জাতীয়

পত্রিকা: স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার আজকের শিরোনামগুলোতে উঠে এসেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি, জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ, জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনীতি-সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিচে আজকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পত্রিকার প্রধান সংবাদ তুলে ধরা হলো—
 
দ্য ডেইলি স্টার: স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত
 
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের অংশ হিসেবে অংশ নেওয়ার পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় মেয়র এবং জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে।
 
দলীয় সূত্র জানায়, জেলা ও মহানগর ইউনিটগুলোকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু তালিকা জমা পড়েছে এবং বাকি তালিকা ঈদের পর পাওয়া যেতে পারে।
 
এরপর প্রথম ধাপে ঢাকার দুটি সিটিসহ ১২টি সিটি করপোরেশনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
 
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ছাড়াই স্বতন্ত্রভাবে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সংসদ নির্বাচনের পরপরই জেলা ও উপজেলা ইউনিটগুলোকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


বণিক বার্তা: সংবিধানে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, আগামী নির্বাচন থেকে কার্যকর হতে পারে
 
নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। ৭৪ পৃষ্ঠার এই রায় লিখেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। রায়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের আগের রায়কে ত্রুটিপূর্ণ ও কলঙ্কজনক উল্লেখ করে তা বাতিল করা হয়েছে।
 
রায়ে বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছে। এছাড়া রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
 
আইনজীবীরা বলছেন, এই রায়ের ফলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান আবার সংবিধানে ফিরে এসেছে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই এটি কার্যকর হতে পারে। তবে প্রয়োজনে সংসদ এ ব্যবস্থায় সংশোধন বা পরিমার্জনের ক্ষমতা রাখবে বলেও তারা জানিয়েছেন।
 
দেশ রূপান্তর: দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ সরকারের
 
দেশে প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রবিবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ সংক্রান্ত কিছু জটিলতা থাকলেও তা দ্রুত সমাধান করে শিগগিরই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
 
তিনি জানান, এই নিয়োগে ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের শিক্ষকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে কারিআনা পাসধারীদের নিয়োগের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
 
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনা এবং ইবতেদায়ি ও কওমি শিক্ষাসহ বিভিন্ন ধারার শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনার জন্য সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি পদ্ধতি নিয়েও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
 
যুগান্তর: সবশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান
 
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ৭৪ পৃষ্ঠার রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
 
আপিল বিভাগ তাদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, আগামী চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই এই ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে। তবে প্রয়োজন হলে সংসদ এ ব্যবস্থায় সংযোজন বা বিয়োজন করার ক্ষমতা রাখবে।
 
বিএনপির আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান আবার সংবিধানে ফিরে এসেছে এবং এটি দেশের গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক।

 
প্রথম আলো: দখল, দ্বন্দ্ব ও চাঁদাবাজির জন্য মামলায় ‘ইচ্ছেমতো’ আসামি
 
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় ঢালাওভাবে আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। একটি ঘটনায় তিনটি মামলা হওয়ার নিয়ম না থাকলেও একই ঘটনার মামলায় ইসমাইল প্রধানীয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর ১০৯ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছে।
 
মামলায় তাকে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হলেও দলটির কোনো কমিটিতেই তার নাম নেই। অনুসন্ধানে জানা গেছে, অ্যাপার্টমেন্ট ও বিপণিবিতানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে রাজনৈতিক পরিচয়ে হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছিল।
 
১০০টি মামলার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি অনেক সাধারণ মানুষকেও এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে।
 
বিশ্লেষকদের মতে, অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বিরোধ, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব, সম্পদ দখল বা প্রতিহিংসার কারণে এসব মামলা করা হয়েছে। দুটি মামলায় তিনজন মৃত ব্যক্তিকেও আসামি করার তথ্য পাওয়া গেছে।
এছাড়া অন্তত ৪৭টি মামলায় ছয় শতাধিক আসামির নাম বাদ দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের মামলা বিচারব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে এবং নিরীহ মানুষকে হয়রানির ঝুঁকিতে ফেলছে।
 
