উচ্চশিক্ষা

ছবি: সংগৃহীত
কঠিন হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার স্বপ্ন: ভিসা অনুমোদন কমলো ১১ শতাংশ

বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা কিংবা কর্মসূত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন এখন বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে। সাম্প্রতিক সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম আট মাসেই মার্কিন ভিসা অনুমোদনের হার গত বছরের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। সংখ্যার হিসেবে যা প্রায় ২.৫ লক্ষ কম। বিশ্বব্যাপী এই পতনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে ভারত ও চীনের নাগরিকদের ওপর। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে যেখানে ১ কোটি ১৫ লক্ষ নন-ইমিগ্রেন্ট বা বি-১ ভিসা ইস্যু করা হয়েছিল, ২০২৫ সালে তা নেমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২ লক্ষে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে। স্টুডেন্ট ভিসা অনুমোদনের হার এক ধাক্কায় ৩০ শতাংশের বেশি কমে গিয়েছে। গত বছরের ৩.৪৪ লক্ষের বিপরীতে এ বছর ভিসা পেয়েছেন মাত্র ২.৩৮ লক্ষ শিক্ষার্থী। এছাড়া কাজ, পর্যটন এমনকি আকাশপথ বা জলপথের কর্মীদের ভিসার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। কেবল অস্থায়ী ভিসাই নয়, স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রেও শুরু হয়েছে নজিরবিহীন কড়াকড়ি। পারিবারিক এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক— উভয় ক্ষেত্রেই ভিসার সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের নেপথ্যে রয়েছে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি, আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলসহ কঠোর স্ক্রিনিং এবং প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অ্যাবিগেল জ্যাকসন জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মার্কিন নাগরিকদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জনমত নিয়েই ক্ষমতায় এসেছেন এবং বর্তমান নীতিগুলো তারই প্রতিফলন। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশ্ব অর্থনীতির এই টালমাটাল সময়ে স্ট্যাচু অফ লিবার্টির দেশে প্রবেশের লড়াই আগামী দিনে আরও কঠিন হতে চলেছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ঢাবিসহ সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিচ্ছে সরকার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার। সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।   নতুন নিয়োগের তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।   এ ছাড়া উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সিদ্দিকুর রহমান খান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক আল ফোরকান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. মো. মাসুদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন এবং সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন।   অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদ। এর আগে সোমবার সকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ভারত
ভারতে ৩২ বিশ্ববিদ্যালয়কে ভুয়া ঘোষণা, দিল্লিতেই ১২টি

ভারতে উচ্চশিক্ষার নামে প্রতারণার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে দেশটির ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (ইউজিসি)। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশজুড়ে মোট ৩২টি ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১২টিই অবস্থিত রাজধানী দিল্লিতে। এই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গেরও দুটি প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে। ইউজিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি প্রদানের কোনো আইনি বৈধতা নেই এবং কর্মজীবন বা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এই ডিগ্রিগুলো সম্পূর্ণ অচল বলে গণ্য হবে।   ইউজিসির তথ্যমতে, গত দুই বছরে এই জালিয়াতি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০টি থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৩২টিতে দাঁড়িয়েছে, যা দেশটির ১২টি রাজ্যে ছড়িয়ে রয়েছে। দিল্লির পর উত্তরপ্রদেশে ৪টি এবং অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরালা, মহারাষ্ট্র, পুদুচেরি ও পশ্চিমবঙ্গে দুটি করে ভুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হদিস মিলেছে। এছাড়া রাজস্থান, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড এবং অরুণাচল প্রদেশেও একটি করে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নাম নতুন করে এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে।   প্রতিষ্ঠানগুলো ইউজিসি আইনের অধীনে স্বীকৃত নয় এবং আইন লঙ্ঘন করে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। মূলত সস্তায় বা কোনো পরিশ্রম ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সনদ পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে থাকে। ইউজিসি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চূড়ান্ত সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে, ভর্তির আগে অবশ্যই কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন যাচাই করে নিতে হবে। না জেনে এসব ভুয়া প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে অর্থ ও সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনও অন্ধকারের মুখে পড়তে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0