বিশ্ব রাজনীতি

ইরানে স্থল অভিযানের বিষয়ে যা জানালেন মার্কিন সিনেটর

ইরানে স্থল অভিযানের বিষয়ে যা জানালেন মার্কিন সিনেটর

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
মার্কিন সিনেটর
মার্কিন সিনেটর

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান উত্তেজনার মাঝে এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ইরানে স্থল অভিযানের জন্য মার্কিন সেনা পাঠানোর কোনো প্রয়োজন দেখছেন না তিনি। তবে এই সংঘাত সহসাই থামছে না বলে সতর্ক করেছেন এই রিপাবলিকান নেতা।


ওয়াশিংটন ডিসিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, "আমি মনে করি না এই সংঘাত আজই শেষ হয়ে যাবে। পরিস্থিতি আরও কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে।" সংঘাতের সময়সীমা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেও তিনি স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান কৌশল মূলত ইরানের সামরিক সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ওপর আলোকপাত করছে।


সিনেটর গ্রাহামের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে এমনভাবে দুর্বল করা যাতে তারা পুনরায় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি থমকে যায়। কয়েক সপ্তাহ পর সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বিশ্ব রাজনীতি

View more
ছবি - সংগৃহিত
হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত হলেই যুদ্ধবিরতির কথা ভাববে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের নতুন শর্ত

ইরান যুদ্ধের অবসান নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জল্পনা তুঙ্গে, তখন এক নতুন এবং কঠিন শর্ত জুড়ে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র কোনো যুদ্ধবিরতির কথা ভাববে না।   ফ্লোরিডায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর ভাষায় তার এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য এবং এতে কোনো বাধা বরদাশত করা হবে না।   ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প মনে করেন ইরান যদি আন্তর্জাতিক নৌপথ অবরোধ করে রাখে, তবে আলোচনার কোনো পরিবেশ তৈরি হতে পারে না। এই প্রণালীটি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়, যা বর্তমানে উত্তেজনার কারণে স্থবির হয়ে আছে।   মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে আবারও নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন যে, এই শর্তের ফলে যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়বে।   এদিকে তেহরানের পক্ষ থেকে এখনও এই শর্তের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে ইরানি সামরিক কমান্ডাররা আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তাদের ওপর হামলা বন্ধ না হলে হরমুজ প্রণালীতে কোনো বিদেশি জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।   ইউরোপীয় মিত্ররা ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন কারণ জ্বালানি সংকটে তারা সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্রাসেলস ও লন্ডন থেকে ওয়াশিংটনের ওপর অনবরত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে যেন তারা শর্ত শিথিল করে দ্রুত আলোচনায় বসে।   ট্রাম্পের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন পাকিস্তান ও চীন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাঁচ দফা শান্তি প্রস্তাব পেশ করেছে। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন শর্ত সেই শান্তি প্রক্রিয়ার পথে একটি বড় অন্তরায় হিসেবে দেখা দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।   পেন্টাগনের একটি সূত্র জানিয়েছে যে, মার্কিন নৌবাহিনী ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালীতে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। তারা যেকোনো মূল্যে এই বাণিজ্যিক রুটটি দখলমুক্ত রাখতে প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে আরও বড় ধরনের সামরিক শক্তি প্রয়োগের চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিয়েছে।   অন্যদিকে আমেরিকার সাধারণ নাগরিকরা তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ে প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। ট্রাম্পের এই শর্ত যদি যুদ্ধের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দেয়, তবে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার দলকে চড়া মূল্য দিতে হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।   হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমেরিকা শান্তি চায় তবে তা অবশ্যই তাদের জাতীয় স্বার্থ এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার শর্ত মেনে হতে হবে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে ইরান যে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তার কাছে ওয়াশিংটন নতি স্বীকার করবে না বলেও জানানো হয়।   মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে কারণ এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ধসে পড়তে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশ তেলের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এই অনিশ্চয়তা এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শান্তির যে ক্ষীণ আশা দেখা দিয়েছিল, ট্রাম্পের এই মন্তব্যে তা আবারও মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। এখন দেখার বিষয়, ইরান আন্তর্জাতিক চাপ মেনে নিয়ে নৌপথ উন্মুক্ত করে দেয় নাকি এই সংঘাত আরও ভয়াবহ ও চরম রূপ ধারণ করে।   কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই সময়ের মধ্যেই জানা যাবে সমঝোতার কোনো পথ খোলা আছে কি না। পুরো বিশ্ব এখন এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যেখানে একটি ভুল সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে ইতিহাস।  

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি - সংগৃহিত

মিশর থেকে ৬০ হাজার মার্কিন নাগরিককে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের সংকেত

ছবি - সংগৃহিত

নেতানিয়াহুর ছেলেকে মায়ামি থেকে বিতাড়িত করে ইরান যুদ্ধে পাঠানোর দাবি স্টিভ ব্যাননের

