বিশ্ব

আন্তর্জাতিক বাজারে কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেলেও যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলছে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী দর। সব রেকর্ড ছাড়িয়ে দেশটিতে বর্তমানে প্রতি গ্যালন রেগুলার গ্যাসোলিনের গড় দাম ৪.১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। 


অথচ ইরান যুদ্ধের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর খবরে বুধবার তেলের দাম ব্যাপক কমেছিল।


আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন (AAA)-এর তথ্যমতে, মার্কিন বেঞ্চমার্ক ডব্লিউটিআই-এর দাম বুধবার ১৬.৪% এবং গ্লোবাল বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ১৩.৩% হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু খুচরা বাজারে এর সুফল মিলছে না। উল্টো বৃহস্পতিবার থেকে তেলের দাম আবারও কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে, কারণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি।


বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণ মানুষের জন্য সুখবর আসতে আরও সময় লাগবে। যদিও খুচরা বাজারে দাম দিনে এক-দুই সেন্ট করে কমতে পারে, তবে গড় দাম ৪ ডলারের নিচে নামতে অন্তত এক থেকে দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। আর যুদ্ধপূর্ববর্তী ৩ ডলারের নিচে ফিরতে সময় লেগে যেতে পারে কয়েকমাস। উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটিতে তেলের দাম গ্যালন প্রতি ১.১৮ ডলার বা প্রায় ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধে বিল পাশ করাচ্ছেন  বার্নি স্যান্ডার্স
ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধে বিল পাশ করাচ্ছেন বার্নি স্যান্ডার্স

ইসরায়েলে আমেরিকার পক্ষ থেকে দেওয়া সব ধরনের সামরিক সহায়তা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবিতে আগামী সপ্তাহে একটি বিশেষ প্রস্তাব পেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। গত বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান এবং একই সাথে ইরান যুদ্ধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কঠোর সমালোচনা করেন। স্যান্ডার্স দাবি করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মূলত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্ররোচিত করে এই বিপর্যয়কর যুদ্ধে টেনে এনেছেন যা আমেরিকার জাতীয় স্বার্থের জন্য কোনোভাবেই কাম্য ছিল না। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট করে বলেন যে, ইসরায়েলকে আর কোনোভাবেই আমেরিকার সামরিক ও পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করার সুযোগ দেওয়া যায় না এবং যুদ্ধের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির দায়ভার তাদেরই নিতে হবে। স্যান্ডার্স তার দীর্ঘদিনের অবস্থানে অনড় থেকে জানান যে, ফিলিস্তিন ও মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য আমেরিকা আর অন্ধভাবে অস্ত্রের যোগানদাতা হিসেবে কাজ করতে পারে না। তিনি মনে করেন যে, গাজা ও ইরানের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে আমেরিকার ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং এর জন্য মূলত ওয়াশিংটনের একতরফা অস্ত্র সরবরাহকেই দায়ী করা হচ্ছে। আমেরিকার বেশ কয়েকজন ক্ষমতাধর নীতিনির্ধারক অনেক দিন ধরেই দাবি করে আসছিলেন যে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করা হোক যাতে করে এই ভয়াবহ সংঘাত আর বেশি দীর্ঘস্থায়ী না হয়। বার্নি স্যান্ডার্স অনেক দিন ধরেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার রয়েছেন এবং বর্তমান ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে তিনি মানবসভ্যতার জন্য এক বড় বিপর্যয় হিসেবে দেখছেন। তিনি আরও বলেন যে, ইসরায়েলের ওপর এই অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমাতে না পারলে আমেরিকার সেনাবাহিনী আগামীতে আরও বড় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সংকটে পড়তে পারে যা নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব হবে। নেতানিয়াহু সরকার ও ট্রাম্প প্রশাসনের এই যুদ্ধংদেহী মনোভাবের কারণে আমেরিকার সাধারণ করদাতাদের অর্থের বিশাল অপচয় হচ্ছে বলে তিনি তার বিবৃতিতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রতিটি স্তরে। আগামী সপ্তাহে সিনেটে এই বিশেষ প্রস্তাবটি পেশ করার পর সেখানে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক হতে পারে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন কারণ রিপাবলিকানরা এর ঘোর বিরোধী। যদি স্যান্ডার্সের এই প্রস্তাব কোনোভাবে পাস হয় তবে তা মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার দীর্ঘদিনের রণকৌশলকে আমূল বদলে দিতে পারে এবং ইসরায়েলের ওপর এক বিশাল আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করবে। বর্তমানে আমেরিকার রাজনৈতিক মহলে এই বিষয়টি নিয়ে বিশাল মেরুকরণ দেখা দিয়েছে যেখানে সাধারণ মানুষও যুদ্ধের বিরুদ্ধে ধীরে ধীরে রাজপথে নেমে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছে। স্যান্ডার্স বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, অস্ত্র পাঠানোর মাধ্যমে এই অসম যুদ্ধের অংশীদার হওয়া আমেরিকার জন্য এক ঐতিহাসিক ভুল হিসেবে বিবেচিত হবে যা দ্রুত সংশোধন করা জরুরি। সব মিলিয়ে আগামী সপ্তাহের এই প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে হোয়াইট হাউসের ভেতরে এবং বাইরে এক নতুন ধরনের রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘাত তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এখন।  

