আমেরিকা

গ্রিন কার্ড নীতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নির্দেশনায় বিভ্রান্তি ও তীব্র উদ্বেগ

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৩০, ২০২৬ ২৩:৩৫
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সরকারি নির্দেশনা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি ও বড় ধরনের উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এই নির্দেশনার প্রকৃত প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে আবেদনকারী ও তাঁদের পরিবারগুলোর মধ্যে তীব্র অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

 

গত সপ্তাহে ঘোষিত এক প্রাথমিক নির্দেশনায় জানানো হয়েছিল, স্থায়ী বসবাসের অনুমতিপ্রত্যাশী অধিকাংশ আবেদনকারীকে গ্রিন কার্ডের পুরো প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজ দেশে গিয়ে অপেক্ষা করতে হতে পারে। ইউএসসিআইএস (USCIS) এই পরিবর্তনকে অভিবাসন ব্যবস্থা আরও 'ন্যায্য ও কার্যকর' করার উদ্যোগ বলে দাবি করলেও, এতে অভিবাসী মহলে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়।

 

এই ঘোষণার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) একটি নতুন ব্যাখ্যা জারি করেছে। নতুন ব্যাখ্যায় তারা জানিয়েছে, এটি কোনো সার্বিক আইন বা নীতিগত পরিবর্তন নয়, বরং কর্মকর্তাদের বিদ্যমান বিবেচনাধিকার স্মরণ করিয়ে দেওয়ার একটি ব্যাখ্যামূলক নির্দেশনা মাত্র।

 

অভিবাসন আইনজীবীদের মতে, বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে প্রশাসনিক নীতির মাধ্যমে একতরফাভাবে কংগ্রেসের প্রণীত এই আইন বাতিল করা সম্ভব নয় এবং নতুন নির্দেশনাটি পূর্ববর্তী আবেদনগুলোর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করারও কোনো আইনি সুযোগ নেই।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈধ অভিবাসনের পথ সংকুচিত করার এই উদ্যোগের ফলে উচ্চযোগ্যতাসম্পন্ন বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি খাতের পেশাজীবীদের মধ্যে এখন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার প্রবণতা বাড়ছে। অনেক যোগ্য আবেদনকারী মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে এখন বিকল্প গন্তব্য হিসেবে অন্য দেশের কথা ভাবছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
৪০তম ফোবানা কনভেনশন সফল করতে ক্যালিফোর্নিয়ায় ঐক্যবদ্ধ নেতৃবৃন্দ, আসছে টাউন হল সভা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৪০তম ফোবানা কনভেনশনকে সফল করার লক্ষ্যে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এক ঐক্য সভায় মিলিত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে হলিউডের অর্কিড কিচেন অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।   সভায় কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৃহত্তর স্বার্থে বিভেদ ভুলে একসাথে কাজ করার এখনই উপযুক্ত সময়। ফোবানা কনভেনশনকে কেন্দ্র করে ক্যালিফোর্নিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি এবং সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।   সভায় উপস্থিত ছিলেন হোস্ট কমিটির কনভেনার ডা: জয়নুল আবেদীন, কো-কনভেনার হাবিব টিয়া এবং সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইকবাল। এছাড়াও ফোবানার বিদায়ী চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লস অ্যাঞ্জেলেসের সভাপতি মাসুদ রব চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।   স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়া তরঙ্গ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শিপার চৌধুরী, বাংলাদেশ আমেরিকান সোসাইটির সভাপতি সেন্টু হক, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব নজরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম এবং আনন্দ মেলার মোহাম্মদ আলী।   সভায় বক্তারা জানান, আগামী ৪ জুন একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি কমিউনিটির সকল সদস্যকে সম্পৃক্ত করতে শিগগিরই বৃহৎ পরিসরে একটি “টাউন হল সভা” আয়োজন করা হবে। ওই সভায় ফোবানা কনভেনশন ঘিরে বিভিন্ন পরিকল্পনা, প্রস্তুতি এবং কমিউনিটির ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা হবে।   আয়োজকরা জানান, আগামী ৪, ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস অনুষ্ঠিত হবে ৪০তম ফোবানা কনভেনশন। উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন ফোবানা (FOBANA) প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে।   সভায় কনভেনশনের সার্বিক প্রস্তুতি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অতিথি আপ্যায়ন এবং বিভিন্ন আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবারের ফোবানা কনভেনশন আরও সফল, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।   ফোবানা দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আয়োজকরা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত বাংলাদেশিদের এবারের কনভেনশনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৩১, ২০২৬ ০:১৩
ছবি: সংগৃহীত

চাকরি, চিকিৎসা ও আবাসন বন্ধ করে অভিবাসীদের কোণঠাসা করছেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

গ্রিন কার্ড নীতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নির্দেশনায় বিভ্রান্তি ও তীব্র উদ্বেগ

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ বিলের চাপ কমাতে নিউইয়র্কে ২০০ ডলারের রিবেট চেক দেবে সরকার

