আমেরিকা

ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ৮ দিনেও মেলেনি সন্ধান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী গত আট দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবার ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে। এ অবস্থায় স্থানীয় পুলিশ সর্বসাধারণের সহায়তা চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

 

নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী হলেন জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। তারা দুজনই সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছেন। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে প্রায় দুই বছর আগে তারা যুক্তরাষ্ট্রে যান।

 

পুলিশ জানায়, গত ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে তাদের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। লিমনকে সর্বশেষ ওই দিন সকাল ৯টার দিকে টেম্পা শহরের বাসায় দেখা যায়। অন্যদিকে বৃষ্টিকে সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেম্পা ক্যাম্পাসে সর্বশেষ দেখা গেছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা ল্যারি ম্যাককিনন জানান, পরিবারের সদস্যরা ১৭ এপ্রিল বিকেলে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানান। এর আগে ২৪ ঘণ্টা ধরে তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি স্বজনরা। এরপর পুলিশ সম্ভাব্য সব উপায়ে খোঁজ চালিয়েও তাদের সন্ধান পায়নি।

 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কোনো অপরাধের আলামত মেলেনি। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং গোয়েন্দারা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি ফেডারেল ও স্টেট পর্যায়ের নিখোঁজ ব্যক্তিদের ডেটাবেসেও তাদের তথ্য যুক্ত করা হয়েছে।

 

লিমনের ছোট ভাই জুবায়ের আহমেদ জানান, লিমন ও বৃষ্টির মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তারা বিয়ের পরিকল্পনাও করেছিলেন। তবে পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত ছিল তাদের।

 

লিমন জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এবং বৃষ্টি কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছেন। তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কেউ তাদের সন্ধান পেলে ৮১৩-৯৭৪-২৬২৮ নম্বরে ফ্লোরিডা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে পুরোনো গ্রিনকার্ড যাচাইয়ে কড়াকড়ি — উদ্বেগে লাখো অভিবাসী
যুক্তরাষ্ট্রে পুরোনো গ্রিনকার্ড যাচাইয়ে কড়াকড়ি — উদ্বেগে লাখো অভিবাসী

যুক্তরাষ্ট্রে পুরোনো গ্রিনকার্ডধারীদের নথিপত্র পুনরায় যাচাই করা হতে পারে—এমন খবরে অভিবাসী সমাজে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা ইউএস সিটিজেনশিপ আন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস কিছু পুরোনো অনুমোদিত গ্রিনকার্ড ও স্থায়ী বসবাসের কেস পুনরায় পর্যালোচনার উদ্যোগ নিতে পারে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, যেসব আবেদনপত্রে ভুল তথ্য, জাল কাগজপত্র, প্রতারণা, পরিচয় গোপন করা কিংবা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ঝুঁকির অভিযোগ রয়েছে, সেসব কেস নতুন করে খতিয়ে দেখা হতে পারে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, অভিবাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতেই এ ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে।   তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ নিয়ম মেনে বৈধভাবে গ্রিনকার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটি সব গ্রিনকার্ডধারীদের বিরুদ্ধে গণতদন্ত নয়। বরং যেসব কেসে আগে থেকেই প্রশ্ন রয়েছে বা অসঙ্গতির অভিযোগ আছে, মূলত সেগুলোই পুনরায় যাচাইয়ের আওতায় আসতে পারে।   অভিবাসন আইনজীবীদের মতে, যদি কেউ সঠিক তথ্য দিয়ে গ্রিনকার্ড পেয়ে থাকেন, নিয়মিত কর পরিশোধ করেন, গুরুতর অপরাধে জড়িত না থাকেন এবং আইন মেনে চলেন, তাহলে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই।   অন্যদিকে, আবেদনপত্রে মিথ্যা তথ্য দেওয়া, জাল নথি ব্যবহার, ভুয়া বিবাহ দেখিয়ে সুবিধা নেওয়া, দীর্ঘ সময় ঠিকানা গোপন রাখা বা গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার মতো ঘটনা থাকলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে সরকার গ্রিনকার্ড বাতিল বা আইনি পদক্ষেপও নিতে পারে।   এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত দক্ষিণ এশীয়সহ বিভিন্ন অভিবাসী কমিউনিটিতে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনকার্ডধারী অনেকেই জানতে চাইছেন, পুরোনো ফাইল কি সত্যিই আবার খোলা হবে?   বিশ্লেষকদের মতে, অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি বাড়ানোর রাজনৈতিক আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত সব পুরোনো গ্রিনকার্ডধারীর বিরুদ্ধে ব্যাপক যাচাই অভিযান শুরুর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অতিরঞ্জিত খবর দেখে আতঙ্কিত না হয়ে সরকারি সূত্রের তথ্য অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।   গ্রিনকার্ডধারীদের জন্য পরামর্শ * সব গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণ করুন * নিয়মিত কর পরিশোধ ও রেকর্ড রাখুন * ঠিকানা পরিবর্তন হলে দ্রুত আপডেট করুন * দীর্ঘ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকলে আইনগত পরামর্শ নিন * কোনো সরকারি নোটিশ পেলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন   অভিবাসী সমাজের অনেকে বলছেন, “আইন মেনে চললে ভয় নেই, তবে সচেতন থাকা জরুরি।”

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ৮ দিনেও মেলেনি সন্ধান

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ভাড়া স্থগিতের দাবিতে চাপ বাড়ছে, উত্তপ্ত রেন্ট বোর্ডের শুনানি

