খেলাধুলা

মোস্তাফিজের পরিবর্তে আইপিএলে সুযোগ পেয়ে বিপদে তারকা

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৯তম আসর চলছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের নিলামে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখে কলকাতা নাইট রাইডার্সে (কেকেআর) খেলার সুযোগ পান বাংলাদেশ দলের তারকা পেস বোলার মোস্তাফিজুর রহমান।

 

কিন্তু ভারতের উগ্রহিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। মোস্তাফিজ ইস্যুত নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ দল। শুধু তাই নয়, এই মোস্তাফিজ ইস্যুতে বাংলাদেশ আইপিএলের চলতি আসরের সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে সরকার। 

 

সেই মোস্তাফিজের পরিবর্তে আইপিএলে সুযোগ পেয়েও বিপদে পড়েছেন জিম্বাবুয়ের তারকা পেস বোলার ব্লেসিং মুজারাবানি। ২৯ বছর বয়সী এই ফাস্ট বোলারকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে দলে নেয় পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।

 

কিন্তু পিএসএলে চুক্তি করে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে প্রস্তাব পেয়ে ইসলামাবাদের সঙ্গে করা চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ান এই তারকা। যে কারণে পিএসএলে আগামী দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হলো মুজারাবানিকে।

 

পিএসএল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক লিগে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে অংশগ্রহণকারীদের স্বচ্ছতা ও ধারাবাহিকতা অপরিহার্য। পূর্ববর্তী বাধ্যতামূলক চুক্তি বহাল থাকা অবস্থায় অন্য কোনো লিগে সম্পৃক্ত হওয়া প্রত্যাশিত মানদণ্ডের পরিপন্থী। এ ধরনের আচরণ উপেক্ষা করা হলে চুক্তির নির্ভরযোগ্যতা এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই লঙ্ঘনের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়েই দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।’

 

চলমান আইপিএলে ইতোমধ্যেই দুই ম্যাচে অংশ নিয়েছেন মুজারাবানি। এর মধ্যে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৪১ রানে ৪ উইকেট শিকার করে দারুণ পারফরম্যান্স দেখান তিনি।

 

এর আগে একই ধরনের ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল পিএসএল।

 

চলতি মৌসুমে আরও দুই ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার স্পেনসার জনসন এবং শ্রীলংকার দাসুন শানাকা পিএসএলের চুক্তি থেকে সরে আইপিএলে অংশ নিয়েছেন। তাদের ব্যাপারে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি পিএসএল কর্তৃপক্ষ। তবে তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবি: সংগৃহীত।
যাতায়াত খরচ আকাশছোঁয়া, যুক্তরাষ্ট্রের তোপের মুখে ‘বিস্মিত’ ফিফা

আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি ও নিউ ইয়র্ক এলাকায় জনপরিবহন বা যাতায়াত খরচ অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির ঘোষণায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। সাধারণ যাত্রী ও ফুটবল প্রেমীদের ওপর এই অতিরিক্ত খরচের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন শীর্ষ রাজনীতিবিদরা। তবে এই ঘটনায় উল্টো ‘বিস্ময়’ প্রকাশ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, বিশ্বকাপের ম্যাচ চলাকালীন নিউ ইয়র্কের পেন স্টেশন থেকে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম পর্যন্ত ট্রেনের টিকিট ভাড়া ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। স্বাভাবিক সময়ে এই রুটের ভাড়া মাত্র ১২.৯০ ডলার। অর্থাৎ যাতায়াত খরচ বাড়ছে প্রায় ১০ গুণ! একইভাবে বোস্টন থেকে ফক্সবরো পর্যন্ত বাস ভাড়া ৯৫ ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। নিউ জার্সির গভর্নর মিকি শেরিল এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, "ফিফা এই বিশ্বকাপ থেকে ১১ বিলিয়ন ডলার আয় করবে, অথচ নিউ জার্সির সাধারণ মানুষকে যাতায়াতের জন্য কোটি কোটি ডলারের বোঝা বইতে হবে—এটা হতে দেওয়া যায় না। ফিফাকেই এই খরচ বহন করতে হবে।" সিনেটের প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমারও সুর মিলিয়েছেন। তিনি বলেন, "ফিফাকে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে এবং আয়োজক শহরগুলোর পরিবহন খরচ ভর্তুকি দিতে হবে। সাধারণ মানুষকে এভাবে শোষিত হতে দেওয়া যাবে না।" এই সমালোচনার জবাবে ফিফা জানিয়েছে, তারা মার্কিন কর্মকর্তাদের এমন আচরণে অত্যন্ত বিস্মিত। ফিফার একজন মুখপাত্র জানান, ২০১৮ সালের প্রাথমিক চুক্তিতে ভক্তদের জন্য যাতায়াত ফ্রি রাখার কথা থাকলেও ২০২৩ সালে আয়োজক শহরগুলোর আর্থিক চাপের কথা বিবেচনা করে ফিফা নিয়মে পরিবর্তন আনে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দর্শকদের 'মূল্য পরিশোধ' করেই যাতায়াত করতে হবে। ফিফার দাবি, তারা এর আগে ফেডারেল ফান্ডিংয়ের জন্য লবিং করে আয়োজকদের সহায়তা করেছে। এছাড়া আগে নিউ জার্সিতে হওয়া কোনো কনসার্ট বা ক্রীড়া ইভেন্টে আয়োজকদের পরিবহন খরচ দেওয়ার নজির নেই বলেও তারা দাবি করে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের জুন-জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা বিশ্বকাপ। নিউ জার্সি ও নিউ ইয়র্ক এলাকায় ফাইনালসহ মোট ৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু যাতায়াত খরচের এই বিতর্ক বিশ্বকাপের আনন্দকে কিছুটা হলেও ম্লান করে দিচ্ছে সাধারণ দর্শকদের কাছে।এখন দেখার বিষয়, ফুটবল প্রেমীদের কথা বিবেচনা করে ফিফা শেষ পর্যন্ত কোনো ছাড় দেয় কি না।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচের শেষ মুহূর্তে এডুয়ার্ডো কামাভিঙ্গা লাল কার্ড দেখলেন।

মুহূর্তের ভুলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে রিয়াল মাদ্রিদের নাটকীয় বিদায়

জিয়ানি ইনফান্তিনো, ফিফার সভাপতি | ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাস গড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ; ফাইনালের মঞ্চে প্রথমবারের মতো থাকছে জমকালো ‘হাফ-টাইম শো’

মোস্তাফিজের পরিবর্তে আইপিএলে সুযোগ পেয়ে বিপদে তারকা

শেন ওয়ার্ন ও জ্যাকসন ওয়ার্ন
‘করোনা ভ্যাকসিনই আমার বাবাকে মেরে ফেলেছে’, শেন ওয়ার্নের ছেলের বিস্ফোরক দাবি

ক্রিকেট ইতিহাসের কিংবদন্তি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নের অকাল মৃত্যু নিয়ে দীর্ঘ দুই বছর পর এক চাঞ্চল্যকর দাবি তুললেন তার ছেলে জ্যাকসন ওয়ার্ন। তার অভিযোগ, করোনা প্রতিরোধে ব্যবহৃত এমআরএনএ (mRNA) ভ্যাকসিনই তার বাবার হার্ট অ্যাটাক এবং মৃত্যুর জন্য দায়ী। ২০২২ সালের ৪ মার্চ থাইল্যান্ডে ছুটি কাটানোর সময় মাত্র ৫২ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান অস্ট্রেলিয়ান এই কিংবদন্তি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জ্যাকসন ওয়ার্ন বলেন, "আমার বাবার মৃত্যুর পেছনে ভ্যাকসিনের সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে বলে আমি মনে করি।" জ্যাকসন জানান, মৃত্যুর কয়েক মাস আগেই শেন ওয়ার্ন ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ নিয়েছিলেন। তার দাবি, ওয়ার্ন অত্যন্ত সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন। হঠাৎ করে এমন শক্তিশালী হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া অন্য কোনো কারণ দেখছেন না তিনি। এই প্রথম নয়, এর আগেও অস্ট্রেলিয়ার বেশ কিছু চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর সঙ্গে ‘অ্যাস্ট্রাজেনেকা’ বা নির্দিষ্ট কিছু ভ্যাকসিনের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে জ্যাকসনের এই সরাসরি অভিযোগ ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী শেন ওয়ার্নের মৃত্যু স্বাভাবিক হৃদরোগজনিত কারণেই হয়েছিল বলে জানানো হয়েছিল, তবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আসা এই অভিযোগ বিশ্বজুড়ে ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও উসকে দিল।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0
লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত ইয়ামাল। এক্স/বার্সেলোনা

‘লেব্রন জেমসের মতো প্রত্যাবর্তন’—বার্সাকে জাগাতে ইয়ামালের স্বপ্ন

ছবি: সংগৃহীত

বিসিবিতে রদবদল নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই সাকিবের; দুষলেন সাবেক সরকারকে

ছবি: সংগৃহীত

বাদ পড়ার আশঙ্কা ইরানের, ২০২৬ বিশ্বকাপে ভাগ্যের জোরে সুযোগ পাচ্ছে ইতালি?

ছবি - সংগৃহিত
জাতীয় দলে ফিরতে সাকিবকে যে শর্ত দিল বিসিবি

পাকিস্তান সিরিজের আগেই বিসিবি জানিয়েছিল, সাকিব আল হাসানের জন্য বাংলাদেশের দরজা খোলা। তবে সেই সিরিজে তার খেলা হয়নি অনুমিতভাবেই। এবার নিউজিল্যান্ড সিরিজেও তার ভাগ্যে শিঁকে ছিঁড়ল না। যার ফলে সাকিবের অপেক্ষা বাড়ল আরও।    সাকিব ২০২৪ সালে সবশেষ খেলেছেন জাতীয় দলে। এরপর থেকেই রাজনৈতিক ও আইনগত কারণে জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়ে আছেন তিনি, একাধিক মামলা ঝুলছে তার নামে। এদিকে জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়ে পড়ার পর থেকে সাকিব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। পিএসএলের এবারের আসরে ডাক পাননি, আইপিএলের দরজা তো অনেক আগে থেকেই বন্ধ।   এ সময়ে তিনি খেলে বেড়াচ্ছেন নিচু মানের লিগে। এমনকি মাইনর লিগেও খেলতে দেখা গেছে তাকে। সেই তার সামনেই এখন জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তাকে নিয়ে আজ প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার বললেন, ‘আমার সাথে একবার কথা হয়েছে। জিজ্ঞেস করেছিলাম প্রস্তুত আছে কিনা, যেহেতু ও যেখানে আছে সেখানে নিয়মিত ক্রিকেট হয় না বা ট্রেনিংয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। ফিটনেস নিয়ে কাজ হতে পারে, তবে ক্রিকেট নিয়মিত হয় না। যদিও ও ক্রিকেট খেলছে। এসব নিয়েই বেশি কথা বলেছি।’   তার দলে ফেরার ক্ষেত্রে এক শর্ত বেঁধে দিয়েছেন হাবিবুল। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলোয়াড়দের কাছে অনেক কিছু ডিমান্ড করে। তাই এখানে প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। সে (সাকিব) যদি রেডি থাকে এবং লম্বা সময়ের জন্য খেলতে চায়, তবে আমরা অবশ্যই তাকে বিবেচনায় রাখব।’

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
মরক্কান তারকা ইলিয়াস আখোমাচ

এবার খেলার মাঠে মুসলিম-বিদ্বেষের শিকার মরক্কোর তারকা ফুটবলার

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন তামিম ইকবাল | ছবি: সংগৃহীত

তামিমের ডাকে বিসিবি-তে ফিরলেন সুজন; বললেন ‘মুখে বলা কাজগুলো করে দেখাবে তামিম’

আফান সিজমিক

ইতালির গোলরক্ষকের ‘গোপন নোট’ চুরি, ‘বল বয়’ থেকে জাতীয় বীরে পরিণত বসনিয়ার কিশোর!

0 Comments