বিতর্ক

ছবি: সংগৃহীত
পেন্টাগনের গোপন এআই প্রজেক্ট: যুদ্ধের রূপ বদলে দিচ্ছে ‘ম্যাভেন’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ বা পেন্টাগনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কর্মসূচি ‘প্রজেক্ট ম্যাভেন’ আবার আলোচনায় এসেছে। ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই প্রযুক্তি লক্ষ্য শনাক্তকরণ এবং হামলার গতি বাড়াতে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।   ২০১৭ সালে ছোট একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে শুরু হওয়া এই প্রোগ্রাম এখন একটি বড় এআই-নির্ভর সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। এটি যুদ্ধ পরিচালনার পুরো প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় করার মাধ্যমে আধুনিক যুদ্ধের ধরন বদলে দিতে সক্ষম।   প্রজেক্ট ম্যাভেন কী? প্রজেক্ট ম্যাভেন হলো পেন্টাগনের প্রধান এআই উদ্যোগ। শুরুতে এটি সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে আসা ড্রোন ফুটেজ বিশ্লেষণে সাহায্য করতো। বিশ্লেষকদের বিপুল পরিমাণ ছবি ও ভিডিও এক ফ্রেম করে দেখার কাজ সহজ করতে এই প্রযুক্তি তৈরি করা হয়।   সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ম্যাভেন বড় হয়ে এখন শুধু ছবি বিশ্লেষণ নয়, পুরো যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনায় সহায়তা করে। যুদ্ধের ভাষায় ‘কিল চেইন’ অর্থাৎ লক্ষ্য শনাক্তকরণ থেকে আঘাত পর্যন্ত দ্রুত কাজ করতে সক্ষম এই সিস্টেম।   কীভাবে কাজ করে? ম্যাভেনকে অনেকটা যুদ্ধক্ষেত্রের ‘এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল’ ও ‘ককপিট’-এর সংমিশ্রণ বলা যায়। এটি বিভিন্ন উৎস থেকে সেন্সর ডেটা, গোয়েন্দা তথ্য, স্যাটেলাইট ছবি ও সেনা মোতায়েনের তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর এগুলো একত্র করে পুরো পরিস্থিতির একটি পরিষ্কার ছবি তৈরি করে।   ফলে কমান্ডাররা দ্রুত বোঝতে পারেন কোথায় শত্রু চলাচল করছে এবং কোথায় আঘাত হানা সম্ভব। ম্যাভেন বিভিন্ন আক্রমণের বিকল্পও প্রস্তাব করে, এবং চ্যাটজিপিটির মতো প্রযুক্তির কারণে ব্যবহার আরও সহজ হয়েছে। বর্তমানে এই ব্যবস্থার একটি অংশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্যালান্টিরের ক্লাউড মডেলের মাধ্যমে চলছে। তবে এর ব্যবহার নিয়ে পেন্টাগনের সঙ্গে কিছু মতবিরোধ আছে।   গুগলের বিরোধ শুরুর দিকে গুগল প্রজেক্টে যুক্ত ছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে তিন হাজারের বেশি কর্মী নৈতিক কারণে বিরোধ জানিয়েছিলেন। তাদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তি মানুষের নিয়ন্ত্রণ অতিক্রম করছে। পরে গুগল চুক্তি নবায়ন করেনি এবং অস্ত্র ব্যবস্থায় কাজ না করার নীতি ঘোষণা করে।   প্যালান্টিরের ভূমিকা ২০২৪ সালে প্যালান্টির গুগলের জায়গা নেয় এবং ম্যাভেনের প্রধান প্রযুক্তি অংশীদার হয়। কোম্পানির এআই সিস্টেম ‘কিল চেইন’-কে ঘণ্টা থেকে সেকেন্ডে নামিয়ে আঘাতের গতি বাড়াতে সক্ষম।   কার্যকারিতা ম্যাভেনের সঠিক কার্যকারিতা নিয়ে সরাসরি তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার ধরণ থেকে ধারণা করা যায়, এটি লক্ষ্য শনাক্তকরণ ও আঘাতের গতি বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। গবেষণা অনুযায়ী, কিছু অপারেশনে প্রতিদিন ৩০০–৫০০ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। ইরানের দাবি, এক হামলায় ৭–১২ বছর বয়সী ১৬৮ শিশু নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0
ব্রিটিশ রাজপরিবারের ছোট ছেলে এবং ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি। ছবি: সংগৃহীত
‘ভ্রান্ত ও ভিত্তিহীন’ তথ্য! প্রিন্স হ্যারিকে নিয়ে প্রকাশিত নতুন বই নিয়ে তীব্র বিতর্ক

