খেলাধুলা

বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) সম্প্রচার নিয়ে আশার সঞ্চার হলেও সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এই টুর্নামেন্টের ওপর আগের নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া আইপিএল সম্প্রচার স্থগিতের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়ে গত ২৫ মার্চ একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

 

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কিছু গণমাধ্যমে আইপিএল সম্প্রচারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হবে এবং কেউ আবেদন করলে তা বিবেচনা করা হবে। তবে মন্ত্রণালয় এই প্রতিবেদনগুলোকে ‘ভুল ব্যাখ্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে।

 

মন্ত্রণালয় আরও স্পষ্ট করেছে যে, আইপিএল সম্প্রচার নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির অবকাশ নেই এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অর্থাৎ, চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধই থাকছে। ভুল তথ্যের কারণে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি নিরসনে মন্ত্রণালয় এই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রদান করে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

খেলাধুলা

View more
বার্সেলোনা এবং স্পেনের উদীয়মান তারকা লামিন ইয়ামাল। ছবি: সংগৃহীত
‘আমি মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ’ ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে বার্সেলোনা তারকা ইয়ামালের প্রতিবাদ

স্পেন ও মিশরের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচে গ্যালারি থেকে ভেসে আসা ইসলামবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী স্লোগানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। স্পেনের আরসিডিই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দর্শকদের একটি অংশের এমন কুরুচিপূর্ণ আচরণকে 'অসহনশীল' এবং 'অজ্ঞতা' বলে অভিহিত করেছেন ১৮ বছর বয়সী এই মুসলিম ফুটবলার। মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারি থেকে যে লাফাবে না, সে মুসলিম (jump, jump, jump, whoever doesn't jump is a Muslim)—এমন আপত্তিকর স্লোগান দেওয়া হয়। বিষয়টি নজরে আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন ইয়ামাল। নিজের বিশ্বাসের কথা গর্বের সাথে জানিয়ে ইয়ামাল লেখেন, আমি একজন মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ। আমি জানি এই স্লোগানগুলো প্রতিপক্ষ দলের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল এবং এটি ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধে ছিল না। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে আমি মনে করি, এটি চরম অবমাননাকর এবং একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের একাংশের এই আচরণকে ধিক্কার জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "মাঠে কোনো ধর্মকে বিদ্রূপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা আপনাদের অজ্ঞতা এবং বর্ণবাদী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। ফুটবল হচ্ছে আনন্দ এবং সমর্থনের জায়গা, কারও পরিচয় বা বিশ্বাসকে অপমান করার জায়গা নয়।" এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর স্পেনের ফুটবল অঙ্গনে নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্প্যানিশ জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এই আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একে 'ঘৃণ্য' বলে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে, কাতালুনিয়ার আঞ্চলিক পুলিশ (মোসোস ডি'এসকুয়াদ্রা) এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে ইসলামোফোবিয়া এবং জেনোফোবিয়ার (বিদেশিবিদ্বেষ) প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা একে একটি 'নিন্দনীয় বর্ণবাদী কাজ' বলে উল্লেখ করেছে। উল্লেখ্য, ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হলেও গ্যালারির এই অপ্রীতিকর ঘটনাটিই এখন বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বার্সেলোনা এবং স্পেনের এই উদীয়মান তারকা ইয়ামালকে ইতোমধ্যে ফুটবল বিশ্বের অনেক সতীর্থ এবং সমর্থক সমর্থন জানিয়েছেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে স্প্যানিশ ফুটবলে লড়াই যখন তুঙ্গে, তখন ইয়ামালের এই সাহসী অবস্থান ফুটবল ভক্তদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
হামজা চৌধুরী।

ক্যাবরেরার অদক্ষতায় ফিফা র‍্যাংকিংয়ে বড় ধাক্কা, ইংল্যান্ডে ফিরলেন হামজা

ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো।

২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবে ইরান? যা জানালেন ফিফা সভাপতি

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেন ফিফা প্রেসিডেন্ট

ছবি: সংগৃহীত
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে হারল বাংলাদেশ

এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরে গেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সিঙ্গাপুরের মাটিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে হারের মাধ্যমে ছয় ম্যাচে মাত্র ৫ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের মিশন শেষ করল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। 'সি' গ্রুপ থেকে সিঙ্গাপুর আগেই মূল পর্ব নিশ্চিত করায় ম্যাচটি ছিল কেবলই আনুষ্ঠানিকতার। ঘরের মাঠে ম্যাচের ৩১ মিনিটে বাংলাদেশের ডিফেন্সের ভুলের সুযোগ নিয়ে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচের একমাত্র গোল হিসেবে জয় নির্ধারণ করে।   ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে প্রথমার্ধের শুরুতে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও গোল করতে ব্যর্থ হয়ে উল্টো কাউন্টার অ্যাটাকে গোল হজম করে বসে। গোল শোধে মরিয়া হয়ে দ্বিতীয়ার্ধে কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা রহমত মিয়াসহ বেশ কয়েকজন বদলি খেলোয়াড় নামালে আক্রমণের গতি বাড়ে। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে হামজার ক্রস থেকে সাদ উদ্দিনের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত হয় বাংলাদেশ। অন টার্গেট শটের দিক থেকে সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি ক্যাবরেরার শিষ্যরা।   অন্যদিকে, প্রথমার্ধে লিড নেওয়ার পর সিঙ্গাপুর দ্বিতীয়ার্ধে খুব বেশি ঝুঁকি না নিয়ে রক্ষণাত্মক খেলে জয় নিশ্চিত করে। এই হারের মাধ্যমে বাছাই পর্বে বাংলাদেশের অম্ল-মধুর লড়াইয়ের সমাপ্তি ঘটল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল

লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত

৭৬ দিন বাকি, মেসির বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ অনিশ্চিত

ছবি: সংগৃহীত।

মাশরাফি মুর্তজার জন্য বোর্ডের দরজা খোলা রয়েছে

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে গুনতে হবে বিশাল অঙ্কের জামানত, বিপাকে ফুটবলার ও সমর্থকরা

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নতুন ভিসা নীতি নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বিতর্ক। দ্য অ্যাথলেটিক-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার একটি ‘পাইলট ভিসা বন্ড প্রোগ্রাম’ চালু করেছে। এর ফলে আলজেরিয়া এবং সেনেগালসহ পাঁচটি দেশের নাগরিক ও ফুটবলারদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য মাথাপিছু ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার (প্রায় ৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা) পর্যন্ত জামানত বা ‘বন্ড’ জমা দিতে হতে পারে। বর্তমানে যে পাঁচটি দেশ এই কড়া নিয়মের মুখে পড়েছে তারা হলো:১. আলজেরিয়া ২. সেনেগাল ৩. আইভরি কোস্ট ৪. কেপ ভার্দে ৫. তিউনিসিয়া (আগামী ২ এপ্রিল থেকে কার্যকর) যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। মূলত যারা ট্যুরিস্ট বা বিজনেস (B-1/B-2) ভিসায় দেশটিতে প্রবেশ করেন, তারা যেন ভিসার মেয়াদ শেষে নিজ দেশে ফিরে যান, তা নিশ্চিত করতেই এই মোটা অঙ্কের জামানত চাওয়া হচ্ছে। তবে এই নীতিতে খেলোয়াড় বা অ্যাথলেটদের জন্য কোনো আলাদা ছাড় রাখা হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নিয়ম শুধুমাত্র সাধারণ দর্শকদের জন্য নয়, বরং অংশগ্রহণকারী দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের জন্যও প্রযোজ্য হতে পারে। এর ফলে একটি দলের পুরো বহরের জন্য কয়েক লক্ষ ডলারের জামানত প্রয়োজন হবে।  যদিও এই টাকা দেশ ত্যাগের পর ফেরত পাওয়া যাবে, তবুও বিশাল এই অঙ্কের যোগান দেওয়া অনেক ফুটবল ফেডারেশন ও সাধারণ ভক্তদের জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি চার সদস্যের পরিবার যদি প্রিয় দলকে সমর্থন করতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চায়, তবে তাদের শুধুমাত্র বন্ড বাবদই প্রায় ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত জমা রাখতে হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। তারা পর্দার আড়ালে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে যাতে অন্তত খেলোয়াড়, কোচ এবং অফিশিয়াল ডেলিগেশনের জন্য এই নিয়ম শিথিল করা হয়। তবে সমর্থকদের জন্য এই ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ এই তালিকার সরাসরি অন্তর্ভুক্ত না হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর ভিসা নীতি বিশ্বকাপের আমেজকে কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে। বিশেষ করে আফ্রিকান দেশগুলোর বড় সংখ্যক দর্শক এবার মাঠে উপস্থিত থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপের মতো একটি বৈশ্বিক আসরে যেখানে ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ পরিবেশ থাকার কথা, সেখানে এমন আর্থিক প্রতিবন্ধকতা আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সূত্র: দ্য অ্যাথলেটিক, এবিসি নিউজ, রয়টার্স।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে হলেও আপত্তি নেই নিউজিল্যান্ডের

ইরানের নারী ফুটবল দলের কয়েকজন খেলোয়ার। ফাইল ফটো।

ইরানিদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পর্যটন ভিসায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

ছবি: সংগৃহীত

৫৪ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙার মুখে বায়ার্ন

0 Comments