বিশ্ব

এক বছরে ১৬৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
এক বছরে ১৬৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে
এক বছরে ১৬৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে

২০২৫ সালে ইরান এ অন্তত ১ হাজার ৬৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। ১৯৮৯ সালের পর এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যক ফাঁসি কার্যকর হওয়ার ঘটনা।

 

নরওয়ে-ভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস এবং প্যারিসভিত্তিক টুগেদার অ্যাগেইনস্ট দ্য ডেথ পেনাল্টি যৌথভাবে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে যেখানে ৯৭৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল, সেখানে এক বছরের ব্যবধানে ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪৮ জন নারীও ছিলেন।

 

এতে আরও বলা হয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র যদি বর্তমান সংকট থেকে টিকে যায়, তাহলে দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে মৃত্যুদণ্ড আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহারের ঝুঁকি রয়েছে।

 

তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকার টিকে থাকলে দমন-পীড়নের উপায় হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজে মার্কিন অবরোধের ঘোষণা, লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

ইরানের বন্দরগুলোতে সম্ভাব্য মার্কিন অবরোধের ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। সপ্তাহের শুরুতেই লেনদেনে এ প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ দশমিক ২৪ ডলারে পৌঁছেছে।   একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দামও ৭ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ১০২ দশমিক ২৯ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান–সংকট শুরুর আগে তেলের দাম ছিল প্রায় ৭০ ডলার। সংঘাতের প্রভাবে তা বিভিন্ন সময়ে ১১৯ ডলার ছাড়িয়ে যায়।   তবে পাকিস্তানে সম্ভাব্য সমঝোতা বৈঠকের খবরের পর গত শুক্রবার জুন মাসের সরবরাহের জন্য তেলের দাম কিছুটা কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমেছিল। জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার আবারও অস্থিরতার দিকে ফিরে গেছে।   এমএসটি মার্কির জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান সল কাভোনিক বলেন, যুদ্ধবিরতির আগের উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় বাজার ফিরে এসেছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান–সংশ্লিষ্ট দৈনিক প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেলের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে, তাহলে দামের ওপর আরও চাপ তৈরি হবে।   এর আগে রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ কার্যকর করা হতে পারে। ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরও যুদ্ধবিরতির কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।   ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত তেল ও পেট্রোলের দাম উচ্চ পর্যায়েই থাকতে পারে। একই সঙ্গে ইরান–সংকটকে ঘিরে সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। এদিকে সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপের মধ্যে সৌদি আরব জানিয়েছে, তারা পূর্ব–পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহের পূর্ণ সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেছে।   বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ধরনের অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারে, যার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি ও মূল্যস্ফীতিতে দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি করতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিক্ষোভের আড়ালে রক্তক্ষয়ী ষড়যন্ত্র: ইরানে সাধারণ মানুষ হত্যায় ‘মোসাদ’ সম্পৃক্ততার দাবি

ছবি: সংগৃহীত

নাইজেরিয়ায় বিমান হামলার ‘ভুল’: বাজারে বোমা পড়ে শতাধিক নিহত

ছবি: সংগৃহীত

গাণিতিক ফর্মুলায় মার্কিন অর্থনীতি ধসের ছক আঁকল তেহরান

ছবি: সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস: প্রথমবারের মতো নারী সেনাপ্রধান হচ্ছেন সুসান কয়েল

