মার্কিন সেনা

পেন্টাগনের সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ (বাঁয়ে) ও জেনারেল ড্যান কেইনি। ১৯ মার্চ ২০২৬। ছবি: এএফপি
ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের খবরে মার্কিন কংগ্রেসে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ইরানে সীমিত স্থল অভিযান পরিচালনার পেন্টাগনের পরিকল্পনা প্রকাশ হতেই মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে হাজারো মার্কিন সেনা মোতায়েনের মধ্যে এই পরিকল্পনার তথ্য প্রকাশ্যে আসায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।   সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, সম্ভাব্য অভিযান পূর্ণমাত্রার হবে না। এতে বিশেষ বাহিনী ও পদাতিক সৈন্যদের সমন্বয় থাকবে, তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কখন অনুমোদন দেবেন তা এখনও নিশ্চিত নয়।   রিপাবলিকান সিনেটর জেমস ল্যাঙ্কফোর্ড বলেছেন, “সেনাদের উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম আমাদের স্পষ্টভাবে জানা প্রয়োজন। যদি এটি শুধু সীমিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য হয়, তা দীর্ঘস্থায়ী দখলের চেয়ে ভিন্ন।” তিনি আরও যোগ করেছেন, অসমাপ্ত যুদ্ধের ঝুঁকি সবচেয়ে বড় সমস্যা।   হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, পেন্টাগনের কাজ হলো সর্বোচ্চ বিকল্পের জন্য প্রস্তুত থাকা। এর মানে এই নয় যে প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যেই কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   রোববার মধ্যপ্রাচ্যে ৩ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা পৌঁছেছে, যার মধ্যে মেরিন বাহিনীও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী ইউএসএস ত্রিপোলি নেতৃত্বে এই ইউনিটের সাথে আক্রমণ ও পরিবহন সরঞ্জামও মোতায়েন করা হয়েছে। সেনা সমাবেশের কারণে হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষার পাশাপাশি ইরানের তেল ও ইউরেনিয়াম স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।   মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের নেতা স্টিভ স্ক্যালিস বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে বিপদ তৈরি করছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা শুধু ইসরায়েল নয়, প্রতিবেশী আরব দেশগুলোকেও একত্রিত করেছে।   ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা এই পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক। নিউ জার্সির সিনেটর কোরি বুকার বলেছেন, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এমন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন, যেখানে বের হওয়ার দৃশ্যমান পথ নেই। এটি আফগানিস্তানের পর সবচেয়ে বড় সামরিক সম্পৃক্ততা।   মেরিল্যান্ডের সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন আশা প্রকাশ করেছেন, পেন্টাগনের অতিরিক্ত বরাদ্দ কংগ্রেসে অনুমোদিত হবে না। তিনি বলেন, এ যুদ্ধ মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নয়, বরং বিপদ বাড়াচ্ছে। প্রতিদিন কোটি কোটি ডলার ব্যয় হচ্ছে এবং জ্বালানি খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলায় মার্কিন ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, ১২ সেনা আহত

প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ (E-3 Sentry) উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২ মার্কিন সেনা, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। আল–জাজিরা জানিয়েছে, আহত সেনার সংখ্যা ১৫ পর্যন্ত হতে পারে।   ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ মূলত আওয়াকস (Airborne Warning and Control System) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই উড়োজাহাজ দূরপাল্লার রাডার ও সেন্সর ব্যবহার করে শত শত মাইল দূরে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান শনাক্ত করতে সক্ষম। এছাড়া এটি যুদ্ধক্ষেত্রে বিমান ও সমুদ্রবাহিনী নিয়ন্ত্রণ, কমান্ড ও কন্ট্রোল এবং মিত্রবাহিনীকে নির্দেশনা প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।   হামলায় আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুটি ‘KC-135’ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ। এরা মাঝ আকাশে যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান ও নজরদারি উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর আগের হামলায়ও একই ঘাঁটিতে পাঁচটি রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যদিও তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি।   যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে, আহত উড়োজাহাজগুলি শত্রুপক্ষ বা মিত্রপক্ষের সরাসরি আঘাতের কারণে বিধ্বস্ত হয়নি। তবে ইরাকের ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’ নামের একটি গোষ্ঠী দাবি করেছে, তারা একটি উড়োজাহাজ ভূপাতিত করেছে।   ন্যাটোও ‘ই-৩এ’ আওয়াকস উড়োজাহাজ ব্যবহার করে। এই বিমানগুলো আকাশপথে নজরদারি, যুদ্ধক্ষেত্র ব্যবস্থাপনা, কমান্ড ও কন্ট্রোল এবং মিত্রবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রক্ষায় ব্যবহৃত হয়। বোয়িং–৭০৭-এর এই সংস্করণে গম্বুজাকৃতির রাডার ডোম বসানো থাকে, যা উড়োজাহাজকে দূরপাল্লায় লক্ষ্য শনাক্তে সক্ষম করে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ২০০

