লাইফস্টাইল

ফলের ওপর সামান্য দারুচিনি ছিটানো রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাদ বাড়ায়

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রান্নাঘরের একটি সাধারণ অভ্যাস আপনার দৈনন্দিন ফল খাওয়ার অভ্যাসকে আরও স্বাস্থ্যকর করতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, ফলের ওপর সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিলে তা শুধু স্বাদ বাড়ায় না, বরং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

 

ফলে প্রাকৃতিকভাবে সরল শর্করা থাকে, যা দ্রুত রক্তে মিশে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে দিতে পারে। দারুচিনি এই শর্করা প্রক্রিয়াকরণকে পরিবর্তন করে। এটি কোষে গ্লুকোজ শোষণে সহায়তা করে, ফলে হঠাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন বলেন, দারুচিনিতে থাকা পলিফেনল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

 

দারুচিনির অতিরিক্ত স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে। এটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়া শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে দারুচিনি প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়, কোষের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 

দারুচিনি চিনি ছাড়া ফলের স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে, হজমে সহায়ক এবং অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। বিশেষজ্ঞরা ফলের সঙ্গে লবণ বা অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার না করে দারুচিনি গুঁড়ো ব্যবহারের পরামর্শ দেন। সামান্য এই অভ্যাস ফলের পুষ্টিগুণ বাড়ায় এবং শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

লাইফস্টাইল

View more
ছবি: সংগৃহীত
প্রাচীন কাশ্মীরি সৌন্দর্য চর্চার রূপে নতুন আগ্রহ, জাফরান থেকে আখরোট স্ক্রাবে বাড়ছে চাহিদা

প্রাচীন কাশ্মীরি সৌন্দর্য চর্চার ঐতিহ্য নতুন করে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কোরিয়ান গ্লাস-স্কিন ট্রেন্ড ও আধুনিক বিউটি সিরামের জনপ্রিয়তার আগেই কাশ্মীরি পরিবারগুলো প্রাকৃতিক উপাদান ও আয়ুর্বেদিক জ্ঞাননির্ভর সৌন্দর্য রীতির চর্চা করত বলে জানা যায়।   কাশ্মীরি ঐতিহ্য অনুযায়ী সৌন্দর্য চর্চায় প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার ছিল মূল ভিত্তি। বর্তমান সময়ে এই প্রাচীন রীতিগুলো আবারও মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক উপাদানভিত্তিক স্কিনকেয়ার নিয়ে নতুন আগ্রহ এই প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।   কাশ্মীরি জাফরানকে দীর্ঘদিন ধরে সৌন্দর্য চর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ঐতিহ্যগতভাবে কাশ্মীরি নারীরা জাফরান দুধ বা গোলাপ জলে ভিজিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ব্যবহার করতেন। বর্তমানে এর প্রদাহনাশক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণের কারণে এটি ফেস মাস্ক, সিরাম এবং বিভিন্ন স্কিনকেয়ার পণ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।   কাশ্মীরি কাহওয়া নামের ঐতিহ্যবাহী পানীয়ও সৌন্দর্য ও সুস্থতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। জাফরান, সবুজ চা, বাদাম, দারুচিনি ও এলাচ দিয়ে তৈরি এই পানীয় হজমশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে বলে প্রচলিত আছে। সমসাময়িক সময়ে এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   এছাড়া কাশ্মীরি সৌন্দর্য রীতিতে বাদাম তেলের ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। দীর্ঘদিন ধরে শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক আর্দ্র রাখতে বাদাম তেল ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। বর্তমানে কোল্ড-প্রেসড আমন্ড অয়েল ত্বকের যত্ন, চোখের নিচের আর্দ্রতা রক্ষা এবং চুলের পুষ্টিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।   কাশ্মীর অঞ্চলের আখরোটের খোসা দিয়ে তৈরি স্ক্রাবও ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য চর্চার অংশ হিসেবে পরিচিত। এটি প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবে মৃত কোষ দূর করতে সহায়তা করে বলে ধারণা করা হয়। আধুনিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডগুলোও এখন আখরোটভিত্তিক উপাদান ব্যবহার করছে।   সূত্র অনুযায়ী, টাইমস এন্টারটেইনমেন্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য উপাদানের পুনরায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মে ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করবে প্রোটিনসমৃদ্ধ ৫টি খাবার

ছবি: সংগৃহীত

দামী ক্রিম নয়, ঘরে তৈরি ৪টি জাদুকরী ফেসপ্যাকেই ফিরবে তারুণ্য

২০১৮ সালে ফ্রান্সের কানে তোলা ছবিতে রুশ বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার ভিক্টোরিয়া বোনিয়া।

