যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মীদের জন্য এইচ-১বি (H-1B) ভিসা সবসময়ই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। তবে ২০২৭ অর্থ বছরের জন্য এইচ-১বি ভিসার লটারি প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। যারা এই লটারিতে মনোনীত হতে পারেননি বা সুযোগ হারিয়েছেন, তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করার এবং থাকার জন্য আরও অন্তত আটটি বিকল্প ভিসার পথ খোলা রয়েছে।
সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই বিকল্প সুযোগগুলোর কথা তুলে ধরা হয়েছে:
১. ও-১ (O-1) ভিসা: অসাধারণ মেধার স্বীকৃতি
যাদের বিজ্ঞান, শিল্প, শিক্ষা, ব্যবসা বা খেলাধুলায় অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে, তারা ও-১ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। এই ভিসার জন্য কোনো বার্ষিক সীমা বা লটারি পদ্ধতি নেই।
২. এল-১ (L-1) ভিসা: আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বদলি
যদি কেউ কোনো বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত থাকেন যার শাখা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে, তবে তিনি এল-১ ভিসার মাধ্যমে বদলি হয়ে সে দেশে যেতে পারেন। এটি মূলত ম্যানেজার বা বিশেষায়িত জ্ঞানসম্পন্ন কর্মীদের জন্য।
৩. ই-২ (E-2) ইনভেস্টর ভিসা: যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যিক চুক্তি রয়েছে এমন দেশের নাগরিকরা (যেমন বাংলাদেশ) নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে এই ভিসা পেতে পারেন। যদিও বাংলাদেশিদের জন্য এই প্রক্রিয়ায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবে এটি একটি কার্যকর পথ।
৪. টিএন (TN) ভিসা: উত্তর আমেরিকার নাগরিকদের জন্য এটি মূলত কানাডা ও মেক্সিকোর নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত। নির্দিষ্ট পেশাজীবীরা নাফটা (NAFTA) চুক্তির আওতায় এই সুবিধা পান।
৫. এইচ-১বি১ (H-1B1) ভিসা: এটি এইচ-১বি ভিসার একটি বিশেষ সংস্করণ যা কেবল চিলি এবং সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত।
৬. ই-৩ (E-3) ভিসা: এই বিশেষ ক্যাটাগরির ভিসাটি শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে যারা যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষায়িত পেশায় কাজ করতে চান।
৭. ইবি-১ (EB-1) গ্রিন কার্ড : যাদের অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে বা যারা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো পুরস্কার পেয়েছেন, তারা সরাসরি গ্রিন কার্ডের জন্য ইবি-১ ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারেন।
৮. ক্যাপিট-এক্সেম্পট (Cap-Exempt) এইচ-১বি : উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অলাভজনক গবেষণা সংস্থা বা সরকারি গবেষণা সংস্থায় কাজের ক্ষেত্রে লটারির প্রয়োজন হয় না। একে 'ক্যাপ-এক্সেম্পট' বলা হয়, যা সারা বছরই আবেদন করা সম্ভব।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এইচ-১বি লটারিতে নাম না আসা মানেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যাওয়া নয়। সঠিক পরিকল্পনা এবং নিজের যোগ্যতার ভিত্তিতে উপরের যে কোনো একটি পথ বেছে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। তবে প্রতিটি ভিসার নিজস্ব শর্ত ও আবেদন প্রক্রিয়া রয়েছে, যা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যাচাই করা প্রয়োজন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বে থাকা ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিএসএ) এখন অভিবাসীদের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংস্থাটির সরবরাহ করা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দেশজুড়ে অন্তত ৮০০-র বেশি অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে মার্কিন অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই বিশাল অভিযান চালানো হয়। অভ্যন্তরীণ নথিপত্র বিশ্লেষণ করে রয়টার্স জানিয়েছে, টিএসএ প্রায় ৩১,০০০ যাত্রীর অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য আইস-এর কাছে হস্তান্তর করেছে, যা ইতিপূর্বে কখনোই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। ২০০৭ সালে মূলত সন্ত্রাসবাদ রুখতে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে ‘সিকিউর ফ্লাইট প্রোগ্রাম’ (Secure Flight Program) চালু করেছিল টিএসএ। তবে বর্তমান প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির অংশ হিসেবে এই ব্যবস্থাকে এখন সাধারণ অভিবাসীদের গ্রেপ্তারের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। টিএসএ-র পাঠানো তথ্যের মধ্যে ছিল যাত্রীদের নাম, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট নম্বর এবং ভ্রমণের বিস্তারিত সময়সূচী। এর ফলে আইস এজেন্টরা খুব সহজেই জানতে পারছেন কোন অভিবাসী কখন কোন বিমানে ভ্রমণ করছেন, যা তাদের গ্রেপ্তার প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত সহজ করে দিয়েছে। যদিও ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি, তবে টিএসএ দাবি করেছে তারা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও ‘দক্ষ’ করার লক্ষ্যে কাজ করছে। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য তৈরি ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা লাইনের ভিড় কমাতে এবং আইন প্রয়োগে সহায়তার জন্য ১৪টি প্রধান বিমানবন্দরে আইস এজেন্ট মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে রয়টার্সের এই নতুন তথ্য প্রমাণ করছে যে, শুধু প্রকাশ্য মোতায়েনই নয়, বরং পর্দার আড়ালে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমেও বড় আকারের ধরপাকড় চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনিবন্ধিত অভিবাসীদের মধ্যে নতুন করে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র: রয়টার্স।
