সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ গেল পুলিশের ছেলের, ১২ বছরের জ্যাকবের মৃত্যুতে স্তব্ধ নিউইয়র্ক

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১২:৪২
ব্রঙ্কসের মাউন্ট ইডেন এলাকার এলিয়ট প্লেসে অবস্থিত একটি দোকানের সামনে ঘটে এই নির্মম গোলাগুলির ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত
ব্রঙ্কসের মাউন্ট ইডেন এলাকার এলিয়ট প্লেসে অবস্থিত একটি দোকানের সামনে ঘটে এই নির্মম গোলাগুলির ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ব্রঙ্কস এলাকায় প্রকাশ্য দিনের আলোতে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুটির নাম জ্যাকব ফ্রেইটাস। সে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের এক কর্মকর্তার ছেলে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। পুলিশ জানিয়েছে, রাস্তার সংঘর্ষের সময় ছোড়া গুলির শিকার হয়ে নিরপরাধ পথচারী হিসেবে প্রাণ হারায় জ্যাকব। 

 

ঘটনাটি ঘটে শনিবার বিকেলে ব্রঙ্কসের মাউন্ট ইডেন এলাকার এলিয়ট প্লেসে অবস্থিত একটি দোকানের সামনে। পুলিশ জানায়, ওই সময় কয়েকজন ব্যক্তির মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে গুলি ছোড়া হলে জ্যাকবের শরীরে গুলি লাগে। একই ঘটনায় আরও দুই ব্যক্তি আহত হন। 

 

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জ্যাকব ওই দোকানে একটি বল কিনতে গিয়েছিল। নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, সে সাইকেল নিয়ে দোকান থেকে বের হওয়ার পরই কাছাকাছি কয়েকজনের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। পরে গুলির শব্দ হলে শিশুটি নিজের বুকের ওপরের অংশ ধরে আবার দোকানের ভেতরে দৌড়ে যায় এবং সেখানে পড়ে যায়। 

 

আহত অবস্থায় জ্যাকবকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে নিউইয়র্ক সিটি হেলথ অ্যান্ড হসপিটালসের লিংকন হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গুলিটি তার কাঁধের কাছে লাগে। একই ঘটনায় আহত ২৫ ও ৩৪ বছর বয়সী দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে। 

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জ্যাকব শান্ত স্বভাবের ও ভদ্র একটি শিশু ছিল। পরিবারের স্বজনরা জানান, সে নিয়মিত এলাকায় সাইকেল চালাত এবং সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করত। ঘটনার সময় তার বাবা শহরের বাইরে ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 

 

নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষে কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত ছিল। তবে কে গুলি চালিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং তদন্ত চলছে। 

 

