বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

আরাদ শহর পরিদর্শনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
নেতানিয়াহু: ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেউ নিহত না হওয়া 'অলৌকিক', আত্মতুষ্টিতে না ভোগার আহ্বান

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাস্থল আরাদ পরিদর্শন করেছেন এবং এই হামলায় কেউ নিহত না হওয়াকে ‘মিরাকল’ বা অলৌকিক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।   শনিবার আরাদ শহরে ইরানের হামলায় ৮০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। যদিও কেউ নিহত হননি, মি. নেতানিয়াহু ইসরায়েলিদের সতর্ক করেছেন আত্মতুষ্টিতে না ভোগার জন্য। তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্ক সংকেত পাওয়ার পর অবিলম্বে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে হবে।   প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “সতর্কবার্তা পাওয়ার পর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পড়ার আগ পর্যন্ত ছিল মাত্র দশ মিনিট। যদি সবাই ওই কয়েক মিনিটের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেত, তাহলে কেউই আহত হতো না।” নেতানিয়াহুর এই আহ্বান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে জনসাধারণকে সচেতন রাখার উদ্দেশ্যে এসেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর পরস্পরবিরোধী অবস্থান; যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইল বিরোধী জনমত তুঙ্গে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক সময়ে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে ইরান যুদ্ধ শুরু করেছেন, যখন দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একবিংশ শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সাম্প্রতিক ‘গ্যালাপ’ জরিপে দেখা গেছে, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মার্কিনিরা ইসরাইলিদের চেয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের পদত্যাগের ফলে।   ন্যাশনাল কাউন্টার-টেররিজম সেন্টারের বিদায়ী পরিচালক জো কেন্ট পদত্যাগ করে সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, ইসরাইল এবং তার শক্তিশালী লবি যুক্তরাষ্ট্রকে এই যুদ্ধে বাধ্য করেছে। অন্যদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, ইসরাইল যেকোনো মূল্যে ইরানে হামলা চালাবে এবং ইরান তার প্রতিশোধ নেবে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে—এই যুক্তিতেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি। তবে ট্রাম্প প্রশাসন পরবর্তীতে এই অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধের পক্ষে ভিন্ন অজুহাত খুঁজতে শুরু করে।   সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে ইসরাইলি হামলার বিষয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, এই বড় ধরনের হামলা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র কিছুই জানত না এবং এতে তাদের কোনো ভূমিকা নেই। যদিও মার্কিন ও ইসরাইলি বিভিন্ন সূত্র এই দাবিকে নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছে যে, উভয় পক্ষ এই হামলার বিষয়ে আগে থেকেই সমন্বয় করেছিল। ট্রাম্পের এমন অবস্থান কেন্টের মতো ষড়যন্ত্র তত্ত্ব পোষণকারীদের আরও খোরাক জোগাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।   হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটির শুনানিতে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড স্বীকার করেছেন যে, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য সবক্ষেত্রে এক নয়। ইসরাইল যেখানে ইরানি নেতৃত্ব নির্মূলে আগ্রহী, যুক্তরাষ্ট্র সেখানে ইরানকে নিরস্ত্রীকরণের দিকে বেশি মনোযোগী। সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ অবশ্য জানিয়েছেন, সংঘাত শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে থাকুক বা না থাকুক, ইরানি আক্রমণের শিকার হতো। যুদ্ধের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে এমন অস্পষ্টতা ও পরস্পরবিরোধী বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ইরান ও হিজবুল্লাহকে নেতানিয়াহুর নতুন হুমকি

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা এবং শিয়াপন্থি সংগঠন হিজবুল্লাহর ওপর নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলার কারণে ইরান আগের চেয়ে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। তেহরানের রেভুল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) এবং বাসিজ প্যারামিলিটারি বাহিনীসহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শক্তি বড় ধরনের আঘাতের সম্মুখীন হয়েছে।   সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা হত্যার প্রতিশোধ নিতে হিজবুল্লাহ যে হামলার পরিকল্পনা করছে, তার বিপরীতে লেবাননে ইসরাইলি অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের নেতার জন্যই তিনি ‘জীবনবীমা’ ঘোষণা করবেন না। ইসরাইলের পরবর্তী সামরিক পরিকল্পনা কী, সে সম্পর্কে বিস্তারিত না জানালেও তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেন যে ইরান ও হিজবুল্লাহ এখন আর আগের মতো শক্তিশালী অবস্থানে নেই।   নেতানিয়াহুর এই কড়া বার্তা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনাকে আরও উসকে দিচ্ছে। তিনি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন যে, যেকোনো ধরনের হুমকির মোকাবিলায় ইসরাইল তার সামরিক তৎপরতা জারি রাখবে। ইরানের নতুন নেতৃত্বের অধীনে হিজবুল্লাহর যেকোনো পাল্টা পদক্ষেপকে কঠোরভাবে দমন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয়ে ইসরাইল এখন ইরান-এর বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। বিষয়টি জানিয়েছে আল জাজিরা।   বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইসরাইলি হামলায় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ পারমাণবিক বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।   নেতানিয়াহুর মতে, সাম্প্রতিক হামলার ফলে ইরান তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিরাপদে ভূগর্ভে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়নি। তিনি মন্তব্য করেন, “ইরান এখন আর আগের মতো অবস্থায় নেই।”   সংবাদ সম্মেলনে ইরানের নতুন নির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং হিজবুল্লাহ-এর নেতা নাঈম কাসেম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি তাদের কাউকে সরাসরি জীবননাশের হুমকি দিতে চান না। তবে তিনি দাবি করেন, খামেনি মূলত রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রভাবের মধ্যে রয়েছেন এবং প্রকাশ্যে খুব কমই দেখা যাচ্ছেন।   ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন—বিশেষ করে গত জানুয়ারির বিক্ষোভকারীরা—তাদের প্রতি ইসরাইল সমর্থন জানায়। তবে তিনি এটিও বলেন যে, শেষ পর্যন্ত দেশটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত ইরানের জনগণের হাতেই।   নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নতুন আঞ্চলিক জোট গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং সে লক্ষ্যে ইসরাইল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।   অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান উপসাগরীয় কয়েকটি এলাকায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এসব হামলার কারণে কয়েকটি তেল টার্মিনাল সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে এবং এতে অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র হুমকি ইরান, দাবি নেতানিয়াহুর

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন, ইরান প্রকাশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার লক্ষ্য ঘোষণা করে এবং সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।   নেতানিয়াহুর ভাষ্য, ইরানই একমাত্র রাষ্ট্র যারা খোলাখুলিভাবে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক অবস্থানের কথা জানায় এবং তা অর্জনে সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নেয়। তার দাবি, তেহরান নতুন গোপন স্থাপনা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে, যাতে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি সম্ভাব্য হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকে।   তিনি বলেন, সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে তা আর সম্ভব হতো না। তার মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি জোরদার করতে চায়, তাই দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।   ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট শুরু থেকেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার অবস্থান নিয়েছিলেন। আলোচনা ও সতর্কবার্তার পরও ইরান অবস্থান পরিবর্তন না করায় শেষ পর্যন্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।   নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জোট বর্তমানে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং দুই দেশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে ইরান ভবিষ্যতে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে।   তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0