আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে যেসব কারণে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ৮, ২০২৬ ১৭:১৮
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়া যেমন বড় অর্জন, তেমনি ভিসা পাওয়ার পর তা ধরে রাখতে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসব নিয়ম ভঙ্গ করলে মার্কিন শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল বা প্রত্যাহারের ঝুঁকি তৈরি হয়, যা পড়াশোনা ও বৈধ অবস্থান উভয়কেই প্রভাবিত করতে পারে।

 

ভিসা বাতিল হতে পারে যেসব কারণে

যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থী ভিসা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বাতিল হতে পারে বলে জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো—কোনো শিক্ষার্থী যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমতি বা যথাযথ তথ্য ছাড়া পাঁচ মাসের বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকেন, তাহলে তার ভিসা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।


এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অন্যটিতে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভিসা-সংক্রান্ত রেকর্ড সঠিকভাবে আপডেট না করলে শিক্ষার্থীকে অনুপস্থিত হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে, যা ভিসা বাতিলের কারণ হতে পারে।


ভুয়া তথ্য বা নথি জমা দেওয়া, অনুমতি ছাড়া কাজ করা অথবা অন্য কোনো ধরনের জালিয়াতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে ভিসা বাতিল হতে পারে।


শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতির পরিবর্তন বা নতুন তথ্যের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে তিনি আর ভিসার শর্ত পূরণ করছেন না, সেক্ষেত্রেও ভিসা বাতিল হতে পারে। এছাড়া নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় বা অপরাধের অভিযোগও কিছু ক্ষেত্রে ভিসা বাতিলের কারণ হতে পারে।

 

ভিসা বাতিল হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। প্রথমে জানতে হবে কোন কারণে ভিসা বাতিল হয়েছে। এটি প্রশাসনিক ত্রুটি, দীর্ঘ অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা গুরুত্বপূর্ণ। এরপর করণীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে-বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সেবা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা ভুল সিদ্ধান্ত হলে বা ব্যাখ্যার সুযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পুনরায় আবেদন বা আপিল করা

 

জটিল পরিস্থিতিতে অভিবাসন আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া ট্রাভেল বা স্টুডেন্ট ইনস্যুরেন্সে ভিসা বাতিলজনিত সুবিধা আছে কি না তা যাচাই করা

 

শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হওয়া কঠিন পরিস্থিতি হলেও দ্রুত পদক্ষেপ, সঠিক তথ্য জানা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সামাল দিতে সহায়ক হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

নাহিদা বৃষ্টির লাশ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা কেন? দুই কারণ জানাল পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না।   নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার।   তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে অভিবাসীদের পক্ষে সরব মামদানি, আইস তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অভিবাসন অভিযান জোরদারের সম্ভাবনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিউইয়র্কে ফেডারেল অভিবাসন সংস্থা আইসিইর তৎপরতা বাড়তে পারে—এমন ইঙ্গিতের পর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও আলোচনা বাড়ছে বিভিন্ন মহলে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, সাবেক আইসিই কর্মকর্তা টমাস হোম্যান সম্প্রতি নিউইয়র্কে আরও বেশি সংখ্যক অভিবাসন কর্মকর্তার উপস্থিতির ইঙ্গিত দেন। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন কার্যক্রম সীমিত করতে গভর্নর ক্যাথি হোকুলের নতুন আইনি পদক্ষেপের পর তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে।   এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নিউইয়র্কের সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও ক্রীড়া অঙ্গনে অভিবাসীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আয়োজনেও অভিবাসী জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও শ্রম বড় ভূমিকা রাখে বলে উল্লেখ করেন তিনি।   মামদানি আরও বলেন, “নিউইয়র্ক সবসময় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের শহর। আমরা এমন কোনো পরিস্থিতি চাই না, যেখানে মানুষের মধ্যে ভয় বা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।” বিশ্বকাপ উপলক্ষে আগামী সময়ে নিউইয়র্কে বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও দর্শনার্থীর সমাগম হওয়ার কথা রয়েছে। এমন সময়ে অভিবাসন অভিযান নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্য শহরটির পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।   তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনেক বক্তব্য অতিরঞ্জিত বা রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি বুঝতে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম ও সরকারি বিবৃতির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।   যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্কের অন্যতম বড় বিষয়। বিশেষ করে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এ নিয়ে মতপার্থক্য ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। সামনের জাতীয় নির্বাচন ঘিরে এই ইস্যু আরও বেশি গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ৮, ২০২৬ ১৭:৩৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রযুক্তি খাতে কেনাকাটার চাপ বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ফিরেছে গতি

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে যেসব কারণে

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস । ফাইল ছবি

২০২৮ সালে আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বে কমলা হ্যারিস!

