আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী: তেলের দাম ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বৃহস্পতিবার জানান, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম। এ মন্তব্য তিনি এমন সময়ে করলেন যখন ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক সংঘাত তীব্র হতে পারে, যা তেলের বাজারকে অস্থির করতে পারে।'

 

রাইট মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, “এ ধরনের পরিস্থিতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে আমাদের এখন মনোযোগ সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং সমস্যার সমাধানের দিকে বেশি।”

 

এর আগে বুধবার ইরানের সামরিক বাহিনী খাতামুল আম্বিয়ার মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, যুদ্ধ চলতে থাকলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

 

এছাড়া ক্রিস রাইট আরেকটি সাক্ষাত্কারে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজ পারাপারে পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারছে না, তবে চলতি মাসের শেষ নাগাদ এটি সম্ভব হওয়ার “বেশ সম্ভাবনা” রয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়ায় এই জলপথে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্ববাজারের তেল ও শেয়ারবাজারকে আরও অস্থির করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে আংশিকভাবে পুনরায় চালু অ্যাসাইলাম - কারা পাবেন সুযোগ?

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় এসাইলাম আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর দেশটি আবার সীমিত পরিসরে কিছু আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। নিউজ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   এর আগে, গত নভেম্বরে এক আফগান অভিবাসীর গুলিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হন এবং তাঁদের মধ্যে একজন পরে মারা যান। এই ঘটনার পরই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে প্রায় সব অ্যাসাইলাম আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেয়।   ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস জানিয়েছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন শুধুমাত্র যেসব দেশকে “কম ঝুঁকিপূর্ণ” হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, সেসব দেশের আবেদনকারীদের মধ্য থেকে সীমিত আকারে আবেদন গ্রহণ করা হবে। তবে প্রতিটি আবেদনকারীকেই কঠোর নিরাপত্তা যাচাই এবং অতীত ইতিহাস (ব্যাকগ্রাউন্ড চেক) প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।   যদিও কোন কোন দেশ এই “কম ঝুঁকিপূর্ণ” তালিকায় রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি। তবে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বা অন্যান্য বিধিনিষেধের আওতায় আছে, সেসব দেশের নাগরিকদের আবেদন আপাতত গ্রহণ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।   অন্যদিকে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে অভিবাসী ভিসা (ইমিগ্র্যান্ট ভিসা) প্রক্রিয়া চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে স্থগিত রয়েছে। এই সিদ্ধান্ত মূলত স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের উদ্দেশ্যে যাওয়া আবেদনকারীদের জন্য প্রযোজ্য—যেমন পারিবারিক বা চাকরিভিত্তিক ভিসা। তবে এটি অ্যাসাইলাম প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, কারণ আশ্রয় একটি আলাদা আইনি ব্যবস্থা।   বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে অ্যাসাইলাম আবেদন বর্তমানে গ্রহণ করা হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, কোনো দেশ যদি নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে, তাহলে সেই দেশের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। তবে বাংলাদেশ এই তালিকায় পড়বে কি না, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।   উল্লেখ্য, ওই হামলার ঘটনার পর প্রশাসন আগের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে এবং আরও কঠোর অভিবাসন নীতি চালু করে। এর ফলে অ্যাসাইলাম আবেদন প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে আরও কিছু দেশকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হয়। সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকা দেশগুলোর আবেদনকারীরা আবার আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পারবেন। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর থাকবে এবং অনুমোদন পাওয়া এখনও কঠিন হতে পারে।   এছাড়া, নতুন নিয়ম অনুযায়ী আশ্রয়প্রার্থীদের আরও বেশি যাচাই-বাছাইয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকাকালে তাঁদের কাজের সুযোগেও কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি শহরে অভিবাসন আইন প্রয়োগও জোরদার করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রভাব ফেলতে পারে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত

হত্যাকাণ্ড-আত্মহত্যা সন্দেহ, নিউ ইয়র্কের অ্যাপার্টমেন্টে গুলিতে তরুণ দম্পতির মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত।

৪ ডলারের গণ্ডি পাড়, জ্বালানির দামে নতুন রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধ কি শেষ হচ্ছে? জাতির উদ্দেশে ট্রাম্পের ভাষণে নতুন যে বার্তা আসছে

