আমেরিকা

ইরানকে অস্ত্র না দিতে চীনের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে: ট্রাম্প

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে কোনো ধরণের মরণাস্ত্র সরবরাহ না করতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সম্মতি দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, বেইজিংয়ের এই সিদ্ধান্তে তিনি অত্যন্ত খুশি এবং এটি হরমজ প্রণালী স্থায়ীভাবে খুলে দিতে সহায়তা করবে।


আগামী ১৪ ও ১৫ মে দ্বিতীয় মেয়াদে চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। সেখানে শি জিনপিংয়ের সাথে তার দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।


ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের সাথে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান শর্ত হবে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ করা। পারমাণবিক অস্ত্র ছাড়া তেহরান কোনো সমঝোতা করতে পারবে না।


ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ চাইলেই খুব দ্রুত শেষ হতে পারে। তবে ইরানকে বুঝতে হবে যে তাদের কাছে পারমাণবিক মরণাস্ত্র রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।


ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিয়ে তিনি বলেন, আমেরিকা চাইলে এক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সেতু গুঁড়িয়ে দিতে পারে, কিন্তু তারা তা চায় না।


ন্য্যাটোর সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সাথে এই যুদ্ধে মিত্ররা আমেরিকাকে কোনো সহায়তা করেনি। ইউরোপের এই জোটের পেছনে শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।


তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, বিপদের সময় ন্যাটো মিত্ররা তাদের পাশ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। এমনকি যুদ্ধের সময় অনেক দেশ মার্কিন যুদ্ধবিমানকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছে।


গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন বেশ জটিল। তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি এখনো বজায় রয়েছে।


বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের সাথে ট্রাম্পের এই কথিত সমঝোতা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মোড় নতুন দিকে ঘুরতে পারে এবং হরমজ প্রণালীর সংকট নিরসনে পথ সুগম হবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত।
যিশু জড়িয়ে ধরে আছেন ট্রাম্পকে! ছবি পোস্ট করে ফের বিতর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ যিশু খ্রিস্টের সঙ্গে নিজের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা তৈরি ছবি শেয়ার করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন তিনি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, যিশু খ্রিস্ট পরম মমতায় ট্রাম্পকে জড়িয়ে ধরে আছেন। মূলত ইরান যুদ্ধ নিয়ে ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও-র সঙ্গে চলমান বাদানুবাদের মধ্যেই ট্রাম্প এই পদক্ষেপ নিলেন। এর মাত্র দুই দিন আগেই তিনি একই ধরনের একটি ছবি পোস্ট করে সমালোচনার মুখে তা ডিলিট করেছিলেন। ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, বর্তমান বিশ্বের ‘শয়তানি শক্তির’ বিরুদ্ধে লড়াই করতে ঈশ্বর হয়তো তার ‘ট্রাম্প কার্ড’ খেলছেন। নতুন ছবিটি শেয়ার করে ট্রাম্প ক্যাপশনে লিখেছেন, "উগ্র বামপন্থীরা হয়তো এটি পছন্দ করবে না, কিন্তু আমার কাছে এটি বেশ চমৎকার মনে হয়েছে।" উল্লেখ্য, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে আসছেন মার্কিন বংশোদ্ভূত পোপ লিও। ট্রাম্পের এই ছবি পোস্টকে অনেক বিশ্লেষক পোপের সমালোচনার পাল্টা জবাব এবং রক্ষণশীল খ্রিষ্টান ভোটারদের সমর্থন আদায়ের কৌশল হিসেবে দেখছেন। তবে ধর্মীয় প্রতীককে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের এই ঘটনায় খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের একাংশের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনার জবাবে বিশ্বজুড়ে শান্তির ডাক দিলেন পোপ

ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকা থেকে স্মির্নার প্রাচীন মার্বেল ভাস্কর্য ফিরিয়ে নিল তুরস্ক

ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে অস্ত্র না দিতে চীনের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার ভিসা পেতে কী লাগে? জেনে নিন পুরো প্রক্রিয়া