ব্রিটিশ রাজপরিবারের ছোট ছেলে এবং ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারির জীবন নিয়ে লেখা একটি নতুন বইকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। হ্যারির এক মুখপাত্র এই বইটিতে উল্লিখিত দাবিগুলোকে "ভ্রান্ত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র" বলে আখ্যা দিয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ, ২০২৬) এক বিবৃতিতে প্রিন্স হ্যারির মুখপাত্র জানান, সম্প্রতি প্রকাশিত ওই বইটিতে হ্যারি ও তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে যে ধরনের তথ্য এবং তত্ত্ব উপস্থাপন করা হয়েছে তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তিনি একে স্রেফ কল্পকাহিনী এবং একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বইটিতে হ্যারির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান এবং ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাথে তার বর্তমান সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছিল। বিশেষ করে কিছু অপ্রমাণিত তথ্য সেখানে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যা হ্যারির ভাবমূর্তিকে বিতর্কিত করে তোলে। বিবৃতিতে মুখপাত্র আরও বলেন, "এটি কোনো সত্যনিষ্ঠ লেখা নয়, বরং এক ধরনের বিকৃত মস্তিষ্কের ষড়যন্ত্র। পাঠকদের বিভ্রান্ত করতেই এমন কাল্পনিক গল্প সাজানো হয়েছে।" প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল ২০২০ সালে ব্রিটিশ রাজপরিবারের রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই তারা বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। নিজের আত্মজীবনী 'স্পেয়ার' (Spare) প্রকাশের পর হ্যারি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন।  তবে নতুন এই বইটি নিয়ে তার পক্ষ থেকে যে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে, তা রাজপরিবার এবং গণমাধ্যমের মধ্যকার চলমান স্নায়ুযুদ্ধকে আরও উসকে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন পর্যন্ত ওই বইটির লেখকের পক্ষ থেকে হ্যারির মুখপাত্রের এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
টাইটানিকের আইকনিক পোজে ট্রাম্প ও এপস্টিন: ন্যাশনাল মলে বিতর্কের ঝড়

ইরান, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির উত্তেজনার মাঝেই নতুন এক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এবার কোনো রাজনৈতিক ভাষ্য নয়, বরং একটি বিদ্রূপাত্মক ভাস্কর্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়।  গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসির বিখ্যাত ন্যাশনাল মলে প্রায় ১২ ফুট উঁচু একটি ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে টাইটানিক সিনেমার সেই চিরচেনা জ্যাক ও রোজের ভঙ্গিতে দেখা যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনকে। ‘দি কিং অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামের এই সোনালি রঙের ভাস্কর্যটি তৈরি করেছে ‘সিক্রেট হ্যান্ডশেক’ নামক একটি অজ্ঞাতনামা শিল্পী গোষ্ঠী। শিল্পকর্মটিতে দেখা যাচ্ছে, টাইটানিক জাহাজের সামনের অংশে যেভাবে রোজ দাঁড়িয়েছিলেন, ঠিক সেভাবেই আছেন এপস্টিন। আর পিছন থেকে তাঁকে জ্যাকের মতো জড়িয়ে ধরে আছেন ট্রাম্প। ভাস্কর্যটি এমন কৌশলে বসানো হয়েছে যাতে এটি সরাসরি ওয়াশিংটন মনুমেন্টের দিকে মুখ করে থাকে, যা ন্যাশনাল মলে আসা পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। শুধু ভাস্কর্যই নয়, এর সামনে ক্যাপিটাল হিলের দিকে মুখ করে ১০টি বিশাল ব্যানার টানানো হয়েছে। সেখানে ট্রাম্প ও এপস্টিনের একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ছবির পাশাপাশি ‘শ্যাক আমেরিকা সেফ অ্যাগেইন’ স্লোগান ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যানারগুলোতে মার্কিন বিচার বিভাগের প্রতীক থাকলেও রহস্যময়ভাবে ‘জাস্টিস’ শব্দটি কালো রঙে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এটি এই শিল্পী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে ন্যাশনাল মলে স্থাপিত তৃতীয় বিতর্কিত শিল্পকর্ম। এর আগে গত জানুয়ারিতে এপস্টিনের জন্মদিনের বার্তার প্রতিলিপি এবং সেপ্টেম্বরে ‘বেস্ট ফ্রেন্ড ফরএভার’ শিরোনামে এই দুজনের হাত ধরে থাকা একটি ভাস্কর্য স্থাপন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল গোষ্ঠীটি। বরাবরের মতো এবারও শিল্পীরা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখেছেন, তবে তাদের এই বিদ্রূপাত্মক কাজ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্ক।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১১, ২০২৬ 0
বিজয় ও তার স্ত্রী সঙ্গীতা। ছবি: সংগৃহীত
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী গুরুতর অভিযোগ এনে বিচ্ছেদ চাইলেন