নতুন ইন্টারনেট সেন্সরশিপ: বিপাকে রাশিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা

ছবি: সংগৃহীত
ভালোবাসা পেতে যোগ্যতা বা শর্ত লাগে না; নতুন তথ্য মনোবিদদের

নিজেকে ভালোবাসতে না পারলে অন্যকে ভালোবাসা সম্ভব নয়—জনপ্রিয় এই প্রবাদটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অনেকের জন্য ক্ষতিকর বলে দাবি করেছেন মনোবিদরা। আপাতদৃষ্টিতে অনুপ্রেরণামূলক মনে হলেও পোর্টল্যান্ডের মনোবিদ জেফ গুয়েন্থার জানান, এ কথাটি আক্ষরিক অর্থে মোটেও সত্যি নয় এবং মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কোনো বিশেষ যোগ্যতা বা শর্তের প্রয়োজন পড়ে না।   জেফ গুয়েন্থার এই জনপ্রিয় প্রবাদের নেপথ্যে থাকা মনস্তাত্ত্বিক ফাঁদ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, যারা মারাত্মক আত্মবিশ্বাসের অভাব বা বিষণ্ণতায় ভোগেন, তারাও সন্তানদের প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন কিংবা বন্ধুর প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ান। নিজের প্রতি অনুরাগের অভাব থাকলেও মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বিলিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কোনোভাবেই খর্ব হয় না। সুতরাং ভালোবাসা দেওয়ার ক্ষমতা নিজের প্রতি অনুরাগের ওপর নির্ভর করে না।   এই উক্তিটি প্রায়ই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধবোধ তৈরি করে বলে মনে করেন এই মনোবিদ। তাদের বোঝানো হয় যে, আগে নিজেদের মানসিক সমস্যা ‘ঠিক’ বা ‘ফিক্স’ করতে হবে, তবেই তারা অন্যের ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য হবেন। এর ফলে অনেক মানুষ নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন এবং এই একাকীত্বকে ‘নিজের ওপর কাজ করা’ বলে চালিয়ে দেন।   মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অনেক সময় অন্যকে ভালোবাসার মাধ্যমেই মানুষের হারানো আত্মসম্মানবোধ ফিরে আসে। সম্পর্কে থেকে কঠিন সময়ে সঙ্গীর পাশে থাকা বা বিশ্বস্ত থাকাই প্রমাণ করে যে ওই ব্যক্তি অন্যদের চেয়েও অনেক বেশি সক্ষম। এটিই অনেক সময় মানসিক নিরাময়ের প্রকৃত পথ হিসেবে কাজ করতে পারে।   জেফ গুয়েন্থার আরও উল্লেখ করেন, এই উক্তিটি মূলত যা বোঝাতে চায় তা হলো—অতীতের অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু জটিল প্যাটার্ন তৈরি করে। তবে একে ‘ভালোবাসতে না পারা’ বলা সম্পূর্ণ ভুল। এগুলো মূলত স্নায়বিক সিস্টেমের কিছু অভ্যাস, যা ছোটবেলার অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হয় এবং এটি অবশ্যই নিরাময়যোগ্য।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংসারে অশান্তি ও একাকীত্ব: বিয়ের পর নারীরা কেন পরকীয়ায় জড়ান? জেনে নিন ৫টি প্রধান কারণ

ছবি: সংগৃহীত।

কে-পপ তারকাদের নতুন ক্রেজ ‘আকুবি’ ফ্যাশন

ছবি: সংগৃহীত

সারা দিন ক্লান্ত থাকলেও রাতের ঘুম আসে না? জানুন ‘ওয়্যারড–টায়ার্ড’ চক্রের কারণ ও সমাধান

বিদেশে ভবিষ্যৎ গড়তে চান? জেনে নিন আপনার জন্য সেরা ১০টি দেশ
বিদেশে ভবিষ্যৎ গড়তে চান? জেনে নিন আপনার জন্য সেরা ১০টি দেশ

