বিশ্ব

মার্কিন হামলায় ধ্বংস হলো ইরানের সবচেয়ে উঁচু সেতু, ট্রাম্প জানান ‘আরও হামলা আসছে’

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ইরানের কারাজে হামলায় বিধ্বস্ত বি ওয়ান সেতু । ছবি: রয়টার্স
ইরানের কারাজে হামলায় বিধ্বস্ত বি ওয়ান সেতু । ছবি: রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা দিয়েছেন, কারাজে হামলায় ইরানের সবচেয়ে উঁচু সেতু বি ওয়ান ধ্বংস করা হয়েছে। হামলার পর ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি পাঁচ সপ্তাহের এই সংঘাত বন্ধ করতে আলোচনায় না আসে, তবে আরও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হবে।
 
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও বার্তা সংস্থা ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেতুটির অবস্থান আলবোরজ প্রদেশের কারাজে। আলবোরজ প্রদেশের উপগভর্নর গোদরাতুল্লাহ সাইফ জানান, হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং ৯৫ জন আহত হয়েছেন।
 
হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি, কারণ সংবাদমাধ্যমের ওপর নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা আরোপ করা হয়েছে।
 
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন, যেখানে ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, “ইরানের সবচেয়ে বড় সেতুটি ধসে পড়েছে, যা আর কখনো ব্যবহারযোগ্য হবে না। সামনে আরও অনেক কিছু ঘটবে। ইরানের জন্য দেরি হয়ে যাওয়ার আগে চুক্তিতে আসার সময় এসেছে।”
 
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লেখ করেছেন, “অসমাপ্ত সেতুসহ বেসামরিক স্থাপনায় হামলার মধ্য দিয়ে ইরানিদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে না। বরং এটি শত্রুর বিশৃঙ্খল অবস্থা ও নৈতিক পতনের ইঙ্গিত দেয়।”
 
ফারস নিউজ জানিয়েছে, বি ওয়ান সেতুটি নির্মাণাধীন ছিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে উঁচু সেতু হিসেবে পরিচিত। এর একটি স্তম্ভের উচ্চতা ৪৪৭ ফুট (১৩৬ মিটার)।
 
এর আগে ট্রাম্প গত বুধবার এক ভাষণে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রায় শেষের পথে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, ইরান শর্ত মানা পর্যন্ত দেশটির ওপর ‘অত্যন্ত কঠোর’ হামলা চালানো হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
সাহারা থেকে ধেয়ে আসা লাল ধূলিঝড়ে লণ্ডভণ্ড গ্রিস; এবার অভিমুখ উত্তর আফ্রিকা!

গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে আঘাত হানা একটি শক্তিশালী 'লাল ধূলিঝড়' এখন পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর আফ্রিকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সাহারা মরুভূমি থেকে আসা এই ধূলিকণার প্রভাবে আকাশ পুরোপুরি লালচে-কমলা বর্ণ ধারণ করেছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। গত দুই দিন ধরে ক্রিট দ্বীপে তাণ্ডব চালানোর পর এই ধূলিমেঘ এখন মিশর ও লিবিয়ার দিকে ধেয়ে যাচ্ছে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।   সাহারা মরুভূমি থেকে শক্তিশালী বাতাসের মাধ্যমে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এই ধূলিকণা ইউরোপের এই অংশে পৌঁছেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অস্বাভাবিক এই লাল আকাশের কারণে সড়ক ও আকাশপথে দৃষ্টিসীমা (Visibility) মারাত্মকভাবে কমে গেছে, যা যাতায়াত ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে ইতোমধ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং তীব্র বায়ুদূষণের আশঙ্কায় লোকজনকে বাড়ির ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমা রোগীদের জন্য এই আবহাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। সাধারণত এই ধরনের 'সাহারান ডাস্ট স্টর্ম' মাঝেমাঝে ঘটলেও, বর্তমান ঝড়ের তীব্রতা অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বলে জানানো হয়েছে। তীব্রতা বাড়লে এই ধূলিমেঘ ইউরোপের মূল ভূখণ্ডেও পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   সূত্র: সামা টিভি

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইরানের ৪ শর্ত!

ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘে চীন-রাশিয়া-ফ্রান্সের ভেটো; ইরান আক্রমণের ছক ভেস্তে গেল!

ইরানের কারাজে হামলায় বিধ্বস্ত বি ওয়ান সেতু । ছবি: রয়টার্স

মার্কিন হামলায় ধ্বংস হলো ইরানের সবচেয়ে উঁচু সেতু, ট্রাম্প জানান ‘আরও হামলা আসছে’

নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস্পেন বার্থ এইড
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, কূটনৈতিক পথেই সমাধান চায় বৈশ্বিক জোট: নরওয়ে