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সেই মুহূর্ত কি তবে এসেই গেল? ইরান ও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতির উদ্দেশে ভাষণকে ঘিরে যখন যুদ্ধের অবসানের গুঞ্জন তুঙ্গে, ঠিক তখনই পাওয়া গেল এক ভিন্ন ইঙ্গিত।  মঙ্গলবার রাত থেকেই গুঞ্জন ছিল যে, ট্রাম্প সম্ভবত যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। তবে হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ সূত্র এবং প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক অবস্থান বলছে অন্য কথা। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প এখনই যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটছেন না। বরং যুদ্ধের সময়সীমা আরও কয়েক সপ্তাহ বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ট্রাম্পের এই ভাষণের মূল সুর হতে পারে 'সাময়িক কষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদী প্রাপ্তি'। তিনি আমেরিকান পরিবারগুলোর ওপর যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট আর্থিক চাপের বিষয়টি স্বীকার করবেন, বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে জনগণের উদ্বেগের সাথে সহমর্মিতা জানাবেন। তবে তার যুক্তির কেন্দ্রে থাকছে একটিই লক্ষ্য—একটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী ইরানকে রুখে দেওয়া। ট্রাম্পের মতে, বর্তমানের এই অর্থনৈতিক টানাপোড়েন দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।  সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, এই যুদ্ধের প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন বেশ কম এবং ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার রেটিংও নিম্নমুখী। এমতাবস্থায়, আমেরিকান জনগণের সমর্থন পুনরুদ্ধারের শেষ চেষ্টা হিসেবেই তিনি এই ভাষণকে ব্যবহার করতে চাইছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । ছবি: রয়টার্স ফাইল ছবি

ইরান যুদ্ধে সহযোগিতা না পেয়ে কয়েকটি দেশের ওপর খেপেছেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ন্যাটোর সাথে কি সম্পর্ক ছিন্ন করছে যুক্তরাষ্ট্র? ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড়

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন পাইলটদের ঘাঁটিতে বিধ্বংসী হামলা ইরানের, একাধিক যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

ছবি: সংগৃহীত
যুদ্ধক্ষেত্রে গতি আনতে ড্রোন মার্কেটপ্লেস চালু করছে মার্কিন সেনাবাহিনী

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন প্রযুক্তির গুরুত্ব বাড়তে থাকায় সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে মার্কিন সেনাবাহিনী। এ লক্ষ্যে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন-এর সঙ্গে যৌথভাবে একটি ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   এই প্রকল্পে অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা ইউনিট অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস এবং আর্মি এন্টারপ্রাইজ ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি একসঙ্গে কাজ করছে। ‘ইউএএস মার্কেটপ্লেস’ নামে এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট, সরকারি অংশীদার এবং মিত্রদেশগুলো সহজেই ড্রোন প্রযুক্তি সংগ্রহ করতে পারবে।   প্ল্যাটফর্মটিতে ব্যবহারকারীরা যাচাইকৃত ড্রোন সিস্টেমগুলোর তুলনা করতে পারবেন, সরাসরি অর্ডার দিতে পারবেন এবং ব্যবহারের পর মতামত ও রেটিং প্রদান করতে পারবেন—যা অনেকটা অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্মের অভিজ্ঞতার মতো।   মার্কিন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই উদ্যোগ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়াবে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করবে। ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।   সেনাবাহিনীর সরঞ্জাম সংগ্রহ–বিষয়ক প্রধান ব্রেন্ট ইনগ্রাম বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে প্রবেশের বাধা কমিয়ে উদ্ভাবকদের সঙ্গে অংশীদারত্ব বাড়ানো হচ্ছে, যাতে দ্রুত ও কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়।   এ ছাড়া ইউএএস প্রকল্প ব্যবস্থাপক কর্নেল ড্যানিয়েল মেদাগ্লিয়া জানান, এই প্ল্যাটফর্ম প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে। এর ফলে সেনারা তাদের মিশনের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি দ্রুত পাবে।   সাধারণত নতুন সামরিক প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও বাজেট অনুমোদনের ধাপ অতিক্রম করতে হয়। নতুন এই ডিজিটাল উদ্যোগ সেই জটিলতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্ল্যাটফর্ম শুধু ড্রোন সংগ্রহ ব্যবস্থাকে আধুনিক করবে না, ভবিষ্যতের যুদ্ধ কৌশলেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি

ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জ’ চেষ্টায় ২৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয়: ট্রাম্পের নীতির সমালোচনায় নিউইয়র্কের মেয়র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই ইরান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত।

স্ক্রিনিং পদ্ধতিতে বড় ফাঁক শনাক্ত, ভিসা প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

0 Comments