বাংলাদেশ

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব: রকিবুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৯, ২০২৬ 0
বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।
বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।

দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে খুব দ্রুতই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। আজ রবিবার সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।


রকিবুল ইসলাম বকুল জানান, অনেকদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পুরনো কমিটি বহাল থাকায় সংগঠনের স্বাভাবিক গতি কিছুটা মন্থর ছিল। দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। তবে ছাত্র সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে এতদিন নতুন কমিটি দেওয়া সম্ভব হয়নি।


তিনি আরও উল্লেখ করেন, ছাত্রদলের আগামী দিনের নেতৃত্ব হবে স্বচ্ছ ও মেধাবী। নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে 'প্রকৃত ছাত্রত্ব' থাকাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সর্বপ্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটিগুলো প্রকাশ করা হবে।


সংসদ নির্বাচনের কারণে প্রক্রিয়াটি কিছুটা বিলম্বিত হলেও বর্তমানে প্রস্তুতির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। নতুন ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে ছাত্রদল শিক্ষাঙ্গনে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
চলতি বছরে ৩০ হাজার পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের শেষ তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও সচল হবে।   বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। এটি তার প্রথম সংসদীয় প্রশ্নোত্তর, যেখানে তিনি সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।   ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গত ১০ মার্চ থেকে দেশের ১৩টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই কার্ডের মাধ্যমে ভাতা প্রদান করা হয়েছে।   প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, কার্ডটি নারীপ্রধানের নামে প্রদত্ত হওয়ায় পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে পরিবারের খাদ্য, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা এবং শিক্ষার খাতে সহায়তা সরাসরি পৌঁছাবে।   ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়ন এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যও ধরা হয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার তেলের পাম্পে দীর্ঘ সারি: রাইড শেয়ারিং বাইকারদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ

ছবি: সংগৃহীত

পটিয়ায় ওয়েল্ডিংয়ের স্ফুলিঙ্গে তুলার গুদামে ভয়াবহ আগুন

ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই লঞ্চে সন্তান প্রসব, নবজাতকের আজীবন ভাড়া ‘ফ্রি’

কৃষি কর্মকর্তার সাথে আলোচনা শেষে তাকে পেঁয়ারা উপহার দেন কৃষকরা!
তেলের জন্য কৃষিমন্ত্রীকে ফোন! কৃষকদের হাহাকার

কৃষিযন্ত্র চালানোর জন্য তেলপাম্পে গিয়ে চাহিদা মাফিক তেল পাচ্ছেন না পাবনার কৃষকরা। ফলে ডিজেল সংকটে বেশ বিপাকে পড়েছেন তারা। ফসল উৎপাদন, কাটাই, মাড়াই কাজে ভোগান্তি ও ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা তাদের। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার এমনই ভুক্তভোগী কয়েকজন কৃষক উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে সমস্যার সমাধান না পেয়ে কৃষিমন্ত্রীকে ফোন দেন। মন্ত্রীও তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধানে কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। কিন্তু আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবি কৃষকদের। ঈশ্বরদী উপজেলার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক ময়েজ উদ্দিন ওরফে কুল ময়েজ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রতিটি ফসল আবাদে বর্তমানে আধুনিক কৃষিযন্ত্র ব্যবহার হচ্ছে। মাড়াই কাজে হারভেস্টার, জমি চাষ দিতে পাওয়ার ট্রিলার, সেচের জন্য শ্যালো মেশিন, এমনকি ওষুধ ছিটাতেও যন্ত্র চালিত স্প্রে ব্যবহার করা হচ্ছে।  প্রতিটি যন্ত্র চালাতেই প্রয়োজন ডিজেল। কিন্তু এই যন্ত্রগুলো তো বহন করে তেল পাম্পে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। যেকারণে কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে ক্যানে (ঢোপ) তেল নিয়ে যেতেন। বর্তমানে ক্যানে তেল দেয়ার নিষেধাজ্ঞা জারির কারণে পাম্প কর্তৃপক্ষ তাঁদের তেল দিচ্ছেন না। এতে উপজেলার শত শত কৃষক মহাবিপাকে পড়েছেন। ময়েজ উদ্দিন বলেন, ‘তেল সমস্যা সমাধানে কিছুদিন হলো উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের চিরকুট (স্লিপ) দিচ্ছিলেন। কিন্তু তাতেও পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল দিচ্ছেন না। ফলে গত রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে তাঁরা ৪০ থেকে ৪৫ জন কৃষক ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার দপ্তরে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে সমস্যা সমাধান না পেয়ে আমি বিকেল ৫টা ৪১ মিনিটে সরাসরি কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিকে ফোন দিয়ে কথা বলি। পরে মন্ত্রীর সঙ্গে কৃষি কর্মকর্তাকে কথা বলিয়ে দেই। মন্ত্রী তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধানে কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। পরে সেখান থেকে ইউএনও সাহেবের কাছে গিয়েও বিষয়টি অবগত করি। তিনি বলেছিলেন কৃষি অফিসার তাকে চিঠি দিলে তিনি দেখবেন।’ তিনি বলেন. ‘আজ মঙ্গলবার আবার কৃষি অফিসে গিয়েছিলাম খোঁজ নিতে। কৃষি অফিসার বলেছেন, তিনি ইউএনও সাহেবকে চিঠি দিয়েছেন। ইউএনও সাহেব সেই চিঠি জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠাবেন। জেলা প্রশাসক অনুমতি দেওয়ার পর নাকি তেল দেবে। কিন্তু ইউএনও সাহেব কবে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠাবেন, আর কবে সমস্যার সমাধান হবে বুঝতে পারছি না। আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত সমাধান হয়নি। কৃষক তেল পাচ্ছে না। ইতিমধ্যে ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’ কৃষক ময়েজ উদ্দিন বলেন, ‘দেশে কতরকম কার্ড আছে। কিন্তু আমাদের কৃষকদের কোন তালিকা নেই, কার্ড নেই। যার কারণে আমাদের পদে পদে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তেলের ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। একটা কৃষি কার্ড থাকলে সবক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষকদের সমস্যার সমাধান হতো। দ্রুত তেল সংকট সমস্যার সমাধান না হলে ফসল ও কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হবে।’ ভুক্তভোগী কৃষক ঈশ্বরদী পৌর সদরের ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের ইস্তা মহল্লার বাসিন্দা আদম আলী বলেন, ‘আমার একটি হার্ভেস্টর, একটি ট্রাক্টর, ৩টি পাওয়ার টিলার, দুটি পাওয়ার স্প্রে ও একটি জমি চাষের আলাদা মেশিন আছে। এই ৮টি যন্ত্র ব্যবহার করতে প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ লিটার তেল লাগে। কিন্তু এখন একদিন পর দুইদিন পর পর ৫০-৬০ লিটার তেল দেয়। সেটা দিয়ে একদিন চালানোই কঠিন। খুব সমস্যার মধ্যে আছি।' আরেক কৃষক জাহিদুল ইসলাম ওরফে গাজর জাহিদ বলেন, ‌'তেল নিয়ে যেন তেলেসমাতি চলছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা তেল মজুত করে মুনাফা লুট করছে। আর সাধারণ কৃষক আমরা আবাদের জন্য তেল পাচ্ছি না। আমাদের কৃষিযন্ত্র গুলো বসে থাকছে। আবাদ বা ফসল কাটা মাড়াই বন্ধ হয়ে আছে। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, কিন্তু এভাবে চললে তো কৃষক বাঁচতে পারবে না। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত বলে জানান তিনি।' এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন বলেন, ‘তিনি (ময়েজ উদ্দিন) কৃষিমন্ত্রীর কথা বলে একজনকে ফোন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। ফোনের ওপার থেকে সমস্যা সমাধান করতে বলেছেন। আমরা সমস্য সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছি। তেল পাম্পগুলোর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিছু কৃষক তেল পেয়েছেন। আশা করছি আগামীকাল বুধবার থেকে সবাই তেল পাবেন।’ ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, ‘মূলত ঢোপে তেল নিতে গেলে মোটরসাইকেল চালকরা বঁধা দেন। এতে ভুল বোঝাবুঝি ও বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। তবে সমস্যা সমাধানে আমরা ইতোমধ্যে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছি। কৃষি বিভাগকে বিষয়টি তদারকির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাম্পমালিকদের সঙ্গেও কয়েকদফা বৈঠক করা হয়েছে। আশা করছি আর সমস্যা থাকবে না। পাবনা প্রতিনিধি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
তাইজুল ইসলাম