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
দীর্ঘ ৪০ দিন শেষে খুলে দেওয়া হলো পবিত্র আল-আকসা মসজিদের সব কটি প্রবেশদ্বার

দীর্ঘ ৪০ দিন শেষে খুলে দেওয়া হলো পবিত্র আল-আকসা মসজিদের সব কটি প্রবেশদ্বার

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খতিবজাদেহ।

মার্কিন চাপ বন্ধ হলে হরমুজ প্রণালি খুলবে: ইরান

ছবি: সংগৃহীত।

আন্তর্জাতিক বাজারে কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

নেতানিয়াহুই ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে প্ররোচিত করেছিলেন। কিন্তু সেই ইসরায়েলকেই এখন এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির নিছক দর্শক হয়ে থাকতে হচ্ছে । ছবি: এএফপি
যুদ্ধবিরতির টেবিলে একা নেতানিয়াহু? মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের নিয়েই চাপে ট্রাম্প

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের টানটান উত্তেজনার মধ্যে হঠাৎ করে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা নতুন এক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা সামনে এনেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা শুধু সংঘাত থামানোর উদ্যোগ নয়, বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘প্রস্থান কৌশল’ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে সম্ভাব্য ভয়াবহ হামলার ইঙ্গিত দিলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতায় রাজি হয় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার টেবিলে এবার তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে তেহরান।   এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদের অবস্থান। বিশেষ করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সমঝোতায় সরাসরি অংশ না থাকায় কার্যত ‘দর্শক’ হয়ে পড়েছেন। যদিও তিনি শুরু থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক অবস্থানের পক্ষে ছিলেন।   পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ইসলামাবাদ-এ। তবে এই আলোচনায় ইসরায়েল বা উপসাগরীয় দেশগুলোর অনুপস্থিতি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—যুক্তরাষ্ট্র কি তার ঐতিহ্যগত মিত্রদের পাশ কাটিয়ে নতুন কৌশলে এগোচ্ছে?   এদিকে ইরান যুদ্ধের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি-এর ওপর নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ফলে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্নে তেহরান এখন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।   বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির ফলে সাময়িকভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ধাক্কা থেকে রক্ষা পেলেও মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ইসরায়েলসহ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্ররা এখন নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে তাদের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম দৃশ্যমান।   উপসাগরীয় দেশগুলোও এই পরিস্থিতিতে নতুন করে কৌশল নির্ধারণে বাধ্য হচ্ছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কায় তারা হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করবে, আবার অন্যদিকে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষায় নতুন সমীকরণ খুঁজবে।   সব মিলিয়ে বর্তমান যুদ্ধবিরতি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। বরং এটি একটি পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও তাদের মিত্রদের সম্পর্ক নতুনভাবে গড়ে উঠতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর তেহরানের একটি রাস্তায় লোকজন চলাচল করছে । ছবি: রয়টার্স

চুক্তি ভাঙলে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের, ইরানের আশপাশে মার্কিন বাহিনী মোতায়েন

ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ এসলামি

পারমাণবিক বোমা বানানোর কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ইরানের

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান । ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তানের পথে ইরানি প্রতিনিধিদল

ছবি: সংগৃহীত।
পাসপোর্টের র‍্যাঙ্কিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলল কানাডা; নাগরিকত্বের সুযোগ পাচ্ছেন লাখো আমেরিকান