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ২০০ জন। এই তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড-এর মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স।   তিনি জানান, আহতদের মধ্যে দগ্ধ হওয়া, আঘাতজনিত মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং বিস্ফোরণের টুকরোয় আঘাত পাওয়ার মতো ঘটনা রয়েছে। ইতোমধ্যে আহতদের মধ্যে প্রায় ১৮০ জন সেনাসদস্য চিকিৎসা নিয়ে আবার দায়িত্বে ফিরেছেন।   সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনেক হামলাই ঘটেছে ইরানের একমুখী বা আত্মঘাতী ড্রোন আক্রমণের কারণে। জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, এই ধরনের ড্রোন হামলাই সবচেয়ে বেশি হতাহতের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে।   সূত্র: আল জাজিরা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত, ১০ জনের অবস্থা গুরুতর

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। বাকিদের মধ্যে ১৮০ জন ইতিমধ্যেই আবার দায়িত্বে ফিরেছেন।   মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সোমবার (১৬ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিনস জানান, আহতদের মধ্যে পোড়া, ভয়জনিত মস্তিষ্কের আঘাত এবং শার্পনেলের আঘাতের ঘটনা রয়েছে।   আহতদের বেশিরভাগই ইরানের আত্মঘাতী ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন। চলতি সংঘর্ষের শুরুতে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।   সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে, এবং যুদ্ধে অংশ নেওয়া সেনাদের পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।   সূত্র: আলজাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের ছবি ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ, ট্রাম্পের পিএসি ঘিরে বিতর্ক
ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের ছবি ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ, ট্রাম্পের পিএসি ঘিরে বিতর্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি (PAC) পাঠানো একটি তহবিল সংগ্রহের ইমেইল ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই ইমেইলে নিহত ছয় মার্কিন সেনাসদস্যকে সম্মান জানাতে অনুষ্ঠিত ‘ডিগনিফায়েড ট্রান্সফার’ অনুষ্ঠানের ছবি ব্যবহার করে দাতাদের কাছে অর্থ চাওয়া হয় এবং বিনিময়ে প্রেসিডেন্টের “ব্যক্তিগত জাতীয় নিরাপত্তা ব্রিফিং” পাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।     প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট “নেভার সারেন্ডার” নামের কমিটি পাঠানো ইমেইলে একটি সদস্যপদ কর্মসূচির প্রচার করা হয়, যেখানে বলা হয় যারা অনুদান দেবেন তারা সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপডেট পাবেন। ইমেইলে লেখা ছিল, সদস্যরা “আমার ব্যক্তিগত জাতীয় নিরাপত্তা ব্রিফিং পাবেন, যেখানে দেশের হুমকি সম্পর্কে সরাসরি তথ্য থাকবে।”     ইমেইলে ব্যবহৃত ছবিটি ছিল ডেলাওয়্যারের ডোভার বিমানঘাঁটিতে নিহত ছয় সেনাসদস্যের মরদেহ দেশে আনার সময় অনুষ্ঠিত সামরিক সম্মাননা অনুষ্ঠানের, যা যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে বিবেচিত হয়।     এই ঘটনায় ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ ও সাবেক সেনাসদস্যদের সংগঠনগুলো তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের অভিযোগ, নিহত সেনাদের স্মৃতিকে ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করা অনৈতিক এবং অসম্মানজনক। কিছু সমালোচক এটিকে “মৃত সেনাদের দিয়ে প্রচারণা চালানো” বলেও মন্তব্য করেছেন।     এদিকে হোয়াইট হাউস বা ট্রাম্পের দপ্তর থেকে বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি, তবে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের তেল বিক্রির অনুমোদন, রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের তেল বিক্রির অনুমোদন, রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর গোয়েন্দা শাখা মধ্যপ্রাচ্যের জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়েছে, তারা মার্কিন সেনাদের অবস্থান শনাক্ত করতে সাহায্য করুক। বিষয়টি জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই, ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজকে উদ্ধৃত করে।   আইআরজিসি’র গোয়েন্দা শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাজার হাজার মার্কিন সেনা হোটেল, ব্যক্তিগত আবাস বা বাসাবাড়িতে অবস্থান করছে। বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ওয়াশিংটন “আমাদের আরব ভাইদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।”   বার্তায় বলা হয়েছে, “আমরা বাধ্য হচ্ছি মার্কিন সেনাদের শনাক্ত করতে এবং লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে। তাই হোটেলগুলোতে তাদের আশ্রয় না দেওয়াই ভালো এবং তাদের অবস্থান থেকে অন্যদের দূরে থাকা উচিত।”   বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “মার্কিন সেনাদের লুকিয়ে থাকার স্থানগুলো সঠিকভাবে জানানো মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ জনগণের ইসলামী দায়িত্ব। সেই তথ্য আমাদের কাছে টেলিগ্রামে পাঠাতে হবে।”   সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ না নেওয়ায় সৌদি আরবকে হুঁশিয়ারি মার্কিন সিনেটর গ্রাহামের

মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন, যিনি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অংশ না নেওয়ায় রিয়াদসহ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে সতর্ক করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযানে যদি সৌদি আরব অংশ না নেয়, তাহলে তাদের ‘পরিণাম’ ভোগ করতে হতে পারে।   গ্রাহাম বলেন, এই অঞ্চলে সন্ত্রাস ছড়ানো ও সাতজন মার্কিন সেনার নিহত হওয়ার জন্য দায়ী ইরানি সরকারকে মোকাবিলা করতে সৌদি আরব তাদের সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে অস্বীকার করেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, পারস্পরিক স্বার্থের লড়াইয়ে যদি কোনো দেশ অংশ নিতে অনিচ্ছুক হয়, তাহলে তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা চুক্তি থাকা উচিত কি না।   উল্লেখ্য, ১ মার্চ সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলায় আহত একজন সেনা মারা যান, ফলে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা সাতজন পৌঁছায়। হামলা লক্ষ্য ছিল সৌদি প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এবং রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসের সিআইএ অংশ।   গ্রাহাম আগেও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে এই যুদ্ধে রাজি করানোর জন্য রিয়াদ সফর করেছিলেন। তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো এমন এক যুদ্ধে জড়াতে চাইছে না যেখানে মার্কিন জয় নিশ্চিত নয়।   সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দেশটি বারবার সংলাপ ও উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে এসেছে এবং তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো হামলা চালানো হবে না। তবু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তুতে তারা পরিণত হচ্ছে।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশিত গণঅভ্যুত্থান ইরানে দেখা যাচ্ছে না, বরং আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিশ্লেষকরা ‘কাল্পনিক বাস্তবতা’ হিসেবে বর্ণনা করছেন, যেখানে উপসাগরীয় শাসক ও গোয়েন্দা সংস্থা আগেই সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
নিহত সেনা সদস্য সার্জেন্ট বেঞ্জামিন এন. পেনিংটন।
ইরানের হামলায় আহত মার্কিন সেনা সার্জেন্ট বেঞ্জামিন পেনিংটনের মৃত্যু

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের হামলায় আহত আরেক মার্কিন সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, নিহত সেনা সদস্য হলেন সার্জেন্ট বেঞ্জামিন এন. পেনিংটন (২৬), তিনি কেন্টাকির গ্লেনডেল এলাকার বাসিন্দা।   পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ মার্চ সৌদি আরবে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার তিনি মারা যান।   এই ঘটনার মাধ্যমে চলমান সংঘাতে ইরানের হামলায় নিহত মার্কিন সেনা সদস্যের সংখ্যা বেড়ে ৭ জনে দাঁড়িয়েছে।   জানা গেছে, সার্জেন্ট পেনিংটন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর স্পেস ইউনিটে কর্মরত ছিলেন এবং ২০১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।   মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা বাড়ার পর থেকে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পকে ‘যিশুর মনোনীত নেতা’ বলা হচ্ছে—ইরান যুদ্ধকে ঘিরে মার্কিন সেনাদের অভিযোগ

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে বিতর্কিত এক অভিযোগ সামনে এসেছে। মার্কিন সেনাদের একটি অংশ দাবি করেছে, কিছু সামরিক কমান্ডার সৈন্যদের বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প “যিশুর মনোনীত নেতা” এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নাকি ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ।   যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি অধিকার সংগঠন জানিয়েছে, গত কয়েক দিনে তারা মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখা থেকে ২০০টিরও বেশি অভিযোগ পেয়েছে। অভিযোগগুলো ৫০টির বেশি সামরিক ঘাঁটি থেকে এসেছে বলে সংগঠনটি দাবি করেছে।   অভিযোগে বলা হয়েছে, কিছু কমান্ডার যুদ্ধ প্রস্তুতি বৈঠকে সৈন্যদের সামনে দাবি করেন যে ইরানে চলমান সংঘাত বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি “ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ”। একটি অভিযোগে এক নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা জানান, তাদের কমান্ডার বৈঠকে বাইবেলের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি যিশুর দ্বারা মনোনীত।   ওই অভিযোগটি একটি ইউনিটের ১৫ জন সদস্যের পক্ষ থেকে করা হয়েছে, যাদের অনেকেই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, বিষয়টি ধর্মীয় বিশ্বাসের বিরোধিতা নয়; বরং সামরিক পরিবেশে ধর্মীয় মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে তাদের আপত্তি।   সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল ওয়াইনস্টিন সতর্ক করে বলেছেন, সামরিক বাহিনীর মধ্যে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাব বাড়লে তা সংবিধানে নির্ধারিত রাষ্ট্র ও ধর্মের পৃথক নীতির জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্তের ফল প্রকাশ করা হয়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
কুয়েতে ইরানের হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতে ইরানের হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সূত্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, কুয়েতের একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো হামলায় প্রথমে তিনজন সেনা নিহত হন।   পরবর্তীতে আরও তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। অতিরিক্ত নিহতদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান এবং দু’জনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, হামলাটি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে চালানো হয়। কুয়েতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় থাকলেও একটি প্রজেক্টাইল প্রতিরক্ষা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।   মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   এদিকে কুয়েত সরকার জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের পাল্টা অভিযানে ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত দাবি

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের পাল্টা “ট্রু প্রমিস ৪” অভিযানে দুই দিনে ৬৫০ জনের বেশি মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছেন। এই অভিযানে পারস্য উপসাগরজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।   আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জানান, বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটি ও সামরিক সদরদপ্তরে হামলার পর ইরানি উপকূলীয় জলসীমা থেকে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ইরানি বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।   নায়েনি বলেন, যুদ্ধের প্রথম দুই দিনেই ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, এক দফা হামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানার সময় ১৬০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছে। পাশাপাশি, মার্কিন নৌবাহিনীর এমএসটি কমব্যাট সাপোর্ট জাহাজ ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, ইরানি নৌবাহিনী দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০–৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলার পর এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারটি দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের দিকে চলে যায়।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলায় নিহত মার্কিন সেনা বেড়ে ৪

ইরানের হামলায় নিহত মার্কিন সেনা সদস্যের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। গতকাল রোববার (১ মার্চ) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তিন সেনার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং আরও পাঁচজনের গুরুতর আহত হওয়ার তথ্য জানায়। এর পর আজ সোমবার (২ মার্চ) সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন করে আরও একজনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।   সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের প্রাথমিক হামলায় গুরুতর আহত হওয়া ওই চতুর্থ সেনা সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ পর্যন্ত তার আঘাতজনিত কারণে মারা যান।   একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, বর্তমানে বড় পরিসরে তাদের যুদ্ধ অভিযান চলমান রয়েছে এবং এর জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।   তথ্যসূত্র: আলজাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত
ইরান অভিযানে ৩ মার্কিন সেনা নিহত, সেন্টকমের নিশ্চিতকরণ

ইরানে পরিচালিত বিশেষ সামরিক অভিযান 'অপারেশন এপিক ফিউরি' চলাকালে প্রথমবারের মতো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র।  মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে যে, এই অভিযানে তাদের ৩ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও ৫ জন সদস্য গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শনিবার থেকে ইরানি ভূখণ্ডে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর এই প্রথম নিজেদের কোনো সেনা নিহতের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করল ওয়াশিংটন। সেন্টকমের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নিহতদের পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে আপাতত তাদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, পরিবারের কাছে খবর পৌঁছানোর ২৪ ঘণ্টা পর তাদের নাম প্রকাশ করা হবে। এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তাদের পাল্টা হামলায় শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে, যদিও পেন্টাগন এই দাবিকে অতিরঞ্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল এবং দুই দেশের মধ্যেই পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি অব্যাহত রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১, ২০২৬ 0
মার্কিন সেনা
কাতার ও বাহরাইন থেকে কয়েকশ সেনা সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে পেন্টাগন সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা থেকে সেনাদের সুরক্ষিত রাখতেই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কাতারের আল উদেইদ এবং বাহরাইনের নৌঘাঁটি থেকে কয়েকশ মার্কিন সেনাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে শুক্রবার স্থানীয় সময় নিশ্চিত করা হয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি রয়েছে কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিতে, যেখানে প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন থাকে। এছাড়া বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের দপ্তর থেকেও সেনা প্রত্যাহারের খবর পাওয়া গেছে। ইরান ও তার আশপাশের অঞ্চলে নিয়োজিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (CENTCOM) বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোতে থাকা মার্কিন স্থাপনাগুলো এখন ইরানের নিশানায় থাকার ঝুঁকিতে রয়েছে।   এই সেনা প্রত্যাহারের নেপথ্যে রয়েছে ইরানের সরাসরি হুঁশিয়ারি। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা যদি কোনো সামরিক আগ্রাসনের শিকার হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা শত্রুপক্ষের সমস্ত ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হবে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু চুক্তির বিষয়ে ইরানকে সময় বেঁধে দেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরসকে লেখা এক চিঠিতে তেহরান তাদের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে। মার্কিন প্রশাসনের এই পিছু হটা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0