বিশ্ব

লেবানন সংঘাতই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে: ইরান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ৫:২২
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান লেবানন সংঘাতই প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান।

 

বাঘাই বলেন, ‘লেবাননে জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থা তাদের অঙ্গীকার লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে। আজকের আলোচনায় এ বিষয়টিই প্রধান গুরুত্ব পাবে।’ খবর আলজাজিরার।

 

তিনি আরও জানান, বৈঠকে ইরানের জব্দ বা সীমাবদ্ধ করা সম্পদ উন্মুক্ত করার বিষয় এবং দেশটির তেল বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন বা লাইসেন্স ইস্যুর বিষয়েও আলোচনা হবে।

 

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য এ বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু স্থান পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার । ছবি: রয়টার্স-ফাইল
সোমবারই পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার সোমবারই পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদপত্র দ্য অবজারভার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি পদত্যাগের একটি সম্ভাব্য সময়সূচিও প্রকাশ করতে পারেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এসব দাবি নাকচ করে জানানো হয়েছে, স্টারমার এখনও সরকার পরিচালনার দায়িত্বে সম্পূর্ণ মনোযোগী।   দ্য অবজারভারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি গ্রামীণ বাসভবন চেকার্সে স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করছেন স্টারমার। লেবার পার্টির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা আশা করছেন, সোমবারের মধ্যেই তিনি এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানাবেন।   অন্যদিকে সরকারের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, স্টারমার পদত্যাগের কোনো সিদ্ধান্ত নেননি এবং তিনি আগের মতোই দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   ২০২৪ সালের নির্বাচনে লেবার পার্টিকে বড় বিজয় এনে দেওয়া স্টারমারের জনপ্রিয়তা সাম্প্রতিক সময়ে কমে গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হচ্ছে। একাধিক বিতর্ক, রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি এবং নীতিগত অবস্থান পরিবর্তনের কারণে দলের ভেতরে তার নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে।   রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, হাউস অব কমন্সে লেবার পার্টির শতাধিক এমপি প্রকাশ্যে তার পদত্যাগ বা নেতৃত্ব ছাড়ার সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।   স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে চাপ আরও বাড়ে শুক্রবার, যখন সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম একটি সংসদীয় আসনে জয়লাভ করেন। গ্রেটার ম্যানচেস্টরের মেয়র হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা বার্নহ্যামকে অনেকেই স্টারমারের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করছেন। যদিও তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেননি, বিজয় বক্তৃতায় তিনি দেশের জন্য নতুন রাজনৈতিক পথের ইঙ্গিত দেন।   এ ছাড়া সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে তিনি নেতৃত্বের লড়াইয়ে অংশ নিতে প্রস্তুত।   দ্য টাইমসের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে বর্তমান অর্থমন্ত্রী র‍্যাচেল রিভসকে সরিয়ে দিতে পারেন। তবে এই তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।   শুক্রবার স্টারমার নিজেও বলেন, নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো চ্যালেঞ্জ তিনি মোকাবিলা করবেন এবং দলীয় বিভাজন সৃষ্টি করে লেবার পার্টিকে আত্মবিধ্বংসী পথে না নেওয়ার আহ্বান জানান।   স্টারমার যদি পদত্যাগ করেন বা তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে গত এক দশকের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্যে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন।   বিশ্লেষকদের মতে, লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ সংকট বর্তমানে ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনেই স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য অবজারভার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ৬:২২
কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

ভারতে মুসলিমদের নামাজের অনুমতি নেই, অথচ যোগাসনের জন্য সপ্তাহজুড়ে বন্ধ কলকাতার রেড রোড

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে স্থল অভিযান হবে আত্মঘাতী মিশন: ট্রাম্পের উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস

ছবি: সংগৃহীত

লেবানন সংঘাতই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে: ইরান

ছবি: সংগৃহীত
দেড় মাস পর খারগ দ্বীপ থেকে আবার তেল রপ্তানি শুরু করল ইরান

ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ থেকে প্রায় দেড় মাস বিরতির পর আবারও অপরিশোধিত তেল লোড ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি নৌ-অবরোধ প্রত্যাহারের পর এই কার্যক্রম পুনরায় চালু হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।   তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তিনটি বড় তেলবাহী জাহাজ (ভিএলসিসি) সি আইল্যান্ড টার্মিনালে নোঙর করেছে। প্রতিটি জাহাজ প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল বহন করতে সক্ষম।   স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, তিনটি জাহাজের মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে জেটিতে ভিড়েছে, আর তৃতীয়টি নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এর আগে শুক্রবার পর্যন্ত এসব জেটি খালি ছিল। মে মাসের পর থেকে এ এলাকায় বড় জাহাজের উপস্থিতিও সীমিত ছিল।   বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাময়িক সমঝোতার পর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমায় ইরান দ্রুত তেল রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে। এছাড়া জানা গেছে, কিছু তেলবাহী জাহাজ চাবাহার বন্দরের কাছে নোঙর করে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন করেছে।   নিরাপত্তা পরিস্থিতির অনিশ্চয়তার কারণে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক জাহাজ হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে চলাচল করছে। তবে ইরান ধাপে ধাপে জাহাজ চলাচল আবার পারস্য উপসাগরে ফিরিয়ে আনছে। তথ্য অনুযায়ী, তেলবাহী জাহাজ স্ট্রিম, ইম্পালা এবং লরেন ২ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে উপসাগরে প্রবেশ করেছে।   খারগ দ্বীপ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যেখানে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়ে থাকে। উপসাগরের পূর্বাঞ্চলে আরও অন্তত ২০টি জাহাজ অপেক্ষমাণ রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে আগামী দিনগুলোতে ইরানের তেল রপ্তানি আরও বাড়তে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ৪:২১
ছবি:  আল-জাজিরা

সুইজারল্যান্ডে পৌঁছালেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসিম মুনির

ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী বেগোনা গোমেজ

ছবি: সংগৃহীত

বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি, বিক্ষোভ দমনে রাস্তায় সেনাবাহিনী

শান্তিচুক্তির বাস্তবতায় ইরানের তেল খাত হবে ‘পরীক্ষার মঞ্চ’
শান্তিচুক্তির বাস্তবতায় ইরানের তেল খাত হবে ‘পরীক্ষার মঞ্চ’: তেলমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি কার্যকর হলে ইরানের তেল শিল্পই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষার ক্ষেত্র—এমনটাই মনে করছেন দেশটির তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ।   ইরানের তেল মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সংস্থা ‘শানা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকনেজাদ বলেন, চুক্তি-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ইরানের জ্বালানি খাত বিশ্ব অর্থনীতির জন্য নতুন করে বড় ধরনের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে স্থবির হয়ে থাকা এই খাত আবারও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   তেলমন্ত্রী জানান, ইরানের হাতে ইতোমধ্যেই শতাধিক প্রস্তুত বিনিয়োগ প্রকল্প রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত, যেখানে বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও পরিচালনাগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরের অপেক্ষায় আছে বলেও তিনি জানান।   পাকনেজাদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে ইরানের জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। এতে শুধু দেশটির অর্থনীতিই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইরানের প্রভাব আরও দৃশ্যমান হবে।   বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল ও গ্যাস মজুদের অধিকারী ইরান দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার কারণে তার পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারেনি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।   এ প্রেক্ষাপটে তেহরান-ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য সমঝোতা শুধু রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২১, ২০২৬ ২:৩৩
হরমুজ প্রণালি বন্ধের ইরানি দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজ প্রণালি বন্ধের ইরানি দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পর সুইজারল্যান্ডে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আজ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পর সুইজারল্যান্ডে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আজ

স্পেনের পাহাড়চূড়ার রহস্যময় প্রাসাদ

স্পেনের পাহাড়চূড়ার রহস্যময় প্রাসাদ: সত্যিই কি পুতিনের ‘গোপন ভিলা’?

0 Comments