বর্তমান বিশ্বে পাসপোর্টের শক্তিমত্তার বিচারে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সাক্ষী হলো উত্তর আমেরিকা। দীর্ঘ কয়েক দশকের আধিপত্য ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী নীল পাসপোর্টকে পেছনে ফেলে দিয়েছে কানাডিয়ান পাসপোর্ট। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের সর্বশেষ ‘হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স’ (Henley Passport Index) অনুযায়ী, বৈশ্বিক ভ্রমণের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে কানাডা এখন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে। র‍্যাঙ্কিংয়ের চিত্র: সর্বশেষ তথ্যমতে, কানাডিয়ান পাসপোর্ট বর্তমানে বিশ্বের সপ্তম শক্তিশালী পাসপোর্ট হিসেবে অবস্থান করছে। এই পাসপোর্টের অধিকারীরা বিশ্বের ১৮২টি গন্তব্যে কোনো পূর্ব ভিসা ছাড়াই (ভিসা-মুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল ভিসা) ভ্রমণ করতে পারছেন। অন্যদিকে, এক সময়ের শীর্ষস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্ট এখন দশম স্থানে নেমে এসেছে, যার মাধ্যমে ১৭৯টি গন্তব্যে ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার মিলছে। কেন এই পরিবর্তন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে কানাডার সফল কূটনৈতিক তৎপরতা এবং বিভিন্ন দেশের সাথে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি এই উত্থানে বড় ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের শুরুর দিকে চীনের পক্ষ থেকে কানাডিয়ানদের জন্য ৩০ দিনের ভিসা-মুক্ত সুবিধা প্রদান কানাডাকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছে, যা এখনো অনেক মার্কিন নাগরিকের জন্য অধরা। আমেরিকানদের জন্য সুখবর: এই র‍্যাঙ্কিং পরিবর্তনের পাশাপাশি একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। বর্তমানে লাখ লাখ আমেরিকান নাগরিক চাইলেই শক্তিশালী কানাডিয়ান পাসপোর্টের মালিক হতে পারেন। কানাডার নতুন নাগরিকত্ব আইন (Bill C-3) অনুযায়ী, বংশসূত্রে নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে পূর্বের ‘প্রথম প্রজন্ম’ বা ফার্স্ট জেনারেশন সীমাবদ্ধতা তুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যেসব আমেরিকান নাগরিকের বাবা-মা, দাদা-দাদি বা পূর্বপুরুষ কানাডিয়ান ছিলেন, তারা খুব সহজেই কানাডার নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ার জন্য কোনো পরীক্ষা বা কানাডায় বসবাসের বাধ্যবাধকতা নেই। শুধুমাত্র বংশগত প্রমাণপত্রের মাধ্যমেই তারা এই শক্তিশালী পাসপোর্টটি পেতে পারেন। অতিরিক্ত সুবিধা: কানাডিয়ান পাসপোর্টধারী হলে কেবল ভ্রমণ সুবিধাই নয়, বরং 'ইন্টারন্যাশনাল এক্সপেরিয়েন্স কানাডা' (IEC) প্রোগ্রামের আওতায় তরুণরা বিশ্বের ৩৬টি দেশে কাজ করার সুযোগ পাবেন। যেখানে মার্কিন পাসপোর্টধারীরা মাত্র ৬টি দেশে এই ধরণের সুবিধা পান।বিশ্বজুড়ে সীমান্ত নীতি যখন কঠোর হচ্ছে, তখন কানাডার এই অগ্রগতি দেশটির বৈশ্বিক মর্যাদা ও এর নাগরিকদের অবাধ চলাচলের সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করল।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
মঙ্গলবার বুদাপেস্টে ‘হাঙ্গেরীয়-মার্কিন মৈত্রী দিবস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান করমর্দন করছেন।

ইউরোপে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্রকে হারাতে যাচ্ছেন ট্রাম্প!

ছবি: সংগৃহীত।

ফাঁসির মঞ্চে ফিলিস্তিনি শিশুরা: ইসরায়েলের নতুন ‘জল্লাদ আইন’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

আসামে ১২৬টি, কেরালায় ১৮০টি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ১৩০টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে।

আসাম, কেরালা এবং পুদুচেরিতে ভোটগ্রহণ শুরু

0 Comments