হরমুজ প্রণালীর অচলাবস্থা নিরসনে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে কূটনীতিকদের একটি বড় জোট। সামরিক অভিযানের পরিবর্তে তারা এখন সংকট মোকাবিলায় কঠোর কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস্পেন বার্থ এইড এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি ৪০টিরও বেশি দেশের কূটনীতিকদের নিয়ে আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ধস নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইড বলেন, "যুদ্ধ চলাকালীন সামরিকভাবে আসলে কতটুকু অর্জন করা সম্ভব, সে বিষয়ে আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। এই জোট ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের বদলে কূটনৈতিক পন্থায় অগ্রসর হবে।" নরওয়ের এই অবস্থানের সাথে একমত পোষণ করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। তিনি ইরানের সাথে আলোচনার পক্ষ নিয়ে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথটি পুনরায় সচল করার জন্য সামরিক হস্তক্ষেপের চিন্তা করা "অবাস্তব"। উল্লেখ্য যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সমালোচনা করেছিলেন এবং তাদের হরমুজ প্রণালী "দখল" করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এমনকি তিনি ন্যাটো (NATO) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকিও দেন। ট্রাম্পের এই বিতর্কিত অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যাটো জোটের কৌশলগত পার্থক্যের কথা মনে করিয়ে দেন। এস্পেন বার্থ এইড স্পষ্ট করে বলেন, "যখন কোনো সদস্য রাষ্ট্র নিজেদের পছন্দে অন্য কোথাও যুদ্ধ শুরু করে, তখন ন্যাটো সেই যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য নয়। তবে ৯/১১ হামলার সময় আমাদের এক সদস্য আক্রান্ত হওয়ায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম।" বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ব নেতারা যুদ্ধের দাবানল আরও ছড়িয়ে না দিয়ে আলোচনার টেবিলেই সংকটের সমাধান খুঁজছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
কিয়ার স্টারমার ও শেখ মিশাল আল-আহমাদ আল-সাবাহ

কুয়েতের নিরাপত্তায় আকাশ প্রতিরক্ষা দিচ্ছে যুক্তরাজ্য

ভয়াবহ জ্বালানি সংকটে পড়েছে পাকিস্তান। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে এক রাতেই তেলের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি

ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে চাঁদের অভিমুখে রওনা হলো আর্টেমিস টু

জেনারেল মিন অং লাইং
পোশাক বদলালেও বদলাচ্ছে না ভাগ্য: মিয়ানমারের মসনদে নির্মম গৃহযুদ্ধের সূচনাকারী সেই জেনারেল

মিয়ানমারের রক্তাক্ত ইতিহাসের পাতায় এক নতুন কিন্তু অনুমিত অধ্যায় যুক্ত হলো। ২০২১ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি যে রক্তক্ষয়ী সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেছিলেন জেনারেল মিন অং লাইং, পাঁচ বছর পর সেই তিনিই এবার দেশটির 'বেসামরিক' রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।   তবে সেনাবাহিনীর উর্দি ছেড়ে রাষ্ট্রপতির স্যুট পরলেও, দেশটির শাসন ব্যবস্থায় সামরিক একনায়কতন্ত্রের সুতীব্র নিয়ন্ত্রণ বিন্দুমাত্র কমছে না। পূর্বনির্ধারিত এক ‘নির্বাচন’ ও ক্ষমতার পালাবদল আজ মিয়ানমারের নবনির্বাচিত সংসদ মিন অং লাইং-কে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বেছে নেবে। যদিও একে নির্বাচন না বলে 'অভিষেক' বলাই শ্রেয়। কারণ, সংসদের ২৫ শতাংশ আসন আগে থেকেই সেনাবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত ছিল এবং বাকি আসনগুলোর সিংহভাগ জিতেছে সামরিক মদদপুষ্ট দল ইউএসডিপি। মিন অং লাইং ইতিমধ্যেই সেনাপ্রধানের পদ ছেড়েছেন, আর সেই পদে স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও কঠোরপন্থী হিসেবে পরিচিত জেনারেল ইয়ে উইন উ। অভ্যুত্থানের পর এক বছরের মধ্যে গণতন্ত্রে ফেরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এই জেনারেল। কিন্তু সেই এক বছর পার হতে সময় লাগল পাঁচ বছর। এই দীর্ঘ সময়ে মিয়ানমার পরিণত হয়েছে এক ধ্বংসস্তূপে। দেশজুড়ে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লক্ষাধিক। জান্তা বাহিনীর ‘পোড়ামাটি’ নীতিতে ধ্বংস হয়েছে স্কুল, হাসপাতাল ও জনপদ। তরুণ অ্যাক্টিভিস্ট কিয়াও উইনের মতো অসংখ্য মানুষ জেল-জুলুম ও অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। রাষ্ট্রপতি হলেও মিন অং লাইং নিজেকে নিরাপদ রাখতে গঠন করেছেন একটি শক্তিশালী 'পরামর্শদাতা পরিষদ'। এই পরিষদের হাতেই থাকবে সামরিক ও বেসামরিক সব বিষয়ের চূড়ান্ত ক্ষমতা। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল ক্ষমতার রূপান্তর, কোনো পরিবর্তন নয়। প্রতিরোধ বাহিনীগুলো এখনো দেশের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে, যার ফলে গৃহযুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ নেই। মিয়ানমারের অর্থনীতি এখন খাদের কিনারায়। আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতি আর তীব্র জ্বালানি সংকটে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। ইয়াঙ্গুনের সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক—সবার কণ্ঠেই একই সুর: এই নির্বাচন কোনো সমাধান নয়। কারাবন্দী নেত্রী অং সান সু চির মুক্তি এবং প্রকৃত সংলাপ ছাড়া মিয়ানমারের শান্তি ফেরানো অসম্ভব বলেই মনে করছেন বোদ্ধারা।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে জাতিসংঘে ভোটাভুটি

হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে জাতিসংঘে ভোটাভুটি, বিপক্ষে চীন

ছবি: সংগৃহীত

ইরান অভিযোগ: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে স্কুল লক্ষ্য করে গণহত্যা চালাচ্ছে

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের হুমকি: ইরানের সর্বোচ্চ সেতু ধ্বংস, ‘বেশি দেরি হওয়ার আগে’ চুক্তিতে রাজি হওয়ার আর্জি

0 Comments