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র ও রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত থালাপতি বিজয় এবং তার স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গমের দাম্পত্য জীবনে বড় ধাক্কা লেগেছে। দীর্ঘ ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে গুণিতকের মতো এই জুটির বিচ্ছেদ চাইলেন সঙ্গীতা।   ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঙ্গীতা জেলা আদালতে দায়ের করা আবেদনপত্রে অভিযোগ করেছেন, বিজয় একজন সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন। ২০২১ সালে প্রথমবার তিনি বিষয়টি জানতে পারেন এবং তার পর থেকে একাধিকবার আশ্বাস পেলেও সম্পর্কটি অবসান হয়নি।   বিবাহবিচ্ছেদ আবেদনে বিশেষ বিবাহ আইন, ১৯৫৪-এর ২৭(১)(ক) ও ২৭(১)(ঘ) ধারার আওতায় ব্যভিচার ও নিষ্ঠুরতার অভিযোগ আনা হয়েছে। বিজয় ও সঙ্গীতা ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট বিয়ে করেছিলেন। দম্পতির দুই সন্তান আছে—জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা শাশা।   সঙ্গীতা একজন তামিল শিল্পপতির কন্যা এবং বিয়ের আগে তিনি দীর্ঘদিন বিজয়ের ভক্ত ছিলেন। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তামিলনাড়ুতে চলচ্চিত্র অঙ্গন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে আদালতে মামলা বিচারাধীন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
Epstein_trump
এপস্টিন ফাইল ও ট্রাম্প: কেন থামছে না মার্কিন রাজনীতির এই বিতর্কিত অধ্যায়?

জেফ্রি এপস্টিন—মার্কিন ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়ের নাম। দীর্ঘ তদন্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশ করেছে লাখ লাখ নথি। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বলছেন দেশ এখন অন্য কিছুর দিকে এগিয়ে যাক, তখন কি আসলেই এই অধ্যায় শেষ করা সম্ভব?   তদন্তে নতুন করে কোনো মামলা করার ভিত্তি না পাওয়া গেলেও, রাজনীতির জল অনেক দূর গড়িয়েছে। বিচার বিভাগ হয়তো বলছে কোনো অপরাধের অকাট্য প্রমাণ মেলেনি, কিন্তু ক্যাপিটল হিলে প্রতিনিধি পরিষদের তদন্ত থেমে নেই। আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে বিল ও হিলারি ক্লিনটনকে সাক্ষ্য দিতে তলব করা হয়েছে, যা মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধরনের উত্তাপ সৃষ্টি করেছে।   এদিকে, প্রকাশিত নথিতে ছয় হাজারেরও বেশিবার নাম এসেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। যদিও ট্রাম্পের দাবি, ২০০৪ সালের পর এপস্টিনের সাথে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না, তবুও ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ—বিচার বিভাগ অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি গোপন করে তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে।   অন্যদিকে, এপস্টিনের সাথে সম্পর্কের কারণে লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন বা ল্যারি সামার্সের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ক্যারিয়ার এখন হুমকির মুখে। বিল গেটস থেকে শুরু করে ইলন মাস্ক—সবাইকেই দিতে হচ্ছে নিজেদের নামের উপস্থিতির ব্যাখ্যা।   ভুক্তভোগীদের দাবি স্পষ্ট, "আমাদের সাথে খেলা হচ্ছে, কিন্তু আমরা লড়াই থামাবো না।" যখন একদিকে ট্রাম্প সমর্থকরা অন্য ইস্যুতে মনোযোগ সরাচ্ছে, তখন ডেমোক্র্যাটরা পূর্ণাঙ্গ ও অসম্পাদিত নথি প্রকাশের দাবিতে অনড়। এপস্টিনের মৃত্যুর বহু বছর পরেও এই রহস্যময় গল্প প্রমাণ করছে, এটি এত সহজে শেষ হওয়ার নয়।   যুক্তরাষ্ট্রের এই রাজনৈতিক লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0