খেলাধুলা

ক্রীড়াঙ্গনে বড় পরিবর্তনের আভাস

বিসিবি নির্বাচন নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি: সাকিব-মাশরাফিকে ফেরানোর আশ্বাস

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
আমিনুল হক
আমিনুল হক

নতুন সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। মিরপুরে নিজ বাসভবনে আয়োজিত প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনকে জাগিয়ে তোলা এবং বিসিবির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে কড়া বার্তা দিয়েছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গত নির্বাচনকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে তাঁর দেওয়া বক্তব্যে বর্তমান বোর্ড পরিচালকদের মধ্যে রীতিমতো কম্পন শুরু হয়েছে।

 

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল নতুন প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেও সম্পর্কের এই আপাত মধুরতা খুব একটা টেকসই না-ও হতে পারে। প্রতিমন্ত্রী মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ক্ষমতা ব্যবহার করে গত ৬ অক্টোবরের নির্বাচনটি ছিল অনিয়মে ভরা। আইসিসির আইনের মধ্যে থেকে আলোচনার মাধ্যমে ক্রিকেট বোর্ড পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, "বিগত দিনে ক্রিকেটে একটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হয়েছে; এখন দায়িত্বশীল জায়গা থেকে তাদের সঙ্গে বসে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।" মূলত ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের বিরোধ মিটিয়ে স্থিতিশীলতা ফেরানোই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

 

সংবাদ সম্মেলনের অন্যতম বড় চমক ছিল দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজাকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর নমনীয় অবস্থান। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সাকিব দেশে ফিরতে পারছেন না এবং মাশরাফি এক প্রকার ‘গৃহবন্দি’ জীবন কাটাচ্ছেন। এ বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, "সাকিব ও মাশরাফি দেশের সম্পদ। তাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে যাতে সাকিব দ্রুত দেশে ফিরতে পারেন এবং মাশরাফি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।" সরকারের এই আন্তরিক অবস্থান দেশের ক্রিকেট ভক্তদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

 

ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আমিনুল হক জানান, এখন থেকে খেলাধুলাকে কেবল মাঠের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি থেকে নিয়মিত খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চারটি খেলা বাছাই করে স্কুল পর্যায়ে চর্চা শুরু হবে। অস্থিতিশীল ক্রীড়াঙ্গনকে রুখতে এবং যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা 'দুষ্টামি' প্রতিহত করে একটি সুন্দর ক্রীড়া পরিবেশ উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন নতুন এই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ফাইল ফটো।
ফুটবলপ্রেমীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়ায় সুখবর, চালু হলো ‘ফিফা পাস’

বিশ্বজুড়ে ফুটবল উন্মাদনার পারদ চড়তে শুরু করেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে। আর এই উন্মাদনায় বাড়তি মাত্রা যোগ করতে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য দারুণ এক সুখবর নিয়ে এসেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবং মার্কিন প্রশাসন। যারা গ্যালারিতে বসে সরাসরি খেলা দেখার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করতে চালু করা হয়েছে বিশেষ পদ্ধতি ‘ফিফা পাস’। ‘ফিফা পাস’ বা ‘ফিফা প্রায়োরিটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট শিডিউলিং সিস্টেম’ হলো এমন এক বিশেষ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে বিশ্বকাপের টিকিটধারীরা মার্কিন দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের তুলনায় দ্রুত ইন্টারভিউ বা সাক্ষাৎকারের সময় পাবেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো যেসব দেশে বর্তমানে মার্কিন ভিসার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে, সেই সব দেশের সমর্থকদের জন্য এটি একটি গেম-চেঞ্জার হতে যাচ্ছে। প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ ও সুশৃঙ্খল। টিকিটধারীরা ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (FIFA.com) থেকে তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করে ‘FIFA PASS’ অপশনটি বেছে নিতে পারবেন। এরপর মার্কিন ভিসার আবেদনপত্র (DS-160 ফর্ম) পূরণ করার সময় নিজেকে ‘ফিফা টিকিট হোল্ডার’ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। তথ্য যাচাই সম্পন্ন হলেই আবেদনকারীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সাক্ষাৎকারের তারিখ প্রদান করা হবে। সুবিধা পাবেন যারা: সরাসরি ফিফা থেকে বিশ্বকাপের বৈধ টিকিট ক্রয়কারীগণ। টিকিটধারীর সাথে থাকা স্বামী/স্ত্রী এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরাও এই অগ্রাধিকার সুবিধার আওতায় থাকবেন। আবেদনকারীর তথ্যের সাথে টিকিট ক্রয়ের তথ্যের শতভাগ মিল থাকতে হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ‘ফিফা পাস’ কেবল ইন্টারভিউয়ের দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে দ্রুত সময়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সুযোগ করে দেবে। এটি কোনোভাবেই ভিসা পাওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা নয়। সাধারণ আবেদনকারীদের মতো টিকিটধারীদেরও কঠোর নিরাপত্তা যাচাই এবং যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই ভিসা অর্জন করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দলের এই বিশাল আসরের অধিকাংশ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। বিপুল সংখ্যক দর্শকের চাপ সামলাতে এবং ভিসা প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্ন রাখতে মার্কিন প্রশাসন ইতোমধ্যে অতিরিক্ত প্রায় ৫০০ কনস্যুলার অফিসার নিয়োগ দিয়েছে। ভিড় এড়াতে কর্তৃপক্ষ এখনই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
হামজা চৌধুরী।

বাংলাদেশের জার্সিতে খেলা আমার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত: হামজা চৌধুরী