ঘটনাটি নিউইয়র্কের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি করেছে। দিনের বেলায় জনবহুল এলাকায় একটি শিশুর গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীকে শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
টেক্সাসে নতুন ইবি-৩ কর্মসংস্থানভিত্তিক সুযোগ
টেক্সাসে নতুন ইবি-৩ কর্মসংস্থানভিত্তিক সুযোগ! আয় খাতে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ১৬.৩৫ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাসে গুদাম ও লজিস্টিকস খাতে ইবি-৩ ‘অন্যান্য কর্মী’ শ্রেণিতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগের কথা জানিয়েছে সিআইভিএ ইউএসএ ইনক। প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হেলপার, সহযোগী কর্মী এবং প্যাকেজিং কর্মী পদে সম্ভাব্য নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের প্রোফাইল বিবেচনা করা হচ্ছে।   প্রস্তাবিত পদগুলোর ঘণ্টাপ্রতি মজুরি ১৫ থেকে ১৬.৩৫ ডলার বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে চাকরির সুযোগ, নিয়োগ এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে নিয়োগকর্তা ও সংশ্লিষ্ট মার্কিন সরকারি অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।   ইবি-৩ ‘অন্যান্য কর্মী’ যুক্তরাষ্ট্রের একটি কর্মসংস্থানভিত্তিক অভিবাসন শ্রেণি। সাধারণভাবে দুই বছরের কম প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা প্রয়োজন এমন অস্থায়ী বা মৌসুমি নয়, এমন কাজ এই শ্রেণির আওতায় পড়তে পারে। যোগ্যতার পাশাপাশি নিয়োগকর্তাকে নির্দিষ্ট সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয় এবং শ্রম সনদ, অভিবাসন আবেদন ও ভিসা প্রাপ্যতার মতো বিষয়ও প্রক্রিয়াটিতে গুরুত্বপূর্ণ।   সিআইভিএ ইউএসএ ইনক নিজেদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানভিত্তিক অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সহায়তা প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক প্রকাশনায় ইবি-৩ ‘অন্যান্য কর্মী’ শ্রেণির আবেদনকারীদের জন্য বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে কাজ করার কথা জানানো হয়েছে।   ডালাস যুক্তরাষ্ট্রের বড় পরিবহন, বিতরণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার কেন্দ্রগুলোর একটি হওয়ায় গুদাম ও লজিস্টিকস খাতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো পদে চাকরি পাওয়া বা ইবি-৩ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পাওয়া নিশ্চিত নয়।   সিআইভিএ ইউএসএ ইনকের প্রকাশিত তথ্যেও বলা হয়েছে, নিয়োগকর্তার পদ খালি থাকা, প্রার্থীর যোগ্যতা, শ্রম বিভাগের প্রয়োজনীয়তা, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা বিভাগের সিদ্ধান্ত, ভিসা প্রাপ্যতা এবং অন্যান্য প্রযোজ্য অভিবাসন আইনের ওপর পুরো প্রক্রিয়া নির্ভর করে। তাই কোনো মধ্যস্থতাকারীর পক্ষ থেকে চাকরি, ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের নিশ্চয়তার দাবি করা হলে তা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ২:২৯
ট্রাম্পের আমলে ২ হাজারের বেশি সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী রিপোর্ট করেছে আইসিই

ট্রাম্পের আমলে ২ হাজারের বেশি সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী রিপোর্ট করেছে আইসিই

বিশ্বজুড়ে নিয়োগ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর

বিশ্বজুড়ে নিয়োগ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর, বেতন সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪৯ হাজার ডলার