উন্নত চিকিৎসা, জটিল অপারেশন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ কিংবা নির্দিষ্ট রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তবে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চাইলে আলাদা কোনো “মেডিকেল ভিসা” নেই। সাধারণত বি-২ ভিসা (B-2 Visa) ভিজিটর ভিসার মাধ্যমেই আবেদন করতে হয়। যদিও এই ভিসা পর্যটন, আত্মীয়স্বজন দেখা এবং চিকিৎসা—সব ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়, চিকিৎসার জন্য আবেদনকারীদের অতিরিক্ত কিছু নথি ও আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হয়।   চিকিৎসাজনিত ভিসা আবেদনে প্রথমেই প্রমাণ করতে হয় যে আবেদনকারীর সত্যিই চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য নিজ দেশের ডাক্তার, বিশেষজ্ঞ বা হাসপাতালের রিপোর্ট জমা দিতে হতে পারে, যেখানে রোগের ধরন, বর্তমান শারীরিক অবস্থা এবং কেন উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন তা উল্লেখ থাকবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখাতে হয় কেন নিজ দেশে সেই চিকিৎসা সম্ভব নয় বা কেন বিদেশে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।   এরপর দেখাতে হয় যুক্তরাষ্ট্রে কোথায় চিকিৎসা নেওয়া হবে। আমেরিকার হাসপাতাল, ক্লিনিক বা চিকিৎসকের কাছ থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার, চিকিৎসা গ্রহণে সম্মতি, কিংবা সম্ভাব্য চিকিৎসা পরিকল্পনার নথি থাকলে আবেদন শক্তিশালী হয়। এতে কনস্যুলার কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন আবেদনকারীর সফরের উদ্দেশ্য বাস্তব এবং নির্দিষ্ট।   চিকিৎসার ভিসা আবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো আর্থিক সক্ষমতা। আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হয় যে তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ চিকিৎসা ব্যয়, হাসপাতালের বিল, ওষুধ, থাকার খরচ এবং যাওয়া-আসার বিমান ভাড়া বহন করতে পারবেন। এজন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সঞ্চয়ের কাগজপত্র, আয়কর নথি, চাকরির বেতন স্লিপ বা ব্যবসার আয় সংক্রান্ত দলিল ব্যবহার করা যেতে পারে। স্পন্সর থাকলে তার আর্থিক তথ্যও দেখাতে হতে পারে।   কনস্যুলার কর্মকর্তারা আরও নিশ্চিত হতে চান যে আবেদনকারী চিকিৎসা শেষে নিজ দেশে ফিরে আসবেন। এজন্য চাকরি, ব্যবসা, পরিবার, সম্পত্তি, চলমান পড়াশোনা বা সামাজিক সম্পর্কের মতো বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অর্থাৎ আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন না—এটি বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরা জরুরি।   আবেদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাধারণত বৈধ পাসপোর্ট, DS-160 ফর্ম, ভিসা ফি রসিদ, সাক্ষাৎকারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্মেশন, চিকিৎসা সংক্রান্ত রিপোর্ট, হাসপাতালের চিঠি এবং আর্থিক কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হয়। সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞাসা করা হতে পারে কেন চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চান, কতদিন থাকবেন, খরচ কে বহন করবে এবং চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরবেন কি না।   বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসার ভিসা পেতে সঠিক তথ্য দেওয়া, নথি পরিষ্কার রাখা এবং সফরের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে বোঝানো অত্যন্ত জরুরি। ভুয়া কাগজপত্র বা অসত্য তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে এবং ভবিষ্যৎ ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।   সবশেষে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার ভিসা পেতে তিনটি বিষয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়—চিকিৎসার বাস্তব প্রয়োজন, খরচ বহনের সক্ষমতা এবং চিকিৎসা শেষে নিজ দেশে ফিরে আসার নিশ্চয়তা। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সঠিক নথি থাকলে আবেদন প্রক্রিয়া অনেক সহজ হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

শ্বশুরবাড়ির প্রশংসা করেও ভারতীদের ভিসা কড়াকড়িতে অনড় জেডি ভ্যান্স

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে নিরাপদ যৌনতা প্রচারে পাঁচ বছরের নতুন উদ্যোগ

ছবি: আমেরিকা বাংলা

নিউইয়র্কে বৈশাখের রঙে রাঙা প্রবাস: টাইমস স্কয়ার থেকে জ্যাকসন হাইটসে বর্ণিল উৎসব

ছবি: সংগৃহীত।
মার্কিন ভিসা বুলেটিন প্রকাশ: অগ্রাধিকার তারিখে ভারত থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন প্রত্যাশীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ২০২৬ সালের মে মাসের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্ট। এবারের বুলেটিনে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য গ্রিন কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির খবর মেলেনি, যা হাজার হাজার আবেদনকারীর মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান-ভিত্তিক (EB-2 এবং EB-3) ক্যাটাগরিতে ভারতীয়দের অপেক্ষার তালিকায় কোনো নড়চড় হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় পেশাদারদের জন্য অগ্রাধিকার তারিখ (Priority Date) গত কয়েক মাসের মতোই স্থবির হয়ে আছে। বর্তমান গতিধারা বজায় থাকলে গ্রিন কার্ডের জন্য তাদের কয়েক দশক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন। অন্যদিকে, এবার বিনিয়োগকারী কোটা বা ইবি-৫ (EB-5) ভিসা ক্যাটাগরি নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যারা এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে ইচ্ছুক বা যাদের আবেদন প্রক্রিয়াধীন, তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং আইনি বাধ্যবাধকতার বিষয়ে সচেতন করা হয়েছে। বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মনীতির কঠোরতা আরও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য সুখবর হলো, ফ্যামিলি স্পনসরড এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক কিছু ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তারিখ ভারতের তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছে। তবে বৈশ্বিক চাহিদার চাপে সব দেশেই ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রসেসিং সময় কিছুটা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। মার্কিন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী যারা আবেদন করতে যাচ্ছেন, তাদের অবশ্যই প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সম্পন্ন করতে হবে। বিশেষ করে ইবি-৫ আবেদনকারীদের জন্য আইনি পরামর্শ গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
বিক্ষোভ থেকে সাবেক মার্কিন সেনা চেলসি ম্যানিংসহ প্রায় ৯০ জনকে আটক করেছে পুলিশ । ছবি: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

নিউইয়র্কে যুদ্ধ ও অস্ত্র বিক্রির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ৯০

ছবি: সংগৃহীত

খাদ্যপণ্যের দাম কমাতে নিউইয়র্কে গ্রোসারি স্টোর চালুর ঘোষণা মামদানির

ছবি: সংগৃহীত

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব রুখতে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বিরোধী অভিযান

0 Comments