আন্তর্জাতিক

মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টারে হামলার জবাবে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা আঘাত

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ৯, ২০২৬ ১৮:৯
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের ওপর হামলার কড়া জবাব হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে ‘আত্মরক্ষামূলক’ সামরিক হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এই হামলার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নিল।

 

সেন্টকমের দেওয়া ওই বিবৃতি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ইস্টার্ন টাইম (ইটি) বিকেল ৫টায় ইরানের নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে এই পাল্টা হামলা চালানো শুরু হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের দাবি, নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম, আকাশসীমার নিরাপত্তা এবং সেনাদের জীবন রক্ষার উদ্দেশ্যেই তারা সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার খাতিরে এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে।

 

তবে এই হামলায় ইরানের ঠিক কোন কোন অঞ্চলে আঘাত হানা হয়েছে বা কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে সেন্টকমের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

 

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন বাহিনীর এই সরাসরি হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে চালানো হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই তাৎক্ষণিক সামরিক প্রতিক্রিয়া ওই অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের শঙ্কা তৈরি করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবিঃ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আফগানিস্তানে পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে বিক্ষোভ, তালেবানের গুলিবর্ষণ

আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে নারীদের কঠোর পোশাকবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সাম্প্রতিক ধরপাকড়ের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিরল বিক্ষোভে সরাসরি গুলি চালিয়েছে তালেবান বাহিনী। গত মঙ্গলবার সংঘটিত এই বর্বরোচিত হামলায় অন্তত এক নারী ও এক শিশু নিহত হয়েছেন বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাত দিয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রায় পাঁচ বছর আগে ক্ষমতা দখলের পর থেকে তালেবান যেকোনো ধরনের ভিন্নমতের ওপর কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে, তবে এদিন মৃত্যুভয় উপেক্ষা করেই অধিকার আদায়ের দাবিতে রাজপথে নেমেছিলেন সাধারণ নারী-পুরুষ।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, তালেবান নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করছে এবং সরাসরি গুলি ছুড়ছে। এর জবাবে বিক্ষোভকারীরাও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন এবং কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাধীনতার দাবিতে স্লোগান দেন। হেরাতের একটি স্থানীয় হাসপাতালের এক চিকিৎসক তালেবানের রোষানলে পড়ার ভয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অন্তত তিনজনকে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবং চিকিৎসকদের তথ্যমতে, এই ভয়াবহ সংঘর্ষে এক ডজনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।   এই বিক্ষোভের মূল কারণ ছিল মূলত তালেবানের 'নীতি পুলিশ' বা মোরালিটি পুলিশ কর্তৃক সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হেরাতের প্রায় ৩০ জন নারী ও বালিকাকে আটক করা। নারীদের চুল ও মুখ ঢেকে রাখার কঠোর নিয়ম অমান্য করার অভিযোগে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত রিচার্ড বেনেট এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর এই মাত্রার বলপ্রয়োগ অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং এই সহিংসতার জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এছাড়া, জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত মিশন প্রধান জর্জেট গ্যাগনন অভিযোগ করেছেন যে, তালেবান প্রশাসন নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও জনসমক্ষে চলাচলের মতো মৌলিক অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছে; এমনকি নারীদের কণ্ঠস্বর ও মুখমণ্ডল দেখানোকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।   তবে তালেবান প্রশাসন সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালানোর বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। হেরাত প্রদেশের পুলিশের মুখপাত্র সৈয়দ মাসুদ হুসাইনি দাবি করেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী কেবল জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের আইনি দায়িত্ব পালন করেছে এবং পুলিশের গুলিতে কোনো বেসামরিক নাগরিক আহত হননি। তার মতে, হিজাব পালনের মতো ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার বিরোধিতা করে কিছু মানুষ উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। অন্যদিকে, হেরাতের নীতি পুলিশের প্রধান শেখ আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক অডিও বার্তায় নারীদের আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, ওই প্রদেশের সব নারীই তালেবানের পোশাকবিধি সঠিকভাবে মেনে চলছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ৯, ২০২৬ ১৯:৩
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ইসরায়েলি সেনা ভারতে নিশ্চিন্তে ছুটি কাটাচ্ছেন, গ্রেপ্তারের দাবি মানবাধিকার সংস্থার

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টারে হামলার জবাবে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা আঘাত

ছবিঃ মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে ৭০ বিলিয়ন ডলারের অভিবাসন ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিল পাস

বেজালেল স্মোট্রিচ। ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনে সহিংসতার জেরে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী স্মোট্রিচের ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা

অধিকৃত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে সহিংসতা বৃদ্ধি ও অবৈধ বসতি স্থাপনে মদদ দেওয়ার অভিযোগে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচসহ একাধিক নেতার ফ্রান্সে প্রবেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মিত্র দেশগুলোর সাথে সমন্বয় করে এই যৌথ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হচ্ছে। ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং নরওয়ের মতো দেশগুলোর সাথে একযোগে নেওয়া এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো— পশ্চিম তীরে যারা সহিংসতা উসকে দিচ্ছে এবং ঔপনিবেশিক তৎপরতা আরও জোরালো করছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা। ফ্রান্সের এই নতুন নির্দেশনার ফলে অর্থমন্ত্রী স্মোট্রিচ ছাড়াও ইসরায়েলের চারজন প্রভাবশালী বসতি স্থাপনকারী (সেটলার) সংগঠনের নেতা এবং ২১ জন উগ্রপন্থী সেটলার ফ্রান্সে প্রবেশ করতে পারবেন না।   বিবৃতিতে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্মোট্রিচের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েলি এই মন্ত্রী সক্রিয়ভাবে পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে নিরলস প্রচার চালাচ্ছেন এবং প্রকাশ্যে এমন দাবিও করছেন। এর পাশাপাশি তিনি পশ্চিম তীরে নতুন করে অবৈধ বসতি তৈরি, গাজা পুনরুপনিবেশকরণ এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অর্থনৈতিক কাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার মতো নীতিকে প্রতিনিয়ত সমর্থন করে যাচ্ছেন।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী বারো সতর্ক করে বলেন, স্মোট্রিচের এসব কট্টরপন্থী নীতি ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণের দৈনন্দিন জীবন ও নিরাপত্তার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিশাল অংশ, যারা ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংকট নিরসনে ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’ নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, তারা কোনোভাবেই এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড মেনে নিতে পারে না। মূলত শান্তি প্রতিষ্ঠার এই তাগিদ থেকেই ফ্রান্স এবং তার অংশীদার মিত্ররা মিলে ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে এই কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ৯, ২০২৬ ১:৪৯
ছবি: সংগৃহীত

তালেবান সরকারের অধীনে আফগানিস্তান স্থিতিশীল রয়েছে, জানাল জাতিসংঘের সহায়তা মিশন

ছবি: সংগৃহীত

বিদেশের মাটিতে ভারতীয় পর্যটকদের ‘উদ্ভট আচরণ’, নেপথ্যে ৪টি মূল কারণ

ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাসে প্রথমবার ১২টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত
১৬ বছরের কম বয়সীদের ফেসবুক-ইউটিউব ব্যবহার বন্ধ করছে ব্রিটেন, ট্রাম্পের আপত্তি নাকচ

ষোলো বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন এই গণ-নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়ে একে বাকস্বাধীনতার পরিপন্থী বলে দাবি করেছে। আমেরিকার এই প্রবল আপত্তি ও বিরোধিতাকে উপেক্ষা করেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এই কঠোর নিয়ম বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছেন। আজ মঙ্গলবার একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।   লন্ডনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঢালাওভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ না করে শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের কনটেন্টের ওপর সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ আনা উচিত। তাদের দাবি, বয়স নির্ধারণের বর্তমান প্রযুক্তি এখনও পুরোপুরি নির্ভুল নয় এবং এই সিদ্ধান্তের ফলে আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো চরম ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়বে। তবে মার্কিন আপত্তির জবাবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের সরকার অন্য কোনো দেশের চাপ নয়, বরং দেশের পরিবারগুলোর ভবিষ্যতের জন্য যা সঠিক তা-ই করবে।   যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী লিজ কেন্ডালও মার্কিন আপত্তির মুখে অনড় অবস্থান প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, দেশের শিশুদের সুরক্ষায় যা করা উচিত, তা থেকে তাকে কোনোভাবেই বিচ্যুত করা যাবে না। অস্ট্রেলিয়ার আদলে অনূর্ধ্ব-১৬ শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ক্ষতিকর ও আসক্তি তৈরি করা ফিচারের ওপর কারফিউ জারির মতো বিকল্পগুলোও এখন ব্রিটিশ সরকারের টেবিলে রয়েছে।   এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাজ্যে আয়োজিত সরকারি মতামত জরিপে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার নাগরিক অংশ নিয়েছেন, যা দেশটির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাড়াজাগানো ঘটনা। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৯০ শতাংশ অভিভাবকই শিশুদের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি সমর্থন করেছেন। দেশটির প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি ব্যাডেনখও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বড়দের জন্য, শিশুদের জন্য নয়।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: জুন ৮, ২০২৬ ২১:৫৩
ছবি: সংগৃহীত

কয়লা ও তেল-গ্যাসে বিশ্বের বড় ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ আকাশছোঁয়া, জলবায়ু চরম ঝুঁকিতে

ছবি: সংগৃহীত

ভারী বৃষ্টি দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় শুরু হলো বহুল কাঙ্ক্ষিত বর্ষাকাল

জেনেভায় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে ফুলের সংবর্ধনা তুলে দেন ফ্রান্স বিএনপির নেতারা।  ছবি: সংগৃহীত

জেনেভায় প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর কাছে ফ্রান্স বিএনপির স্মারকলিপি

0 Comments