রিপাবলিকানরা কংগ্রেস জিতলে ট্রাম্পের নতুন ৫ হাজার ডলারের ডিভিডেন্ড চেক ঘোষণা

রিপাবলিকানরা কংগ্রেস জিতলে ট্রাম্পের নতুন ৫ হাজার ডলারের ডিভিডেন্ড চেক ঘোষণা, কারা পাবেন জেনে নিন

যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগোতে মালিক সেজে অন্যের বাড়ি বিক্রি, ১০ লাখ ডলারের প্রতারণায় স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগোতে মালিক সেজে অন্যের বাড়ি বিক্রি, ১০ লাখ ডলারের প্রতারণায় স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে ট্যুরিস্ট ভিসায় প্রবেশ করে অন্যের সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ ডলার (১ মিলিয়ন ডলার) হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক মেক্সিকান দম্পতিকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভিক্টর হুগো ভিলালোবোস আলমাযান এবং নায়েলি নোয়েমি মন্তোয়া রদ্রিগেজ নামের ওই স্বামী-স্ত্রী ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করে বৈধ মালিক সেজে সান দিয়েগোর দুটি সম্পত্তি বিক্রি করেছিলেন।   প্রতারণা ও অর্থ পাচারের অপরাধ স্বীকার করার পর সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ভিক্টরকে ২৭ মাস এবং তার স্ত্রীকে ১০ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।   আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এই দম্পতি সান ডিয়েগোতে দুটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির মালিক সেজে সেগুলো বিক্রি করে দেন। এর মধ্যে একটি ছিল ৭,০০০ বর্গফুটের একটি লট, যা তারা ৪ লাখ ডলারে বিক্রি করেন। অন্যটি ছিল ৪.৪৬ একরের একটি জমি, যা তারা ৫ লাখ ৬১ হাজার ডলারেরও বেশি দামে বিক্রি করেন।   ক্রেতাদের বোকা বানানোর জন্য তারা প্রকৃত মালিকদের স্বাক্ষরের জালিয়াতি করতেন এবং সমস্ত যোগাযোগ কেবল ইমেইলের মাধ্যমেই করতেন, কখনো সামনাসামনি দেখা করতেন না। এমনকি আসল মালিকদের নামের সাথে মিল রেখে তারা ভুয়া ইমেইল আইডি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খুলেছিলেন। সম্পত্তি বিক্রির পর সেই টাকা মেক্সিকো এবং জর্ডানের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাচার করা হতো।   অবশেষে গত নভেম্বরে মেক্সিকো থেকে ফেরার পথে হিউস্টনের জর্জ বুশ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।   যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের 'সেলার আইডেন্টিফিকেশন ফ্রড' বা বিক্রেতা সেজে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। আমেরিকান ল্যান্ড টাইটেল অ্যাসোসিয়েশনের ২০২৪ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২৮% টাইটেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি গত এক বছরে অন্তত একবার এই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছে।   ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব রিয়েল্টরসের ২০২৫ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, ফাঁকা জমি বা পরিত্যক্ত বাড়ির ক্ষেত্রে এই প্রতারণা সবচেয়ে বেশি ঘটে। প্রতারকরা সাধারণত বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে সম্পত্তি বিক্রির প্রস্তাব দেয় এবং দ্রুত নগদ লেনদেনের জন্য চাপ দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো বিক্রেতা যদি সরাসরি বা ভিডিও কলে দেখা করতে না চায় এবং একাধিক দেশের ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করতে চায়, তবে ক্রেতাদের অবশ্যই সতর্ক হওয়া উচিত।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ০:২০
যুক্তরাষ্ট্রে এলজিবিটিকিউ+ শিশুদের সুরক্ষা নীতি বাতিলের উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের

যুক্তরাষ্ট্রে এলজিবিটিকিউ+ শিশুদের সুরক্ষা নীতি বাতিলের উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের

ক্যালিফোর্নিয়ার ৪ শহরে তরুণদের প্রপার্টি কেনার হিড়িক, শীর্ষে সান ডিয়েগো

ক্যালিফোর্নিয়ার ৪ শহরে তরুণদের প্রপার্টি কেনার হিড়িক, শীর্ষে সান ডিয়েগো

মিসৌরিতে কান্নারত নবজাতক কন্যাকে উল্টো ঝুলিয়ে ঝাঁকাতেন বাবা, নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার

মিসৌরিতে কান্নারত নবজাতক কন্যাকে উল্টো ঝুলিয়ে ঝাঁকাতেন বাবা, নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বৈধ ৮ পথ, জেনে নিন কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত
বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বৈধ ৮ পথ, জেনে নিন কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত

বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বসবাস করতে চান অনেকেই। কারও লক্ষ্য স্থায়ীভাবে গ্রিন কার্ড পাওয়া, কেউ চাকরি বা ব্যবসার মাধ্যমে কয়েক বছর বৈধভাবে থাকতে চান, আবার কেউ উচ্চশিক্ষার সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরিবারকে সঙ্গে নিতে চান। তবে পরিবারের সবার জন্য একই ধরনের ভিসা প্রযোজ্য নয়। পরিবারের একজন সদস্যের যোগ্যতা, পেশা, শিক্ষা, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আত্মীয় এবং আর্থিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে ইমিগ্রেশনের পথ আলাদা হয়।   বর্তমান মার্কিন ইমিগ্রেশন নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার কয়েকটি বাস্তব ও বৈধ পথ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু সরাসরি স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি করে, আবার কিছু পথ পরিবারকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ দেয়।   ১. ফ্যামিলি-বেসড ইমিগ্রেশন: প্রথম এবং সবচেয়ে পরিচিত পথ হলো ফ্যামিলি-বেসড ইমিগ্রেশন। পরিবারের কোনো সদস্য যদি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী হন, নির্দিষ্ট পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে তিনি বিদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের জন্য পিটিশন করতে পারেন।   যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক তার স্বামী বা স্ত্রী, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সন্তান ও বাবা-মায়ের জন্য আবেদন করতে পারেন। এছাড়া নাগরিকের কিছু প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান এবং ভাই-বোন ফ্যামিলি প্রেফারেন্স ক্যাটাগরির আওতায় আসতে পারেন। গ্রিন কার্ডধারী সাধারণত তার স্বামী বা স্ত্রী এবং অবিবাহিত সন্তানদের জন্য পিটিশন করতে পারেন।   তবে ফ্যামিলি-বেসড ইমিগ্রেশনের সব ক্যাটাগরিতে ভিসা সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ী অপেক্ষা করতে হয় এবং সময়টা মোটামুটি ১২-১৪ বছর।   ২. এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ইমিগ্রেশন: দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ইমিগ্রেশন। কোনো বাংলাদেশি পেশাজীবীর যুক্তরাষ্ট্রে যোগ্য চাকরির সুযোগ, উচ্চতর ডিগ্রি, বিশেষ দক্ষতা বা উল্লেখযোগ্য পেশাগত যোগ্যতা থাকলে তিনি বিভিন্ন এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ইমিগ্রেশন ক্যাটাগরিতে যাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।   এর মধ্যে ইবি-১, ইবি-২ এবং ইবি-৩ অন্যতম। কিছু ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এমপ্লয়ার স্পনসরশিপ প্রয়োজন হয়। আবার ইবি-২-এর ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভার বা এনআইডব্লিউ-এর মতো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তি নিজে পিটিশন করতে পারেন।   এই ধরনের ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রে মূল আবেদনকারী যোগ্য হলে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা ডেরিভেটিভ বেনিফিশিয়ারি হিসেবে একই ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারেন।   ৩. ইবি-২ ও ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভার: উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ইবি-২ একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। উচ্চতর ডিগ্রি, দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা বা বিশেষ দক্ষতা থাকা ব্যক্তিরা এই ক্যাটাগরি বিবেচনা করতে পারেন।   আর যোগ্যতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট-এর বিষয়টি প্রমাণ করা গেলে ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভারের মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে জব অফার বা লেবার সার্টিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা থেকে ওয়েইভার পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।   এই পথের বড় সুবিধা হলো, মূল আবেদনকারী ইমিগ্র্যান্ট ভিসার জন্য যোগ্য হলে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরাও একই কেসের মাধ্যমে যুক্ত হতে পারেন।   ৪. ইবি-৫ ইমিগ্র্যান্ট ইনভেস্টর প্রোগ্রাম: যেসব পরিবারের বড় অঙ্কের বৈধ বিনিয়োগ করার সক্ষমতা রয়েছে, তাদের জন্য ইবি-৫ ইমিগ্র্যান্ট ইনভেস্টর প্রোগ্রাম যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।   ইবি-৫-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হয় এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে যোগ্য কর্মসংস্থান তৈরির শর্ত পূরণ করতে হয়। যোগ্য ইবি-৫ ইনভেস্টরের সঙ্গে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরাও গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।   ৫. ই-২ ট্রিটি ইনভেস্টর ভিসা: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো ই-২ ট্রিটি ইনভেস্টর ভিসা। বাংলাদেশ ই-২ ট্রিটি কান্ট্রি হওয়ায় যোগ্য বাংলাদেশি নাগরিক এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।   