ছবি: সংগৃহীত
গ্রিন কার্ড নীতি ঘিরে ইউ-টার্ন, অধিকাংশ আবেদনকারীকে দেশ ছাড়তে হবে না: যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। সাম্প্রতিক এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, অধিকাংশ অভিবাসীকে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে না।   ডিএইচএস জানিয়েছে, স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কোনো বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন হয়নি। বরং আগের মতোই অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে বিবেচনা করবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন আবেদনকারীকে দেশেই থেকে প্রক্রিয়া চালাতে দেওয়া হবে কি না।   এর আগে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)-এর একটি ঘোষণার পর ধারণা তৈরি হয়েছিল যে অধিকাংশ আবেদনকারীকে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে গ্রিন কার্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে হতে পারে। এতে অভিবাসী মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে নতুন ব্যাখ্যায় ডিএইচএস বলেছে, এটি কোনো সার্বিক নীতি পরিবর্তন নয়, বরং কর্মকর্তাদের বিদ্যমান ক্ষমতা সম্পর্কে একটি ব্যাখ্যামূলক নির্দেশনা।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্র জানান, কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যেমন ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া বা অন্যান্য অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা থাকলে আবেদনকারীদের বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে অধিকাংশ আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে থেকেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।   অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ব্যাখ্যায় কিছুটা স্পষ্টতা এলেও এখনো একাধিক প্রশ্ন রয়ে গেছে। বিশেষ করে কোন পরিস্থিতিতে আবেদনকারীকে দেশ ছাড়তে হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা অনুপস্থিত থাকায় অনিশ্চয়তা পুরোপুরি দূর হয়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, নীতিগত ব্যাখ্যার এই ধোঁয়াশা অভিবাসী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার ওপর আস্থাতেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় ১৪ লাখ গ্রিন কার্ড ইস্যু করা হয়, যার বড় একটি অংশ দেশটির ভেতর থেকেই আবেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: মে ৩০, ২০২৬ ২৩:১১
অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত করছে মার্কিন দূতাবাস

অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত করছে মার্কিন দূতাবাস, মিলবে দুই কর্মদিবসেই

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল। ছবি: আমেরিকা বাংলা

নিউইয়র্কে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

ছবি: এএফপি

ফুটবল বিশ্বকাপে মার্কিন রেস্তোরাঁর বিলে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘টিপস’ বা বকশিশ

জর্জিয়ায় ঈদুল আজাহার একটি দৃশ্য ছবিঃ প্রথম আলো
বৃষ্টি-বাদল উপেক্ষা করে জর্জিয়ায় ঈদের জামাতে নামাজিদের উপচে পড়া ঢল

অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের মতো জর্জিয়ায়ও হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখে (২৭ মে, বুধবার) পবিত্র ঈদুল আজহা পালন করা হয়। ঈদের আগের রাত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টিপাতের মত বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও জর্জিয়ার হাজার হাজার ধর্ম প্রাণ মুসলমানরা বিভিন্ন মসজিদ ও কম্যুনিটি সেন্টারে পবিত্র ঈদুল আজাহার নামাজ আদায় করেন।   এ অঙ্গরাজ্যে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় ডাউন টাউন আটলান্টার আল ফারুক মসজিদ অব আটলান্টায়। সেখানে যথাক্রমে সকাল ৮টা, পৌনে ৯টা, সাড়ে ৯ টায় ও সোয়া দশটায় ৪ টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদ ওমর বিন আব্দুল আজিজ, লিলবার্ণে যথাক্রমে সকাল ৭ টা, সাড়ে ৮টা ও সকাল সাড়ে ৯টায় তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদ আত্তাকয়া ডোরাভিলে সকাল পৌনে ৮টা ও পৌনে ৯টায় দুটি এছাড়াও বিভিন্ন মসজিদ ও কম্যুনিটি সেন্টারে এক বা একাধিক নামাজ অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।   যুক্তরাষ্ট্রে নিজ বাড়ির আঙিনায় বা উন্মুক্ত স্থানে কোরবানি করার নিয়ম না থাকায়, স্থানীয় নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট হালাল ফার্ম (Halal Farms) বা জবাইখানা থেকে কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। অনেকে আবার স্থানীয় মুসলিম দোকানগুলোতে পশু কোরবানির অর্ডার দিয়ে থাকেন।   যুক্তরাষ্ট্রে এটি কোনো সরকারি জাতীয় ছুটি নয়, তাই অনেককেই নামাজ আদায় করেই নিজ নিজ কর্মস্থলে ছুটতে হয়। তবে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ বা অফিসে মুসলিম কর্মচারীদের জন্য বিশেষ ছুটির আবেদন করার ব্যবস্থা থাকে। নামাজ শেষে প্রবাসীরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও মিষ্টিমুখ করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।   মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব হলো পবিত্র ঈদুল আজহা। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এই উৎসবটি কোরবানির ঈদ নামেও সমধিক পরিচিত। ইসলামের ইতিহাসে হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান আত্মত্যাগের স্মরণে প্রতি বছর হিজরি সনের জিলহজ মাসের ১০ তারিখে এই উৎসব উদযাপিত হয়।

মনজিলুর রহমান প্রকাশ: মে ২৯, ২০২৬ ২২:৩৭
নাবিলাহ ইসলাম পার্কসের পাশে সাবেক মেয়র শার্লি ফ্র্যাঙ্কলিন

জর্জিয়ার লেফটেন্যান্ট গভর্নর পদে রানঅফ লড়াইয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাবিলাহ পার্কসের পাশে সাবেক মেয়র শার্লি ফ্র্যাঙ্কলিন

ছবি: আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাব

লংআইল্যান্ডে আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বনভোজন

নবজাতকের নামে জমা হবে ১ হাজার ডলার!

‘ট্রাম্প অ্যাকাউন্ট’ চালুতে প্রস্তুতি, নবজাতকদের নামে জমা হবে ১ হাজার ডলার

0 Comments