বাংলাদেশ পুলিশ

ফাইল ছবি
বাংলাদেশ পুলিশে ৪ হাজার এসআই নিয়োগ নিয়ে বৈঠক কাল

দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে বড় ধরনের জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে পুলিশে চার হাজার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদ সৃজনের প্রস্তাব নিয়ে বৈঠক ডেকেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বিষয়ে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (৮ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করেছে।   নোটিশে বলা হয়েছে, পুলিশ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত বিভিন্ন ইউনিটে চার হাজার এসআই (গ্রেড-১০) (নিরস্ত্র) পদ সৃজনের বিষয়টি সভায় আলোচনা করা হবে। সকাল ১০টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে (ভবন নম্বর-৮, কক্ষ নম্বর-২০৮, তৃতীয় তলা) সভাটি অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।   এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে জনবল সংকটের বিষয়টি সামনে আনেন সালাহউদ্দিন আহমদ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি দ্রুত শূন্য পদ পূরণের তাগিদ দেন।   ওই বৈঠক শেষে তিনি জানান, পুলিশের সব স্তরেই জনবলের ঘাটতি রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে আপাতত ২ হাজার ৭০১টি কনস্টেবলের শূন্য পদ জরুরি ভিত্তিতে পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদেও দ্রুত নিয়োগের ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
দ্রুত বিচার নিশ্চিতে থানায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট: আইজিপির বড় ঘোষণা

ডিএমপি সদর দপ্তর: সাধারণ মানুষের বিচারিক ভোগান্তি কমাতে এবং আইনি সেবা আরও গতিশীল করতে দেশের প্রতিটি থানায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ পুলিশ। সোমবার সকালে ডিএমপির সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নবনিযুক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এই যুগান্তকারী উদ্যোগের কথা জানান। তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে জমি দখল, মারামারি এবং মাদকের মতো মামলাগুলোর দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে, যা বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘসূত্রতা থেকে মুক্তি দেবে।   আইজিপি তাঁর বক্তব্যে একটি জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশ বাহিনী গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি ঘোষণা দেন যে, প্রতিটি জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানায় রূপান্তর করা হবে, যেখানে নাগরিকরা কোনো হয়রানি ছাড়াই নির্বিঘ্নে সেবা নিতে পারবেন। পুলিশের ‘রিঅ্যাকশন টাইম’ বা সাড়া দেওয়ার সময় কমিয়ে আনার পাশাপাশি পুলিশি সেবাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি, যাতে সাধারণ মানুষ হাসিমুখে থানা থেকে ফিরতে পারে।   অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আইজিপি বলেন, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে যেকোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা এবং গণধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপরাধের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সিআইডি-কে আরও আধুনিকায়ন করে তদন্তের গুণগত মান বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন পুলিশ প্রধান।   আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিয়ে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মো. আলী হোসেন ফকির। মহাসড়কে ডাকাতি ও চাঁদাবাজি রোধে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ ও র‍্যাব সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে যাতে কোনো অসন্তোষ তৈরি না হয়, সেজন্য মালিকপক্ষ ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় শুরু করেছে পুলিশ। ঈদ মৌসুমে উগ্র মৌলবাদের উত্থান ঠেকাতে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি একটি দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক পুলিশি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জনগণের সুচিন্তিত মতামত ও সহযোগিতাও কামনা করেন নবনিযুক্ত আইজিপি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ পুলিশের ৫৩ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বদলি
বাংলাদেশ পুলিশের ৫৩ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার ৫৩ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়েছে।   রোববার (৮ মার্চ) এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ। প্রজ্ঞাপন দুটিতে স্বাক্ষর করেন মো. আলী হোসেন ফকির, যিনি বর্তমানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।   প্রথম প্রজ্ঞাপনে ৪০ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, সহকারী পুলিশ সুপার থেকে পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার এসব কর্মকর্তাকে জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে উল্লেখিত পদে দায়িত্ব পালন করতে হবে।   অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে আরও ১৩ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্কেলে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৮, ২০২৬ 0
অধিকাংশ পুলিশ সদস্যের মত পুরোনো পোশাকের পক্ষে। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশের পুরোনো পোশাকে ফিরতে চান অধিকাংশ পুলিশ সদস্য