নিউ এইজ: সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের বিতর্ক
 
সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল গঠন নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সংবিধান সংস্কার কাউন্সিলের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।
 
তিনি বলেন, গণভোটের ফল বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধনী আনা প্রয়োজন এবং ২০২৫ সালের জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশকে তিনি অবৈধ বলে মন্তব্য করেন।
 
এ বিষয়ে সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংবিধান সংস্কার কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হয়নি।
 
তিনি আরও বলেন, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন এবং বিরোধী দলের ৭৭ জন সংসদ সদস্য ইতোমধ্যে এ উদ্যোগে সমর্থন জানিয়েছেন।
 
কালের কণ্ঠ: সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে উত্তেজনা
 
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
 
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, গণভোটের ফল অনুযায়ী নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের কথা থাকলেও এখনো তা করা হয়নি।
 
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধানে সংস্কার পরিষদ নামে কোনো কাঠামো নেই। তাই জুলাই সনদে উল্লেখিত বিষয় বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধনী আনা প্রয়োজন।
 
এ বিষয়ে সংসদে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটে এটি অনুমোদিত হয়।
 
আজকের পত্রিকা: ৪২ জেলা পরিষদে বিএনপির নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ
 
দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব প্রশাসক দায়িত্বে থাকবেন এবং তারা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।
 
নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের সবাই বিএনপির নেতা। এর আগে ঢাকাসহ দেশের ১১টি সিটি করপোরেশনেও বিএনপির নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
 
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করার পর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় এই নিয়োগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
 
মানবজমিন: ঈদ সামনে রেখে জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং প্রত্যাহার
 
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করেছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ ও বিক্রি করা যাবে।
 
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইরান ও ইসরাইলের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় গত ৬ মার্চ থেকে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
 
তবে ইতোমধ্যে আমদানিকৃত কয়েকটি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।
 
নয়া দিগন্ত: ভূকৌশলগত অবস্থান কাজে লাগালে তেল রফতানিকারক দেশ হতে পারে বাংলাদেশ
 
জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভূকৌশলগত অবস্থান ও আঞ্চলিক বাজারের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ তেল পরিশোধন ও পুনরায় রফতানির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।
 
তাদের মতে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক রুটের সংযোগস্থলে অবস্থান, গভীর সমুদ্রবন্দরের সম্ভাবনা এবং বড় আঞ্চলিক বাজারের নৈকট্য বাংলাদেশকে এ খাতে বড় সুযোগ এনে দিতে পারে।
 
বিশেষজ্ঞরা সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও নেদারল্যান্ডসের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, এসব দেশ নিজস্ব তেল উৎপাদন না থাকলেও আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে।
 
তাদের মতে, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতির কারণে এ খাতে সম্ভাবনাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। কৌশলগত পরিকল্পনা নিলে ভবিষ্যতে এই খাত থেকে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

জাতীয়

View more
ছবি: ফাইল ফটো
দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ: ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ৬৮৫

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় (একদিনে) এই বায়ুবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ৬৮৫ জন শিশু। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।   স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নতুন চারজনসহ চলতি বছর এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৪২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কেবল মার্চ মাসেই মারা গেছে ৩২ জন। সংক্রমণ এখন আর কেবল নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ নেই; ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সংক্রমণের উচ্চমাত্রার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।   চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের সংক্রমণের ক্ষমতা (R0) অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এটি খুব দ্রুত এক শিশু থেকে অন্য শিশুর শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং মস্তিষ্কের সংক্রমণের (এনসেফালাইটিস) মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নারী এমপিদের নিয়ে ‘কুৎসিত’ মন্তব্য: সংসদে বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা

বড় ভাইয়ের মারধরে ছোট ভাই নিহত

বাবার ভাত খাওয়া নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের মারধরে ছোট ভাই নিহত

