শিশু

কুষ্টিয়ায় ঠান্ডাজনিত উপসর্গে ৯৭ শিশু হাসপাতালে
কুষ্টিয়ায় ঠান্ডাজনিত উপসর্গে ৯৭ শিশু হাসপাতালে, ১৯ শিশুর হামের সন্দেহ

কুষ্টিয়ার জেনারেল হাসপাতাল, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ শিশু ঠান্ডাজনিত জ্বর, সর্দি ও কাশির জটিলতায় ভর্তি হয়েছেন। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৪ শিশু, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ৪২ শিশু এবং উপজেলা পর্যায়ে ১১ শিশু ভর্তি রয়েছেন।   হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভর্তি শিশুদের মধ্যে ১৯ শিশুর শরীরে হামের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা গেছে। বাকি শিশুরা বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জানান, এখানে ৯ শিশুর শরীরে র‌্যাশ দেখা গেছে, যাদের হামের প্রাথমিক সন্দেহ করা হচ্ছে এবং তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।   কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, চলতি বছর থেকে জেলার শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা গেছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। হাসপাতালে শিশুদের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে, তবে রি-এজেন্ট সংকট কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সিভিল সার্জন আশা প্রকাশ করেছেন যে শীঘ্রই এটি সমাধান করা হবে এবং হামের পরিস্থিতি সম্পর্কে দৈনিক আপডেট প্রদান করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশু ও পুলিশসহ নিহত ৭

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ফের বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। রোববার ভোরে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় দুটি পুলিশ চেকপোস্ট লক্ষ্য করে চালানো এই বিমান হামলায় এক শিশু ও তিনজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত সাতজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই হামলাকে গত পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধবিরতির চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো খান ইউনিসের দুটি পুলিশ তল্লাশি চৌকিতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এক শিশুসহ তিন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। হামলায় আরও অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি (এএ) জানায়, প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আল-মাওয়াসি অঞ্চলের 'বীর ১৯' এলাকায় একদল বেসামরিক নাগরিককে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। পরবর্তীতে খান ইউনিসের বানি সুহেইলা চত্বরের কাছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গুলিতে আরও এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। সব মিলিয়ে রোববারের এই সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই তা লঙ্ঘন করে আসছে। ১৮ মার্চ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এই যুদ্ধবিরতি চলাকালীনও ইসরায়েলি হামলায় ৬৯১ জন নিহত এবং ১৮৭৬ জন আহত হয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৭২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজারেরও বেশি মানুষ। ধ্বংস হয়ে গেছে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো। বর্তমানে লেবাননে স্থল অভিযান এবং ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই গাজায় এই নৃশংসতা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইজরায়েলি সেনার পৈশাচিক বর্বরতা: সিগারেটের ছ্যাঁকা ও পায়ে পেরেকবিদ্ধ ১৮ মাসের শিশু করিমের আর্তনাদে কাঁপছে বিশ্ব