বাংলাদেশ পুলিশের অধিকাংশ সদস্য আগের গাঢ় নীল রঙের (নেভি ব্লু শার্ট-প্যান্ট) পোশাকে ফিরতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মতামত দেওয়া সদস্যদের মধ্যে ১ লাখ ৪ হাজার ৯১৩ জন আগের পোশাকের পক্ষে মত দিয়েছেন।   অন্যদিকে বর্তমানে ব্যবহৃত লৌহ (আয়রন) রঙের শার্ট ও কফি (শেল) রঙের প্যান্টের পক্ষে মত দিয়েছেন মাত্র ৯১১ জন সদস্য। বুধবার (৪ মার্চ) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশে বর্তমানে প্রায় ২ লাখ ১২ হাজার সদস্য কর্মরত আছেন। গত সোম ও মঙ্গলবার দেশের ৬৪ জেলায় পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে কল্যাণ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা পুলিশ, রেঞ্জ পুলিশ ও পুলিশ সদর দপ্তরের সদস্যসহ মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৬৪১ জন পুলিশ সদস্য অংশ নেন।   প্যারেডে অংশ নেওয়া সদস্যদের কাছে লিখিত ফর্মের মাধ্যমে পোশাক নিয়ে মতামত চাওয়া হয়। সেই মতামতের হিসাব অনুযায়ী দেখা গেছে, প্রায় ৯৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ সদস্য আগের নেভি ব্লু শার্ট-প্যান্ট এবং মহানগর এলাকায় সবুজ শার্ট ও গাঢ় রঙের প্যান্টের পক্ষে মত দিয়েছেন। অন্যদিকে ২ হাজার ৮১৭ জন সদস্য ভিন্ন রঙের পোশাক চান, যা মোট মতামতের প্রায় ২ দশমিক ৫৯ শতাংশ।   গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করার পর পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। এদিন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের বিষয়ে পুলিশ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে তিনি পাল্টা প্রশ্ন রেখে জানতে চান, পোশাক পরিবর্তন করলে পুলিশের মানসিকতার পরিবর্তন হবে কি না।   এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে জানায়, ২০০৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন এবং ১০ ফেব্রুয়ারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে তৎকালীন সরকার পুলিশের আগের পোশাক নির্ধারণ করেছিল। তখন আবহাওয়া, দায়িত্ব পালনের সুবিধা, দৃশ্যমানতা এবং অন্যান্য বাহিনীর পোশাকের সঙ্গে সাদৃশ্য না থাকার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছিল।   বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের নির্ধারিত নতুন পোশাক নির্বাচন করার সময় পুলিশ সদস্যদের মতামত, আবহাওয়া ও অন্যান্য বাস্তবতা যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। ফলে মাঠপর্যায়ে অন্যান্য ইউনিফর্মধারী বাহিনীর সঙ্গে পোশাকের সাদৃশ্য তৈরি হয়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করতে সমস্যা তৈরি করছে।   এ কারণে পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ পুলিশের উচ্চপর্যায়ে রদবদল

বাংলাদেশ পুলিশের উচ্চপর্যায়ের তিন কর্মকর্তা নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এই রদবদলের তথ্য জানা গেছে। রাষ্ট্রপতির আদেশে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌফিক আহমেদ।   প্রজ্ঞাপনের অনুযায়ী, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে টুরিস্ট পুলিশের দায়িত্বে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশাল রেঞ্জের নতুন ডিআইজি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।   এছাড়া, ৫ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদকে রাজশাহীর বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ), সারদায় বদলি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে এই রদবদল অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0