ছবি - সংগৃহিত

ইরানে আমেরিকার স্থল অভিযানে অংশ নেবে না ইসরায়েল: ওয়াশিংটনে তীব্র ক্ষোভ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান ও চীনের পাঁচ দফা শান্তি প্রস্তাব ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাকিস্তান ও চীনের পাঁচ দফা শান্তি প্রস্তাব ঘোষণা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তান এবং চীন যৌথভাবে একটি পাঁচ দফা শান্তি প্রস্তাব ঘোষণা করেছে।   বেইজিংয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র মধ্যে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়। উভয় পক্ষই এই অঞ্চলে অবিলম্বে সংঘাত বন্ধের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।   এই শান্তি প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো ইরান এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার লড়াই থামিয়ে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরিয়ে আনা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ সংঘাত নিরসনে এটি একটি বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   পাঁচ দফা প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, দ্রুত শান্তি আলোচনা শুরু করা এবং সাধারণ নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।   পাকিস্তান ও চীন দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়েছে যে, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই কেবল এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব। তারা ইরানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছে।   বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ সুগম রাখার কঠোর আহ্বান জানিয়েছে দুই দেশ। তারা মনে করে, বিশ্ব অর্থনীতির স্বার্থে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সবচাইতে জরুরি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।   জাতিসংঘ সনদের মূলনীতি অনুসরণ করে শান্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে বেইজিং ও ইসলামাবাদ। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একযোগে কাজ করার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।   ইসরায়েল ও আমেরিকার হামলায় ইরানের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের প্রাণহানি ঘটার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্য অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল ও আমেরিকান স্বার্থ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।   পাল্টাপাল্টি এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে সাধারণ নাগরিক হতাহত হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি বলে মনে করছে পাকিস্তান ও চীন।   আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই পাঁচ দফা প্রস্তাব বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সংঘাতরত পক্ষগুলো এই প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে কি না।   কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের এই মধ্যস্থতা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিতে পারে। যদি এই প্রস্তাব কার্যকর হয়, তবে বিশ্ববাজারে পণ্য সরবরাহ ও তেলের দামে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফেরার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।   যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি ও অবকাঠামোর যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পুনর্গঠনেও আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই সংঘাত কেবল আঞ্চলিক নয় বরং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও এক অশনি সংকেত হিসেবে দেখা দিচ্ছে। বেইজিংয়ের এই উদ্যোগকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কীভাবে গ্রহণ করে তার ওপরই অনেক কিছু নির্ভর করছে। শান্তি প্রস্তাবের এই খসড়াটি ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রভাবশালী দেশগুলোর কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে।   এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই প্রস্তাবটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। বিশ্ববাসী এখন তাকিয়ে আছে একটি চূড়ান্ত সমঝোতার দিকে যা এই রক্তাক্ত অধ্যায়ের ইতি টানবে।   সামগ্রিকভাবে এই উদ্যোগকে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে আরব দেশগুলো। যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে এই পাঁচ দফা প্রস্তাবের বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।    

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ইরান যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের ওপর বিশ্বনেতাদের প্রবল চাপ: যেকোনো মুহূর্তে আসতে পারে বড় ঘোষণা

ইরান যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের ওপর বিশ্বনেতাদের চাপ: যেকোনো মুহূর্তে আসতে পারে বড় ঘোষণা

দ্রুত ইরান যুদ্ধের অবসান চায় দুই-তৃতীয়াংশ আমেরিকান: রয়টার্সের জরিপ

যুদ্ধে হারলেও দ্রুত ইরান যুদ্ধের অবসান চায় দুই-তৃতীয়াংশ আমেরিকান: রয়টার্সের জরিপ

ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর চটেছেন ট্রাম্প: ইরান যুদ্ধে সহায়তা না পাওয়ায় চরম হুঁশিয়ারি

ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর চটেছেন ট্রাম্প: ইরান যুদ্ধে সহায়তা না পাওয়ায় চরম হুঁশিয়ারি

ইরান যু/দ্ধ যেভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইরাকের সম্পর্কে ফাটল ধরাচ্ছে

পারস্য উপসাগরের ওমান উপকূলে ইসরায়েলি মালিকানাধীন একটি বিশাল মালবাহী জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাতে ওমানের মাস্কাট বন্দরের কাছে সংঘটিত এই হামলায় জাহাজটির দুইজন নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত জাহাজটির নাম ‘এমটি মার্সার স্ট্রিট’, যা লন্ডন ভিত্তিক একটি ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল।   ওমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার পর জাহাজটিতে ভয়াবহ আগুন ধরে যায় এবং এর মূল ইঞ্জিন রুম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার পরপরই ওমানের কোস্টগার্ড এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। নিহত দুই নাবিকের মধ্যে একজন ব্রিটিশ এবং অন্যজন রোমানিয়ান নাগরিক বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই হামলার জন্য সরাসরি ইরানকে দায়ী করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেছেন, “ইরান কেবল ইসরায়েলের শত্রু নয়, তারা আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি।”   বিশ্লেষকদের মতে, গত এক মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষিতে এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল। ওমান বরাবরই মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও, তাদের জলসীমার এত কাছে এই হামলা ওমানের নিরাপত্তার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর (5th Fleet) আক্রান্ত জাহাজটিকে নিরাপত্তা দিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিয়ে যাওয়ার কাজ করছে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলো এই রুট ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতি তেলবাহী জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা: ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি

ট্রাম্পের আপত্তি সত্ত্বেও ইরানে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা পেন্টাগনের

যুদ্ধ থামানোর ‘বিকল্প পথ’ খুঁজছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

ইরানে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার পাউন্ড ইউরেনিয়াম ছিনিয়ে আনার পরিকল্পনা ট্রাম্পের

0 Comments