অভিযুক্ত মিয়া জনসন
ফ্লোরিডায় ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে সাবেক স্কুল ক্রীড়া পরিচালককে ১০ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টির এক মধ্যবিদ্যালয়ের সাবেক ক্রীড়া পরিচালককে এক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ সময় ধরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ১০ বছরের ফেডারেল কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।   ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, ২০২৪ সালে একটি মধ্যবিদ্যালয়ের কর্মী ও এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় গোয়েন্দারা দ্রুত তদন্তে নামেন, যা পরবর্তীতে ফ্লোরিডার বাইরেও বিস্তৃত হয়।   তদন্তে অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত হন ৪২ বছর বয়সী মিয়া জনসন। তিনি ওই সময় একটি মধ্যবিদ্যালয়ের অ্যাথলেটিক ডিরেক্টর বা ক্রীড়া পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তদন্তকারীদের কাছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি জনসনের দ্বারা নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।   অভিযোগ জানার পর ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টি স্কুল ডিস্ট্রিক্ট জনসনকে ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে দেয় এবং তার চাকরি বাতিল করে।   তদন্তের অংশ হিসেবে জনসনের বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তিনি ফ্লোরিডা ছেড়ে মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের কানসাস সিটিতে চলে যান। তদন্তে জানা যায়, একটি মেয়েদের বাস্কেটবল দলের সঙ্গে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভ্রমণের সময়ও এ মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।   ঘটনার বিস্তৃতি একাধিক অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়ায় তদন্তে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযানে কানসাস সিটি থেকে জনসনকে গ্রেপ্তার করা হয়।   তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে অপরাধমূলক যৌন কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উদ্দেশ্যে এক অঙ্গরাজ্য থেকে অন্য অঙ্গরাজ্যে পরিবহনের ফেডারেল অভিযোগ আনা হয়।   শুক্রবার ফেডারেল আদালত জনসনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি কারাভোগ শেষে তাকে আরও ২৫ বছর তত্ত্বাবধানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   ইন্ডিয়ান রিভার কাউন্টির শেরিফ এরিক ফ্লাওয়ার্স তদন্তে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, শিশুদের স্কুলে নিরাপদ বোধ করার অধিকার রয়েছে। তদন্তকারীরা এফবিআইয়ের সঙ্গে কাজ করে নিশ্চিত করেছেন যে ভুক্তভোগীর কথা শোনা হয়েছে এবং অভিযুক্ত তার কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির মুখোমুখি হয়েছেন।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। সম্ভাব্য নির্যাতন বা শোষণ সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন প্রকাশ: জুন ৯, ২০২৬ ২:৪৬
অভিযুক্ত ফুড ডেলিভারি চালক মনোজ চিট্টার

মদ সরবরাহের অভিযোগে ভারতীয় ফুড ডেলিভারি ড্রাইভার গ্রেপ্তার, আলাবামায় কিশোরীর মৃত্যু নিয়ে তদন্ত

যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতীকী দৃশ্য । গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা করলো যুক্তরাষ্ট্রের আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের সামনে একটি সমাবেশ করে । রয়টার্স-ফাইল

ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়ের কারণে মুসলিম শিক্ষার্থীদের বরখাস্তের অভিযোগে ভার্জিনিয়ার স্কুলের বিরুদ্ধে মামলা করল সিএআইআর

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে গরিবদের খাদ্য সহায়তায় ট্রাম্পের শর্ত আরোপ স্থগিত করলেন আদালত

যুক্তরাষ্ট্রে দরিদ্র নাগরিকদের জন্য বরাদ্দ ‘ফুড স্ট্যাম্প’ কর্মসূচির ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শর্ত আরোপের চেষ্টা স্থগিত করে দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। গত শুক্রবার ২০টি ডেমোক্রেটিক শাসিত অঙ্গরাজ্যের পক্ষে রায় দিয়ে আদালত এই স্থগিতাদেশ জারি করেন। সোমবার বার্তা সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   বোস্টনের ইউএস ডিস্ট্রিক্ট বিচারক মিয়ং জৌন ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে একটি প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন ফুড স্ট্যাম্প কর্মসূচির শত শত কোটি ডলারের তহবিল পাওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গরাজ্যগুলোর ওপর ‘লিঙ্গাদর্শন’, ‘অভিবাসন’ এবং ‘নারীদের খেলাধুলায় ন্যায্য সুযোগ’ সংক্রান্ত কিছু বিতর্কিত শর্ত জুড়ে দিতে চেয়েছিল।   মামলাকারী অঙ্গরাজ্যগুলো আদালতে যুক্তি দেয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি মন্ত্রণালয় কংগ্রেসের তৈরি করা মূল কর্মসূচির মাঝে অবৈজ্ঞানিক ও বেআইনি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। এর ফলে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য জরুরি পুষ্টি সহায়তা, গুরুত্বপূর্ণ কৃষি গবেষণা এবং জাতীয় খাদ্য শৃঙ্খলের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।   অন্যদিকে সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে জানান, নতুন শর্তগুলো করদাতাদের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং সরকারি তহবিলের ওপর তদারকি বাড়াতে সাহায্য করত। তবে বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের এই যুক্তি নাকচ করে দিয়ে আপাতত তাদের এই উদ্যোগ স্থগিত করার নির্দেশ দেন।   ফুড স্ট্যাম্প হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে দেশটির প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ দরিদ্র মানুষ মুদি কেনাকাটার জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকে। তবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, গত বছর রিপাবলিকানদের পাস করা একটি ব্যয় সংকোচন বিলের নতুন শর্তের কারণে এরই মধ্যে ৪৩ লাখেরও বেশি মানুষ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: জুন ৮, ২০২৬ ১:১৩
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

অত্যাধুনিক মহাকাশ-ক্যামেরার মাধ্যমে ইরান সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

১৭ জনের মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিলের পদক্ষেপ নিল বিচার বিভাগ

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে নওশীন-হিল্লোলের নতুন উদ্যোগ, কাচ্চি থেকে কফিতে জমজমাট ‘এন ক্যাফে ৩৬৫’

0 Comments