ইরানের সাথে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বিষ্ফোরক হুমকিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার সময়সীমা (ডেডলাইন) বেঁধে দিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, দাবি মানা না হলে ইরানের ‘পুরো সভ্যতা’ গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের এমন যুদ্ধংদেহী মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাকে ‘মানসিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলীয় আইনপ্রণেতারা। মার্কিন সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার এক কড়া বিবৃতিতে বলেন, “তিনি (ট্রাম্প) একজন চরম অসুস্থ ব্যক্তি। যেসব রিপাবলিকান এই অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধের বিরুদ্ধে ভোট দিতে অস্বীকার করছেন, তারা এর প্রতিটি ভয়াবহ পরিণতির জন্য দায়ী থাকবেন।” অন্যদিকে হাউজ লিডার হাকিম জেফরিস সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প আমাদের তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়ার আগেই কংগ্রেসকে ইরানের বিরুদ্ধে এই বেপরোয়া যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। এখন সময় রিপাবলিকানদের দলপ্রীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশপ্রেমের পরিচয় দেওয়ার।” কংগ্রেসম্যান জেসন ক্রো ট্রাম্পের হুমকিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংসের ডাক দেওয়া আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেবল বৈধ নির্দেশই পালন করা উচিত। একইভাবে কংগ্রেসম্যান জিম ম্যাকগভার্ন ট্রাম্পের এই অবস্থানকে ‘শুদ্ধ শয়তানি’ বলে বর্ণনা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মেরিনা ডেল রে এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন থেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ প্রকৌশলী শাকিব আলীর (৩২) মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তার এই রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, শাকিব আলী ওই অ্যাপার্টমেন্টে একাই বসবাস করতেন। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে প্রাথমিকভাবে অনেকেই হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করছেন। নিহত শাকিব আলী জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সুপরিচিত চিকিৎসক, আটলান্টা প্রবাসী আওয়ামীলীগ নেতা এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা)-এর কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক ও শাকিরা আলী বাচ্চির একমাত্র ছেলে। বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, ডা. মানিক ও তার স্ত্রী প্রায় প্রতিদিনই ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তবে গত ৩-৪ দিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় তাদের মনে উদ্বেগ ও সন্দেহ তৈরি হয়। পরে সোমবার সকালে মেরিনা ডেল রে-তে ছেলের অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে। শাকিব আলী পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন এবং তিনি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনে কর্মরত ছিলেন। চাকরির সুবাদে মাত্র ছয় মাস আগে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ায় স্থানান্তরিত হন। তার অকাল মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী, জর্জিয়া বাংলাদেশ সোসাইটি এবং ফোবানা’র কর্মকর্তারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। জর্জিয়াসহ পুরো যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। জর্জিয়া বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আরেফিন বাবুল এই দুঃসময়ে আলী পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ইতোমধ্যে লস অ্যাঞ্জেলেসের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে, লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিতব্য ৪০তম ফোবানা সম্মেলনের চেয়ারপারসন রবিউল করিম বেলাল, নির্বাহী সচিব খালেদ আহমেদ রউফ, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রহমান জহির, আহ্বায়ক ড. জয়নুল আবেদীন, আহ্বায়ক কমিটির প্রেসিডেন্ট মোয়াজ্জেম চৌধুরী, সদস্য সচিব প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল, সাবেক চেয়ারপারসন অ্যাটর্নি মোহাম্মদ আলমগীর, রেহান রেজা, মাসুদ চৌধুরী রব, জসিম উদ্দিন, সহ-সচিব এন্থনি পিউস গোমেজ এবং নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ মাহিন উদ্দিন দুলাল পৃথকভাবে শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। মরহুম শাকিব আলীর রূহের মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন এবং তার পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন।