বাংলাদেশ

ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের মৃত্যু

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ১৬, ২০২৬ ২৩:৪১
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান | ছবি: সংগৃহীত
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান | ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) ভোরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। আজ ভোর ৬টা ২৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় গত সোমবার (১৩ এপ্রিল) তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাঁর শরীরে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয় এবং দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও তিন কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

 

বিসিএস ১৩তম ব্যাচের এই মেধাবী কর্মকর্তা ১৯৯৪ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি কাস্টমস, ভ্যাট ও এনবিআরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাণিজ্য সচিবের দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন। গেল বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি সরকার তাঁকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়।

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় জন্ম নেওয়া মাহবুবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছিলেন। তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে প্রশাসনের সহকর্মী ও বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
বগুড়ার এরুলিয়া এয়ারফিল্ডকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার পরিকল্পনা। ছবি: সংগৃহীত
দেশে হচ্ছে চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

বগুড়ার এরুলিয়ায় অবস্থিত বিদ্যমান এয়ারফিল্ডকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই প্রকল্পের আওতায় সেখানে একটি আধুনিক বিমানঘাঁটি এবং দক্ষ পাইলট তৈরির জন্য পূর্ণাঙ্গ ফ্লাইং অ্যাকাডেমি স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।   মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বগুড়া বিমানবন্দরের উন্নয়ন, আধুনিকায়ন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টরস স্কুলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা এবং বিমান বাহিনীর বিএএফ ঘাঁটি কক্সবাজারের এয়ার অফিসার কমান্ডিং (এওসি) এয়ার ভাইস মার্শাল এ.এফ.এম শামীমুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।   সভায় এয়ার ভাইস মার্শাল এ.এফ.এম শামীমুল ইসলাম বলেন, এরুলিয়ার বিদ্যমান এয়ারফিল্ডকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে উন্নীত করার সরকারি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এখানে একটি আধুনিক বিমানঘাঁটি এবং পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য ফ্লাইং অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও রয়েছে।   তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে কার্গো সুবিধা চালুর মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি ও পণ্য পরিবহন কার্যক্রম সম্প্রসারিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে, যা এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে বগুড়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরা হয়।   সভায় বক্তারা বলেন, বগুড়া বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি শিল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।   বাংলাদেশে বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে—ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বগুড়ার এরুলিয়া এয়ারফিল্ড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত হলে উত্তরাঞ্চলের বিমান যোগাযোগে নতুন মাত্রা যোগ হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক অর্থনীতির বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।   মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, বিমান বাহিনীর ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টরস স্কুলের অফিসার কমান্ডিং গ্রুপ ক্যাপ্টেন সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুসাইন মুহাম্মদ রায়হান, বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শ্রী পরিমল চন্দ্র দাস।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ১২:৪৭
আশরাফ উদ্দিন আকন্দ শিবপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক

‘নিশি রাতে পুকুরপাড়ে দেখা করলে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড’, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নারীর অভিযোগ

মিরপুরে টিসিবির চাল কেনার লাইনে দাঁড়িয়ে দেয়ালধসে নিহত পরিচ্ছন্নতাকর্মী নাসিমা বেগম। ছবি: সংগৃহীত

দুপুরের খাবার না খেয়ে সাশ্রয়ী দামে চাল কিনতে গিয়েছিলেন নাসিমা, প্রাণ গেল দেয়ালধসে

রাশেদ খান

‘গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেইমানি’ করায় ছাত্র উপদেষ্টা হননি হাসনাত-সারজিস : রাশেদ খান

কাউন্সিলর একরামুল হত্যা মামলায়, সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ
কাউন্সিলর একরামুল হত্যা মামলায়, সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত তৎকালীন র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক এবং বর্তমান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সোমবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।    আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল অফিসার্স মেস থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নিয়ে ঢাকায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেনা কাস্টডিতে রয়েছেন এবং বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।    জানা গেছে, তিনি বরিশাল সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঢাকা সেনানিবাসে আনার পর তাকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।    মামলার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০১৮ সালে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক নিহত হন। সে সময় মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ওই হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা অভিযোগপত্রে তাকে আসামি করা হয়েছে।    রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একরামুল হত্যা মামলায় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সেই আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই মিফতাহ উদ্দিনকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।    একরামুল হকের মৃত্যুর ঘটনা ২০১৮ সালে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরিবারের সঙ্গে তার শেষ ফোনালাপের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরালো হয়।    এদিকে, ২০২১ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ র‌্যাব এবং বাহিনীটির কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সেই তালিকায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের নামও ছিল।    আইএসপিআর জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে এবং পরবর্তী সব কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট আইনগত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ০:১৮
বিয়ের ঘোষণা ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ছবি: সংগৃহীত

বিয়ে করলেন বাংলাদেশের প্রথম ট্রান্সজেন্ডার সংবাদ পাঠিকা, সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল

সাদিয়া ইয়াসফিয়া ও নামিম আশরাফ মনি। ছবি:সংগৃহীত

প্রেমিকাকে চারদিন আটকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ, ফটোগ্রাফার মনিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অসুস্থ মেধাবী শিক্ষার্থী অভিজিৎ মজুমদারের চিকিৎসার জন্য তার বাবার হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত
অসুস্থ মেধাবী শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় নগদ সহায়তা দিলেন মেরিল্যান্ড প্রবাসী মোহাম্মদ কাজল

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে অসুস্থ এক মেধাবী শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড প্রবাসী ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ কাজল। সোমবার বিকেলে বসুরহাট সরকারি এএইচসি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী অভিজিৎ মজুমদারের পরিবারের হাতে এ সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।   অভিজিৎ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। অসুস্থতার কারণে তার চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান মোহাম্মদ কাজল। তার পক্ষ থেকে অভিজিতের বাবা শ্যামল মজুমদারের হাতে নগদ ৩০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়।   এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুলতান-আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খাজা নজরুল ইসলাম, বসুরহাট পৌরসভা যুবদল নেতা খাজা কামরুল ইসলাম স্বপন এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক শ্যামল দাস।   মোহাম্মদ কাজল দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে বসবাস করছেন। তিনি সেখানকার একজন ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি তিনি সুলতান-আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং মেরিল্যান্ড স্টেট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি মেরিল্যান্ড বাংলাদেশি ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও কমিউনিটির বিভিন্ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।   সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসে বসবাস করলেও নিজ এলাকা কোম্পানীগঞ্জের মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ রেখে চলেছেন মোহাম্মদ কাজল। সুলতান-আনোয়ারা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অসচ্ছল পরিবার, অসুস্থ ব্যক্তি ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন তিনি।   দেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটির সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগেও তিনি যুক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে অসহায় মানুষের সহায়তা, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার অংশগ্রহণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।   অসুস্থ শিক্ষার্থী অভিজিৎ মজুমদারের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা দেওয়ায় মোহাম্মদ কাজলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখা।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ২৭, ২০২৬ ১১:৩২
চিকিৎসককে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় অসুস্থ শিশুকে চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসককে ‘ভাই’ বলায় কোলের শিশুকে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ

নিহত হওয়ার পরিবার। ছবি:সংগৃহীত

আট বছরের মেয়েকে বাঁচিয়ে হাওরের পানিতে প্রাণ দিলেন বাবা

যুক্তরাজ্যে ফুল ফান্ডেড পিএইচডির সুযোগ পেলেন আকিব

মেধার জোরে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, যুক্তরাজ্যে ফুল ফান্ডেড পিএইচডির সুযোগ পেলেন আকিব

0 Comments