বিশ্ব

ইরানে স্থল অভিযান হবে আত্মঘাতী মিশন: ট্রাম্পের উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ৫:৫৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে স্থল অভিযান চালানোর আহ্বান বাস্তবসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস। তিনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক চুক্তিকে 'অসাধারণ সাফল্য' বলে উল্লেখ করে বলেছেন, সামরিক সংঘাত বাড়ানোর পরিবর্তে কূটনীতিই বেশি কার্যকর পথ হতে পারে।

 

স্থানীয় সময় শনিবার 'অল-ইন পডকাস্ট'-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্যাকস বলেন, ইরানের বিশাল ভৌগোলিক আয়তনের কারণে এ ধরনের অভিযানে প্রায় ১০ লাখ সেনার প্রয়োজন হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন সামরিক অভিযান হবে 'একটি আত্মঘাতী মিশন'। তাই চলমান চুক্তিকে সফল হওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত বলে তিনি মত দেন।

 

ইরানের নির্বাসিত বিরোধী নেতা রেজা পাহলভির প্রসঙ্গ টেনে স্যাকস প্রশ্ন তোলেন, যারা ইরানে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলেন, তারা নিজেরা অস্ত্র হাতে নিতে কতটা প্রস্তুত। তিনি বলেন, 'রেজা পাহলভি যদি বেভারলি হিলসে গিয়ে তার সমর্থকদের নিয়ে একটি বাহিনী গঠন করতে চান, তাহলে তিনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।'

 

কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি জোর দিয়ে স্যাকস বলেন, 'আসুন, শান্তিকে একটি সুযোগ দিই।' তিনি আরও সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন আবারও ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের মতো দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে।

 

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত, সভাপতি ধ্রুব ও সম্পাদক জিসান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রেসক্লাবের ৩৬তম কার্যনির্বাহী কমিটি (২০২৬-২৭ সেশন) গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে দৈনিক ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক আশিকুল ইসলাম ধ্রুব সভাপতি এবং ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদক জুবায়ের জিসান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। মোট ১৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৩টায় প্রেসক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে।   সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক ফলাফল ঘোষণা করেন। নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে নতুন নেতৃত্বের নাম প্রকাশ করা হয়।   কমিটির অন্যান্য পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন সহ-সভাপতি ডেইলি ক্যাম্পাস ও মানবজমিনের প্রতিনিধি মারুফ হোসেন মিশন এবং দৈনিক ইনকিলাবের মিরাজ আফ্রিদি। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এনটিভি ও দৈনিক বণিক বার্তার প্রতিনিধি আবু ছালেহ শোয়েব। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ফজলে রাব্বি পরশ।   সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি ফাহমিদুর রহমান ফাহিম। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি আজাহারুল ইসলাম মীর তুহিন। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দৈনিক মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি আবু বকর অনিক এবং ক্রীড়া সম্পাদক হয়েছেন এশিয়া পোস্টের সৈয়দ হুজ্জাত উল্লাহ মাহিন।   কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মানবকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি বিপ্লব উদ্দিন, বাণিজ্য বার্তার প্রতিনিধি সামিয়া আক্তার এবং জাগরণ নিউজের প্রতিনিধি মো. রাফাসান আলম।   ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার, সদ্য বিদায়ী সভাপতি মনির হোসেন মাহিন এবং রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি ও মানবজমিনের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান ডালিম হোসেন শান্ত।   নতুন কমিটি ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক সমিতি, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, রিপোর্টার্স ইউনিটি, শিক্ষক ফোরাম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নতুন নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ৭:০
ছবি: মিডল ইস্ট আই

ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যকে পুনর্গঠন করছে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার । ছবি: রয়টার্স-ফাইল

সোমবারই পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার

কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

ভারতে মুসলিমদের নামাজের অনুমতি নেই, অথচ যোগাসনের জন্য সপ্তাহজুড়ে বন্ধ কলকাতার রেড রোড

ছবি: সংগৃহীত
ইরানে স্থল অভিযান হবে আত্মঘাতী মিশন: ট্রাম্পের উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস

ইরানে স্থল অভিযান চালানোর আহ্বান বাস্তবসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস। তিনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক চুক্তিকে 'অসাধারণ সাফল্য' বলে উল্লেখ করে বলেছেন, সামরিক সংঘাত বাড়ানোর পরিবর্তে কূটনীতিই বেশি কার্যকর পথ হতে পারে।   স্থানীয় সময় শনিবার 'অল-ইন পডকাস্ট'-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্যাকস বলেন, ইরানের বিশাল ভৌগোলিক আয়তনের কারণে এ ধরনের অভিযানে প্রায় ১০ লাখ সেনার প্রয়োজন হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন সামরিক অভিযান হবে 'একটি আত্মঘাতী মিশন'। তাই চলমান চুক্তিকে সফল হওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত বলে তিনি মত দেন।   ইরানের নির্বাসিত বিরোধী নেতা রেজা পাহলভির প্রসঙ্গ টেনে স্যাকস প্রশ্ন তোলেন, যারা ইরানে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলেন, তারা নিজেরা অস্ত্র হাতে নিতে কতটা প্রস্তুত। তিনি বলেন, 'রেজা পাহলভি যদি বেভারলি হিলসে গিয়ে তার সমর্থকদের নিয়ে একটি বাহিনী গঠন করতে চান, তাহলে তিনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।'   কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি জোর দিয়ে স্যাকস বলেন, 'আসুন, শান্তিকে একটি সুযোগ দিই।' তিনি আরও সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন আবারও ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের মতো দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে।   সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ৫:৫৬
ছবি: সংগৃহীত

লেবানন সংঘাতই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে: ইরান

ছবি: সংগৃহীত

দেড় মাস পর খারগ দ্বীপ থেকে আবার তেল রপ্তানি শুরু করল ইরান

ছবি:  আল-জাজিরা

সুইজারল্যান্ডে পৌঁছালেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসিম মুনির

ছবি: সংগৃহীত
দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী বেগোনা গোমেজ

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজকে দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে তার দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। দুই বছরের তদন্ত শেষে তহবিল তছরুপ, প্রভাব বিস্তার, ব্যবসায়িক লেনদেনে দুর্নীতি এবং তহবিলের অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   স্থানীয় বিচারক হুয়ান কার্লোস পেইনাডো শনিবার দেওয়া এক আদালত আদেশে বেগোনা গোমেজকে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাকে মাসে দুইবার আদালতে হাজিরা দিতে হবে বলে নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে জুরির মাধ্যমে তার বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।   বেগোনা গোমেজ তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উগ্র ডানপন্থিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকা ‘মানোস লিম্পিয়াস’ (ক্লিন হ্যান্ডস) নামের একটি সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার সূচনা হয় বলে জানা গেছে।   প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বারবার এই মামলাকে ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তার পরিবারকে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।   আদালতের আদেশের পর ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে জানায়, বেগোনা গোমেজ গত দুই বছর ধরে বিচারিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন এবং সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত সেই ধারাবাহিকতার অংশ।   ২০১৮ সালে দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকার নিয়ে ক্ষমতায় আসেন পেদ্রো সানচেজ। তবে বর্তমানে তার পরিবার এবং সাবেক ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগীদের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির তদন্ত চলছে, যা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।   সানচেজের ভাই ডেভিড সানচেজের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। সাবেক পরিবহনমন্ত্রী হোসে লুইস আবালোসের বিরুদ্ধেও সরকারি চুক্তিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। উভয়েই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।   এছাড়া সাবেক সমাজতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রী হোসে লুইস রদ্রিগেজ জাপাতেরোর বিরুদ্ধেও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে তদন্ত চলছে। তিনি সাম্প্রতিক শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ৩:২৫
ছবি: সংগৃহীত

বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি, বিক্ষোভ দমনে রাস্তায় সেনাবাহিনী

শান্তিচুক্তির বাস্তবতায় ইরানের তেল খাত হবে ‘পরীক্ষার মঞ্চ’

শান্তিচুক্তির বাস্তবতায় ইরানের তেল খাত হবে ‘পরীক্ষার মঞ্চ’: তেলমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালি বন্ধের ইরানি দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজ প্রণালি বন্ধের ইরানি দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

0 Comments