ফ্লাইট

বাহরাইন থেকে বাংলাদেশিদের ফেরানোর জন্য দুটি বিশেষ ফ্লাইট
বাহরাইন থেকে বাংলাদেশিদের ফেরানোর জন্য দুটি বিশেষ ফ্লাইট

বাহরাইনে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুবিধার্থে দুটি বিশেষ রিটার্ন ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ মার্চ) মানামার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।   দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গালফ এয়ারের মাধ্যমে বাহরাইন থেকে বাংলাদেশে যাওয়া এবং বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন ফেরার জন্য বিশেষ দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। প্রথম ফ্লাইটটি ২৭ মার্চ বাহরাইন থেকে দাম্মাম হয়ে ঢাকা পৌঁছাবে এবং একই দিনে ঢাকা থেকে দাম্মাম ফেরার ব্যবস্থা থাকবে। দ্বিতীয় ফ্লাইট ৩ এপ্রিল একই রুটে পরিচালিত হবে।   ফ্লাইটের সুবিধা নিতে আগ্রহীরা গুগল ফর্মে নিবন্ধন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যাত্রী সংখ্যা পূর্ণ হলে পরবর্তী নির্দেশনা জানানো হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিপর্যস্ত আকাশপথ: ৬ রুটে ৩০০ ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে বাংলাদেশের আকাশপথে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস চারটি আন্তর্জাতিক রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্লাইট স্থগিত করেছে। একই সঙ্গে আরও দুটি রুটে ১০ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   বিমানের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে দোহা, শারজাহ, কুয়েত ও দাম্মাম রুটে আপাতত অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। এছাড়া দুবাই ও আবুধাবি রুটেও ১০ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানের আকাশসীমা ব্যবহারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত ফ্লাইটগুলোর ওপর।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী একের পর এক ফ্লাইট বাতিল করছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস। শুধু রোববারই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অন্তত ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।   বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজ, জাজিরা এয়ারওয়েজ, কাতার এয়ারওয়েজ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, গালফ এয়ার, এমিরেটস, এয়ার অ্যারাবিয়া ও সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস-এর বেশ কয়েকটি ফ্লাইট।   ক্রমাগত ফ্লাইট বাতিলের কারণে যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট পরিচালনায় অনিশ্চয়তা থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ওমরাহ করে ফেরার পথে জেদ্দা বিমানবন্দরে আটকা পড়া মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে কথা হয়েছে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের।
মুশফিক জেদ্দা থেকে রাতের ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন

ওমরাহ শেষে ফেরার পথে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জেদ্দা বিমানবন্দরে আটকা পড়া বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে কথা হয়েছে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, মুশফিক রাতের ফ্লাইটে রওনা হয়ে সোমবার সকালে দেশে পৌঁছাবেন।   মুশফিক সম্প্রতি মক্কা গিয়ে ওমরাহ সম্পন্ন করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, জেদ্দা থেকে দুবাই হয়ে দেশে ফেরার পথে যুদ্ধের কারণে তার ফ্লাইট আবার জেদ্দায় ফিরে এসেছে। দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা ও উৎকণ্ঠার কথাও তিনি প্রকাশ করেছেন।   রোববার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “আমি নিজেই পুরো বিষয়টি মনিটর করছি। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে এবং ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। রাতের ফ্লাইটে মুশফিক আগামীকাল সকালেই দেশে ফিরতে পারবেন বলে আশা করছি। বর্তমানে মুশফিক সুস্থ আছে।”   মুশফিক শনিবার সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি এবং আরও অনেক বাংলাদেশি বিমান বন্দরে আটকা আছেন। তিনি লিখেছেন, “মক্কা থেকে ওমরাহ শেষ করে দুবাই হয়ে বাংলাদেশের পথে রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে সব ফ্লাইট জেদ্দায় ফিরে এসেছে। আমি হাজারো যাত্রীর সঙ্গে জেদ্দা বিমানবন্দরে আছি। আল্লাহই জানেন কখন ও কীভাবে বাংলাদেশে ফিরতে পারব।”

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ থেকে সব মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট স্থগিত, অনিশ্চয়তায় হাজারো যাত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরুর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ থেকে সব মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত এসব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এতে প্রবাসী শ্রমিক, ওমরাহযাত্রী ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যগামী সব ফ্লাইট আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিস্তারিত জানানো হবে। যাত্রীদের প্রয়োজনীয় আপডেটের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কয়েক দফা আলোচনার পর শনিবার সকালে ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তেহরানসহ পাঁচটি শহর লক্ষ্য করে এ হামলা হয়। একই সঙ্গে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমগুলোতে সাইবার হামলার ঘটনাও ঘটে।   এর জবাবে ইসরায়েলসহ আশপাশের দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   পরিস্থিতি কতদূর গড়াবে, কবে স্বাভাবিক হবে আকাশপথ—এ প্রশ্ন এখন সবার। সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
স্পাইসজেটের ওপর বাংলাদেশি নিষেধাজ্ঞা

বকেয়া এয়ার ন্যাভিগেশন চার্জ পরিশোধ না করায় ভারতের বাজেট এয়ারলাইন স্পাইসজেটের ওপর বাংলাদেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর ফলে সংস্থাটির পূর্বাঞ্চলগামী ফ্লাইটগুলো বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারছে না। অতিরিক্ত পথ ঘুরে বিকল্প রুটে চলাচল করতে হওয়ায় স্পাইসজেটের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ও পরিচালন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।   ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম 'ফ্লাইটরাডার২৪'-এর তথ্য অনুযায়ী, কলকাতা থেকে গুয়াহাটি ও ইম্ফলগামী ফ্লাইটগুলো এখন বাংলাদেশের এয়ারস্পেস এড়িয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করছে। স্বল্প দূরত্বের এই রুটে বাংলাদেশের ওভারফ্লাইট অনুমতি সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিষেধাজ্ঞার কারণে ফ্লাইট প্রতি বাড়তি জ্বালানি খরচ সংস্থার সামগ্রিক পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়েছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, স্পাইসজেট আগে থেকেই আর্থিক সংকটে রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে সংস্থাটি ২৬৯.২৭ কোটি রুপি নিট লোকসান গুনেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা সংস্থার জন্য নতুন আর্থিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জে স্পাইসজেটের শেয়ারের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমে ১৬.৮১ রুপিতে নেমেছে।   স্পাইসজেটের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং দ্রুত সমাধান হবে। তবে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বকেয়া সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় রুটের ব্যবসায়িক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0