বরিশালে প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে শ্বাসরোধে হত্যা, প্রেমিক পলাতক
বরিশাল নগরের মুনসি গ্যারেজ এলাকায় প্রেমিকার বাড়িতে ডেকে এনে সানজিদা কবির অনিতা (২১) নামে এক কলেজছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম হিমুর (৩০) বাসা থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সানজিদা বরিশাল বিএম কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত হিমু পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সানজিদা ও হিমু একই এলাকায় বসবাসের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার সকালে বড় বোনের বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন সানজিদা। পরে তার ফোন বন্ধ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা লোকেশন ট্র্যাক করে হিমুর বাসায় গিয়ে সানজিদাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। সানজিদার পরিবারের দাবি, হিমু এর আগেও ঝালকাঠিতে আরেক প্রেমিকাকে হত্যা করেছিল এবং সেই মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।
অভিযুক্ত হিমুর মা জাহানারা বেগম জানান, সকালে সানজিদা তাদের বাসায় আসে এবং পরে ছেলের কক্ষে তার লাশ দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সে সময় হিমু বাসা থেকে পালিয়ে যায়। তবে কীভাবে এই মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেননি। ফরেনসিক দলের প্রাথমিক ধারণা, সানজিদাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, নিহত ছাত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালো দাগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে একে শ্বাসরোধে হত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করেছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বাংলাদেশ
View moreইরফানের মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও অস্পষ্টতা। তার স্ত্রী এথেনার আচরণ ও বিভিন্ন কার্যকলাপকে ঘিরে সন্দেহ তৈরি হওয়ার পর বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে। ইরফানের পরিবার ও বন্ধুদের উদ্যোগে তার মরদেহ দ্রুত দাফনের পরিবর্তে অটোপসি করার চেষ্টা করা হয়। তাদের প্রচেষ্টায় তড়িঘড়ি করে দাফনের উদ্যোগ রুখে দেওয়া সম্ভব হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সুরাহা হয়নি। এর মধ্যেই কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত বা ব্যাখ্যা ছাড়াই আজ ইরফানের জানাজা সম্পন্ন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে তার পরিবার, বন্ধু ও পরিচিতজনদের মধ্যে মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হওয়া প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। ইরফানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে অটোপসির ফলাফল ও সংশ্লিষ্ট তদন্তের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা তথ্যের ভিত্তিতে তার মৃত্যুকে ঘিরে কোনো নির্দিষ্ট কারণ বা কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
এক পরিবারের ৬ সন্তানই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে! বাবার ত্যাগের অনন্য গল্প
সিডনির ক্যামডেন কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র হলেন বাংলাদেশি এলিজা
বজ্রপাতে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাসার গ্যাস লাইনে আগুন
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সফর উপলক্ষে ২৫ সেপ্টেম্বর নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের ম্যারিয়ট মারকুইজ হোটেলে এ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই ভাষণকে বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্যাদার বলে মনে করা হচ্ছে। এর একটি বিশেষ কারণও রয়েছে—তারেক রহমানের ভাষণ দেওয়ার সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। দীর্ঘ ৪০ বছর পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সভাপতিত্ব করছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠকের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়নি। জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের এক কূটনীতিক আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাদের দুজনের সাক্ষাৎ হতে পারে। এদিকে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রধানমন্ত্রীর কয়েকটি কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে। তবে সেসব কর্মসূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন নিয়ে বিএনপির সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের (জেবিবিএ) সভাপতি গিয়াস আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরকে ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাঁর সফরকে স্মরণীয় করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। এদিকে নিউইয়র্কের ম্যারিয়ট মারকুইজ হোটেলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু। ২৫ সেপ্টেম্বরের এই আয়োজনকে ঘিরে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
১০৪ বছর বয়সেও রেহাই নেই, দুই যুগের পুরোনো মামলায় কারাগারে নুর মোহাম্মদ
সাগর রুনি হত্যা মামলায় সাড়ে ১৩ বছর কারাগারে! পাগল হয়ে গেছেন এনামুল
ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলা, জানা গেল হামলাকারীর পরিচয়, আত্মগোপনে স্বজনেরা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে ভ্রমণ না করতে নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। ইসরায়েল ও ইরান, হিজবুল্লাহ ও হামাসের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বিদেশে ইসরায়েলি ও ইহুদিদের ওপর হামলার ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হালনাগাদ নিরাপত্তা মূল্যায়নে বাংলাদেশকে উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোর তালিকায় রাখা হয়েছে। একই তালিকায় রয়েছে সোমালিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, লিবিয়া ও আলজেরিয়া। এসব দেশে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। তবে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল জানিয়েছে, এই মূল্যায়ন নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি নয়। বরং বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি ও ইহুদিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি সম্পর্কে নাগরিকদের সতর্ক করতে এটি প্রকাশ করা হয়েছে। মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরান ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলো বিদেশে ইসরায়েলি ও ইহুদিদের জন্য সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। হামাসও ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে ইসরায়েলি ও ইহুদিদের লক্ষ্য করে হামলার সক্ষমতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। আগামী অক্টোবর মাসে ৭ অক্টোবরের হামলার তৃতীয় বার্ষিকী ঘিরে বিভিন্ন দেশে বড় ধরনের বিক্ষোভ হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এসব বিক্ষোভের কিছু সহিংস রূপ নিতে পারে এবং একই সময়ে ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে হামলার আশঙ্কাও বাড়তে পারে বলে মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া জর্ডান, কাতার, সোমালিল্যান্ড ও মিসর, বিশেষ করে সিনাই উপদ্বীপে, সর্বোচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় ইসরায়েলিদের ভ্রমণ না করতে এবং অবস্থান করলে সরে যেতে বলা হয়েছে। ইরাক, ইয়েমেন, ইরান, সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ আইনগতভাবেই নিষিদ্ধ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত ইসরায়েলিদের প্রকাশ্যে ইসরায়েলি বা ইহুদি পরিচয়ের চিহ্ন প্রদর্শন না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ না করা, বিক্ষোভ এড়িয়ে চলা এবং সিনাগগ, কোশার রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ইহুদি সমাবেশস্থলের আশপাশে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জেদ্দা বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত
সাফারি পার্ক থেকে চুরি হওয়া লেমুর দেখা গেলো গুজরাটে আম্বানির চিড়িয়াখানায়!