‘আমার তিন বোনের পাঁচ–ছেলে মেয়ে মা রা গেছে, ওরা ৯ জন বেড়াতে এসেছিল’
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার, ১৭ অক্টোবর সকালে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন পাটুয়ারটেক সৈকত এলাকার রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। নিহতদের মধ্যে শিশু ও পরস্পরের স্বজন রয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের বরাতে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, তিনতলা কাঠের রিসোর্টটিতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহাদ জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে তাঁর চারজন মেয়ে কাজিন, একজন ছেলে কাজিন এবং এক কাজিনের ছোট সন্তান রয়েছে। আরও দুজন নিহত ব্যক্তিও তাঁদের আত্মীয় বলে তিনি জানান।
আহাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের পরিবারের আহত তিনজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বেড়াতে আসা স্বজনদের একসঙ্গে হারানোর ঘটনায় পরিবারটি শোকের মধ্যে পড়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্টটির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ জানিয়েছেন, রিসোর্টটির ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স ছিল না। গত জুনে পরিদর্শনের পর সেটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সতর্কতামূলক নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও কার্যক্রম চলছিল।
আগুনের কারণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
সূত্র: প্রথম আলো
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বাংলাদেশ
View moreজাতীয় সংসদের সরকারদলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, নারীদের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ফলে পরিবারে নারীর আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী হচ্ছে এবং তালাকের প্রবণতা বন্ধ হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যের মূল কথা হলো, স্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা পাওয়ায় স্বামীর পক্ষে তাঁকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া আগের মতো সহজ থাকছে না। সভায় চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মায়েদের নামে ফ্যামিলি কার্ড চালুর মাধ্যমে তাঁদের শক্তিশালী করেছেন। তিনি এ উদ্যোগকে সরকারের ইতিবাচক কাজ হিসেবে তুলে ধরে গণমাধ্যমকে এ ধরনের কর্মসূচির সুফল মানুষের সামনে বারবার তুলে ধরার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যে ফ্যামিলি কার্ডকে শুধু আর্থিক সহায়তার মাধ্যম নয়, পারিবারিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন একটি কর্মসূচি হিসেবেও উপস্থাপন করা হয়েছে। সরকারের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বাড়ানো, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সহায়তা দেওয়া এবং সামাজিক সুরক্ষার আওতা সম্প্রসারণ করা। ৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে সরকার উপকারভোগী নির্বাচন ও তথ্যভান্ডার তৈরির কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ১২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। এ কাজে ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন তদারককারী নিয়োজিত থাকার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে প্রায় সাড়ে চার কোটি পরিবারের তথ্যভান্ডার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্য থেকে আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে যোগ্য পরিবার নির্বাচন করার কথা বলা হয়েছে। সরকারের ঘোষণায় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীর হাতে আর্থিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রীও জানিয়েছেন, সুবিধার অর্থ যেন পরিবারের নারীর হাতেই থাকে এবং উপকারভোগী নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব বা স্বজনপ্রীতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক তদারকি রাখা হবে। তবে এই নীতির বাস্তব প্রয়োগে নারীরা কতটা আর্থিক স্বাধীনতা পাচ্ছেন, তা জানতে কর্মসূচির ফলাফল ও উপকারভোগীদের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তবে চিফ হুইপের দাবির সঙ্গে যাচাইযোগ্য তথ্যের পার্থক্য রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের কারণে দেশে তালাকের সংখ্যা কমেছে কি না, তা প্রমাণ করার মতো কোনো পরিসংখ্যান এই প্রতিবেদনগুলোর সঙ্গে প্রকাশিত হয়নি। কর্মসূচির আগে ও পরে তালাকের হার, কার্ডপ্রাপ্ত পরিবারের অভিজ্ঞতা এবং স্বামী-স্ত্রীর আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিয়ে তুলনামূলক গবেষণা ছাড়া এ ধরনের সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। আইনগত দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৭ ধারায় তালাকের লিখিত নোটিশ এবং সাধারণভাবে নোটিশ দেওয়ার পর ৯০ দিনের প্রক্রিয়ার বিধান রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড এই আইনগত প্রক্রিয়ার বিকল্প নয়। ফ্যামিলি কার্ড নারীর হাতে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিয়ে তাঁর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বাড়াতে পারে—এটি কর্মসূচির ঘোষিত লক্ষ্য। কিন্তু এই সহায়তা পারিবারিক সহিংসতা, দাম্পত্য বিরোধ কিংবা তালাকের সিদ্ধান্ত কতটা কমাতে পারছে, তা জানতে স্বাধীন মূল্যায়ন ও নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান প্রয়োজন। চিফ হুইপের বক্তব্য তাই সরকারের কর্মসূচি সম্পর্কে তাঁর দাবি হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে, প্রমাণিত সামাজিক ফলাফল হিসেবে নয়।
শিশু হাসপাতালে ২৩ দিনের নবজাতকের বিরল টিউমার সফলভাবে অপসারণ করেছেন চিকিৎসকেরা
‘আমার তিন বোনের পাঁচ–ছেলে মেয়ে মা রা গেছে, ওরা ৯ জন বেড়াতে এসেছিল’
চট্টগ্রাম কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের 'ফারসি রহমান' পেলেন সুইডেনের ৭১ লাখ টাকার স্কলারশিপ
৪৫তম বিসিএসে অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারে ১১তম মেধাক্রমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগের গেজেটে নাম আসেনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সুমি আক্তারের। এ ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে সিদ্ধান্তের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা ও ন্যায়বিচার চেয়েছেন তিনি। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত গেজেটে তাঁর নাম ছিল না। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, সুমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। এর আগে তিনটি বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পরে ৪৫তম বিসিএসে অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস এবং ৪৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পান। দ্বিতীয়টিতে তাঁর মেধাক্রম ৬৭। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে সুমি জানান, বিসিএসের প্রস্তুতিতে তাঁর সাত বছর কেটেছে। গেজেটে নাম না আসায় নিজের কর্মজীবনের পাশাপাশি পরিবারের প্রত্যাশা ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি। কোনো অভিযোগ থাকলে তার ন্যায্য মূল্যায়ন এবং অন্যায় হয়ে থাকলে প্রতিকার চেয়েছেন তিনি। সুমির স্বামী এম এ তাহেরও বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন। চট্টল ভয়েসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তাঁর ভাষ্য, দীর্ঘ প্রস্তুতি, সংসার ও মাতৃত্বের নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সুমি বিসিএসের পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। সুপারিশ পাওয়ার পরও স্ত্রীর নাম গেজেটে না থাকার কারণ জানতে চেয়েছেন তিনি। তবে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগেই সুমিকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এমন কারণ নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি পর্যালোচিত প্রতিবেদনগুলোতে। তাঁর স্বামীর রাজনৈতিক পরিচয় এবং নিয়োগের গেজেটে নাম না থাকার বিষয়টি থেকে বাদ পড়ার কারণ নিশ্চিত করা যায় না। সুমি তাঁর বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা ও অভিযোগ থাকলে তা ন্যায্যভাবে মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: মৃত ৬ জনের নাম-পরিচয় প্রকাশ,উদ্ধারকাজ চলছে
কক্সবাজারের ইনানীতে কাঠের রিসোর্টে ভয়াবহ আ গু ন, চারজনের মৃ ত্যু, নিখোঁজ আরও সাত পর্যটক
লক্ষ্মীপুরে ৭১০ কোটি টাকার সুপারি বিক্রি! শ্রমিকেরও বাড়তি আয়
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘হিলারি রোডহ্যাম ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, ‘হিলারী ক্লিনটন তো অনেক বোকা! আবার ড. ইউনূসকে পুরস্কৃত করেছে!!’ দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ড. ইউনূসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। এ সম্মাননা পাওয়ার প্রসঙ্গেই ফেসবুকে মন্তব্য করেন আসিফ নজরুল। শুক্রবার প্রকাশিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাতে প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্টন হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত, উদ্যোক্তা, শিক্ষক ও গবেষকসহ প্রায় ৪০০ অতিথি উপস্থিত ছিলেন। ড. ইউনূসের নাম ঘোষণার পর অতিথিরা দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ করতালি দিয়ে তাঁকে সম্মান জানান। এ বছর ড. ইউনূসসহ মোট চারজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। অন্য তিনজন হলেন ভারতের সেলফ এমপ্লয়েড উইমেন্স অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক রিমা নানাবতী, ফ্যাশন ডিজাইনার ও টোরি বার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা টোরি বার্চ এবং জর্ডানের মাইক্রোফান্ড ফর উইমেনের বোর্ড চেয়ার মুনা সুখতিয়ান। মুনা সুখতিয়ানকে বিশেষ ‘জর্জটাউন অ্যাম্বাসেডরস অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। সূত্র: ইত্তেফাক
জবিতে পশু জ বা ইয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে উপাচার্য ভবনের পাশে গরু জ বা ই
ছাত্রীদের বিকৃত ছবি তৈরি, বাংলাদেশি শিক্ষক আবুসালি রহমানের ৬ বছরের কারাদণ্ড