আমি শিক্ষিত না, আমাকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় করাবেন না: তাইজুল ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত

দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তেল বিক্রির অভিযোগ, যশোরে যুবদলের দুই নেতা বহিষ্কার

রাকিবুল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে শুধু এক স্ট্যাটাস: ঘণ্টাখানেকের মাথায় পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা!

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি রোববার রাতে সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে তৃতীয় দিনের মতো বৈঠক করে। ছবি: জাতীয় সংসদ
বিশেষ কমিটি যাচাই করলো অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩ অধ্যাদেশ, ১৪ থেকে ১৫টি বিষয়ে বিরোধী দলের ভিন্নমত

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করেছে। তবে এই অধ্যাদেশ পর্যালোচনার সময় ১৪ থেকে ১৫টি বিষয়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী সরকারি দলের সঙ্গে একমত হয়নি এবং তারা নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) জমা দিয়েছে।   রোববার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে তৃতীয় দিনের মতো বৈঠক করে বিশেষ কমিটি। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এতে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান ও জি এম নজরুল ইসলাম।   এছাড়া কমিটির আমন্ত্রণে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমানও বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে বক্তব্য দেন বিশেষ কমিটির সদস্য ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, অধ্যাদেশ যাচাইয়ের সময় সরকারি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কিছু বিষয়ে পাস করানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিরোধী সদস্যরা ১৪-১৫টি বিষয়ে একমত হয়নি।   রফিকুল ইসলাম খান জানান, বিশেষ কমিটি বৈঠকে মানবাধিকার কমিশন, পুলিশ কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার মতো সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সরকারি দল এগুলোকে দলীয়করণের চেষ্টা করছে। দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পর্কেও একই পরিস্থিতি, যেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে স্বাধীনতা সীমিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।   এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হয়েছে। সংবিধানে না থাকলে গণভোটের বৈধতা কীভাবে কার্যকর হবে?   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রতিটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেকগুলো অধ্যাদেশ সেভাবেই পাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সংশোধিত আকারে বিল আনা হবে। কিছু অধ্যাদেশের জন্য পরবর্তী অধিবেশনে বিল আকারে প্রণয়ন করা হবে। তিনি আরও জানান, নোট অব ডিসেন্ট যথাযথভাবে প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হবে এবং বিল আকারে উত্থাপনের সময় সংসদ সদস্যরা মতামত দিতে পারবেন।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে আর কোনো গণভোট হবে না। তাই এটাকে বিল আকারে আনা প্রয়োজন নেই। কমিটি আগামী ২ এপ্রিল সংসদে এই অধ্যাদেশ যাচাই সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতিমা তনি। ফাইল ছবি

লোন মওকুফ পেতে তনির ‘ভাঙচুর নাটক’? যা জানাল ফ্যাক্টচেকার

ফাইল ছবি।

‘প্রত্যেক নাগরিককে ২৫০০ টাকা বৈশাখী ভাতা’ দাবির সত্যতা যা জানা গেল

0 Comments