ই-২-এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে একটি বাস্তব ও পরিচালনাযোগ্য ব্যবসায় সাবস্ট্যানশিয়াল ইনভেস্টমেন্ট করতে হয় এবং ইনভেস্টরকে ব্যবসাটি পরিচালনা ও উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হয়।   মূল ই-২ আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা ডিপেন্ডেন্ট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন। যোগ্য ই-২ স্পাউস নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তরাষ্ট্রে কাজও করতে পারেন। তবে ই-২ গ্রিন কার্ড নয়।   এটি একটি ননইমিগ্র্যান্ট ভিসা। অর্থাৎ ব্যবসা ও ই-২ স্ট্যাটাসের শর্ত বজায় রেখে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে হয়।   ৬. এইচ-১বি ও এইচ-৪: কোনো বাংলাদেশি পেশাজীবী যুক্তরাষ্ট্রের যোগ্য এমপ্লয়ার-এর মাধ্যমে এইচ-১বি স্ট্যাটাস পেলে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এইচ-৪ ডিপেন্ডেন্ট স্ট্যাটাসে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন। এইচ-১বি নিজে গ্রিন কার্ড নয়। তবে যোগ্য কর্মীর ক্ষেত্রে পরবর্তীতে এমপ্লয়মেন্ট-বেসড গ্রিন কার্ডের পথ তৈরি হতে পারে।   বর্তমানে নতুন এইচ-১বি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা নির্দিষ্ট আবেদনকারীদের ওপর অতিরিক্ত অর্থপ্রদানের শর্তসহ কিছু বিশেষ বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই এইচ-১বি-এর মাধ্যমে পরিবার নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে আবেদন করার সময়কার সর্বশেষ সরকারি নিয়ম যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   ৭. এল-১ ও এল-২: বাংলাদেশে কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি বা একই কর্পোরেট গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার, এক্সিকিউটিভ অথবা স্পেশালাইজড নলেজ এমপ্লয়ি হিসেবে কাজ করা ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট অফিসে ট্রান্সফার হয়ে এল-১ স্ট্যাটাস পেতে পারেন।   এল-১ কর্মীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এল-২ ডিপেন্ডেন্ট স্ট্যাটাসে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন। যোগ্য এল-২ স্পাউস নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগও পেতে পারেন।   বিশেষ করে বাংলাদেশে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে দীর্ঘদিন কাজ করা এবং একই প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে অফিস রয়েছে, এমন পেশাজীবীদের জন্য এই পথটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।   ৮. এফ-১ ও এফ-২ : পরিবারের কোনো সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্ণকালীন পড়াশোনার জন্য এফ-১ স্টুডেন্ট ভিসা পেলে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এফ-২ ডিপেন্ডেন্ট স্ট্যাটাসে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন।   তবে এফ-১ ও এফ-২ হলো ননইমিগ্র্যান্ট স্ট্যাটাস। অর্থাৎ এটি সরাসরি গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথ নয়। শিক্ষার্থী পরবর্তীতে যোগ্যতা অনুযায়ী এমপ্লয়মেন্ট-বেসড বা অন্য কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন পথ তৈরি করতে পারলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।   পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে কী দেখবেন: বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে প্রথমেই ঠিক করতে হবে পরিবারের লক্ষ্য কী। স্থায়ীভাবে গ্রিন কার্ডের দিকে যেতে চাইলে ফ্যামিলি-বেসড ইমিগ্রেশন, এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ইমিগ্রেশন এবং ইবি-৫-এর মতো ইমিগ্র্যান্ট পথগুলো গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে ই-২, এইচ-১বি, এল-১ এবং এফ-১ মূলত টেম্পোরারি বা ননইমিগ্র্যান্ট স্ট্যাটাসের ব্যবস্থা।   পরিবারের একজন সদস্যের ভিসা বা পিটিশন অ্যাপ্রুভ হলেই পরিবারের অন্য সদস্যরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অধিকার পান না। স্পাউস ও চিলড্রেনকে ডিপেন্ডেন্ট বা ডেরিভেটিভ হিসেবে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বয়স, বৈবাহিক অবস্থা, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট ভিসা ক্যাটাগরির শর্ত পূরণ করতে হয়।   তাই বাংলাদেশ থেকে পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করার আগে পরিবারের বয়স, শিক্ষা, পেশা, কাজের অভিজ্ঞতা, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আত্মীয়, ব্যবসা বা বিনিয়োগের সক্ষমতা এবং স্থায়ী নাকি অস্থায়ীভাবে থাকার লক্ষ্য বিবেচনা করে সঠিক ইমিগ্রেশন পথ বেছে নেওয়া জরুরি।   অনেক ক্ষেত্রে আবেদন করার আগে ইউএসসিআইএস ও ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের সর্বশেষ নিয়ম যাচাই করা এবং প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নির পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ২২:৩৪
ফ্লোরিডায় নিজের বিলাসবহুল ইয়টে নারী কর্মীকে মাদক খাইয়ে ধ র্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মালিক

ফ্লোরিডায় নিজের বিলাসবহুল ইয়টে নারী কর্মীকে মাদক খাইয়ে ধ র্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মালিক

বাজেট ঘাটতি মেটাতে টেক্সাসের হ্যারিস কাউন্টিতে প্রপার্টি ট্যাক্স বৃদ্ধি, চাপে বাড়ির মালিকরা

বাজেট ঘাটতি মেটাতে টেক্সাসের হ্যারিস কাউন্টিতে প্রপার্টি ট্যাক্স বৃদ্ধি, চাপে বাড়ির মালিকরা

যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই হেফাজতে চিকিৎসার অভাবে ২৯ বছর বয়সী যুবকের মৃ ত্যু, বিচার দাবি পরিবারের

যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই হেফাজতে চিকিৎসার অভাবে ২৯ বছর বয়সী যুবকের মৃ ত্যু, বিচার দাবি পরিবারের

0 Comments