গাজায় চলমান গণহত্যার নৃশংসতা যেন সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এবার এক ১৮ মাসের দুগ্ধপোষ্য শিশুর ওপর ইজরায়েলি বাহিনীর মধ্যযুগীয় বর্বরতার লোমহর্ষক চিত্র সামনে এসেছে। বাবার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে নিষ্পাপ শিশু করিমকে। তার কোমল শরীরে অসংখ্য সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া ছাড়াও পায়ে গেঁথে দেওয়া হয়েছে লোহার পেরেক।  প্যালেস্টাইন টিভির সাম্প্রতিক এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই পৈশাচিক ঘটনাটি উঠে এসেছে। ঘটনাটি ঘটে আল মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে। শিশুটির বাবা ওসামা আবু নাসর নিজের জীবিকা ও ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করার সময় হঠাৎ ইজরায়েলি সেনা ও হামাস যোদ্ধাদের মধ্যে গোলাগুলির কবলে পড়েন। ইজরায়েলি সেনারা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আটক করে এবং সঙ্গে থাকা ১৮ মাসের শিশু করিমসহ সেনা শিবিরে নিয়ে যায়। সেখানে ওসামাকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে জেরা ও অকথ্য নির্যাতন শুরু হয়। কিন্তু পাশবিকতার চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করে যখন ওসামার চোখের সামনেই তার ছোট্ট শিশুটির ওপর শুরু হয় বর্বরতা। টানা ১০ ঘণ্টা ধরে চলে এই পৈশাচিক উল্লাস। শিশুটির আর্তচিৎকার ইজরায়েলি সেনাদের মনে বিন্দুমাত্র দয়া উদ্রেক করেনি, বরং তারা হিংস্র উল্লাসে মেতে ওঠে। নির্যাতনের পর শিশুটিকে রেডক্রস সোসাইটির মাধ্যমে পরিবারের কাছে ফেরত পাঠানো হলেও ওসামা আবু নাসর এখনও ইজরায়েলি হেফাজতেই বন্দি আছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, করিমের শরীরে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন রয়েছে এবং মানসিক ট্রমার কারণে সে ঘুমের ঘোরেও যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠছে। বিশ্বজুড়ে এই অমানবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
রণক্ষেত্রে এবার ১২ বছরের শিশুরাও: ইরানের সিদ্ধান্তে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি-র একটি সাম্প্রতিক ঘোষণা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা সরাসরি যুদ্ধকালীন বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে।  দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসি-র তেহরান শাখার সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা রহিম নাদালি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রহিম নাদালি জানান, ‘ফর ইরান’ নামক একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় শিশুদের টহল দেওয়া, চেকপয়েন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং লজিস্টিক সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা হচ্ছে। আইআরজিসি-র দাবি, অনেক কম বয়সী কিশোররা স্বেচ্ছায় যুদ্ধে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় তাদের প্রবল দাবির মুখে এই বয়সসীমা কমিয়ে ১২ বছরে আনা হয়েছে। তবে তেহরানের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে বিশ্ব সম্প্রদায়। জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী শিশুদের সামরিক কাজে ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হলেও, ইরান সেই অঙ্গীকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলো বলছে, শিশুদের এমন বিপজ্জনক কাজে ব্যবহার তাদের জীবনকে চরম ঝুঁকিতে ফেলবে। অতীতেও ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে শিশুদের ব্যবহার এবং তাদের ওপর নির্যাতনের একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।  বর্তমানে ইরানে কয়েক মিলিয়ন শিশু শ্রমিক মানবেতর জীবন যাপন করছে, তার ওপর এই নতুন সামরিক ডিক্রি শিশুদের ভবিষ্যৎকে আরও অন্ধকারে ঠেলে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিদিন নিহত হচ্ছে ৮৭ শিশু: ইউনিসেফের ভয়াবহ রিপোর্ট

