পারমাণবিক অস্ত্র

ছবি - সংগৃহিত
চুক্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি : চীনের গোপন পরমাণু প্রকল্পের রোমহর্ষক তথ্য ফাঁস

বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির তোয়াক্কা না করেই চীন তাদের পরমাণু অস্ত্রাগার অস্বাভাবিক হারে বাড়ানোর গোপন মিশন শুরু করেছে। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া নতুন ছবিতে সিচুয়ান প্রদেশে বেইজিংয়ের বিশাল এক গোপন পারমাণবিক প্রকল্পের সন্ধান পাওয়া গেছে।   অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে সিচুয়ানের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে সাধারণ মানুষের জমি কেড়ে নিয়ে সেখানে বিশাল সব পারমাণবিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ভিটেমাটি হারানোর কারণ জানতে চাইলে সরকারের পক্ষ থেকে একে ‘রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।   সিচুয়ান প্রদেশের একটি বিশেষ স্থাপনায় তেরোটি টেনিস কোর্টের সমান বড় একটি বিশাল গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে যা মূলত তেজস্ক্রিয় পদার্থ মজুত রাখার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই পুরো এলাকার মানচিত্র বদলে দিয়ে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে এক সুরক্ষিত দুর্গ।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দাবি করেছে যে, বেইজিং গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচাইতে বড় পারমাণবিক আধুনিকীকরণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। সম্প্রতি রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি বাতিল হওয়ার পর চীনের এই গোপন তৎপরতা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।   পারমাণবিক এই গোপন ঘাঁটির চারপাশ তিন স্তরের বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘেরা রয়েছে এবং এর ভেতরে যাওয়ার জন্য পাহাড়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ টানেল তৈরি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়ামের মতো বিপজ্জনক তেজস্ক্রিয় পদার্থ প্রক্রিয়াজাত করার জন্যই এই বিশালাকার গম্বুজ এবং বিশেষ ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে।   চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের ফলে সিচুয়ানের বাইতু ও দাশান নামের দুটি গ্রাম মানচিত্র থেকে পুরোপুরি মুছে গেছে। নতুন তৈরি হওয়া রাস্তাগুলো এই গোপন ঘাঁটিটিকে দেশের অন্যান্য পারমাণবিক অস্ত্রাগারের সাথে সরাসরি সংযুক্ত করেছে যা যুদ্ধের সময় দ্রুত অস্ত্র সরবরাহে সাহায্য করবে।   প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগামী মাসে বেইজিং সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে যেখানে তিনি শি জিনপিংয়ের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। ট্রাম্প প্রশাসন বেইজিংকে একটি নতুন ও কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলেও চীনের এই গোপন পরিকাঠামো বিস্তার আলোচনার পথকে আরও কঠিন করে তুলছে।   নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সিচুয়ানের এই গোপন স্থাপনাটি চীনের পারমাণবিক সক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে যা দক্ষিণ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। এই গোপন দুর্গটি এখন আন্তর্জাতিক মহলে এক বড় দুঃস্বপ্নের মতো দেখা দিচ্ছে যা ভবিষ্যতে এক ভয়াবহ সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।   চীনের এই পারমাণবিক বিস্তারের ফলে বিশ্বজুড়ে নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যা শীতল যুদ্ধের স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে। বেইজিংয়ের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ প্রমাণ করে যে তারা কোনো আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে নিজেদের সামরিক শক্তিকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।   বর্তমানে বিশ্বজুড়ে চলমান বিভিন্ন সংঘাতের মাঝে চীনের এই গোপন পরমাণু তৎপরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে দিয়েছে। সিচুয়ানের এই পাহাড়ঘেরা গোপন দুর্গ থেকে শেষ পর্যন্ত কী বেরিয়ে আসে এবং বিশ্ব রাজনীতিতে এর প্রভাব কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।  