মুফতি আমির হামজা

মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে আদালতের সমন জারি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
মৃত্যুদণ্ড বাতিলের আবেদন জানালেন শেখ হাসিনার আইনজীবী দল

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে তার পক্ষে লন্ডনভিত্তিক ল’ ফার্ম কিংসলে ন্যাপলির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিচার প্রক্রিয়া ছিল অন্যায্য ও অবৈধ এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করা উচিত।   চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিত অবস্থায় বিচার করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং তার ন্যায্য বিচার ও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত করেছে। আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, বিচার একটি শত্রুভাবাপন্ন রাজনৈতিক পরিবেশে পরিচালিত হয়েছে, যেখানে আওয়ামী লীগ ও এর সমর্থকদের বিরুদ্ধে দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ, চলমান রাজনৈতিক সহিংসতা এবং আইনজীবীদের ওপর হামলার ঘটনা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।   চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাব ছিল এবং রাজনৈতিক সংযোগযুক্ত ব্যক্তিদের দিয়ে বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। বিচারিক স্বাধীনতার অভাব এবং প্রসিকিউটরের পক্ষপাতিত্বও উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, প্রসিকিউশন টিমে দুর্নীতির অভিযোগও চিঠিতে তোলা হয়েছে।   আইনজীবীরা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে অভিযোগ, প্রমাণ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির লঙ্ঘন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফ্রিডম হাউস এবং ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।   ল’ ফার্মের যুক্তি অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারও প্রশ্নবিদ্ধ। এটি মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধ বিচারের জন্য গঠিত হলেও পরবর্তীতে ক্ষমতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যা বেআইনি।   চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় বাতিল করতে হবে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পুনর্বিচার করা উচিত। এছাড়া, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।   গত বছরের ১৭ নভেম্বর জুলাই আন্দোলন দমনে এক হাজার চারশো জনকে হত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য, শূন্য পদ পূরণে চলমান প্রক্রিয়া জানালেন প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ছাড় চাইল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

আড়াইহাজারে থানা থেকে আসামি পলায়নের ঘটনায় এসআই প্রত্যাহার

ছবি: সংগৃহীত
ইংরেজি শিখতে উপ-সচিব থেকে সিনিয়র সচিবদের থাইল্যান্ড পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় উপ-সচিব থেকে সিনিয়র সচিব পর্যায়ের প্রায় ৩০০ কর্মকর্তাকে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য থাইল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি অবস্থিত পাতায়া শহরের কাছাকাছি, যা পর্যটননির্ভর এলাকায় মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে।   তবে এই উদ্যোগকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাবেক কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠানো নিয়ে অর্থনৈতিক সংকটের সময় এটি অনভিপ্রেত।   লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, “রাজনীতি এবং আমলাতন্ত্রে শুদ্ধাচার ও সদিচ্ছা না থাকলে কোনো উদ্যোগই সফল হবে না।”   অপরদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “যদি কোনো সচিব মনে করেন ইংরেজি শিখতে বিদেশে যেতে হবে, তাহলে তাদের সচিব হওয়ার যোগ্যতাই প্রশ্নবিদ্ধ। বিদেশে যাওয়ার পরিবর্তে ঘরে বসেই দক্ষতা অর্জন সম্ভব।”   সরকার প্রতি বছর কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে। তবে এই থাইল্যান্ড পাঠানো প্রকল্প নিয়ে এবার নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিয়াম ফাউন্ডেশন, যা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে, তারা সরাসরি ক্যামেরার সামনে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তারা শুধু জানিয়েছেন, আগের প্রকল্প অনুমোদন কৃচ্ছ্রসাধন নীতির কারণে হয়নি, এবার পুনরায় অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কার নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউটে উত্তপ্ত সংসদ

জাতীয় সংশোধ অধিবেশনে কথা বলছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান । ছবি : সংগৃহীত

১৮ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে প্রায় দেড় লাখ মামলা হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ায় কূটনৈতিক বৃন্দ

বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়া

0 Comments