আজ রাত থেকেই সোনালী ব্যাংকের এটিএমসহ সব ডিজিটাল লেনদেন বন্ধ, ভোগান্তির আশঙ্কা
সোনালী ব্যাংকের এটিএম, কার্ড ও ডিজিটাল ব্যাংকিংসহ সব ধরনের আর্থিক লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোর ব্যাংকিং সিস্টেম আধুনিকায়নের কাজের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এই অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে শনিবার, ১৭ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এসব সেবা বন্ধ থাকার কথা জানিয়েছে জাগো নিউজ ২৪।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বুধবার জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে অনলাইন ব্যাংকিং, এটিএম বুথ, কার্ড সার্ভিস ও ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকেরা লেনদেন করতে পারবেন না।
এই সিদ্ধান্তের কারণে যেসব গ্রাহক নিয়মিত এটিএম থেকে টাকা তোলেন, কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন কিংবা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করেন, তাঁদের সাময়িক অসুবিধায় পড়তে হতে পারে। বিশেষ করে জরুরি বিল পরিশোধ, ব্যবসায়িক লেনদেন ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যাংকিং সেবার ওপর নির্ভরশীল গ্রাহকদের আগেভাগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সিস্টেম আধুনিকায়নের উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নত করা এবং ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা। তবে সেবা পুনরায় চালুর নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে নেই।
জাগো নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ প্রয়োজনে ১৭ অক্টোবর শনিবার সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের স্বাভাবিক লেনদেন চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। তবে সোনালী ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা বন্ধ থাকার নির্দিষ্ট সময়সীমা আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রাহকদের তাই জরুরি নগদ অর্থের প্রয়োজন থাকলে আগেই পরিকল্পনা করা, লেনদেনের বিকল্প ব্যবস্থা যাচাই করা এবং ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সেবা চালুর সময়সূচিতে পরিবর্তন এলে ব্যাংক বা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরবর্তী ঘোষণাই হবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বাংলাদেশ
View moreবরিশালের মুলাদী উপজেলায় মাদক ও জুয়ার আসর বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর হামলার শিকার হয়ে মারা গেছেন শুক্কুর আলী ব্যাপারী (৪০) নামে বিএনপির এক নেতা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোররাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, মাদক, জুয়া ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের উদ্যোগ নেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। নিহত শুক্কুর আলী ব্যাপারী বরিশালের মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের চরধলেশ্বর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আব্দুস ছত্তার ব্যাপারী। তিনি গাছুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ছিলেন। তিনি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শরীয়ত উল্লাহর ভাতিজা বলেও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার আগে মঙ্গলবার ডুমুরীতলা লঞ্চঘাট এলাকায় মাদকের আড্ডা, জুয়া খেলা এবং নয়াভাঙনী নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেন শুক্কুর আলী। স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসব কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের অভিযোগ, এর জের ধরে বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে গাছুয়া ইউনিয়নের ডুমুরীতলা ফরাজী বাড়ি লঞ্চঘাট এলাকায় সালাউদ্দীনের দোকানে চা পান করার সময় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। নিহতের বাবা আব্দুস ছত্তার ব্যাপারী অভিযোগ করেছেন, রহমত ফরাজী, বারেক ফরাজী, মুজাম্মেল ফরাজীসহ কয়েকজন তাঁকে মারধর করেন। হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন শুক্কুর আলীকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে বৃহস্পতিবার ভোররাত ৪টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বারেক ফরাজী। আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, লঞ্চঘাট এলাকার দোকানের সামনে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছিল। শুক্কুর আলীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি। মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার মো. সোহেল রানা জানিয়েছেন, মারধরের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ অবগত রয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে মাদক ও জুয়ার আসর এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগের পাশাপাশি স্থানীয় বিরোধ ও সহিংসতার বিষয়টিও সামনে এসেছে। তবে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধের ঘোষণা দেওয়াই হত্যার কারণ ছিল কি না, তা তদন্ত ও প্রমাণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও আইনগত প্রক্রিয়ায় যাচাই করা জরুরি।
আজ রাত থেকেই সোনালী ব্যাংকের এটিএমসহ সব ডিজিটাল লেনদেন বন্ধ, ভোগান্তির আশঙ্কা
১৮ বছরে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি, দেউলিয়া থেকে ২৪ বিলিয়ন ডলারের এয়ারট্রাঙ্ক গড়লেন রবিন
উৎপাদন বাড়লেও কৃষকের লাভ নেই, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে জোর দিলেন রাষ্ট্রপতি