আমেরিকা বাংলা ফিচার রিপোর্ট | ধরুন, আপনি দাঁড়িয়ে আছেন জীবনের এক মোড়ে। সামনে অজানা এক পথ—যেখানে রয়েছে নতুন দেশ, নতুন সুযোগ, আর নতুন ভবিষ্যৎ। ২০২৬ সালে সেই পথ ধরেই লাখো মানুষ পাড়ি জমাচ্ছেন বিদেশে। কেউ খুঁজছেন স্থায়ী নিরাপত্তা, কেউ উচ্চ বেতন, আবার কেউ শান্তিপূর্ণ জীবন। কিন্তু প্রশ্ন একটাই—আপনার জন্য কোন দেশটি সেরা?   চলুন শুরু করি এই “অভিবাসনের যাত্রা”—দেশ থেকে দেশে, স্বপ্ন থেকে বাস্তবতার পথে।   প্রথম গন্তব্য কানাডা—যেখানে পৌঁছালে মনে হবে, আপনি যেন একটি পরিকল্পিত ভবিষ্যতের দেশে এসেছেন। পরিষ্কার শহর, বহুসংস্কৃতির সমাজ এবং সহজ PR ব্যবস্থার কারণে এটি নতুন অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য গন্তব্য। এখানে পরিশ্রম করলে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ বাস্তব।   এরপর অস্ট্রেলিয়া—সূর্যালোক, সমুদ্র আর সুযোগের দেশ। এখানে কাজের মূল্য আছে, দক্ষতার কদর আছে। উচ্চ বেতন, আর কাজের পাশাপাশি জীবন উপভোগ করার সুযোগ—এই দুইয়ের মিশ্রণ অস্ট্রেলিয়াকে আলাদা করে তোলে।   ইউরোপে পা রাখতেই জার্মানি—শিল্প ও প্রযুক্তির শক্ত ঘাঁটি। নিয়মতান্ত্রিক জীবন, শক্তিশালী অর্থনীতি এবং চাকরির বিশাল বাজার এটিকে দক্ষ কর্মীদের জন্য স্বপ্নের গন্তব্য বানিয়েছে। তবে এখানে সফল হতে হলে পরিশ্রম ও দক্ষতা জরুরি।   এরপর আপনি পৌঁছাবেন পর্তুগালে—একটি শান্ত, ধীর গতির জীবনযাত্রার দেশ। সমুদ্রের পাশে বসে কাজ করা, কম খরচে ভালো জীবন—বিশেষ করে রিমোট কর্মীদের জন্য এটি এখন এক নতুন স্বর্গ।   স্পেনে গেলে অনুভব করবেন জীবনের অন্যরকম রং। এখানে শুধু কাজ নয়, জীবনকে উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে। সংস্কৃতি, খাবার, উৎসব—সব মিলিয়ে এটি প্রাণবন্ত একটি দেশ।   নিউজিল্যান্ড যেন এক টুকরো স্বর্গ—প্রকৃতি, নিরাপত্তা এবং শান্ত জীবন। যারা ব্যস্ততা থেকে দূরে পরিবার নিয়ে স্থায়ী হতে চান, তাদের জন্য এটি অসাধারণ একটি গন্তব্য।   আয়ারল্যান্ডে ঢুকলেই দেখা মিলবে প্রযুক্তির দুনিয়া। ইউরোপের টেক হাব হিসেবে এখানে বড় বড় কোম্পানির উপস্থিতি, আর ইংরেজিভাষী হওয়ায় সহজেই ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ তৈরি হয়।   এরপর সিঙ্গাপুর—ছোট কিন্তু শক্তিশালী। আধুনিক শহর, উচ্চ বেতন এবং আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সুযোগ এটিকে এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য বানিয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের দিকে তাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাত—বিশেষ করে দুবাই—দ্রুত সফল হওয়ার প্রতীক। করমুক্ত আয়, দ্রুত চাকরি এবং আধুনিক জীবনযাত্রা এটিকে অনেকের প্রথম পছন্দ করে তুলেছে।   শেষে মেক্সিকো—যেখানে জীবন সহজ, খরচ কম, আর পরিবেশ উষ্ণ। যারা কম বাজেটে বিদেশে থাকতে চান, তাদের জন্য এটি একটি বাস্তবসম্মত অপশন।   সব মিলিয়ে, এই ১০টি দেশ যেন ১০টি ভিন্ন পথ—কেউ নিয়ে যায় স্থায়ী নিরাপত্তার দিকে, কেউ দ্রুত আয়ের পথে, আবার কেউ শান্ত জীবনের দিকে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ঈদ শপিং

ঈদ শপিংয়ে বের হচ্ছেন? যা যা মাথায় রাখবেন

নতুন অর্থ সহায়তা পরিকল্পনা যোগ্য আমেরিকানদের ৩ হাজার ডলার দেওয়ার প্রস্তাব

নতুন অর্থ সহায়তা পরিকল্পনা: যোগ্য আমেরিকানদের ৩ হাজার ডলার দেওয়ার প্রস্তাব

ছবি: সংগৃহীত

সঙ্গী পরকীয়ায় জড়িয়েছেন কি না, বুঝবেন যেসব আচরণে

0 Comments