ছবি: সংগৃহীত।

নতুন আইনের ফলে কানাডার নাগরিকত্ব পেতে যাচ্ছেন লাখ লাখ আমেরিকান

ছবি: সংগৃহীত
মেট্রো আটলান্টা ও উত্তর জর্জিয়ার জমজমাট সপ্তাহান্তের বিনোদন সূচি

​​​​মেট্রো আটলান্টা এবং উত্তর জর্জিয়া এই সপ্তাহান্তে উৎসব, লাইভ মিউজিক, খেলাধুলা এবং বিশেষ ইভেন্টে মুখর হয়ে উঠছে। ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত এই অঞ্চলে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে উপভোগ করার মতো অসংখ্য আয়োজন রয়েছে। প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য ২৫ এপ্রিল পন্স সিটি মার্কেটে বিশেষ ‘আর্থ ডে সেলিব্রেশন’ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় বিভিন্ন সংস্থা অংশ নেবে।   উৎসব প্রিয়দের জন্য রয়েছে ইনম্যান পার্ক ফেস্টিভ্যাল, জর্জিয়া স্ট্রবেরি ফেস্টিভ্যাল এবং ডানউডির লেমোনেড ডেস ফেস্টিভ্যাল। স্মিথ-গিলবার্ট গার্ডেনে থাকছে ‘আর্ট ব্লুমস’ বসন্ত উৎসব এবং চ্যাম্বলিতে বসবে বর্ণাঢ্য ব্লুমস চায়নাটাউন মার্কেট। এছাড়া জিওর্থি ফেয়ারগ্রাউন্ডসে লরেন্সভিল স্প্রিং ফেয়ার এবং হ্যাম্পটনের ইকো-পার্ক স্পিডওয়েতে জর্জিয়া স্টেট ফেয়ারের মতো বড় আয়োজনগুলো দর্শকদের বিনোদন দেবে।   সংগীত ও বিনোদন জগতে আটলান্টা সিম্ফনি হলে পাচো ফ্লোরেসের পারফরম্যান্স এবং কব এনার্জি সেন্টারে অপেরা ‘টুরান্ডট’ মঞ্চস্থ হবে। চলচ্চিত্র অনুরাগীদের জন্য প্লাজা ও তারা থিয়েটারে চলছে ৫০তম আটলান্টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। এছাড়া আলফারেটায় ‘ডাই লাফিং’ কমেডি শো এবং দ্য মাস্কুয়ারেডে বিশেষ ডিস্কো ড্যান্স পার্টির আয়োজন করা হয়েছে।   খেলাধুলা এবং অটোমোবাইল উৎসাহীদের জন্য ট্রুইস্ট পার্কে আটলান্টা ব্রেভসের হোমস্ট্যান্ড ইভেন্টগুলো বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে। উত্তর জর্জিয়ার ফেয়ারমাউন্ট এবং ডসনভিলে অনুষ্ঠিত হবে বেশ কিছু কার ও জিপ শো। লেক ল্যানিয়ারে বোট শো এবং ডিকেচারে কার্টার্স কাপ সকার ইভেন্ট এই সপ্তাহান্তের বিনোদনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে।   সূত্র: ফক্স ৫ আটলান্ট

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশে জন্ম নেওয়া শত শত মার্কিন নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিলে জোরালো উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটির ছবি তুলে জেএফকে বিমানবন্দরে চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

নিউ ইয়র্কে বাড়ি ভর্তি বিস্ফোরক রাসায়নিক উদ্ধার, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে ১১ শীর্ষ বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু ও অন্তর্ধান নিয়ে তোলপাড়

যুক্তরাষ্ট্রে এগারোজন শীর্ষ বিজ্ঞানীর রহস্যজনক মৃত্যু এবং নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো গভীর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন খোদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ সদস্যরা। বিশেষ করে ৩৪ বছর বয়সী গবেষক অ্যামি এসক্রিজের মৃত্যুর বিষয়টি এই রহস্যের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।   অ্যান্টি-গ্রাভিটি প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণারত অ্যামিকে ২০২২ সালের জুনে অ্যালাবামার হান্টসভিলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মাথায় গুলির ক্ষত ছিল এবং সে সময় পুলিশ বিষয়টিকে ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দেয়। তবে দীর্ঘ চার বছর পর অ্যামির পাঠানো কিছু চাঞ্চল্যকর টেক্সট মেসেজ সামনে আসায় তৎকালীন পুলিশি তদন্ত ও সিদ্ধান্তের সত্যতা বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে।   ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক কর্মকর্তা ফ্রাঙ্ক মিলবার্নের কাছে মৃত্যুর মাসখানেক আগে পাঠানো বার্তায় অ্যামি লিখেছিলেন, যদি কখনো শোনা যায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বা ড্রাগ ওভারডোসে মারা গেছেন, তবে তা যেন কেউ বিশ্বাস না করে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, এমন কিছু ঘটলে তা নিশ্চিতভাবেই স্বাভাবিক মৃত্যু হবে না। এই বার্তাগুলো এখন বিজ্ঞানীদের ধারাবাহিক মৃত্যুর পেছনে একটি গভীর ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করছে।   ফ্রাঙ্ক মিলবার্নের দাবি, অ্যামি এবং তার সহকর্মীরা যারা উন্নত জ্বালানি ও প্রপালশন নিয়ে কাজ করছিলেন, তাদের দীর্ঘ দিন ধরে পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। বিজ্ঞানীদের কাজ বাধাগ্রস্ত করতে এবং তাদের মুখ বন্ধ রাখতেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলে বর্তমানে এই চাঞ্চল্যকর অন্তর্ধান ও মৃত্যুর ঘটনাগুলো নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও আলোচনা চলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

অভিবাসন দমনে সিনেটে আইসের জন্য ৭০ বিলিয়ন ডলার ৫০-৪৮ ভোটে পাস

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মানুষ কেবল সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে শ্রেণিকক্ষে ‘দশ আদেশ’ প্রদর্শন বাধ্যতামূলক বৈধ—আপিল আদালতের রায়

0 Comments