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে শিশুদের ওপর নেমে আসা মানবিক বিপর্যয়ের এক লোমহর্ষক চিত্র তুলে ধরেছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ২,১০০-এর বেশি শিশু নিহত অথবা আহত হয়েছে। সেই হিসেবে গড়ে প্রতিদিন ৮৭ জন শিশু এই যুদ্ধের নির্মম শিকার হচ্ছে। সোমবার জাতিসংঘে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ইউনিসেফের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর টেড চাইবান এই উদ্বেজনক তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, চলমান লড়াই বন্ধ না হলে এই সংখ্যা আরও ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেশভিত্তিক হতাহতের পরিসংখ্যান: টেড চাইবানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে ইরানে ২০৬ জন এবং লেবাননে ১১৮ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ইসরায়েলে ৪ জন এবং কুয়েতে ১ জন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই পরিসংখ্যানগুলো কেবল নথিভুক্ত করা তথ্য; প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। বাস্তুচ্যুত লাখ লাখ শিশু: যুদ্ধের ভয়াবহতায় কেবল প্রাণহানিই ঘটছে না, লাখ লাখ শিশু ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইউনিসেফের রিপোর্ট বলছে: লেবানন: দেশটিতে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজারই শিশু। অর্থাৎ মোট বাস্তুচ্যুত জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই শিশু। ইরান: ইরানে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৩২ লাখে পৌঁছেছে, যেখানে কয়েক লাখ শিশু মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে খোলা আকাশের নিচে বা অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। টেড চাইবান বলেন, "পুরো অঞ্চলের শিশুরা এই যুদ্ধের জন্য এক চড়া মূল্য দিচ্ছে। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়া এবং দ্রুত হারে বাস্তুচ্যুতির ফলে একটি পুরো প্রজন্ম গভীর সংকটের দিকে ধাবিত হচ্ছে।" প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো স্কুল এবং বিভিন্ন সরকারি ভবনে আশ্রয় নিয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় পরিষেবা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় খাদ্য, পানীয় জল ও চিকিৎসার চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সিরিয়া ও লেবাননের সীমান্ত এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের ভিড় এবং মানবিক সহায়তার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফ বলেছে, শিশুদের জীবন রক্ষায় এবং এই মানবিক বিপর্যয় ঠেকাতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ ও যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। অন্যথায় মধ্যপ্রাচ্যের এই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: বিএনপির ফেসবুক পেজ
বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বেঁচে থাকা শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ার শেরপুরে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে দেড় বছরের এক শিশুকন্যা। গুরুতর আহত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে আনা হয়েছে।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুটির চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বগুড়ার জেলা প্রশাসক ও হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং শিশুটির সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   আতিকুর রহমান জানান, দুর্ঘটনায় আহত অন্যান্য ব্যক্তিদেরও সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া শিশুটির চিকিৎসার সকল ব্যয়ভারও তিনি গ্রহণ করেছেন।   দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে, যখন ঢাকা থেকে রংপুরগামী ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি মাইক্রোবাস বগুড়ার শেরপুর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক শিশুটির আরও তিনজন স্বজনকে মৃত ঘোষণা করেন।   বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান জানান, নিহতদের মরদেহ রংপুরের কাউনিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে দাফন সম্পন্ন হবে। নিহতরা ঈদ উদযাপনের জন্য পরিবার নিয়ে রংপুর যাচ্ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় দুই শতাধিক শিশু নিহত

ইরানে সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা নিয়ে এক ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।  ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২০২ জন শিশু এবং ২২৩ জন নারী প্রাণ হারিয়েছেন। মর্মান্তিক এই নিহতের তালিকায় রয়েছেন তিনজন অন্তঃসত্ত্বা মা-ও। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিহত শিশুদের মধ্যে ১২ জনের বয়স পাঁচ বছরের নিচে।  এই বর্বরোচিত হামলায় সাধারণ মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় ওই অঞ্চলে বর্তমানে চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করছে ইন্দোনেশিয়া

শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অনলাইন ঝুঁকি মোকাবিলায় এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। এখন থেকে দেশটিতে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) এক ভিডিও বিবৃতিতে ইন্দোনেশিয়ার যোগাযোগ ও ডিজিটাল বিষয়ক মন্ত্রী মেউতিয়া হাফিদ এই নতুন সরকারি প্রবিধান স্বাক্ষরের ঘোষণা দেন। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সীরা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, ইউটিউব, এক্স (সাবেক টুইটার), থ্রেডস, বিগোর মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ‘রোবলক্স’-এ কোনো অ্যাকাউন্ট খুলতে বা ব্যবহার করতে পারবে না। আগামী ২৮ মার্চ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে কার্যকর করা শুরু হবে। মন্ত্রী মেউতিয়া হাফিদ জানান, শিশুদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই এই ‘ডিজিটাল জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের শিশুরা পর্নোগ্রাফি, সাইবার বুলিং, অনলাইন প্রতারণা এবং বিশেষ করে অ্যালগরিদম-নির্ভর আসক্তির মতো বাস্তব হুমকির সম্মুখীন। অভিভাবকদের এই অসম লড়াইয়ে সরকার এখন পাশে দাঁড়িয়েছে।” সরকার জানিয়েছে, ২৮ মার্চ থেকে এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে থাকা ১৬ বছরের কম বয়সীদের বিদ্যমান অ্যাকাউন্টগুলো পর্যায়ক্রমে নিষ্ক্রিয় (Deactivate) করা হবে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সিস্টেমে কঠোরভাবে বয়স যাচাইকরণ প্রক্রিয়া যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মন্ত্রী। অস্ট্রেলিয়া ও স্পেনের পর ইন্দোনেশিয়া তৃতীয় দেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রথম দেশ হিসেবে এ ধরনের কঠোর আইন কার্যকর করতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগকে অনেক অভিভাবক স্বাগত জানালেও অনেকে বাস্তবসম্মত উপায়ে এটি কতটুকু কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক সাহসী পদক্ষেপ, তবে এটি সফলভাবে বাস্তবায়নে বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা প্রয়োজন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে স্কুলে ভয়াবহ হামলা: ১৬০ শিশুর প্রাণহানির নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র?

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত ১৬০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।   হামলার শিকার হওয়া শিশুদের অধিকাংশেরই বয়স ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করার প্রথম দিনেই এই রক্তক্ষয়ী ঘটনাটি ঘটে।   দক্ষিণ চীন মর্নিং পোস্ট (SCMP) এবং রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন যে এই প্রাণঘাতী হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীই দায়ী হতে পারে। তবে পেন্টাগন বা মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এখনও চূড়ান্তভাবে এর দায় স্বীকার করেনি।   তদন্তে যা উঠে এসেছে: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র বা বোমা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে স্কুলটিতে আঘাত হেনে থাকতে পারে। নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্কুলটির পাশেই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (IRGC) একটি নৌঘাঁটি অবস্থিত। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন বাহিনী ওই নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানোর সময় ভুলবশত স্কুল ভবনটি ধসে পড়ে। স্যাটেলাইট চিত্র এবং ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, দোতলা বিশিষ্ট 'শাজারেহ তাইয়েবেহ' স্কুল ভবনটির অর্ধেকেরও বেশি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।   ইরান ও আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া: ইরান এই হামলাকে ‘বর্বর ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তর এই ঘটনার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। ইউনেস্কো এবং ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন। নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।   যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে কখনও স্কুল বা বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় না। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই ঘটনার পর খোদ মার্কিন রাজনীতিকদের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত মারজোরি টেলর গ্রিনও এই ট্র্যাজেডিকে ‘হৃদয়বিদারক’ বলে বর্ণনা করেছেন।   মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে কয়েক দশকের ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ বেসামরিক প্রাণহানির ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৬, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আক্রমণে ইরানে ১,০৯৭ বেসামরিকের মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আক্রমণে ইরানে ১,০৯৭ বেসামরিকের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে সংঘটিত সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ১,০৯৭ জন বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানির তথ্য তারা সংগ্রহ করেছে। নিহতদের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৮১ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।   সংস্থাটি আরও জানায়, এ সময় আহত বেসামরিক মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫,৪০২ জনে, যাদের মধ্যে অন্তত ১০০ জন শিশু রয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটির বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ১০৪টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এই হামলাগুলোর লক্ষ্যবস্তু ছিল সামরিক স্থাপনা, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং আবাসিক এলাকা।   এছাড়া, আরও কয়েকশ মানুষের মৃত্যুর খবর যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।   সূত্র: BBC

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
বাবা শাখাওয়াত ও ভাই শাওনের সঙ্গে শিশু উম্মে আইমান (মাঝখানে) । ছবি: স্বজনদের সৌজন্য
হালিশহরে বিস্ফোরণ: দগ্ধ তিন শিশু জানে না পরিবারের আর কেউ বেঁচে নেই

চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ তিন শিশু এখনো জানে না তাদের পরিবারের অন্য কেউ আর বেঁচে নেই। আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে ঢাকায় হাসপাতালের শয্যায় কাতরাচ্ছে ১০ বছরের উম্মে আইমান। মাঝেমধ্যে সে মা–বাবাকে দেখতে চেয়ে আকুতি জানায়, অথচ তার মা–বাবা ও বড় ভাই ইতোমধ্যে মারা গেছেন।   উম্মে আইমান চিকিৎসাধীন রয়েছে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট–এ। একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে তার চাচাতো ভাই–বোন আয়েশা (৪) ও ফারহান আহমেদ (৬)। তাদের মা–বাবাও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শিশুদের এখনো জানানো হয়নি পরিবারের অন্য সদস্যদের মৃত্যুর খবর।   গত সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে হালিশহর এলাকার ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে ফ্ল্যাটে থাকা ৯ জন দগ্ধ হন। এর মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে তিন শিশু।   ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, গ্যাস লাইনে লিকেজ থেকে নির্গত গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। তবে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড গ্যাস লিকেজের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।   দুর্ঘটনার সময় ফ্ল্যাটটিতে ছিলেন তিন ভাই শাখাওয়াত হোসেন (৪৯), সামির আহমেদ (৪০) ও শিপন হোসেন (৩০)। শাখাওয়াত ও সামিরের স্ত্রী ও সন্তানরাও সেখানে ছিলেন। বিস্ফোরণে সবাই দগ্ধ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন ভাইসহ শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান বেগম ও সামিরের স্ত্রী পাখি আক্তারের মৃত্যু হয়। বেঁচে রয়েছে কেবল তিন শিশু আইমান, আয়েশা ও ফারহান।   স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী সামির সম্প্রতি চিকিৎসার জন্য দেশে ফিরে ভাইয়ের বাসায় উঠেছিলেন।   চিকিৎসকদের তথ্যমতে, আইমানের শরীরের ৩৮ শতাংশ, ফারহানের ৩০ শতাংশ এবং আয়েশার ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যায় শিপন হোসেনের মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান।   শিশুদের খোঁজখবর রাখছেন শাখাওয়াতের ব্যবসায়িক অংশীদার মনসুর আলী। তিনি বলেন, তিন শিশুর অবস্থাই গুরুতর। তারা বারবার মা–বাবাকে খুঁজছে, কিন্তু পরিবারের অন্যদের মৃত্যুর বিষয়টি তাদের জানানো হয়নি।   এদিকে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হয়নি। তদন্তে ফায়ার সার্ভিস, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ও জেলা প্রশাসন পৃথক তিনটি কমিটি গঠন করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বনানীতে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর বনানীতে শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে তিনি শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কিছু সময় কাটান এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।   এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করে, ‘আঙ্কেল, আপনি রোজা রাখেন?’ প্রধানমন্ত্রী হাতে মিলিয়ে জবাব দেন, ‘আমি তো রোজা রাখি।’ এরপর তিনি অন্য শিশুদের সঙ্গেও হাত মেলান এবং কারও মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।   প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, মসজিদে মহিলাদের জন্য আলাদা স্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের উচ্ছসিত মুহূর্তে কথা বলেন। এক শিশু বলেন, ‘আঙ্কেল আজকেরটা ছাড়া সব রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী মাথায় হাত বুলিয়ে বলেন, “তাই!” অন্য এক শিশু বলে, ‘আঙ্কেল আমি সবগুলো রোজা রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী জবাব দেন, “ভেরি গুড।”   নামাজ শেষে জুবাইদা রহমান মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে গিয়ে বিদায় নেন এবং হাত নেড়ে বিদায় জানিয়ে নিজের গাড়ির দিকে চলে যান।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0