মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কনিষ্ঠ ছেলে ব্যারন ট্রাম্পকে মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট চালু করেছেন অ্যানিমেটেড টিভি সিরিজ ‘সাউথ পার্ক’-এর সাবেক লেখক টবি মর্টন। ওয়েবসাইটটিতে ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেহেতু নিজেকে শক্তিশালী নেতা হিসেবে তুলে ধরেন, তাই তাঁর ছেলে ব্যারনও দেশের জন্য যুদ্ধে যেতে পারেন। সেখানে ট্রাম্প পরিবারের “প্রমাণিত জিন” ও “সাহসিকতার উত্তরাধিকার” নিয়েও বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করা হয়েছে। সাইটটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে একটি অফিসের চেয়ারে ঘুমিয়ে পড়ার মতো ভঙ্গিতে দেখানো কিছু ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া সেখানে ট্রাম্পের বড় ছেলে এরিক ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের নামে কিছু কাল্পনিক মন্তব্যও দেওয়া হয়েছে, যা মূলত রাজনৈতিক ব্যঙ্গ হিসেবে তৈরি। এর আগে টবি মর্টন ট্রাম্প প্রশাসনকে লক্ষ্য করে আরও কয়েকটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলেন। এর মধ্যে একটি ওয়েবসাইট ছিল ট্রাম্পের নামে কেনেডি সেন্টারের নাম যুক্ত করার বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে ঘিরে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৮৬৬ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ৫ হাজার ৯৪৬ জন।
গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত এক অনির্ধারিত বৈঠকে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র Zohran Mamdani মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের তৎপরতার বিষয়টি উত্থাপন করেন। বৈঠকে তিনি প্রো-প্যালেস্টাইন আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজন কর্মীর বিরুদ্ধে চলমান পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। মেয়র মামদানি প্রেসিডেন্টকে জানান, মাহমুদ খলিল, ইউনসিও চুং, মোহসেন মাহদাউই এবং লেকা কর্দিয়া—এই চারজনের বিরুদ্ধে ফেডারেল অভিবাসন সংস্থার অনুসরণ ও সম্ভাব্য ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তার দাবি, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক মতপ্রকাশ ও আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে কাউকে টার্গেট করা হলে তা নাগরিক স্বাধীনতার প্রশ্ন তোলে। সিটি হল সূত্রে জানা যায়, মামদানি বৈঠকে মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেন এবং সংশ্লিষ্টদের মামলাগুলো স্বচ্ছভাবে পর্যালোচনার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও অভিবাসন আইন প্রয়োগের প্রশ্নে ফেডারেল সংস্থাগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করছে। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত বিবৃতি পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকটি স্থানীয় ও ফেডারেল প্রশাসনের মধ্যে অভিবাসন নীতি এবং রাজনৈতিক আন্দোলন নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও জোরালো করে তুলতে পারে। ঘটনাটি ইতোমধ্যেই সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বার্ষিক 'স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন' ভাষণকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের পক্ষে জনমত গঠনের প্রধান সুযোগ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে কংগ্রেসে দেওয়া এই ভাষণে তিনি আমেরিকানদের বোঝানোর চেষ্টা করবেন যে কেন তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের এই ভাষণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে তেহরান কোনো সমঝোতায় আসতে ব্যর্থ হচ্ছে, তখন ট্রাম্পের প্রশাসন সামরিক শক্তির মহড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। উপদেষ্টারা ট্রাম্পকে অর্থনীতি, অভিবাসন এবং অভ্যন্তরীণ নীতিতে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দিলেও, প্রেসিডেন্টের মনোযোগের কেন্দ্রে রয়েছে ইরান। সোমবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, "আমিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। আমি যুদ্ধের চেয়ে চুক্তি পছন্দ করি, তবে চুক্তি না হলে ওই দেশটির (ইরান) জন্য সেটি হবে খুবই খারাপ একটি দিন।" বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের জন্য এটি একটি বড় পরীক্ষা। তিনি 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি এবং 'চিরস্থায়ী যুদ্ধ' (forever wars) বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। এখন ইরানের মতো একটি শক্তিশালী দেশের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর পরিকল্পনা তার সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে যেখানে ইরানের জনসংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ এবং তাদের হাতে শক্তিশালী মিসাইল প্রযুক্তি রয়েছে। জনমত জরিপগুলো বলছে, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প তার ভাষণে শেয়ার বাজারের উন্নতি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কথা বললেও সাধারণ মানুষের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট তার শুল্ক নীতি অবৈধ ঘোষণা করায় তিনি আইনি ও রাজনৈতিক চাপের মুখেও রয়েছেন। ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। ট্রাম্প তার ভাষণে গত বছরের ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলার সাফল্যের কথা তুলে ধরে দাবি করবেন যে, তার নীতিই আমেরিকাকে নিরাপদ রাখছে। সব মিলিয়ে, স্টেট অফ দ্য ইউনিয়নের এই মঞ্চ থেকে ট্রাম্প কেবল তার গত এক বছরের সাফল্যই তুলে ধরছেন না, বরং ইরান প্রশ্নে দেশকে একটি সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য প্রস্তুত করার চেষ্টা করছেন। সূত্র: রয়টার্স (২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স এবং তার আচরণ নিয়ে আমেরিকানদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘রয়টার্স/ইপসোস’-এর এক নতুন জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রতি ১০ জন আমেরিকানদের মধ্যে ৬ জনই মনে করেন যে, ৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্প বয়স বাড়ার সাথে সাথে আরও ‘খামখেয়ালি’ (Erratic) হয়ে উঠছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) মার্কিন কংগ্রেসে প্রেসিডেন্টের বার্ষিক ‘স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণের ঠিক আগ মুহূর্তে এই জরিপের ফলাফল প্রকাশিত হলো। জরিপের মূল তথ্যসমূহ: জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা ট্রাম্পের আচরণকে খামখেয়ালি বলে বর্ণনা করেছেন। রাজনৈতিক বিভাজন অনুসারে: ডেমোক্র্যাট: ৮৯ শতাংশ মনে করেন তিনি খামখেয়ালি হয়ে পড়েছেন। স্বতন্ত্র ভোটার: ৬৪ শতাংশ একই মত পোষণ করেছেন। রিপাবলিকান: নিজের দলের মধ্যেও প্রায় ৩০ শতাংশ ভোটার ট্রাম্পের আচরণ নিয়ে সন্দিহান। মানসিক তীক্ষ্ণতা নিয়ে প্রশ্ন: জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ৪৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে, ট্রাম্প চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানসিকভাবে যথেষ্ট তীক্ষ্ণ। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৫৪ শতাংশ। বিশেষ করে স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে তার মানসিক সক্ষমতার ওপর আস্থা ব্যাপক হারে কমেছে। প্রেক্ষাপট: ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ৭৮ বছর বয়সে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করে ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসের প্রবীণতম প্রেসিডেন্ট হিসেবে রেকর্ড গড়েন। গত কয়েক মাসে বিভিন্ন দেশের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ, বিচারক ও আইনপ্রণেতাদের কঠোর সমালোচনা এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যুতে তার আগ্রাসী অবস্থানের কারণে তার স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রতিক্রিয়া: তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গল এই জরিপের ফলাফলকে ‘ভুয়া এবং হতাশাজনক আখ্যান’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্পের কর্মক্ষমতা এবং শক্তি তার পূর্বসূরি জো বাইডেনের চেয়ে অনেক বেশি এবং তিনি দেশের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বার্ধক্য ও মার্কিন নেতৃত্ব: জরিপটিতে আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে—আমেরিকানরা সাধারণত মনে করেন যে ওয়াশিংটনের বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্ব বেশ বয়স্ক। প্রায় ৭৯ শতাংশ মানুষ একমত হয়েছেন যে, নির্বাচিত কর্মকর্তারা সাধারণ আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য অনেক বেশি বয়স্ক হয়ে পড়েছেন। আগামী জুনে ট্রাম্প ৮০ বছরে পদার্পণ করবেন। এমন সময়ে এই জরিপ তার আসন্ন নীতি নির্ধারণ এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অফ পিস’ বা ‘শান্তি বোর্ড’-এর প্রথম বৈঠক বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাজার ভবিষ্যৎ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চলের পুনর্গঠন নিয়ে আয়োজিত এই সম্মেলনে ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। বৈঠকে ট্রাম্প গাজা পুনর্গঠন তহবিলের জন্য সংগৃহীত প্রাথমিক ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারের ঘোষণা দেন। ওয়াশিংটনের যে ভবনটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি নিজের নামে নামকরণ করেছেন ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইউএস ইনস্টিটিউট অফ পিস’ সেখানেই এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। ঘোষিত ৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রধান দুই মিত্র দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও কুয়েত প্রত্যেকে ১.২ বিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই অর্থ গাজার পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশাল অংকের একটি প্রাথমিক অংশ মাত্র। গাজাকে পুরোপুরি পুনর্গঠন করতে আগামীতে আরও কয়েক দশ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন হবে। বৈঠকে আশার কথা শোনানো হলেও গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ কিছু জটিল ও স্পর্শকাতর প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১. হামাসের নিরস্ত্রীকরণ: ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হামাস যোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। হামাস এখনো তাদের অস্ত্র হস্তান্তরে অনীহা প্রকাশ করছে। ২. আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী: গাজায় শান্তি বজায় রাখতে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী (International Stabilization Force) পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে বেশ কয়েকটি দেশ কয়েক হাজার সৈন্য পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছে। তবে এই বাহিনী কবে মোতায়েন হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। ৩. প্রতিনিধিত্ব নিয়ে বিতর্ক: ট্রাম্পের এই বোর্ডে ইসরায়েলের প্রতিনিধিত্ব থাকলেও ফিলিস্তিনিদের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। এ ছাড়া জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের মতো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা এই প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের দূরে রেখেছে। বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এই বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই বোর্ড কেবল গাজা নয়, ভবিষ্যতে বিশ্বের অন্যান্য সংঘাত নিরসনেও কাজ করবে। তবে সমালোচকরা মনে করছেন, ফিলিস্তিনিদের অনুপস্থিতি এবং ত্রাণের ভয়াবহ সংকটের মুখে এই উদ্যোগের কার্যকারিতা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলে দেবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বক্তব্যে বলেন, “আমরা শান্তির পথে এগোচ্ছি, তবে এটি একটি দীর্ঘ ও কঠিন পথ।” সূত্র: রয়টার্স ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।