments