ইইউ

ছবি: সংগৃহীত।
শিশুদের সুরক্ষায় ইইউর নতুন পদক্ষেপ, আসছে ‘এজ-ভেরিফিকেশন অ্যাপ’

ইন্টারনেটের বিশাল জগতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ক্ষতিকর কন্টেন্ট থেকে তাদের দূরে রাখতে বড় এক পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ব্লকটি একটি বিশেষ ‘এজ-ভেরিফিকেশন’ বা বয়স যাচাইকারী অ্যাপ উন্মোচন করেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন ব্রাসেলসে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অ্যাপটির কারিগরি কাজ সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা দেন। বিশ্বজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শিশুদের প্রবেশাধিকার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে ক্ষতিকর কন্টেন্ট, আসক্তি এবং সাইবার বুলিং থেকে শিশুদের বাঁচাতে বিভিন্ন দেশ কঠোর আইন প্রণয়ন করছে। অস্ট্রেলিয়া সম্প্রতি ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করেছে। ইউরোপের দেশগুলোও একই পথে হাঁটছে। এই প্রেক্ষাপটে ইইউ এই ‘সহজ ও কার্যকর’ সমাধানটি নিয়ে এসেছে। এই অ্যাপটি অনেকটা করোনাকালীন ‘ভ্যাকসিন পাসপোর্টের’ আদলে তৈরি। ব্যবহারকারীরা তাদের স্মার্টফোন বা কম্পিউটারে অ্যাপটি ডাউনলোড করে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রের (ID Card) মাধ্যমে বয়স যাচাই করবেন। কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশের সময় অ্যাপটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করেই কেবল তিনি নির্দিষ্ট বয়সের কি না, তা নিশ্চিত করবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, এই অ্যাপটি সম্পূর্ণ বেনামী (anonymous) এবং এটি ব্যবহারকারীর অনলাইন গতিবিধি ট্র্যাক করতে পারবে না। এটি মূলত ‘ওপেন সোর্স’ প্রযুক্তিতে তৈরি, যাতে যেকোনো প্ল্যাটফর্ম সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারে। ফন ডার লিয়েন স্পষ্ট করে বলেন, “অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য এখন আর কোনো অজুহাত নেই। শিশুদের সুরক্ষার জন্য ইউরোপ একটি নিখরচায় এবং সহজ সমাধান দিচ্ছে।” অ্যাপটি চালুর পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইইউ। বলা হয়েছে, যেসব কোম্পানি শিশুদের অধিকার রক্ষা করবে না এবং সঠিক বয়স যাচাই পদ্ধতি প্রয়োগ করবে না, তাদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করা হবে। ডিজিটাল সার্ভিস অ্যাক্ট (DSA) অনুযায়ী বড় ধরনের জরিমানার মুখে পড়তে পারে টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা মেটার মতো টেক জায়ান্টরা। প্রাথমিকভাবে ফ্রান্স, ইতালি, ডেনমার্ক এবং স্পেনের মতো সাতটি দেশ এই সিস্টেমটি গ্রহণ করার পথে রয়েছে। খুব শীঘ্রই পুরো ইউরোপ জুড়ে এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
হাঙ্গেরির কট্টরপন্থী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। ছবি: সংগৃহীত
হাঙ্গেরিতে রেকর্ডসংখ্যক ভোট: গদি হারাতে পারেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র অরবান

দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনের পর আজ এক অগ্নিপরীক্ষার সম্মুখীন হাঙ্গেরির কট্টরপন্থী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। আজ রোববার হাঙ্গেরিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এক ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন, যার ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব—বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU), রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বুদাপেস্টের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। স্থানীয় সময় সকাল ১১টা নাগাদ ভোট প্রদানের হার ৫৪ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে, যা গত ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এবার দেশটিতে রেকর্ডসংখ্যক ভোট পড়তে পারে। নির্বাচনে মূল লড়াই হচ্ছে অরবানের ক্ষমতাসীন দল ‘ফিদেজ’ (Fidesz) এবং তার এক সময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, বর্তমান বিরোধী নেতা পিটার ম্যাগিয়ারের নেতৃত্বাধীন ‘তিসজা’ (Tisza) পার্টির মধ্যে। জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৪১ শতাংশ সমর্থন নিয়ে ম্যাগিয়ারের দল অরবানের দলের চেয়ে প্রায় ৭-৯ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে। ৪৩ বছর বয়সী ম্যাগিয়ার নিজেকে একজন উদারপন্থী ও ইউরোপ-পন্থি নেতা হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি দেশের দুর্নীতি দমন এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কেন এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ? ১. ইইউ ও ইউক্রেন যুদ্ধ: অরবানের শাসনামলে হাঙ্গেরির সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের প্রেক্ষাপটে ইইউ-র অধিকাংশ দেশ যখন কিয়েভকে সমর্থন দিচ্ছে, তখন অরবান রাশিয়ার প্রতি কিছুটা নমনীয় মনোভাব দেখিয়েছেন। ম্যাগিয়ার জয়ী হলে হাঙ্গেরি পুনরায় ইউরোপীয় মূলধারায় ফিরে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২. রুশ সংযোগ: নির্বাচনের ঠিক আগে অরবানের সরকারের বিরুদ্ধে মস্কোর সাথে যোগসাজশের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। অন্যদিকে অরবান একে ‘শান্তি বনাম যুদ্ধ’ হিসেবে প্রচার করছেন, যেখানে তিনি নিজেকে হাঙ্গেরিকে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষার একমাত্র রক্ষাকর্তা হিসেবে দাবি করেছেন। ৩. ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আন্তর্জাতিক প্রভাব: অরবানের অন্যতম বড় সমর্থক যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি নির্বাচনের ঠিক আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুদাপেস্ট সফর করে অরবানের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। অরবানের পতন হলে ইউরোপে উগ্র-ডানপন্থী রাজনীতির বড় একটি স্তম্ভ ভেঙে যেতে পারে। ভোট দিতে আসা এক তরুণ ভোটার মিহালি বাসি বলেন, "আমরা দেশে পরিবর্তন চাই। বর্তমান সরকারের আমলে জনজীবনে অস্থিরতা ও মুদ্রাস্ফীতি চরমে পৌঁছেছে। আমাদের ভবিষ্যৎ এখন ব্যালট বাক্সে।" অন্যদিকে অরবানের সমর্থকরা মনে করেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও হাঙ্গেরির স্বকীয়তা বজায় রাখতে অরবানের কোনো বিকল্প নেই। তবে অরবানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে হাঙ্গেরির বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফিদেজ সরকারের তৈরি করা বিশেষ নির্বাচনী সীমানার কারণে ম্যাগিয়ারের দলকে অন্তত ৫-৬ শতাংশ বেশি ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করতে হবে। আজ সন্ধ্যা ৭টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রাথমিক ফলাফল আসা শুরু হবে। তবে ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত বিজয়ী কে, তা নিয়ে সংশয় কাটছে না। এটি কি অরবানের ‘ইলিবেরাল ডেমোক্রেসি’ বা অনুদার গণতন্ত্রের জয় হবে, নাকি পিটার ম্যাগিয়ারের হাত ধরে হাঙ্গেরি নতুন দিগন্তের পথে যাত্রা শুরু করবে—তা সময়ই বলে দেবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস | ছবি: সংগৃহীত
'একতরফা প্রত্যাশা অন্যায্য', ট্রাম্পের সমালোচনার কড়া জবাব ইউরোপের

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইউরোপ যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছে না—ট্রাম্প প্রশাসন ও উপসাগরীয় দেশগুলোর এমন অভিযোগকে "অন্যায্য" বলে অভিহিত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস।  সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই অঞ্চলের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য ইউরোপ দায়ী নয়, তবুও তারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ এবং লোহিত সাগরের নিরাপত্তা রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কালাস সরাসরি প্রশ্ন তোলেন উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ২০২২ সালে যখন রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল, তখন এই দেশগুলো ইউরোপের পাশে সেভাবে দাঁড়ায়নি। তার মতে, সহযোগিতা কোনো "একতরফা বিষয়" হতে পারে না।  তিনি বলেন, "আমাদেরও ইউরোপে নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ রয়েছে, রাশিয়ার যুদ্ধ চলছে। অথচ উপসাগরীয় দেশগুলো সেখানে আমাদের সাহায্য করেনি। আমাদের শত্রুরা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ, আমরাও যদি সেভাবে একসাথে কাজ করতাম, তবে আমরা অনেক বেশি শক্তিশালী হতাম।" লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইইউ প্রধান বলেন, ইসরায়েলের ভারী বোমাবর্ষণ এবং বেসামরিক নাগরিক নিহতের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি অবিলম্বে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান এবং জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো শান্তি চুক্তিতে অবশ্যই লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসার তাগিদ দেন এই শীর্ষ কূটনীতিক।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ।
ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে সই করল অস্ট্রেলিয়া ও ইইউ

আট বছরের দীর্ঘ আলোচনা আর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে আলোর মুখ দেখল অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।  সোমবার অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরাতে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন ইইউ প্রধান উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আমেরিকা ও চীনের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের বাণিজ্যের পরিধি প্রসারে নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার সাথে এই চুক্তি সেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনারই একটি বড় অংশ। সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান কেবল বাণিজ্যের কথা বলেননি, বরং একটি শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের ঘোষণাও দিয়েছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন বলেন, "ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও আমাদের বিশ্বদর্শন অভিন্ন। এই বাণিজ্য ও সামরিক চুক্তির মাধ্যমে আমরা একে অপরের আরও কাছে আসব।" রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্য এবং নিরাপত্তার এক নতুন সমীকরণ তৈরি হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জ। ছবি: সংগৃহীত
অস্ত্র বিরতির আগে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো হস্তক্ষেপ নয়, সাফ জানালেন জার্মান চ্যান্সেলর

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে জার্মানির অবস্থান স্পষ্ট করলেন চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জ। বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় নেতাদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি জানান, যতক্ষণ না এই অঞ্চলে সামরিক সংঘাত বা 'অস্ত্রের গর্জন' থামছে, ততক্ষণ জার্মানি সরাসরি কোনো হস্তক্ষেপে জড়াবে না। চ্যান্সেলর মের্জ সাংবাদিকদের বলেন, "শান্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরই কেবল আমরা আমাদের ভূমিকা পালন করতে পারি। যুদ্ধ চলাকালীন জার্মানি কোনো পদক্ষেপ নেবে না।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভবিষ্যতে জার্মানি যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা অবশ্যই ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে আলোচনার ভিত্তিতেই করা হবে। সমুদ্রপথ উন্মুক্ত রাখা এবং নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জার্মানির সক্ষমতা রয়েছে স্বীকার করেও মের্জ জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক ম্যান্ডেট বা আইনগত বৈধতা ছাড়া জার্মানি সেখানে কোনো সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করবে না বলেও তিনি সাফ জানিয়ে দেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করার পর জার্মানির পক্ষ থেকে এই কড়া বার্তা এলো। ট্রাম্পের দাবি ছিল, যেহেতু মিত্র দেশগুলো এই পথ দিয়ে তেল আমদানি করে, তাই এর নিরাপত্তার দায়িত্বও তাদের নিতে হবে।  তবে চ্যান্সেলর মের্জের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, চাপের মুখে নয় বরং আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি এবং শান্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জার্মানি তার পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেয়ার্জ
ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উপরে অসন্তুষ্ট জার্মানি: বিস্ফোরক মন্তব্য চ্যান্সেলরের

ইরান ইস্যুতে এবার সরাসরি ওয়াশিংটনের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেয়ার্জ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান অভিমুখে মার্কিন-ইসরায়েলি যে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে, তা নিয়ে জার্মানির পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ ও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। চ্যান্সেলর মেয়ার্জ আজ বুন্দেসট্যাগে (জার্মান পার্লামেন্ট) দেওয়া এক ভাষণে স্পষ্ট করে বলেন, এই অভিযানের পেছনে কোনো সুনির্দিষ্ট বা দূরদর্শী কৌশল জার্মানির নজরে পড়েনি। মেয়ার্জ জানান, এই অভিযানের আগে ওয়াশিংটন বার্লিনের সাথে কোনো প্রকার আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন মনে করেনি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, "আমেরিকা যদি আগে আমাদের সাথে পরামর্শ করত, তবে আমরা অবশ্যই এই ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ার পরামর্শ দিতাম।" চ্যান্সেলর আরও যোগ করেন, এই সামরিক অভিযান সফল করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা এখনও বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ সুরক্ষায় ন্যাটোর সহযোগিতা চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে হরমুজ প্রণালীতে জার্মান যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন মেয়ার্জ।  ইরান ইস্যুতে প্রথমে কিছুটা নীরব থাকলেও বর্তমানে নিজ অবস্থানে অনড় ও কঠোর মনোভাব পোষণ করছেন এই জার্মান নেতা। বিশেষ করে যখন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছিল, ঠিক সেই মূহুর্তে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই
ইইউ-এর নতুন নিষেধাজ্ঞা ‘অযৌক্তিক ও বেআইনি’: তীব্র প্রতিবাদ ইরানের

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করেছে তেহরান।  ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই পদক্ষেপ কেবল ‘অযৌক্তিক’ নয়, বরং এটি ‘অনৈতিক’ এবং ‘পুরোপুরি বেআইনি’। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কারণে ইরানকে শাস্তি দিতেই এই পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস জানান যে, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের ১৯ জন কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন এই নিষেধাজ্ঞা সদস্য রাষ্ট্রগুলো অনুমোদন করেছে। তবে ইরান এই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করে একে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ১১, ২০২৬ 0
সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধি দল
প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে: ইইউ পর্যবেক্ষক দল

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংবদ নির্বাচনকে প্রতিযোগিতাপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও পক্ষপাতহীন ভূমিকা রেখেছে বলেও মনে করে তারা।   শনিবার সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন নিয়ে নিজেদের প্রাথমিক প্রতিবেদন গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিরা। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নাগরিকের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে গণতন্ত্র চর্চার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নতুন ধাপে পা দিয়েছে বলেও মনে করে ইইউ পর্যবেক্ষক দল।   যদিও বাংলাদেশের মোট ভোটার বিবেচনায় নির্বাচনে নারী প্রার্থী এবং সার্বিক প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। “মাত্র চার শতাংশ নারী প্রার্থী, নারীদের অংশগ্রহণে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের বিপরীত,” বলে মন্তব্য করেন ইইউ প্রতিনিধি দলের প্রধান পর্যবেক্ষক আইভারস আইজ্যাবস।   এছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা এবং ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে আরও সচেষ্ট এবং আন্তরিক হওয়ার কথাও বলেন তিনি। কিছু নির্বাচন কেন্দ্রীক সংঘাত হলেও সামগ্রিকভাবে নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ছিল বলেই মনে করেন ইইউ প্রতিনিধি দলের প্রধান টমাস জেডেচোভস্কি।   তিনি জানান, নির্বাচন পরবর্তী পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করছে ইইউ। দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এবং ভবিষ্যতে করণীয় পরামর্শ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নতুন সরকার সব নাগরিকের নিরাপত্তা এবং অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করবে বলেও আশা ইইউ পর্যবেক্ষক দলের। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টি ভবিষ্যতে অবশ্যই নজর দেওয়া প্রয়োজন।   এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকা এবং অংশগ্রহণমূলক হওয়া না হওয়া নিয়ে আলোচনা বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে এখানে এসেছি। এই সফরে এটাই আমাদের মূল এজেন্ডা ছিল।”

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
সংখ্যালঘুদের সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের বৈঠক
সংখ্যালঘুদের সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের বৈঠক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এখন তুঙ্গে বিদেশি তৎপরতা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের সাথে বিশেষ বৈঠকে বসেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) নির্বাচনী পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দল।   মূল ঘটনাবলি: সাক্ষাৎকার: বৈঠকে ইইউ প্রধান পর্যবেক্ষক ইভারস ইজাবস সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে সরাসরি তাদের শঙ্কা, প্রত্যাশা ও বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে মতামত গ্রহণ করেন।   ইইউ-এর অবস্থান: প্রতিনিধি দলটি স্পষ্ট করেছে যে, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের জন্য সমাজের সকল স্তরের মানুষের সুচিন্তিত মূল্যায়ন অপরিহার্য।   ঐক্য পরিষদের দাবি: বৈঠকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।   একই দিনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার হিসেবে ৫ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যা দেশের মানবাধিকার রক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।   নির্বাচনের আগমুহূর্তে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের এই ঘনঘন বৈঠক দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে? আপনার মন্তব্য নিচে জানান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লাইয়েন(বামে) ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(ডানে)। ফাইল ছবি: রয়টার্স
নতুন নিরাপত্তা অংশীদারত্বে এগোচ্ছে ইইউ ও ভারত

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা কর্মসূচিগুলোতে ভারতীয় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছে। এক খসড়া নথি অনুযায়ী, এই ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটতে যাচ্ছে, যখন ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সহযোগীতামূলক সম্পর্ক গড়তে চাচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।   উক্ত নথিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা হুমকি, ভূরাজনৈতিক সংঘাতময় পরিস্থিতি এবং প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ইইউ এবং ভারতের মধ্যে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা  বাড়াচ্ছে।   নতুন অংশীদারত্বে প্রতি বছর নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সংলাপ হবে। এতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সাইবার হুমকি, সন্ত্রাসবিরোধী উদ্যোগ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইইউএর বিভিন্ন প্রতিরক্ষা কর্মসূচিতে ভারতের অংশগ্রহণ উভয়পক্ষের জন্য যুতসই ও লাভজনক কিনা, তাও এই আলোচনায় খতিয়ে দেখা হবে।     প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি, মঙ্গলবার ভারত ও ইইউ দীর্ঘ আলোচনার পর একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা করতে যাচ্ছে।   এই নতুন অংশীদারত্ব মূলত ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৌশলগত সম্পর্ক আরও দৃঢ়ই করবে। সেই সাথে পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় উভয়পক্ষের সার্বভৌমত্বের উপর হুমকি মোকাবেলায় এই অংশীদারত্ব ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

ছবি: আমেরিকা বাংলা
আমেরিকা

১৭ কোটি টাকার বৃত্তি নিয়ে হার্ভার্ডে অনন্যা, মিশিগানে বাঙালি কমিউনিটিতে উচ্ছ্বাস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ১১, ২০২৬ 0