ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনে ইন্টারেস্ট কমানোর সুযোগ, অটোপেতে নাম লেখানোর সময় বাড়ল
যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল স্টুডেন্ট লোন পরিশোধ করছেন এমন ঋণগ্রহীতারা সুদের হার সাময়িকভাবে ১ শতাংশ কমানোর জন্য আরও সময় পাচ্ছেন। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশন অটোপে ব্যবস্থায় নাম লেখানোর সময়সীমা বাড়িয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অটোপেতে যুক্ত হলে যোগ্য ঋণগ্রহীতারা ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই বাড়তি সুদছাড় পেতে পারেন।
এই সুবিধা মূলত তাঁদের জন্য, যারা এখনো প্রতি মাসে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করেন। অটোপেতে নাম লেখালে মাসিক কিস্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হবে এবং সুদের হারে ১ শতাংশ পয়েন্ট ছাড় পাওয়া যাবে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে অটোপে ডিসকাউন্ট আগের ০.২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, যোগ্য ঋণগ্রহীতারা ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট ইস্টার্ন টাইমের মধ্যে অটোপেতে নাম লেখাতে পারবেন। এর আগে কিছু সার্ভিসারের নোটিশে ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
এই ছাড় সব ধরনের ঋণে প্রযোজ্য নয়। ফেডারেল লোন সার্ভিসারদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১ জুলাই বা তার পরে বিতরণ করা নির্দিষ্ট ডাইরেক্ট লোন এই সাময়িক ১ শতাংশ অটোপে ডিসকাউন্টের আওতায় পড়তে পারে। নিজের লোন যোগ্য কি না, তা সংশ্লিষ্ট লোন সার্ভিসারের অ্যাকাউন্টে গিয়ে যাচাই করতে হবে।
উদাহরণ হিসেবে, কারও ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনের সুদের হার ৬.৫ শতাংশ হলে যোগ্যতা সাপেক্ষে অটোপেতে যুক্ত হওয়ার পর কার্যকর হার সাময়িকভাবে ৫.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে এতে মূল ঋণের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী সুদের হার পরিবর্তন হয় না। বরং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পেমেন্টে একটি সুদছাড় কার্যকর থাকে।
এই সুবিধা এমন সময়ে দেওয়া হচ্ছে, যখন নতুন ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনের সুদের হার তুলনামূলকভাবে উঁচু। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রথমবার বিতরণ করা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডাইরেক্ট সাবসিডাইজড ও আনসাবসিডাইজড লোনের স্থায়ী সুদের হার ৬.৫২ শতাংশ।
গ্র্যাজুয়েট বা প্রফেশনাল শিক্ষার্থীদের ডাইরেক্ট আনসাবসিডাইজড লোনের হার ৮.০৭ শতাংশ এবং ডাইরেক্ট প্লাস লোনের হার ৯.০৭ শতাংশ। ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনে সুদ প্রতিদিন জমা হয়। অর্থাৎ ঋণের বকেয়া মূল অর্থ এবং প্রযোজ্য সুদের হার অনুযায়ী প্রতিদিন নতুন সুদ যোগ হতে থাকে। এ কারণে ১ শতাংশ পয়েন্টের ছাড় দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় আনতে পারে, বিশেষ করে যাঁদের ঋণের পরিমাণ বেশি।
তবে অটোপেতে নাম লেখানোর আগে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ আছে কি না তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। স্বয়ংক্রিয় পেমেন্ট ব্যর্থ হলে ব্যাংক ফি বা পেমেন্ট-সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের নিজেদের লোন সার্ভিসারের ওয়েবসাইটে গিয়ে অটোপের শর্ত, যোগ্যতা ও কার্যকর তারিখ দেখে নেওয়া উচিত।
ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনে একাধিক ঋণ থাকলে কনসোলিডেশন আরেকটি বিকল্প হতে পারে, তবে সেটি কেবল সুদ কমানোর উপায় নয়। ডাইরেক্ট কনসোলিডেশন লোনে একাধিক ঋণকে একটিতে একত্র করা যায়, কিন্তু নতুন সুদের হার সাধারণত আগের ঋণগুলোর ওজনযুক্ত গড়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় এবং তা কাছাকাছি এক-অষ্টমাংশ শতাংশে রাউন্ড করা হয়। ফলে কনসোলিডেশন করলেই সুদের হার কমবে এমন নিশ্চয়তা নেই।