অস্ট্রেলিয়ার সামরিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে। দেশটির সেনাবাহিনীর ১২৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কয়েল।   সোমবার অস্ট্রেলিয়া সরকারের এক ঘোষণায় জানানো হয়, বর্তমানে জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুসান কয়েল আগামী জুলাই মাসে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্টের স্থলাভিষিক্ত হবেন।   প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, “অস্ট্রেলীয় সেনাবাহিনীর দীর্ঘ ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রথমবারের মতো আমরা একজন নারীকে সেনাপ্রধান হিসেবে দেখতে যাচ্ছি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এই নিয়োগকে “গভীর ঐতিহাসিক মুহূর্ত” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “সুসান কয়েলের এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নারী সদস্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হবে।”   ৫৫ বছর বয়সী সুসান কয়েল ১৯৮৭ সালে অস্ট্রেলীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। সরকারের মতে, অস্ট্রেলিয়ার সামরিক বাহিনীর যেকোনো শাখার নেতৃত্বে আসা তিনিই প্রথম নারী।   এই নিয়োগ এমন এক সময়ে এলো, যখন অস্ট্রেলীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী পদ্ধতিগত যৌন হয়রানি ও বৈষম্যের অভিযোগের মুখে রয়েছে। গত বছরের অক্টোবরে দায়ের করা একটি যৌথ মামলায় অভিযোগ করা হয়, হাজার হাজার নারী সদস্যকে যথাযথ সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে এই বাহিনী।   বর্তমানে অস্ট্রেলীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ২১ শতাংশ, যার মধ্যে জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বে রয়েছেন ১৮.৫ শতাংশ নারী। ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।   এদিকে একই দিনে সামরিক নেতৃত্বে আরও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমান নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল মার্ক হ্যামন্ডকে অস্ট্রেলীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর (এডিএফ) প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি অ্যাডমিরাল ডেভিড জনস্টনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে, রিয়ার অ্যাডমিরাল ম্যাথিউ বাকলি নৌবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।   বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব এবং কাঠামোগত সংস্কারের ইঙ্গিত বহন করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
হরমুজ অবরোধে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন

হরমুজ অবরোধে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের হুমকি: বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ঝুঁকি

হজ সামনে রেখে ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন সৌদির

হজ সামনে রেখে ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন সৌদির

২৮ বাংলাদেশিসহ ১৭৫ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া।
মালয়েশিয়া থেকে ফেরত ১৭৫ অভিবাসী, তাদের মধ্যে ২৮ বাংলাদেশি

মালয়েশিয়া ২৮ জন বাংলাদেশিসহ মোট ১৭৫ জন অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেশটির জোহর রাজ্যের অভিবাসন বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।   তাদের জানানো হয়, জোহরের পেকান নেনাস অভিবাসন আটক কেন্দ্রে থাকা বিদেশি নাগরিকদের নিয়মিতভাবে নিজ দেশে পাঠানো হচ্ছে। যেসব অভিবাসী তাদের দণ্ড ভোগ শেষ করেছেন, তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাই এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।   চলতি বছরের এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই কেন্দ্র থেকে মোট ১৭৫ জনকে ফেরত পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার ১৩৬ জন, বাংলাদেশের ২৮ জন, ভারতের ৪ জন, থাইল্যান্ডের ২ জন, কম্বোডিয়ার ২ জন এবং ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা ও স্পেনের একজন করে নাগরিক।   প্রত্যাবাসনের সময় তাদের বিভিন্ন পথ দিয়ে নিজ দেশে পাঠানো হয়, যার মধ্যে ছিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও নৌপথের যাত্রীঘাট।   এই যাতায়াত ব্যয় বিভিন্ন উৎস থেকে বহন করা হয়েছে। কেউ নিজ খরচে, কেউ পরিবারের সহায়তায় এবং কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় দেশে ফিরেছেন।   ফেরত পাঠানো সব অভিবাসীর নাম মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত তারা আর কোনোভাবেই মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
এক বছরে ১৬৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে

এক বছরে ১৬৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরানে

ট্রাম্প ছাড়াও বেশ কয়েকজনকে ফোন করেছিলেন ভ্যান্স। সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠক, ট্রাম্পকে ১২ বার ফোন করেন ভ্যান্স

ফাইল ছবি

আগে থেকেই সংকুচিত হরমুজ, তবু কেন অবরোধের ঘোষণা ট্রাম্পের?

0 Comments