জুলাই অভ্যুত্থান

ছবি: সংগৃহীত
মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই অভ্যুত্থান গবেষণায় সরকারি অনুদান

মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস সংগ্রহ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে গবেষণাকে উৎসাহিত করতে বিশেষ অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ৪ মার্চ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছে, যেখানে গবেষক বা গবেষণা দলকে ৫ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এই গবেষণার আওতায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, গণহত্যা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং শরণার্থী জীবনের পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, শহীদ ও আহতদের বীরত্বগাথা এবং পুনর্বাসনের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।   মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, তিনটি ক্যাটাগরিতে এই অনুদান প্রদান করা হবে। 'ক' শ্রেণিতে প্রাতিষ্ঠানিক বা দলীয় গবেষণার জন্য ১০ থেকে ২৫ লাখ টাকা (মেয়াদ ১ বছর), 'খ' শ্রেণিতে একক গবেষণার জন্য ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা (মেয়াদ ৯ মাস) এবং 'গ' শ্রেণিতে ৫ লাখ টাকা (মেয়াদ ৬ মাস) বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিজ্ঞ গবেষক, পিএইচডিধারী এবং সরকারি কর্মকর্তাসহ স্বীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে আবেদনকারীকে অন্য কোনো সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণায় যুক্ত থাকা চলবে না।   প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হবে এবং ৩১ অক্টোবরের মধ্যে তা জমা দিতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের একটি কমিটি এই প্রস্তাবনাগুলো পর্যালোচনা করবেন। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, মূলত বাজেট প্রাপ্তির ওপর ভিত্তি করে প্রতি বছর অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকদের সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় পর্যায়ের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের জন্য প্রামাণ্য তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নাহিদ ইসলাম
গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অপচেষ্টাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নাহিদ ইসলাম

ঢাকা: জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই ঘটনাকে ‘উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়’ হিসেবে অভিহিত করেন। নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে এই ধরনের তৎপরতা জুলাই বিপ্লবের চেতনা এবং তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।   নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার জন্য যে মামলাটি দায়ের করার চেষ্টা হয়েছিল, আদালত তা গ্রহণ করেনি। তিনি মনে করেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ফ্যাসিবাদের পরাজিত শক্তির একটি গভীর চক্রান্ত। তাঁর মতে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আজ দেশের তরুণ প্রজন্মের ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ের প্রতীক, আর সেই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধাদের আইনিভাবে হয়রানি করার মাধ্যমে ৫ আগস্টের পরাজিত শক্তি এখনো মাঠে সক্রিয় থাকার প্রমাণ দিচ্ছে।   বিগত দিনের সংগ্রামের উদাহরণ টেনে নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অতীতেও মামলা বা ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্র নেতৃত্বকে দমন করা সম্ভব হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অপশক্তি সফল হবে না। এই অপচেষ্টা রুখতে তিনি সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরাজিত শক্তির যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও জোর দেন তিনি।   পোস্টের শেষে তিনি জুলাই বিপ্লবের মূল স্পৃহা বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বর্তমান প্রজন্ম এবং আন্দোলনকারীরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই ধরনের হয়রানিমূলক মামলার অপচেষ্টা বন্ধ না হলে আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
রাষ্ট্রপতির শপথ অবৈধ ঘোষণার রিট

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিনের শপথ গ্রহণকে অবৈধ ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থানে ‘নীরব ভূমিকা’ পালনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চাওয়া হয়েছে।   সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে এ রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।   এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের দাবি জানিয়ে সংসদ সচিবালয় ও আইন সচিবের কাছে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার ওই নোটিশটি প্রেরণ করেন।   আইনি নোটিশে অভিযোগ করা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানকে অসম্মান করে সাম্প্রতিক সময়ে দেওয়া বক্তব্যের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি তার শপথ ভঙ্গ করেছেন। এ কারণে তাকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের মাধ্যমে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন উদ্বোধনের আহ্বান জানানো হয়। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২, ২০২৬ 0
উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে পুড়ে যাওয়া প্রথম আলো ভবনে আয়োজিত প্রদর্শনী দেখার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। কারওয়ান বাজার, ঢাকা; ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ছবি: সংগৃহীত
জুলাই অভ্যুত্থানে তথ্য জানাতে প্রথম আলোর প্রচেষ্টা শ্রদ্ধার দাবিদার: সারজিস আলম

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ ও সংবাদ প্রচারে বাধার মধ্যেও সঠিক তথ্য জানাতে প্রথম আলোর ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক Sarjis Alam।   শনিবার উগ্রবাদীদের অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত Prothom Alo ভবনে আয়োজিত ‘আলো’ শীর্ষক বিশেষ প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।   সারজিস আলম বলেন, জুলাইয়ের সংকটময় সময়ে যখন ইন্টারনেট শাটডাউন ছিল এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছিল, তখন প্রথম আলোর মাধ্যমেই নিহত ও হতাহতদের প্রকৃত তথ্য জানা সম্ভব হয়েছিল। কঠিন সেই সময়ে পত্রিকাটির প্রচেষ্টাকে তিনি সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করেন।   প্রথম আলোর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে এ ঘটনাকে যেন কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।   মতপার্থক্য থাকলেও তা কোনোভাবেই সহিংসতা বা ধ্বংসযজ্ঞে রূপ নেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির এই নেতা।   এ সময় দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।   উল্লেখ্য, শিল্পী মাহ্‌বুবুর রহমানের নির্মিত ‘আলো’ প্রদর্শনীটি ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত অগ্নিদগ্ধ ভবনে প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। প্রথমে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রদর্শনীর কথা থাকলেও পরে সময় বাড়িয়ে ২ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১, ২০২৬ 0
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার দ্রুত তদন্ত ও বিচারের ঘোষণা মির্জা ফখরুলের

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় পুলিশ সদস্য হত্যার বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছে এবং এর দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল স্পষ্ট করেন যে, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছেন, সরকার সেই পথেই হাঁটবে।   মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার বিষয়টি যেহেতু বর্তমানে আদালতের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল ও অকার্যকর করে ফেলা হয়েছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা।   ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মানুষের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ফখরুল বলেন, স্থানীয় ভোটারদের মূল্যবান ভোট এবং আস্থার কারণেই তিনি আজ জনসেবার সুযোগ পেয়েছেন। এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে তিনি আগামী দিনে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মাদ্রাসার উন্নয়ন ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারেও তিনি সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0