প্রোটিয়া ব্যাটিং স্তম্ভ রাসি ফন ডার ডাসেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন প্রোটিয়া ব্যাটার ফন ডার ডাসেন

বিশ্বকাপে ইতালিয়ান ট্র্যাজেডির ‘হ্যাটট্রিক’। ছবি: সংগৃহীত

টানা তিন বিশ্বকাপ মিস ইতালির, ফুটবলপ্রধানের পদত্যাগ দাবি; ক্ষুব্ধ সমর্থকদের বিক্ষোভ

বার্সেলোনা এবং স্পেনের উদীয়মান তারকা লামিন ইয়ামাল। ছবি: সংগৃহীত
‘আমি মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ’ ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে বার্সেলোনা তারকা ইয়ামালের প্রতিবাদ

স্পেন ও মিশরের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচে গ্যালারি থেকে ভেসে আসা ইসলামবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী স্লোগানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। স্পেনের আরসিডিই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দর্শকদের একটি অংশের এমন কুরুচিপূর্ণ আচরণকে 'অসহনশীল' এবং 'অজ্ঞতা' বলে অভিহিত করেছেন ১৮ বছর বয়সী এই মুসলিম ফুটবলার। মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারি থেকে যে লাফাবে না, সে মুসলিম (jump, jump, jump, whoever doesn't jump is a Muslim)—এমন আপত্তিকর স্লোগান দেওয়া হয়। বিষয়টি নজরে আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন ইয়ামাল। নিজের বিশ্বাসের কথা গর্বের সাথে জানিয়ে ইয়ামাল লেখেন, আমি একজন মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ। আমি জানি এই স্লোগানগুলো প্রতিপক্ষ দলের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল এবং এটি ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধে ছিল না। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে আমি মনে করি, এটি চরম অবমাননাকর এবং একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের একাংশের এই আচরণকে ধিক্কার জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "মাঠে কোনো ধর্মকে বিদ্রূপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা আপনাদের অজ্ঞতা এবং বর্ণবাদী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। ফুটবল হচ্ছে আনন্দ এবং সমর্থনের জায়গা, কারও পরিচয় বা বিশ্বাসকে অপমান করার জায়গা নয়।" এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর স্পেনের ফুটবল অঙ্গনে নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্প্যানিশ জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এই আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একে 'ঘৃণ্য' বলে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে, কাতালুনিয়ার আঞ্চলিক পুলিশ (মোসোস ডি'এসকুয়াদ্রা) এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে ইসলামোফোবিয়া এবং জেনোফোবিয়ার (বিদেশিবিদ্বেষ) প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা একে একটি 'নিন্দনীয় বর্ণবাদী কাজ' বলে উল্লেখ করেছে। উল্লেখ্য, ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হলেও গ্যালারির এই অপ্রীতিকর ঘটনাটিই এখন বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বার্সেলোনা এবং স্পেনের এই উদীয়মান তারকা ইয়ামালকে ইতোমধ্যে ফুটবল বিশ্বের অনেক সতীর্থ এবং সমর্থক সমর্থন জানিয়েছেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে স্প্যানিশ ফুটবলে লড়াই যখন তুঙ্গে, তখন ইয়ামালের এই সাহসী অবস্থান ফুটবল ভক্তদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
হামজা চৌধুরী।

ক্যাবরেরার অদক্ষতায় ফিফা র‍্যাংকিংয়ে বড় ধাক্কা, ইংল্যান্ডে ফিরলেন হামজা

ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো।

২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবে ইরান? যা জানালেন ফিফা সভাপতি

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেন ফিফা প্রেসিডেন্ট

ছবি: সংগৃহীত
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে হারল বাংলাদেশ

এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরে গেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সিঙ্গাপুরের মাটিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে হারের মাধ্যমে ছয় ম্যাচে মাত্র ৫ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের মিশন শেষ করল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। 'সি' গ্রুপ থেকে সিঙ্গাপুর আগেই মূল পর্ব নিশ্চিত করায় ম্যাচটি ছিল কেবলই আনুষ্ঠানিকতার। ঘরের মাঠে ম্যাচের ৩১ মিনিটে বাংলাদেশের ডিফেন্সের ভুলের সুযোগ নিয়ে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচের একমাত্র গোল হিসেবে জয় নির্ধারণ করে।   ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে প্রথমার্ধের শুরুতে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও গোল করতে ব্যর্থ হয়ে উল্টো কাউন্টার অ্যাটাকে গোল হজম করে বসে। গোল শোধে মরিয়া হয়ে দ্বিতীয়ার্ধে কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা রহমত মিয়াসহ বেশ কয়েকজন বদলি খেলোয়াড় নামালে আক্রমণের গতি বাড়ে। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে হামজার ক্রস থেকে সাদ উদ্দিনের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত হয় বাংলাদেশ। অন টার্গেট শটের দিক থেকে সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি ক্যাবরেরার শিষ্যরা।   অন্যদিকে, প্রথমার্ধে লিড নেওয়ার পর সিঙ্গাপুর দ্বিতীয়ার্ধে খুব বেশি ঝুঁকি না নিয়ে রক্ষণাত্মক খেলে জয় নিশ্চিত করে। এই হারের মাধ্যমে বাছাই পর্বে বাংলাদেশের অম্ল-মধুর লড়াইয়ের সমাপ্তি ঘটল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল

লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত

৭৬ দিন বাকি, মেসির বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

ছবি: সংগৃহীত।

মাশরাফি মুর্তজার জন্য বোর্ডের দরজা খোলা রয়েছে

0 Comments