সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
শিক্ষা

নিউইয়র্কে শিশুদের ভবিষ্যৎ শিক্ষার জন্য সঞ্চয়ের সুযোগ, বাংলাভাষী অভিভাবকদের জন্য বিশেষ কর্মশালা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ৭, ২০২৬ ১১:১২
অভিভাবকদের সাথে শিক্ষার্থীদের গ্রুপ ফটো।
অভিভাবকদের সাথে শিক্ষার্থীদের গ্রুপ ফটো।

নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী পরিবারগুলোর জন্য শিশুদের ভবিষ্যৎ কলেজ ও ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণের খরচ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সুযোগ সামনে এসেছে। নিউইয়র্ক সিটির NYC Kids RISE Save for College Program বুধবার, ৭ অক্টোবর বাংলাসহ একাধিক ভাষায় বিনামূল্যের তথ্যভিত্তিক কর্মশালার আয়োজন করেছে।

 

কর্মশালাটির মূল লক্ষ্য হলো নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলে পড়া শিশুদের পরিবারকে কলেজ ও ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণের জন্য সঞ্চয় কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো। আজকের কর্মশালায় ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা, উর্দু ও কোরিয়ান ভাষায় সরাসরি অনুবাদের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

 

NYC Kids RISE-এর তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলে কিন্ডারগার্টেন থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়া শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচির আওতায় আসে। অংশগ্রহণকারী চার্টার স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এর অন্তর্ভুক্ত। পরিবারের আয় বা অভিবাসন-সংক্রান্ত অবস্থার ওপর ভিত্তি করে এই প্রাথমিক অন্তর্ভুক্তি নির্ধারিত হয় না।

 

এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য শিশুদের জন্য একটি NYC Scholarship Account তৈরি করা হয়। এই অ্যাকাউন্টে কলেজ ও ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকে। পরিবারগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন পুরস্কার ও কমিউনিটি স্কলারশিপের মাধ্যমে সন্তানের অ্যাকাউন্টে আরও অর্থ যোগ করার সুযোগ পেতে পারে।

 

বাংলাদেশি-আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য বাংলায় তথ্য পাওয়ার সুযোগটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিউইয়র্কে বড় বাংলাদেশি কমিউনিটি রয়েছে এবং বাংলা ভাষায় সরকারি বা কমিউনিটি সেবার তথ্য পাওয়া অনেক পরিবারের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ করে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অভিবাসীদের দীর্ঘদিনের কমিউনিটি উপস্থিতিও রয়েছে।

 

আজকের কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা কীভাবে কর্মসূচিতে যুক্ত হতে পারবেন, সন্তানের অ্যাকাউন্ট কীভাবে ব্যবহার করবেন এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য সঞ্চয়ের সুযোগ কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে জানতে পারবেন।

 

এই ধরনের কর্মসূচি বিশেষ করে নতুন অভিবাসী ও মধ্যম আয়ের পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে কলেজের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হতে পারে। ছোটবেলা থেকে সঞ্চয়ের সুযোগ সম্পর্কে পরিবারকে সচেতন করা ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যয় পরিকল্পনায় সহায়তা করতে পারে।

 

নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিভাবকদের জন্য তাই সন্তানের স্কুল ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সরকারি সুবিধাগুলোর পাশাপাশি এই ধরনের সঞ্চয় ও বৃত্তি কর্মসূচির তথ্য নিয়মিত যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

 

আজকের কর্মশালাটি ৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচিটি নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলস ও নিউইয়র্ক সিটির অংশীদারিত্বে পরিচালিত হচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

শিক্ষা

View more
অভিভাবকদের সাথে শিক্ষার্থীদের গ্রুপ ফটো।
নিউইয়র্কে শিশুদের ভবিষ্যৎ শিক্ষার জন্য সঞ্চয়ের সুযোগ, বাংলাভাষী অভিভাবকদের জন্য বিশেষ কর্মশালা

নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী পরিবারগুলোর জন্য শিশুদের ভবিষ্যৎ কলেজ ও ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণের খরচ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সুযোগ সামনে এসেছে। নিউইয়র্ক সিটির NYC Kids RISE Save for College Program বুধবার, ৭ অক্টোবর বাংলাসহ একাধিক ভাষায় বিনামূল্যের তথ্যভিত্তিক কর্মশালার আয়োজন করেছে।   কর্মশালাটির মূল লক্ষ্য হলো নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলে পড়া শিশুদের পরিবারকে কলেজ ও ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণের জন্য সঞ্চয় কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো। আজকের কর্মশালায় ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা, উর্দু ও কোরিয়ান ভাষায় সরাসরি অনুবাদের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।   NYC Kids RISE-এর তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলে কিন্ডারগার্টেন থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়া শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচির আওতায় আসে। অংশগ্রহণকারী চার্টার স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এর অন্তর্ভুক্ত। পরিবারের আয় বা অভিবাসন-সংক্রান্ত অবস্থার ওপর ভিত্তি করে এই প্রাথমিক অন্তর্ভুক্তি নির্ধারিত হয় না।   এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য শিশুদের জন্য একটি NYC Scholarship Account তৈরি করা হয়। এই অ্যাকাউন্টে কলেজ ও ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকে। পরিবারগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন পুরস্কার ও কমিউনিটি স্কলারশিপের মাধ্যমে সন্তানের অ্যাকাউন্টে আরও অর্থ যোগ করার সুযোগ পেতে পারে।   বাংলাদেশি-আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য বাংলায় তথ্য পাওয়ার সুযোগটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিউইয়র্কে বড় বাংলাদেশি কমিউনিটি রয়েছে এবং বাংলা ভাষায় সরকারি বা কমিউনিটি সেবার তথ্য পাওয়া অনেক পরিবারের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ করে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অভিবাসীদের দীর্ঘদিনের কমিউনিটি উপস্থিতিও রয়েছে।   আজকের কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা কীভাবে কর্মসূচিতে যুক্ত হতে পারবেন, সন্তানের অ্যাকাউন্ট কীভাবে ব্যবহার করবেন এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য সঞ্চয়ের সুযোগ কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে জানতে পারবেন।   এই ধরনের কর্মসূচি বিশেষ করে নতুন অভিবাসী ও মধ্যম আয়ের পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে কলেজের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হতে পারে। ছোটবেলা থেকে সঞ্চয়ের সুযোগ সম্পর্কে পরিবারকে সচেতন করা ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যয় পরিকল্পনায় সহায়তা করতে পারে।   নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিভাবকদের জন্য তাই সন্তানের স্কুল ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সরকারি সুবিধাগুলোর পাশাপাশি এই ধরনের সঞ্চয় ও বৃত্তি কর্মসূচির তথ্য নিয়মিত যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।   আজকের কর্মশালাটি ৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচিটি নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলস ও নিউইয়র্ক সিটির অংশীদারিত্বে পরিচালিত হচ্ছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৭, ২০২৬ ১১:১২
শিক্ষার্থীদের সমাবর্তন।

ফেডারেল স্টুডেন্ট লোনে ইন্টারেস্ট কমানোর সুযোগ, অটোপেতে নাম লেখানোর সময় বাড়ল

রিকার্ডো

১১ বছর সিকিউরিটি গার্ড, কলেজে ডিগ্রী অর্জনের পর অবশেষে সেই ব্যাংকেই অফিসার তিনি

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য গবেষণা ও শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন অধ্যাপক মালবিকা সরকার। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে হার্ভার্ড, এখন ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মালবিকা সরকার

সিজিপিএ ৩.৫-এর নিচে থাকা সত্ত্বেও নিজের মেধা ও গবেষণা দিয়ে হার্ভার্ডে সুযোগ পেয়েছেন রেজাউল করিম রিপন। ছবি: সংগৃহীত
৩.৪৬ সিজিপিএ নিয়েই হার্ভার্ডে, গবেষণায় পথ খুলেছেন জাবির রিপন

সিজিপিএ ৩.৫-এর নিচে হলে বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়া কঠিন, এমন ধারণা অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই রয়েছে। সেই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে নিজের গবেষণা ও একাডেমিক কাজ দিয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে নিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের শিক্ষার্থী রেজাউল করিম রিপন। স্নাতকের তৃতীয় বর্ষ শেষে তাঁর সিজিপিএ ছিল ৩.৪৬। সেই ফলাফল নিয়েই তিনি হার্ভার্ডে মাস্টার্সে ভর্তির সুযোগ পান।    ২০২৩ সালে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রিপনের এই পথচলার বিস্তারিত উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকের তৃতীয় বর্ষ শেষ করার সময় তাঁর সিজিপিএ ছিল ৩.৪৬। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের আগে তিনি কোনো ভাষা দক্ষতা পরীক্ষাতেও অংশ নেননি। তারপরও গবেষণার অভিজ্ঞতা ও প্রকাশিত কাজ তাঁর উচ্চশিক্ষার প্রোফাইলকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং শেষ পর্যন্ত তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের সুযোগ পান।    রিপনের গল্প অবশ্য শুধু ৩.৪৬ সিজিপিএ নিয়ে হার্ভার্ডে পৌঁছানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় থেকেই তিনি গবেষণায় সক্রিয় হন। জনস্বাস্থ্য, রোগের বৈশ্বিক বোঝা, সামাজিক ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণায় তাঁর সম্পৃক্ততা তৈরি হয়। ২০২২ সালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফেসবুক আসক্তি নিয়ে প্রকাশিত একটি গবেষণায়ও তিনি গবেষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। সেখানে তাঁর পরিচয় ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের গবেষক হিসেবে।    বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী মেডিকেল জার্নাল দ্য ল্যানসেটেও প্রকাশিত গবেষণায় তাঁর নাম রয়েছে। ২০২১ সালে গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ স্টাডির অংশ হিসেবে বিশ্বজুড়ে শ্রবণশক্তি হ্রাসের প্রকোপ এবং এর কারণে মানুষ কত বছর প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জীবন কাটাচ্ছে, তা নিয়ে দ্য ল্যানসেটে প্রকাশিত একটি বড় আন্তর্জাতিক গবেষণায় রেজাউল করিম রিপন অবদান রাখেন। গবেষণাটিতে বিশ্বের বহু দেশের বিপুলসংখ্যক গবেষক অংশ নিয়েছিলেন।    হার্ভার্ডে যাওয়ার পরও তাঁর গবেষণার কাজ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় তাঁর পরিচয়ের সঙ্গে হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় উভয়ের নাম যুক্ত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের হৃদরোগ ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যসমস্যা নিয়ে করা সেই গবেষণায় তথ্য বিশ্লেষণ, গবেষণা পরিকল্পনা এবং গবেষণাপত্র তৈরিসহ একাধিক ক্ষেত্রে তিনি কাজ করেন।    পরবর্তী বছরগুলোতেও তাঁর গবেষণা কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জ্যামা নেটওয়ার্ক ওপেনে নারীদের শরীরে পিএফএএস নামের রাসায়নিকের সংস্পর্শ ও হরমোনজনিত পরিবর্তনের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশিত একটি গবেষণার প্রথম লেখক ছিলেন রিপন। সেখানে তাঁর পরিচয় দেওয়া হয়েছে হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের এনভায়রনমেন্টাল এপিডেমিওলজির গবেষক হিসেবে। গবেষণাটিতে তথ্যের যথার্থতা ও বিশ্লেষণের দায়িত্বও তাঁর ওপর ছিল।    ২০২৬ সালেও তাঁর গবেষণার ধারাবাহিকতা দেখা যাচ্ছে। ঢাকার কিশোরীদের মধ্যে জরায়ুমুখের ক্যানসার, এইচপিভি এবং এইচপিভি ভ্যাকসিন সম্পর্কে জ্ঞান ও টিকা নেওয়ার আগ্রহ নিয়ে প্রকাশিত একটি গবেষণায় তিনি প্রথম লেখক। ওই গবেষণাতেও তাঁর প্রতিষ্ঠান হিসেবে হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একই বছর পরিবেশে থাকা পিএফএএস রাসায়নিক এবং হৃদরোগের সম্পর্ক নিয়ে আরেকটি আন্তর্জাতিক গবেষণাতেও তিনি কাজ করেছেন।    রিপনের পথচলা উচ্চশিক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা সামনে আনে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত কেবল একটি সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। সিজিপিএ গুরুত্বপূর্ণ হলেও গবেষণার অভিজ্ঞতা, প্রকাশনা, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা, নিজের আগ্রহের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক কাজ এবং একটি শক্তিশালী একাডেমিক প্রোফাইলও আবেদনকে আলাদা করে তুলতে পারে।   তবে তাঁর সাফল্যকে কম সিজিপিএ থাকলেই হার্ভার্ড বা অন্য শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা হিসেবেও দেখা ঠিক হবে না। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামের ভর্তি প্রক্রিয়া আলাদা এবং আবেদনকারীর সামগ্রিক যোগ্যতা বিবেচনা করা হয়। রিপনের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে, তা হলো স্নাতক পর্যায় থেকেই গবেষণাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করা।   জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ থেকে হার্ভার্ডের জনস্বাস্থ্য গবেষণায় পৌঁছানো রেজাউল করিম রিপনের পথচলা তাই শুধু ৩.৪৬ সিজিপিএর গল্প নয়। এটি একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি গবেষণা, দক্ষতা ও ধারাবাহিক কাজ কীভাবে একজন শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথকে শক্তিশালী করতে পারে, তার একটি বাস্তব উদাহরণ। সূত্র: দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