নরসিংদীর রায়পুরায় বাড়িতে নেশার টাকার জন্য ভাঙচুরের অভিযোগের পরদিন সকালে তারেক মিয়া (২৮) নামে এক যুবকের র ক্তাক্ত ম রদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চণ্ডিকান্দি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকা থেকে তাঁর ম রদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর বাবা আলিউর রহমান পলাতক রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারেক মাদকাসক্ত ছিলেন। তিনি আগে মালয়েশিয়ায় থাকতেন। সেখানে মাদক সেবনের অভিযোগে দেশটির পুলিশ তাঁকে আটক করার পর দেশে ফেরত পাঠায় বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা। প্রায় আড়াই বছর আগে দেশে ফেরার পরও তিনি মাদক সেবন অব্যাহত রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক কেনার টাকার জন্য তারেক প্রায়ই মা-বাবার কাছে টাকা চাইতেন। টাকা না পেলে তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন এবং মা-বাবার ওপর চড়াও হতেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এ নিয়ে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে অশান্তির মধ্যে ছিল বলেও তাঁদের দাবি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বুধবার রাতে নেশার টাকার জন্য তারেক বাড়িতে ভাঙচুর করেন। এ সময় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাঁর বাবা আলিউর রহমান তারেকের হাত-পা বেঁধে বাড়ির পেছনের একটি গোয়ালঘরে নিয়ে যান বলে স্থানীয়দের দাবি। সেখানে ধারালো দা দিয়ে তাঁকে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ঘটনাস্থলেই তারেকের মৃ ত্যু হয় বলে জানান তাঁরা। চণ্ডিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুর রশিদ জানান, তারেকের আচরণ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় ছিলেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তাঁর ধারণা, ছেলের সঙ্গে বিরোধের জেরেই বাবা এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে পুলিশের তদন্ত প্রয়োজন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ম রদেহ উদ্ধার করে। রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক মোস্তফা কামাল জানান, তারেকের মাথা ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি দাও উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ম রদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে তারেকের বাবা আলিউর রহমান পলাতক রয়েছেন। তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগের বাইরে ঘটনার বিস্তারিত কারণ এবং কীভাবে তারেকের মৃ ত্যু হয়েছে, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আরও স্পষ্ট হবে।
অভাব মেটাতে কিডনি বিক্রি, এরপর ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রে প্তার
ইসরায়েলের আকাশসীমায় ফ্লাইট পরিচালনায় বাংলাদেশি পাইলট ও কেবিন ক্রুদের ওপর নতুন বিধিনিষেধ
সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইটে বিঘ্ন, বাংলাদেশে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৫ হাজার ৭৭৯ যাত্রী
ঢাকার মোহাম্মদপুরের ১০০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুস্বাস্থ্য হাসপাতালে দুই কন্যাসন্তানের জন্মের সময় প্রসবসংশ্লিষ্ট টিকিট বাবদ মোট ৭৫ টাকা খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্কুলশিক্ষক নাজমুন নাহার। প্রথম সন্তানের জন্মের সময় ১০ টাকা এবং দ্বিতীয় সন্তানের সময় জরুরি সেবার টিকিটে ৬৫ টাকা দিয়েছেন তিনি। দুবারই স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে এবং এক রাত হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরেছেন। ১৪ অক্টোবর প্রথম আলোয় প্রকাশিত নিজের অভিজ্ঞতাভিত্তিক লেখায় নাজমুন জানান, তাঁর প্রথম কন্যার জন্ম হয় ২০২১ সালের শুরুর দিকে। দ্বিতীয় কন্যার জন্ম হয় ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। হাসপাতালটি মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার নামেও পরিচিত। নাজমুনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম গর্ভাবস্থায় তিনি কয়েকজন চিকিৎসকের প্রাইভেট চেম্বারে গিয়েছিলেন। সেখানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার অভিজ্ঞতার পর গর্ভাবস্থার মাঝামাঝি সময়ে বাড়ির কাছের এই সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে শুরু করেন। হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, চিকিৎসাকর্মীদের সহযোগিতা এবং মিডওয়াইফদের দক্ষতার প্রশংসা করেছেন তিনি। দুই সন্তানের জন্মের সময়ই প্রসবে জটিলতা ছিল না বলে জানান নাজমুন। তাঁর বর্ণনায়, মিডওয়াইফরাই প্রসবের দায়িত্ব পালন করেন। সন্তান জন্মের পর দুবারই রাতটুকু হাসপাতালে থেকে পরদিন বাড়ি ফেরেন তিনি। প্রসবসংশ্লিষ্ট ৭৫ টাকার বাইরে দুই সন্তানের জন্য হাসপাতাল থেকে জন্মসনদ নিতে আরও মোট ২০০ টাকা খরচ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন এই শিক্ষিকা। ফলে তাঁর উল্লেখ করা ৭৫ টাকা জন্মসনদসহ সব খরচের হিসাব নয়, দুইবারের প্রসবসংশ্লিষ্ট টিকিটের খরচ। তাঁর লেখায় আরও বলা হয়েছে, হাসপাতালে কোনো ওষুধ সরবরাহ না থাকলে তা বাইরে থেকে কিনতে হয় এবং সেই ব্যয় রোগীকেই বহন করতে হয়। তাই ৭৫ টাকার হিসাবটি তাঁর নিজের দুটি জটিলতাহীন স্বাভাবিক প্রসবের অভিজ্ঞতা, সব রোগীর চিকিৎসার নির্ধারিত মোট খরচ হিসেবে তা ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। সূত্র: প্রথম আলো
এআই দিয়ে মিথ্যা কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ারকারী, উভয়ই অপরাধী: মেহজাবীন চৌধুরী
বোনের পুরোনো বোরকা থেকে সুপারহিরোর পোশাক, ভাইরাল সিরাজগঞ্জের ‘বাংলার ক্রিশ’