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বন্ধসহ ১৫ বিষয়ে ইরানের সঙ্গে সমঝোতার দাবি ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে অন্তত ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতার অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, যদি এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হয়, তা মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করতে পারে।   সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট পাম বিচ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আলোচনার উদ্যোগ ইরানের পক্ষ থেকেই এসেছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি ইতিবাচকভাবে এগিয়েছে। তিনি বলেন, “এই আলোচনায় অগ্রগতি নিশ্চিত হলে দীর্ঘদিনের সংঘাতের বড় সমাধান সম্ভব।”   মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানকে তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।   আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অংশ নিয়েছেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। ইরানের প্রতিনিধি পরিচয় স্পষ্ট না হলেও ট্রাম্প তাকে একজন ‘সম্মানিত নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সম্ভাব্য সমঝোতা বাস্তবায়নের জন্য ট্রাম্প পাঁচ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রগতি না হলে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু হতে পারে।   ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, সোমবার আরও কয়েকটি টেলিফোনালাপ হওয়ার কথা রয়েছে এবং শিগগিরই সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।   সূত্র: সিএনএন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শেহবাজ শরিফ ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স
ইরান–সৌদি উত্তেজনা: যুদ্ধে জড়ালে কি পাকিস্তানের ‘পারমাণবিক ছাতা’ পাবে রিয়াদ?

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছাড়িয়ে জ্বালানি স্থাপনাগুলোও এখন হামলার শিকার হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে—যদি সৌদি আরব সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে কি পাকিস্তান তাদের পারমাণবিক সহায়তা দেবে?   সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েল তেহরানের তেল ডিপো ও সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। জবাবে ইরান কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব ও বাহরাইনের জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ফলে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে।   এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে রিয়াদ। রিয়াদ–এ আয়োজিত এক বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং যৌথ পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।   বিশ্লেষকদের মতে, যদি সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল জোটের পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয়, তাহলে ইসলামাবাদের সঙ্গে তাদের প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হতে পারে। এক সৌদি ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক সালমান আল-আনসারি বলেন, “প্রয়োজনে সৌদি আরব পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয় করতে পারে, যা কার্যত একটি ‘পারমাণবিক ছাতা’র মতো কাজ করতে পারে।”   গত বছর সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, কোনো এক দেশের ওপর হামলা হলে তা উভয় দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে—যা অনেকটা ন্যাটো–এর অনুচ্ছেদ ৫–এর মতো।   তবে বাস্তবে পাকিস্তান সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত এবং সম্পূর্ণ পরিস্থিতিনির্ভর বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, এমন পদক্ষেপ আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
এমানুয়েল মাখোঁ । ছবি: রয়টার্স
তিন দশক পর পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে ফ্রান্স

বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে নিজেদের পারমাণবিক অস্ত্রের (ওয়ারহেড) সংখ্যা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। ১৯৯২ সালের পর এই প্রথম দেশটি তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধির এমন সিদ্ধান্ত নিল।   স্থানীয় সময় সোমবার ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ল’ইল লং সামরিক ঘাঁটিতে দাঁড়িয়ে এই ঘোষণা দেন মাখোঁ। উল্লেখ্য, এই ঘাঁটিটি ফ্রান্সের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিনগুলোর প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।   প্রেসিডেন্ট মাখোঁ জানান, বর্তমানে ফ্রান্সের ভাণ্ডারে ৩০০টিরও কম পারমাণবিক বোমা রয়েছে। বৈশ্বিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে ঠিক কতটি বোমা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য তিনি দেননি।   পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, বর্তমান বিশ্বের ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং ইউরোপীয় মিত্রদের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্রান্সের সক্ষমতা আরও জোরদার করা জরুরি হয়ে পড়েছে।   মাখোঁ আরও ঘোষণা করেন, এখন থেকে মিত্রদেশগুলো চাইলে সাময়িকভাবে ফ্রান্সের পারমাণবিক অস্ত্রবাহী যুদ্ধবিমান নিজেদের ভূখণ্ডে মোতায়েন করার অনুমতি পাবে। এছাড়া ইউরোপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যৌথভাবে ‘অতি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প’ নিয়ে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0