প্রকাশ: অক্টোবর ৬, ২০২৬ ১০:১১
টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি গবেষণার সুযোগ

টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ, আবেদন করতে পারবেন কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ডিগ্রি থাকলেও নিউইয়র্কে এবার বিনামূল্যে কলেজ, নতুন ক্যারিয়ারের দরজা খুলছে হাজারো মানুষের জন্য

ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যাংকিং ক্যারিয়ার ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকে বেছে নিয়েছেন নায়লা শারাফ। ছবি: সংগৃহীত

বুয়েটের ডিগ্রি, বিসিএস ক্যাডারের চাকরি ছেড়ে প্রাথমিকের শিক্ষক নায়লা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে ঢাবিকে বিশ্বসেরাদের কাতারে নেওয়ার আহ্বান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করে প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যেতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।   বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।   রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাংলাদেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ নয়, এটি দেশের রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর অবস্থান শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।    সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দনও জানান।    উপাচার্য আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলে ছিলেন উপ-উপাচার্য শিক্ষা অধ্যাপক আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য প্রশাসন অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।    সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির সচিব এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন এবং প্রেস সচিব সরওয়ার আলমও উপস্থিত ছিলেন।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক অবস্থান নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে অগ্রগতির তথ্য পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের কিউএস বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয়বারের মতো বিশ্বের শীর্ষ ৬০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে।    এ ছাড়া টাইমস হায়ার এডুকেশনের ২০২৬ সালের প্রভাবভিত্তিক র‌্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বব্যাপী ৮০১ থেকে ১০০০তম অবস্থানের বন্ধনীতে ছিল। আগের বছরের তুলনায় এতে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থানের উন্নতি হয়েছে। এই র‌্যাঙ্কিংয়ে শিক্ষা, গবেষণার পরিবেশ, গবেষণার মান, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়।    বিশ্ববিদ্যালয়টির পক্ষ থেকেও আন্তর্জাতিক মান আরও উন্নত করার জন্য গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও গবেষণা সম্প্রসারণ, মেধাভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ এবং দেশ-বিদেশের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।    সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নিয়েও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে গড়ে ওঠে। এ জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন এবং গণতন্ত্র কার্যকর রাখতে প্রতিপক্ষ ও বিরোধী দলকে পর্যাপ্ত পরিসর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।    রাষ্ট্রপতির এই আহ্বানের মূল লক্ষ্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর বিষয়টি উঠে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে অগ্রগতির পাশাপাশি গবেষণা ও আন্তর্জাতিকীকরণে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো থেকে দেখা যায়।

প্রকাশ: অক্টোবর ৪, ২০২৬ ১৩:৮
কম সিজিপিএ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার আবেদন করার সুযোগ রয়েছে

কম সিজিপিএতেও যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করুন এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে, জেনে নিন শর্ত

ইউনিভার্সিটি অব মিসৌরিতে মাস্টার্স ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসিস্ট্যান্টশিপে ভাতা ও টিউশন সহায়তার সুযোগ

ইউনিভার্সিটি অব মিসৌরিতে মাস্টার্স-পিএইচডিতে অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ ভাতা ও টিউশন সহায়তা

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি.ফিল প্রোগ্রামে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মোহাম্মদ উজ্জ্বল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের গ্রাম থেকে অক্সফোর্ডের গবেষণাগারে: নতুন অধ্যায়ে বিজ্ঞানী উজ্জ্বল

0 Comments