বর্তমান অটোপে সুবিধার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সময়সীমা। যারা এখনো ম্যানুয়ালি ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনের কিস্তি দিচ্ছেন এবং যোগ্য লোন আছে, তাদের জন্য ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত অটোপেতে নাম লেখানোর সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্ত হলে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১ শতাংশ পয়েন্ট সুদছাড় কার্যকর থাকতে পারে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
শিক্ষা
View moreযুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল স্টুডেন্ট লোন পরিশোধ করছেন এমন ঋণগ্রহীতারা সুদের হার সাময়িকভাবে ১ শতাংশ কমানোর জন্য আরও সময় পাচ্ছেন। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশন অটোপে ব্যবস্থায় নাম লেখানোর সময়সীমা বাড়িয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অটোপেতে যুক্ত হলে যোগ্য ঋণগ্রহীতারা ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই বাড়তি সুদছাড় পেতে পারেন। এই সুবিধা মূলত তাঁদের জন্য, যারা এখনো প্রতি মাসে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করেন। অটোপেতে নাম লেখালে মাসিক কিস্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হবে এবং সুদের হারে ১ শতাংশ পয়েন্ট ছাড় পাওয়া যাবে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে অটোপে ডিসকাউন্ট আগের ০.২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, যোগ্য ঋণগ্রহীতারা ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট ইস্টার্ন টাইমের মধ্যে অটোপেতে নাম লেখাতে পারবেন। এর আগে কিছু সার্ভিসারের নোটিশে ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এই ছাড় সব ধরনের ঋণে প্রযোজ্য নয়। ফেডারেল লোন সার্ভিসারদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালের ১ জুলাই বা তার পরে বিতরণ করা নির্দিষ্ট ডাইরেক্ট লোন এই সাময়িক ১ শতাংশ অটোপে ডিসকাউন্টের আওতায় পড়তে পারে। নিজের লোন যোগ্য কি না, তা সংশ্লিষ্ট লোন সার্ভিসারের অ্যাকাউন্টে গিয়ে যাচাই করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে, কারও ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনের সুদের হার ৬.৫ শতাংশ হলে যোগ্যতা সাপেক্ষে অটোপেতে যুক্ত হওয়ার পর কার্যকর হার সাময়িকভাবে ৫.৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে এতে মূল ঋণের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী সুদের হার পরিবর্তন হয় না। বরং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পেমেন্টে একটি সুদছাড় কার্যকর থাকে। এই সুবিধা এমন সময়ে দেওয়া হচ্ছে, যখন নতুন ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনের সুদের হার তুলনামূলকভাবে উঁচু। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রথমবার বিতরণ করা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডাইরেক্ট সাবসিডাইজড ও আনসাবসিডাইজড লোনের স্থায়ী সুদের হার ৬.৫২ শতাংশ। গ্র্যাজুয়েট বা প্রফেশনাল শিক্ষার্থীদের ডাইরেক্ট আনসাবসিডাইজড লোনের হার ৮.০৭ শতাংশ এবং ডাইরেক্ট প্লাস লোনের হার ৯.০৭ শতাংশ। ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনে সুদ প্রতিদিন জমা হয়। অর্থাৎ ঋণের বকেয়া মূল অর্থ এবং প্রযোজ্য সুদের হার অনুযায়ী প্রতিদিন নতুন সুদ যোগ হতে থাকে। এ কারণে ১ শতাংশ পয়েন্টের ছাড় দীর্ঘমেয়াদে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় আনতে পারে, বিশেষ করে যাঁদের ঋণের পরিমাণ বেশি। তবে অটোপেতে নাম লেখানোর আগে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ আছে কি না তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। স্বয়ংক্রিয় পেমেন্ট ব্যর্থ হলে ব্যাংক ফি বা পেমেন্ট-সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের নিজেদের লোন সার্ভিসারের ওয়েবসাইটে গিয়ে অটোপের শর্ত, যোগ্যতা ও কার্যকর তারিখ দেখে নেওয়া উচিত। ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনে একাধিক ঋণ থাকলে কনসোলিডেশন আরেকটি বিকল্প হতে পারে, তবে সেটি কেবল সুদ কমানোর উপায় নয়। ডাইরেক্ট কনসোলিডেশন লোনে একাধিক ঋণকে একটিতে একত্র করা যায়, কিন্তু নতুন সুদের হার সাধারণত আগের ঋণগুলোর ওজনযুক্ত গড়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় এবং তা কাছাকাছি এক-অষ্টমাংশ শতাংশে রাউন্ড করা হয়। ফলে কনসোলিডেশন করলেই সুদের হার কমবে এমন নিশ্চয়তা নেই। বর্তমান অটোপে সুবিধার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সময়সীমা। যারা এখনো ম্যানুয়ালি ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনের কিস্তি দিচ্ছেন এবং যোগ্য লোন আছে, তাদের জন্য ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত অটোপেতে নাম লেখানোর সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্ত হলে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১ শতাংশ পয়েন্ট সুদছাড় কার্যকর থাকতে পারে।
১১ বছর সিকিউরিটি গার্ড, কলেজে ডিগ্রী অর্জনের পর অবশেষে সেই ব্যাংকেই অফিসার তিনি
চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে হার্ভার্ড, এখন ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মালবিকা সরকার
৩.৪৬ সিজিপিএ নিয়েই হার্ভার্ডে, গবেষণায় পথ খুলেছেন জাবির রিপন
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটিতে ২০২৭ সালের স্প্রিং সেমিস্টারের জন্য পিএইচডি পর্যায়ে গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্ল্যান্ট অ্যান্ড সয়েল সায়েন্স বিভাগে এই গবেষণা সহকারী পদে নির্বাচিত শিক্ষার্থী টেকসই ও অর্গানিক কৃষি ব্যবস্থার ওপর গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গবেষণার মূল বিষয় হবে অর্গানিক তরমুজ উৎপাদন ব্যবস্থায় অ্যানেরোবিক সয়েল ডিসইনফেস্টেশন বা অক্সিজেন সীমিত করে মাটিতে রোগজীবাণু ও আগাছা নিয়ন্ত্রণের একটি পদ্ধতি। একই সঙ্গে বায়োডিগ্রেডেবল মালচ ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা, পুষ্টি উপাদানের প্রাপ্যতা, পুষ্টিচক্র, মাটির জৈবিক কার্যক্রম, আগাছার উদ্ভব ও দমন, মাটির স্বাস্থ্য এবং ফসলের উৎপাদনশীলতায় কী ধরনের প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণা করা হবে। এই গবেষণায় মাঠপর্যায়ের কাজের পাশাপাশি ল্যাবরেটরিভিত্তিক গবেষণাও থাকবে। ফলে আগাছাবিজ্ঞান, মাটির উর্বরতা, মাটির জীববিজ্ঞান, টেকসই কৃষি এবং অর্গানিক ফসল উৎপাদনের একাধিক ক্ষেত্র নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আবেদনকারীদের মাঠপর্যায়ের গবেষণা, মাটি ও উদ্ভিদের নমুনা সংগ্রহ, ল্যাবরেটরি বিশ্লেষণ এবং পরিসংখ্যানভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণের অভিজ্ঞতা থাকলে তা বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আবেদনকারীদের এগ্রোনমি, উইড সায়েন্স, সয়েল সায়েন্স, হর্টিকালচার, ক্রপ সায়েন্স অথবা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব বিষয়ের শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। পদটি টেক্সাসের লাবক শহরে অবস্থিত টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটির প্ল্যান্ট অ্যান্ড সয়েল সায়েন্স বিভাগে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীর গবেষণা কার্যক্রম ২০২৭ সালের স্প্রিং সেমিস্টারে শুরু হওয়ার কথা। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুলের তথ্য অনুযায়ী, প্ল্যান্ট অ্যান্ড সয়েল সায়েন্স পিএইচডি প্রোগ্রামের ২০২৭ স্প্রিং সেমিস্টারের আবেদন সময়সীমা ১৫ অক্টোবর ২০২৬। প্ল্যান্ট অ্যান্ড সয়েল সায়েন্সে পিএইচডি প্রোগ্রামে মোট ৭২ ক্রেডিট আওয়ার সম্পন্ন করতে হয়। এর মধ্যে স্নাতক ডিগ্রির পর ৬০ ক্রেডিট আওয়ার গ্র্যাজুয়েট কোর্সওয়ার্ক এবং ১২ ক্রেডিট আওয়ার গবেষণামূলক অভিসন্দর্ভের জন্য নির্ধারিত। শিক্ষার্থীরা ক্রপ প্রোটেকশন, ক্রপ সায়েন্স, সয়েল সায়েন্স এবং ফাইবারস অ্যান্ড বায়োপলিমারসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষায়নের সুযোগ পান। গবেষণা সহকারী পদের জন্য আগ্রহীদের জীবনবৃত্তান্ত, অনানুষ্ঠানিক একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, গবেষণার আগ্রহ ও পূর্ব অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং তিনজন রেফারির যোগাযোগের তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনপত্র সরাসরি সংশ্লিষ্ট গবেষকের কাছে ইমেইলে পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে পদটিকে গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও নির্দিষ্ট মাসিক স্টাইপেন্ড, টিউশন ওয়েভার, হেলথ ইন্স্যুরেন্স কিংবা অন্যান্য আর্থিক সুবিধার পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। তাই আবেদন করার আগে অর্থায়নের পূর্ণ শর্ত, সহকারী পদের মেয়াদ এবং টিউশন সুবিধা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট গবেষক বা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ থেকে নিশ্চিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের গবেষণা সহকারী পদ যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হতে পারে। তবে শুধু গবেষণা সহকারী পদের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত হয় না। সংশ্লিষ্ট পিএইচডি প্রোগ্রামের একাডেমিক ভর্তি শর্তও পূরণ করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। বিশেষ করে যারা এগ্রোনমি, সয়েল সায়েন্স, ক্রপ সায়েন্স, হর্টিকালচার বা আগাছাবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স শেষ করেছেন এবং টেকসই কৃষি, অর্গানিক উৎপাদন ব্যবস্থা বা মাটির স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণায় আগ্রহী, তাদের জন্য এই সুযোগটি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। আবেদনকারীদের জীবনবৃত্তান্ত ও গবেষণার আগ্রহের বিবরণ প্রস্তুতের সময় পূর্বের গবেষণার অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ের কাজ, ল্যাবরেটরি দক্ষতা এবং পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের অভিজ্ঞতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা উচিত।
ডিগ্রি থাকলেও নিউইয়র্কে এবার বিনামূল্যে কলেজ, নতুন ক্যারিয়ারের দরজা খুলছে হাজারো মানুষের জন্য
বুয়েটের ডিগ্রি, বিসিএস ক্যাডারের চাকরি ছেড়ে প্রাথমিকের শিক্ষক নায়লা
শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে ঢাবিকে বিশ্বসেরাদের কাতারে নেওয়ার আহ্বান
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন, কিন্তু সিজিপিএ তুলনামূলক কম? সিজিপিএ কম হলেও দেশটির কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। তবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নাম থাকলেই ভর্তি বা সম্পূর্ণ স্কলারশিপ নিশ্চিত—এমন ধারণা ঠিক নয়। আবেদনকারীর পছন্দের বিভাগ, ডিগ্রির ধরন এবং অর্থায়নের শর্ত আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেওয়া আবদুল হাকিম তিস্তির নামে সরবরাহ করা ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় এমন প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য ন্যূনতম জিপিএ ২ দশমিক ৫০। আবার একই তালিকার কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যূনতম জিপিএ ৩ দশমিক ০০ প্রয়োজন। ইউনিভার্সিটি অব ডেনভারের আন্তর্জাতিক গ্র্যাজুয়েট ভর্তি নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণভাবে স্নাতক ডিগ্রিতে যুক্তরাষ্ট্রের মান অনুযায়ী ন্যূনতম ২ দশমিক ৫০ জিপিএ অথবা সম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট কোর্সওয়ার্কে ৩ দশমিক ০০ জিপিএ প্রয়োজন হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম আলাদা শর্ত দিলে সেটিই প্রযোজ্য হবে। ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, সান মার্কোসের সাধারণ গ্র্যাজুয়েট ভর্তি শর্তেও সর্বশেষ সম্পন্ন ডিগ্রি অথবা শেষ ৬০ সেমিস্টার ক্রেডিটে অন্তত ২ দশমিক ৫০ জিপিএ গ্রহণের বিধান রয়েছে। তবে কোনো বিভাগ অতিরিক্ত যোগ্যতা নির্ধারণ করলে আবেদনকারীকে তা পূরণ করতে হবে। ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো বোল্ডারে সাধারণ গ্র্যাজুয়েট ভর্তির জন্য স্নাতক পর্যায়ে ন্যূনতম ২ দশমিক ৭৫ জিপিএ প্রয়োজন। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজন ৩ দশমিক ০০। তবে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কম জিপিএধারী আবেদনকারীর আবেদনও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে টেক্সাস উইমেনস ইউনিভার্সিটিতে সাধারণভাবে স্নাতকের শেষ ৬০ সেমিস্টার ক্রেডিটে ৩ দশমিক ০০ জিপিএ প্রয়োজন। তবে সংশ্লিষ্ট একাডেমিক বিভাগ চাইলে ওই অংশে অন্তত ২ দশমিক ৫০ জিপিএ থাকা আবেদনকারীকে সাময়িক ভর্তির জন্য বিবেচনা করতে পারে। অর্থাৎ শুধু মোট সিজিপিএ নয়, শেষ কয়েক বছরের একাডেমিক ফলও কিছু ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তালিকায় থাকা ইউনিভার্সিটি অব মেইন অ্যাট প্রেস্ক আইলের ক্ষেত্রেও প্রোগ্রামভেদে পার্থক্য রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মাস্টার অব আর্টস ইন অর্গানাইজেশনাল লিডারশিপ এবং মাস্টার অব সায়েন্স ইন বিজনেস প্রোগ্রামে ন্যূনতম ৩ দশমিক ০০ জিপিএ প্রয়োজন। তাই পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে এক কথায় ‘কম সিজিপিএতে ভর্তির বিশ্ববিদ্যালয়’ বলা ঠিক হবে না। সরবরাহ করা তালিকার প্রথম ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো—কলোরাডোর ইউনিভার্সিটি অব ডেনভার, ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি সান মার্কোস, আলাবামার আলাবামা এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটি, আরকানসাসের আরকানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি, জর্জিয়ার ফোর্ট ভ্যালি স্টেট ইউনিভার্সিটি, আইওয়ার ইউনিভার্সিটি অব নর্দার্ন আইওয়া, লুইজিয়ানার ইউনিভার্সিটি অব লুইজিয়ানা অ্যাট মনরো, আরকানসাসের ইউনিভার্সিটি অব আরকানসাস অ্যাট লিটল রক, ক্যানসাসের ফোর্ট হেইস স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং ম্যাসাচুসেটসের ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস ডার্টমাউথ। পরের ১০টি হলো—মেইনের ইউনিভার্সিটি অব মেইন অ্যাট প্রেস্ক আইল, ভার্জিনিয়ার লিবার্টি ইউনিভার্সিটি, কলোরাডোর ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো বোল্ডার, আইডাহোর ইউনিভার্সিটি অব আইডাহো, টেক্সাসের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টন ক্লিয়ার লেক, ওয়েস্ট টেক্সাস এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটি, আলাবামার ট্রয় ইউনিভার্সিটি, টেক্সাসের টেক্সাস এ অ্যান্ড এম ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, মিজৌরির ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল মিজৌরি এবং মিজৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটি। ২১ থেকে ৩০ নম্বরে রয়েছে—মিশিগানের ইস্টার্ন মিশিগান ইউনিভার্সিটি, ওয়েস্টার্ন মিশিগান ইউনিভার্সিটি ও সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটি, উইসকনসিনের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন মিলওয়াকি, টেক্সাসের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ টেক্সাস ও টেক্সাস উইমেনস ইউনিভার্সিটি, লুইজিয়ানার ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিন্স, মিসিসিপির জ্যাকসন স্টেট ইউনিভার্সিটি, লুইজিয়ানার সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড এ অ্যান্ড এম কলেজ এবং টেক্সাসের প্রেইরি ভিউ এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটি। তালিকার শেষ ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো—ওহাইওর কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটি, ক্লিভল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব টলিডো, ক্যানসাসের উইচিটা স্টেট ইউনিভার্সিটি, কেনটাকির ইস্টার্ন কেনটাকি ইউনিভার্সিটি ও মারে স্টেট ইউনিভার্সিটি, টেনেসির টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটি, আলাবামার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্ট আলাবামা এবং টেক্সাসের লামার ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আরলিংটন। তবে এই ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রোগ্রামে কম সিজিপিএ গ্রহণ করা হবে বা সব আবেদনকারীকে সম্পূর্ণ অর্থায়ন দেওয়া হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে কোনো একটি মাস্টার্স প্রোগ্রামের যোগ্যতা দেখে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি প্রোগ্রাম বা অর্থায়নের সুযোগ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। ভর্তি যোগ্যতার পাশাপাশি অর্থায়নের বিষয়টিও আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি। ইউনিভার্সিটি অব ডেনভারের তথ্য অনুযায়ী, গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ সংশ্লিষ্ট একাডেমিক বিভাগ থেকে দেওয়া হয়। বিভাগভেদে টিচিং, রিসার্চ ও সার্ভিস অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের সুযোগও থাকতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপকে প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাই ন্যূনতম ভর্তি যোগ্যতা পূরণ করলেই স্কলারশিপ নিশ্চিত—এমনটি ভাবার সুযোগ নেই। আবেদনের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি শর্তের পাশাপাশি পছন্দের বিভাগের নির্দিষ্ট নির্দেশনাও ভালোভাবে পড়তে হবে। ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল মিজৌরির কিছু গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে জিআরই বা জিম্যাট, নির্দিষ্ট ন্যূনতম জিপিএ, সুপারিশপত্র এবং স্টেটমেন্ট অব পারপাসের মতো অতিরিক্ত নথি প্রয়োজন হতে পারে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জিপিএর সমমান নির্ধারণ। ডেনভারের আন্তর্জাতিক ভর্তি নির্দেশনায় যুক্তরাষ্ট্রের সমমানের জিপিএর কথা বলা হয়েছে। তাই বাংলাদেশের ট্রান্সক্রিপ্টে থাকা সিজিপিএ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নির্দিষ্ট জিপিএর সঙ্গে মিলিয়ে আবেদনযোগ্যতা নিশ্চিত করা উচিত নয়। যে প্রোগ্রামে আবেদন করতে চান, সেই বিভাগের ভর্তি দপ্তরের কাছ থেকে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথি এবং অর্থায়নের শর্ত নিশ্চিত করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
ইউনিভার্সিটি অব মিসৌরিতে মাস্টার্স-পিএইচডিতে অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ ভাতা ও টিউশন সহায়তা
মানিকগঞ্জের গ্রাম থেকে অক্সফোর্ডের গবেষণাগারে: নতুন অধ্যায়ে বিজ্ঞানী উজ্জ্বল